শিরোনাম

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপককে অপহরণ করে হত্যা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাইদা খালেককে অপহরণের পর হত্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আবাসন প্রকল্প এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাইদা খালেক ঢাকার সাভারে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। সেখানে তিনি নতুন বাড়ির নির্মাণ কাজ করছিলেন। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

গোলাম রব্বানী বলেন, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন কয়েজনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. নিজামুল হক ভূইয়া বলেন, নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ চলাকালে শ্রমিকরা হয়তো কিছু দাবি করেছিল তার কাছে। তাদের সঙ্গে হয়তো সাইদা খালেকের মনোমানিল্য হয়েছিল। তিনদিন আগে তিনি নিখোঁজ হন। আজ সকালে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। সন্দেহজনক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করেন।


আরও খবর



শীতে শিশুর কানের সংক্রমণ এড়ানোর উপায়

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শীতকালে শিশুদের বিভিন্ন রকম সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী নয় বলে ঠান্ডা মৌসুমে তাদের সংক্রমণের ঝুঁকি অন্য মৌসুমের তুলনায় বেশি।

শীতকালে শিশুদের অন্যতম বহুল প্রচলিত অসুস্থতা হলো কানের সংক্রমণ। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টারের মতে, প্রথম তিন বছরের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ শিশুর কানে সংক্রমণ হয়ে থাকে। এর অধিকাংশই ঠান্ডার দিনগুলোতে হয়ে থাকে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের কারণ

শীতকালে কমন কোল্ড বা ঠান্ডা লাগা সংক্রমণের আধিপত্য চলে। এই সংক্রমণের সবচেয়ে প্রচলিত উপসর্গ হলো সর্দিজ্বর। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের ঠান্ডা লাগলে কানে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

কানের ক্যানাল ও গলাকে সংযুক্তকারী একটা টিউব আছে। এটাকে ইউস্ট্যাশিয়ান টিউব বলে। এই টিউব মধ্যকানে উৎপন্ন তরলকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দূর করে থাকে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় এসব তরল ঘন হয়ে যায় এবং কমন কোল্ড ইউস্ট্যাশিয়ান টিউবে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর ফলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়ে কানের ক্যানালে তরল জমে যায়। অতঃপর কানে সংক্রমণ হয়। কেবল কমন কোল্ড নয়, ফ্লু ও অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রীয় সংক্রমণ থেকেও কানে সংক্রমণ হতে পারে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের উপসর্গ

শিশুদের কানের সংক্রমণের সবচেয়ে প্রচলিত উপসর্গ হলো কানে ব্যথা। সংক্রমিত শিশুদের আচরণে বোঝা যেতে পারে যে, কানে কিছু একটা হয়েছে অথবা কানে ব্যথা করছে। জ্বরও আসতে পারে। সাধারণত কানের সংক্রমণে শিশুদের শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত বাড়তে পারে। শিশুদের বালিশে হলুদ-সাদা তরলও কানের সংক্রমণের নির্দেশক হতে পারে। এতে দুর্গন্ধ থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে। সংক্রমিত কানে লক্ষণীয় ফোলা দেখা যেতে পারে। মাথাব্যথাও করতে পারে। অল্পবয়সী শিশুরা মাথায় হাত দিয়ে এটা বোঝানোর চেষ্টা করতে পারে।

* শিশুদের কানের সংক্রমণের চিকিৎসা

শীতকালে শিশু কানের সংক্রমণে ভুগলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়াই ভালো। এটা ভাইরাস সৃষ্ট হলে তিনি ব্যথানাশক ওষুধ ও নন অ্যান্টিবায়োটিক ইয়ার ড্রপস দিতে পারেন। এটা চার/পাঁচদিনে সেরে ওঠে। অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব থাকলে প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টিবায়োটিক উল্লেখ করেন। সংক্রমিত শিশুকে প্রচুর তরল ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। ধোঁয়া থেকে দূরে রাখুন, কারণ উপসর্গ শোচনীয় হতে পারে। যথাসম্ভব বাইরে যেতে দেবেন না।

* শিশুদের কানের সংক্রমণ এড়াতে যা করবেন

শীতকালে শিশুদের জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন এনে কানের সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো যেতে পারে। বাইরে বের হলে তাদেরকে কানটুপি বা মাফলার পরাতে হবে। যেহেতু শীতে সংক্রমণের প্রবণতা বেশি, তাই শিশুদের খাদ্যতালিকায় বেশি করে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। সম্ভব হলে ফ্লু শট দিয়ে দিন। অসুস্থ মানুষ থেকে দূরে রাখুন। ঘরে বেশি শীত লাগলে হিটারের ব্যবস্থা করুন। দিনের বেলা জানালা খুলে দিন। শিশুদেরকে দীর্ঘসময় বাইরে খেলতে দেবেন না, কারণ অত্যধিক ঠান্ডায় কানের তরল শক্ত হয়ে যায়। বাইরে থেকে আসলে গরম পানীয় অথবা গরম স্যূপ খেতে দিন।

নিউজ ট্যাগ: শীতে কানের যত্ন

আরও খবর

মুখে স্বাদ ফেরাতে বানান মুরগির পুলি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২

চাইনিজ সবজি রান্নার সহজ রেসিপি

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




বিবাহবিচ্ছেদে স্ত্রীকে দিতে হবে ৬ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাকতুম ও তার সর্বকনিষ্ঠ স্ত্রী প্রিন্সেস হায়া বিনতে আল-হুসেইনের বিবাহ-বিচ্ছেদ মামলার রায় দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের একটি আদালত। এতে আমিরাতের প্রধানমন্ত্রীকে সব মিলিয়ে প্রায় ৬ হাজার ২৫০ কোটি (৫০ কোটি পাউণ্ড) টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছ, জর্ডানের সাবেক রাজা হুসেইনের কন্যা ৪৭-বছর বয়স্ক প্রিন্সেস হায়াকে এককালীন ২৫ কোটি ১৫ লক্ষ পাউণ্ড দিতে বলেছে হাইকোর্ট। প্রিন্সেস হায়া শেখ মোহাম্মদের ষষ্ঠ এবং কনিষ্ঠতম স্ত্রী।

শেখ মোহাম্মদ শুধু দুবাইয়ের ধনাঢ্য শাসক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঘোড়দৌড়ের জগতেও রেসের ঘোড়ার একজন প্রভাবশালী মালিক।

প্রিন্সেস হায়া ২০১৯ সালে তার দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে পালিয়ে যান। প্রিন্সেস হায়া বলেন, শেখ মোহাম্মদ এর আগে তার দুই মেয়ে শেখ লতিফা ও শেখ শামসাকে অপহরণ করিয়েছেন, ফলে তিনি এখন তার নিজের জীবন নিয়ে আশংকার মধ্যে আছেন।

প্রিন্সেস হায়া তার এক ব্রিটিশ দেহরক্ষী সাবেক সেনার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন বলে জানার পর শেখ মোহাম্মদ "তুমি বেঁচে ছিলে, তুমি মরে গেছো" নামে একটি কবিতা প্রকাশ করেন। যাতে তাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অনুমান করা হয়। যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পর পরও তিনি হুমকি পেয়েছেন বলে জানান।

আদালত রায় দিয়েছে, দুবাইয়ের এই শাসকের ঘরে প্রিন্সেস হায়ার দুই সন্তানের প্রত্যেককে প্রতিবছর ৫৬ লক্ষ পাউণ্ড দিতে হবে। এই দুই সন্তানের মধ্যে এক কন্যার বয়স ১৪ বছর এবং পুত্রের বয়স নয় বছর।

প্রিন্সেস হায়ার যুক্তরাজ্যে কয়েক লক্ষ পাউণ্ড দামের দুটি বাড়ি রয়েছে। আদালতের রায়ে এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের খরচের কথাও রায়ে রয়েছে। এ বাড়িগুলোর একটি লন্ডনের কেনসিংটন প্রাসাদের পাশেই, এবং অপরটি সারে কাউন্টির এগহ্যামে।

এ ছাড়া রায়ে প্রিন্সেসের নিরাপত্তার ব্যয়, ছুটি কাটানোর খরচ, একজন নার্স ও আয়ার বেতন ও আবাসনের খরচ, পরিবারের জন্য বুলেটপ্রুফ গাড়ি, এবং তার পালিত ঘোড়া ও অন্যান্য প্রাণীর খরচ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের আইনী জগতের ইতিহাসে একে বলা হচ্ছে সবচেয়ে বড় বিবাহবিচ্ছেদের মামলা।

চলতি বছর হাইকোর্ট এক রুলিংএ বলেছে, শেখ মোহাম্মদ অবৈধভাবে প্রিন্সেস হায়া, তার দেহরক্ষী এবং আইনজীবী দলের ফোন হ্যাক করিয়েছিলেন। এ জন্য ইসরাইলি স্পাইওয়্যার পেগাসাস ব্যবহার করা হয়।

তবে শেখ মোহাম্মদ বলেন, তার কাছে কোন হ্যাক করে পাওয়া সামগ্রী নেই, এবং তার অনুমোদন নিয়ে কোনো নজরদারি চালানো হয়নি। তিনি আরো বলেছেন, প্রিন্সেসের কোনো ক্ষতি করার ইচ্ছে তার নেই।


আরও খবর

আবুধাবিতে ড্রোন হামলায় তিনজন নিহত

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




কুয়েট শিক্ষকের মৃত্যু

ছাত্রলীগ নেতাসহ ৪ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানসহ ৪ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করার খবর পাওয়া গেছে।

বুধবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আনিছুর রহমান ভুঁঞা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. সেলিম হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে ৭৯তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বুধবার (৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সভা শুরু হয়। এ সময় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর বিকেলে কুয়েটের ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সেলিম হোসেন মারা যান। তার মৃত্যুর পর সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে এই মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানসহ তার অনুগত ছাত্ররা দায়ী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের লালনশাহ হলের ডিসেম্বর মাসের খাদ্য ব্যবস্থাপক (ডাইনিং ম্যানেজার) নির্বাচন নিয়ে ড. সেলিমকে চাপ দিয়ে আসছিলেন ফজলুল হক হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজান। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বাধীন কয়েকজন শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের রাস্তায় ড. সেলিমকে জেরা শুরু করেন। পরে তারা শিক্ষককে অনুসরণ করে তার ব্যক্তিগত কক্ষে (তড়িৎ প্রকৌশল ভবন) প্রবেশ করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, তারা আনুমানিক আধা ঘণ্টা শিক্ষকের রুমে অবস্থান করেন। পরে কক্ষ থেকে বেরিয়ে ড. সেলিম দুপুরের খাবার খেতে ক্যাম্পাস থেকে নিজ বাসায় যান। দুপুর আড়াইটার দিকে তার স্ত্রী লক্ষ্য করেন তিনি বাথরুম থেকে বের হচ্ছেন না। দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযোগ ওঠে, দাপ্তরিক কক্ষে কুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বে কতিপয় ছাত্রের জেরা, অপমান, অবরুদ্ধ করে রাখা ও মানসিক নির্যাতনে ড. সেলিমের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে দুদফায় কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অপরদিকে ড. সেলিমের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিসহ পাঁচ দফা দাবিতে গত ২ ডিসেম্বর দুপুরে একাডেমিক কার্যক্রম বর্জন করে শিক্ষক সমিতি। প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে কুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধসহ দায়ী ছাত্রদের শাস্তির দাবি জানান শিক্ষকরা।


আরও খবর

ভাষাসৈনিক খান জিয়াউল হক আর নেই

শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২




আসলের চেয়ে নকল সাংবাদিক বেড়ে গেছে: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আসলের চেয়ে নকল সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, 'এখন যে কেউ সাংবাদিক পরিচয় দেয়। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বড় শহরে না বাড়লেও উপজেলাগুলোতে নকল সাংবাদিক অনেক বেড়ে গেছে। তারা গাড়িতে স্টিকার লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়। কোথাকার সাংবাদিক জিজ্ঞেস করে উত্তর জানলে নিজেই লজ্জিত হবেন। এতে সাংবাদিকদের প্রতি সাধারণ মানুষের বিরূপ ধারণা তৈরি হচ্ছে।'

রবিবার (২ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে চট্টগ্রাম বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের মিলনমেলা ও দ্বিবার্ষিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শীতকালীন অধিবেশনে গণমাধ্যমকর্মী আইন উত্থাপন হবে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'সাংবাদিকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল গণমাধ্যমকর্মী আইন। আইনটি ইতোমধ্যে আইনমন্ত্রী স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। আশা করছি, আগামী শীতকালীন সংসদ অধিবেশনে আমরা সেটি নিয়ে যেতে পারবো। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে সম্প্রচার, অনলাইন, রেডিও, পত্রিকার সঙ্গে যেসব সাংবাদিক যুক্ত আছেন তাদের আইনি সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।'

বর্তমানে বাংলাদেশ বহু দূর এগিয়ে গেছে দাবি করে হাছান মাহমুদ জানান, বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৫৫৪ মার্কিন ডলার। দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা লোকসংখ্যার হার ২০ শতাংশের নিচে। করোনার মধ্যে মাত্র ২১টি দেশের জিডিপি বেড়েছে। তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি।

তিনি বলেন, আজ দেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে এটি অনেকের পছন্দ নয়। দেশ এগিয়ে যেতে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রয়োজন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির হাত থেকে দেশকে সমাজকে রক্ষা করা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অবশ্যই সরকারের সমালোচনা হবে। কোনও জায়গায় দায়িত্বশীলরা ভুল করে সেটি নিয়ে সমালোচনা হবে। কিন্তু সমালোচনাটা এমন না হয় যে দুষ্কৃতির হাতে দেশটা চলে যায়। আপনাদের কাছে সেই নিবেদনটুকু রাখি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ও প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম, সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল। এছাড়াও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংবাদিক ফোরামের নেতা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



আমাদের দেশে এখনো কিছু পাকিস্তানি প্রেতাত্মা আছে: শ ম রেজাউল করিম

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বঙ্গবন্ধুর ধারাবাহিকতায় তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন। বিত্ত-বৈভবে প্রাচুর্যের জন্য নয়, তিনি সংবিধানের আলোকে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ব্যক্তির ক্ষমতায় নয়, মানুষের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে বরিশাল বিভাগীয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক সাধারণ সভা ২০২১ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বরিশাল বিভাগীয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্ব সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান। এছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ উদদীন আহমেদ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার ও বরিশাল বিভাগীয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ড. মো. মতিউর রহমান সভা পরিচালনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরো বলেন,  বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। অথচ আমাদের দেশে এখনো কিছু পাকিস্তানি প্রেতাত্মা আছে। তারা হয়তো জানে না আমরা সামাজিক-অর্থনৈতিক সূচক থেকে শুরু করে বিভিন্ন সূচকে পাকিস্তানের চেয়ে ভালো অবস্থানে আছি। কিছু ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে এগিয়ে। সারা পৃথিবী যখন করোনায় বিপর্যস্ত তখন আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, গড় আয়ু, মাথাপিছু আয়সহ আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থায় যে সাফল্য এসেছে, তার কারণ এদেশে একজন বঙ্গবন্ধু জন্ম নিয়েছিলেন এবং মানুষরূপী একজন মহামানবী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্ম এদেশে হয়েছে"।

মন্ত্রী আরো বলেন, "বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন নিজের জন্য ছিল না, ছিল বাঙালি জাতির জন্য। বঙ্গবন্ধু মন্ত্রিত্ব ছেড়ে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিনি সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ধারাবাহিকতায় তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন। বিত্ত-বৈভবে প্রাচুর্যের জন্য নয়, তিনি সংবিধানের আলোকে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য, নারীর ক্ষমতায়নের জন্য, খেটে খাওয়া মানুষের বৈষম্য দূর করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন"।

তিনি আরো বলেন, "প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী উন্নয়নের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলেন।  এ জন্য উন্নয়নের ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সহযাত্রী হিসেবে আমাদের সকলকে কাজ করতে হবে"।

তিনি এ সময় বরিশাল বিভাগের কর্মকর্তাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বানও জানান।

অ্যাসোসিয়েশনের দ্বি-বার্ষিক এ সাধারণ সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব ও বরিশাল বিভাগীয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লোকমান হোসেন মিয়া এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনার ও বরিশাল বিভাগীয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ড. মো. মতিউর রহমানকে যথাক্রমে অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর