Logo
শিরোনাম

ঢাবির ৫৩তম সমাবর্তন আজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৯ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৩তম সমাবর্তন আজ। শনিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হবে। এরই মধ্যে সার্বিক নিরাপত্তাসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সমাবর্তন ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সমাবর্তন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার, ভ্রাম্যমাণ দোকান উচ্ছেদ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধনমূলক কাজ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য এবার আলোকসজ্জা করেনি বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করবেন রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য মো. আবদুল হামিদ। নোবেল বিজয়ী ফরাসি অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. জিন তিরোলে বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। তাকে সম্মানসূচক ডক্তর অব লজ ডিগ্রি দেওয়া হবে।

৫৩তম সমাবর্তনের মহড়া গতকাল শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, সিনেট, সিন্ডেকেট ও একাডেমিক পরিষদের সদস্য এবং গ্র্যাজুয়েটরা অংশ নেন।

সমাবর্তনে অংশ নিতে ৩০ হাজার ৩৪৮ জন গ্র্যাজুয়েট ও গবেষক রেজিস্ট্রেশন করেছেন। অনুষ্ঠানে ১৩১ জন কৃতী শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীকে ১৫৩টি স্বর্ণপদক, ৯৭ জনকে পিএইচডি, ২ জনকে ডিবিএ এবং ৩৫ জনকে এম ফিল ডিগ্রি দেওয়া হবে। অধিভুক্ত সাত কলেজের রেজিস্ট্রেশনকৃত গ্র্যাজুয়েটরা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজ ভেন্যু থেকে সমাবর্তনে অংশ নেবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েটরা খেলার মাঠের সুইমিংপুল সংলগ্ন গেট দিয়ে সমাবর্তনস্থলে প্রবেশ করবেন। তাদের জন্য সকাল সাড়ে ৯টায় গেট খোলা হবে এবং তারা বেলা ১১টার মধ্যে অবশ্যই সমাবর্তনস্থলে আসন গ্রহণ করবেন। অনুষ্ঠানস্থলে নিজ নিজ আসন গ্রহণ করার পর কোনোভাবেই মঞ্চের আশেপাশ ও অন্য কোথাও ঘোরাফেরা করা যাবে না। আমন্ত্রিত অতিথিরা জিমনেসিয়াম সংলগ্ন গেট দিয়ে সমাবর্তনস্থলে প্রবেশ করবেন। তাদের জন্য সকাল ১০টায় গেইট খোলা হবে এবং তারা বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে অবশ্যই সমাবর্তনস্থলে আসন গ্রহণ করবেন। সমাবর্তনস্থলে প্রবেশের জন্য মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক।

সমাবর্তন উপলক্ষে আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে।


আরও খবর



৩ ডিসেম্বর হচ্ছে না ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৫ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতীম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মেলন আগামী ৩ ডিসেম্বর হচ্ছে না। সম্মেলন করতে শিগগির নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে। আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে মঙ্গলবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত হয়েছে। এর আগে গত ৪ নভেম্বর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সম্মেলনের সিদ্ধান্ত হয়।

একই সভায় আওয়ামী লীগের দুই সহযোগী সংগঠন মহিলা লীগ ও যুব মহিলা লীগের সম্মেলনের তারিখও নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ২৬ নভেম্বর মহিলা লীগ ও ৯ ডিসেম্বর যুব মহিলা লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনটি সম্মেলনই হবে রাজধানীর সোহরাওয়াদী উদ্যানে হবে জানিয়ে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া সেদিন বলেছিলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনটি সম্মেলনেই উপস্থিত থাকবেন।

২০১৮ সালের ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের সর্বশেষ ২৯তম জাতীয় সম্মেলন হয়। ওই সম্মেলনের আড়াই মাস পর ৩১ জুলাই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি এবং গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রলীগের কমিটি চূড়ান্ত করেন।

চাঁদাবাজির অভিযোগে সমালোচনার মুখে থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের নেতৃত্ব হারান শোভন ও রাব্বানী। সেদিনই সংগঠনের প্রথম সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আর প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

২০২০ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জয় ও লেখককে পুর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে তারা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

নিউজ ট্যাগ: ছাত্রলীগ

আরও খবর



পদের জন্য অর্থ দাবি : যুব মহিলা লীগ নেত্রীর অডিও ফাঁস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৭ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পদ দেওয়ার কথা বলে একজন প্রার্থীর স্বামীর কাছে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে জেলা মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিলিনা খানম মিলির বিরুদ্ধে। এমন একটি অডিও ফাঁস হয়েছে।

জানা গেছে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী মাছুরা বেগম। মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) পদ দেওয়ার কথা বলে তার স্বামী ইকবাল হাসানের কাছে অর্থ দাবি করেন মিলিনা।

মাসুরার স্বামী ইকবাল হাসান: ও মিলিনার ফোনালাপ-

ইকবাল হাসান : কেমন আছেন?

মিলিনা : আলহামদুল্লিাহ, ভালো আছি।

ইকবাল হাসান : কী অবস্থা? শরীর-স্বাস্থ্য ভালো আছে?

মিলিনা : কম্পিউটারে কাজ করছি।

ইকবাল হাসান : বিজি?

মিলিনা : বলেন, সিস্টেম করছি তো। আমি শুনছি, বলেন।

ইকবাল হাসান : আগামীকাল আসবো। ভাবির সঙ্গে কথা হয়েছে?

মিলিনা : আপনাকে বলেছি না ভাবি যেন দেখা করেন? কথা হয়েছে। উনি যেটা বলে সেটা হয় না। উনি কথার মধ্যে আসেনি। উনি থাকবে না কমিটির মধ্যে। উনি মেয়রের দোহাই দিচ্ছেন। উনি বলেছেন, মেয়রের সঙ্গে কথা হয়েছে, মেয়র দেখবেন। এগুলোতো হবে না। তিনি প্রার্থী। একজন সাংগঠনিক প্রার্থী। একটি ভাইটাল পোস্ট। উনাকে ৩০-৫০ হাজার বলিনি, সর্বোচ্চ টুয়েন্টি। সেটা যদি না পারে তাহলে তো প্রশ্নই ওঠে না। আমি বাবার হোটেল খুলে বসেছি নাকি যে মানুষগুলোকে পদও দিয়ে যাবো ফ্রি ফ্রি। ফ্রি ফ্রি মানুষগুলোকে খাওয়াইয়ে হাইলাইট করবো? আমার এত দায় নেই, ভাই সরি। তাকে বলেছি, আপনার গাড়ি আনার দরকার নেই। আমার ৪০টি গাড়ি থাকবে। আপনি ১০-১৫ জন যা পারেন, আনবেন। এসে খাওয়া-দাওয়া করে, সম্মেলন করে পদটি নিয়ে চলে যাবেন, শেষ। উনি বলেছেন আমার পক্ষে ১৫-২০ হাজার টাকা দেওয়া সম্ভব না। সম্মেলন যেহেতু সবাই মিলে করছি, যারা সভাপতি-সেক্রেটারি হবেন তারা, আমি সম্মেলনে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা খরচ হবে। কে টাকা দেবে? মেয়র দেবে ১০ হাজার টাকা। স্থানীয় নেতাদের কাছ থেকে কিছু নেওয়া হচ্ছে না। এরপর ফোনটি কেটে যায়।

প্রার্থী মাসুরার স্বামী ইকবাল হাসান বলেন, আমার স্ত্রী দীর্ঘদিন রাজনৈতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছে। আর এখন কমিটি গঠনের সময় এসে টাকা দাবি দুঃখজনক। অর্থের বিনিময়ে কমিটিতে যাওয়ার ইচ্ছা নেই।

জেলা মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিলিনা খানম অবশ্য কমিটিতে পদ দেওয়ার জন্য নয় সম্মেলনের খরচের জন্য টাকা চাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। সংগঠনে অর্থের বিনিময়ে পদ-পদবি দেওয়ার সুযোগ নেই।

সংগঠনের পদ-পদবি বিক্রির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



অনুমতির অপেক্ষা আর করবো না: গয়েশ্বর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৪ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সমানে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছি আমরা। সেখানেই সমাবেশ করব। তারা যদি অপারগতা প্রকাশ করে তাহলেও করব। অনুমতি দিলেও করব, না দিলেও করব। অনুমতির অপেক্ষা আর করবো না। মনে রাখতে হবে, এ দেশটা আমাদের সবার।

আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। 

১০ ডিসেম্বর ঢাকার ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ পাহারা দেবে- সেক্ষেত্রে কোনো সংঘাতের আশঙ্কা করছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর বলেন, আমরা ইতোমধ্যে সাতটি গণসমাবেশ করেছি। সব জায়গায় তারা সংঘাত সৃষ্টির পাঁয়তারা করেছে। প্রশাসন দিয়ে চেষ্টা করেছে। গাড়ি, লঞ্চ বন্ধ করে দিয়ে চেষ্টা করেছে, তারা তো কোনো পথই বাকি রাখেনি। নতুন কোনো পথ খোলাও রাখেনি। সুতরাং ঢাকার গণসমাবেশে তারা এটা করবে স্বাভাবিক ব্যাপার, অস্বাভাবিক মনে করছি না। রাতারাতি আওয়ামী লীগ ভালো হয়ে যাবে তা আমরা আশাও করি না। কিন্তু আমরা সরকারের ফাঁদে পা দেব না। আমরা সংঘাত এড়িয়ে গণসমাবেশ করব। 

ঢাকার গণসমাবেশ থেকে বিএনপি সরকার পতনের কোনো ঘোষণা দিবে কি না জানতে চাইলে গয়েশ্বর চন্দ্র আরও বলেন, এখনও ১০ ডিসেম্বর অনেক দূর। আপনারা ১০ ডিসেম্বরের গণসমাবেশে আসবেন। ১০ ডিসেম্বরের কথা সেই দিনই বলবো। আগাম কোনো কথা কেউ বলবে না, আমিও বলব না। আমরা ১০ ডিসেম্বর অবশ্যই পরবর্তী কর্মসূচি দেবো। ১০ ডিসেম্বরের আগে যদি সরকার জনগণের দাবি মেনে নেয়, সেটা তো অন্য রকম। কিন্তু আমরা তা প্রত্যাশা করতে পারছি না। 

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবু, নতুন কমিটির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সহ-সভাপতি খন্দকার মাঈনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী প্রমুখ।


আরও খবর



এখন কোন পথে হাঁটবেন ইমরান খান?

প্রকাশিত:শুক্রবার ১১ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পাকিস্তানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গত সপ্তাহে লংমার্চ চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। যেখানে টার উপর হামলা করা হয় সেখান থেকেই তার দল ফের তাদের বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তার ওপর হামলার জন্য ইমরান খান পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রানা সানাউল্লাহ্ খান ও সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এর কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স বিভাগের প্রধান মেজর জেনারেল ফয়সাল নাসিরকে দায়ী করেছেন। তবে এই তিনজনই ইমরানের এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ক্ষমতা হারানোর পর ইমরান খান বড় আন্দোলন করে সরকারকে নির্বাচন দিতে বাধ্য করতে চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু এই প্রক্রিয়ার মধ্যেই তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে পাকিস্তানের রাজনীতির এই জটিল গোলকধাঁধায় ইমরান খানের সামনে এখন কোন পথ খোলা রয়েছে? তিনি কি আন্দোলন চালিয়ে যাবেন? নাকি সমঝোতার কোনো পথ খুঁজবেন? তাহলে রাজনীতির মসনদ থেকে রাজপথে ফেরা ইমরান খান এখন কী করবেন?

এর কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় ডন পত্রিকায় ইমরানের সাক্ষাৎকারে। সেখানে মন্তব্য করা হয়েছে, তার অনেক অনুগামী এখন তাকে নতুন করে জন্ম নেয়া 'বর্ন এগেইন' গণতন্ত্রী হিসেবে দেখেন। সামরিক ও বেসামরিক সরকারের মধ্যে সম্পর্কটি ঠিক কী হবে, সেই সমীকরণের শর্ত তিনি নতুন করে তৈরি করতে চান।

লন্ডনের কিংস কলেজের গবেষক ড. আয়েশা সিদ্দিকা জানান, এর মানে হলো ইমরানের আদালতে গোটা সামরিক বাহিনীর বিচার হবে না, বিচার হবে কয়েকজন জেনারেলের। ভবিষ্যৎ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় যেতে চাইলে সামরিক বাহিনীকে তাকে হাত রাখতেই হবে।

চলতি মাসেই সেনাবাহিনীতে বর্তমান সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়ার জায়গায় নিয়োগ করা হবে নতুন সেনাপ্রধান। সামরিক বাহিনীর নতুন নেতৃত্ব চাইবে ইমরান খানের আন্দোলনের জোয়ার যেন তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায়। সেনাবাহিনী চেষ্টা করবে তাদের স্বার্থ যেন ক্ষুণ্ণ না হয় বলে মনে করেন আয়েশা সিদ্দিকা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক হাসান আসকারী রিজভীর মতে, ইমরান খানের সামনে এখন তিনটি পথ রয়েছে।

প্রথমত, তিনি আবার মিছিল নিয়ে ইসলামাবাদের দিকে অগ্রসর হতে থাকবেন। ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে তার অনুগামী সমর্থকরা পাকিস্তানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে। এসব প্রচারের ফসল তিনি ঘরে তুলবেন।

দ্বিতীয় পথটি হলো, তিনি আন্দোলন ত্যাগ করবেন। পাশাপাশি সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে পরবর্তী নির্বাচনের জন্য তৈরি হবেন। তবে শেহবাজ শরীফ সরকার ততদিন পর্যন্ত ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে কিনা, তা নিয়ে রিজভীর সন্দেহ রয়েছে।

আর তৃতীয় পথটি হলো, তার দ্রুত নির্বাচনের দাবি। সামরিক বাহিনী ও ক্ষমতার অন্যান্য স্তম্ভের সঙ্গে সমঝোতা করে তিনি একটি মাঝামাঝি পথ বের করার চেষ্টা করবেন। মার্চ মাসে নির্বাচনের ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন বলে মনে করছেন রিজভী।


আরও খবর

‘নীতি পুলিশ’ বিলুপ্ত করলো ইরান

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২




সোমালিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলা, নিহত ১৫

প্রকাশিত:রবিবার ০৬ নভেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসুর দক্ষিণাঞ্চলে সেনা প্রশিক্ষণ শিবিরে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে। দেশটির স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছে।

গারোওয়ে নিউজ পোর্টাল একজন সেনা কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় একজন আত্মঘাতী হামলাকারী বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেয়। এতে বেশ কিছু লোক আহত হয়েছে। হতাহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা রয়েছে।

স্থানীয় অন্যান্য সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, ইসলামি জঙ্গি গ্রুপ আল শাবাব এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। এদিকে এর আগে বৃহস্পতিবার সোমালিয়ার মধ্যাঞ্চলে হিরান এলাকার এক গ্রামে সরকারি মিলিশিয়া বাহিনী অভিযান চালিয়ে ১০০ বেশি আল শাবাব জঙ্গিকে হত্যা করেছে।

মোগাদিসুতে এক সপ্তাহ আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবন লক্ষ্য করে চালানো যমজ গাড়ি বোমা হামলায় অন্তত একশ জন নিহত ও তিনশরও বেশি লোক আহত হয়েছে। উল্লেখ্য, আল শাবাব গ্রুপ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সোমালিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারকে হটিয়ে কঠোর ইসলামি আইনভিত্তিক নিজস্ব শাসন কায়েম করতে চায়।


আরও খবর

‘নীতি পুলিশ’ বিলুপ্ত করলো ইরান

রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২