Logo
শিরোনাম

ডিসি-এসপি-ওসির প্রত্যাহার চেয়ে কাদের মির্জার ডাকে হরতাল

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৮ মার্চ ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
অজ্ঞাতস্থান থেকে ফেসবুক লাইভে এসে তাঁকে গালিগালাজ করলে সবুজকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। এরপর পুলিশ ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করে পরে আবার ছেড়ে দিলে আবদুল কাদের মির্জা

জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও পরিদর্শককে (তদন্ত) প্রত্যাহারের দাবিতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার আহ্বানে তাঁর সমর্থক দলীয় নেতাকর্মীরা হরতাল পালন করছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতভর কোম্পানীগঞ্জ থানা অবরোধ করে রাখার পর আজ বুধবার সকাল থেকে বিভিন্ন দাবিতে উপজেলার সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করে পৌর মেয়রের সমর্থকেরা সেখানে হরতাল পালন করছে।

ফেনী-কোম্পানীগঞ্জ সড়ক, কোম্পানীগঞ্জ-মাইজদী সড়ক, চাপরাশিরহাটসহ সব সড়কের ওপর গাছের গুড়ি, বাঁশ ও বাস আড়াআড়ি করে রেখে সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। হরতালের কারণে কোম্পানিগঞ্জ উপজেলা সদরের দোকানপাট সব বন্ধ আছে। বাইরে থেকে কোনো যানবাহন কোম্পানীগঞ্জে ঢুকতে পারছে না।

সকাল থেকে চলা কর্মসূচির কারণে যান চলাচলের প্রতিবন্ধকতা ঘটায় রাস্তায় মানুষকে বিপাকে পড়তে দেখা গেছে। অনেককে পরিবার-পরিজন নিয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে দেখা যায়। এদিকে, হত্যা করা হতে পারেএমন আশঙ্কা করে গতকাল মঙ্গলবার কোম্পানীগঞ্জ থানায় নিজে বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোটভাই আবদুল কাদের মির্জা।

আজকেও গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র অভিযোগ করে বলেন, তাঁকে, তাঁর পরিবারের সদস্য ও সমর্থকদের হত্যা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এজন্য ৫০ কোটি টাকার ফান্ডও করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এসবের সঙ্গে প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীরা জড়িত। কর্মসূচি চলাকালে তিনি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল, চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ, রাহাত, রবিউল প্রমুখের গ্রেপ্তারের দাবির পাশাপাশি নোয়াখালীর অপরাজনীতি বন্ধের দাবিও জানান।

সূত্র জানায়, অজ্ঞাতস্থান থেকে ফেসবুক লাইভে এসে তাঁকে গালিগালাজ করলে সবুজকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। এরপর পুলিশ ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করে পরে আবার ছেড়ে দিলে আবদুল কাদের মির্জা ক্ষুব্ধ হয়ে থানার সামনে গতকাল থেকে অবরোধ শুরু করেন।

আজ সকালে আবদুল কাদের মির্জা বলেন, দাবি না মানা পর্যন্ত এ আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থে এই হরতাল। কাল সকাল পর্যন্ত এক্সিট দিলাম চলি যাক। ডিসি সাব, এসপি সব চলি গেলে, অপরাজনীতি বন্ধ হলে, আমার ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা হলে- আমি কালকে থেকে হরতাল করুম না। আর যদি দাবি না মানে... আমার সব দাবি মানতে হবে।

আবদুল কাদের মির্জা আরো বলেন, আমি এখন অবস্থান নিব আমার পৌরসভাতে, আমি বাড়িতে যামু না। দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মসূচি লাগাতার... এরপর আরো কঠিন হরতালসহ লাগাতার কর্মসূচি দিমু।

Share

আরও খবর



রাজশাহীর থেকে সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৪৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজশাহীর থেকে সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়া আকস্মিক এ বাস ধর্মঘটে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে দুর্ভোগ নেমে এসেছে।

আগামীকাল মঙ্গলবার (২ মার্চ) বিএনপির রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ। তাই রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের বাস চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

তবে রাজশাহীর পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতাদের দাবি, বাস চলাচল করলে হামলার সম্ভাবনা আছে। তাই শ্রমিকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তারা বাস চলাচল আপাতত বন্ধ করে দিয়েছেন। পরিস্থিতি বুঝে পরে তারা আবারও বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত নেবেন।

এবিষয়ে রাজশাহী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক টিটো বলেন, যেহেতু আগামীকাল রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ। এর কারণে তারা বিশৃঙ্খলা ও যানবাহনে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা করছেন। এ কারণে তারা সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন।

যদিও রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন দাবি করে বলেন, বগুড়ায় তাদের এক শ্রমিককে মারধর করা হয়েছে। মারধরকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

এদিকে রাজশাহী থেকে হঠাৎ বাস চলাচল বন্ধের কারণে দুর্ভোগে পড়েছে সাধারণ যাত্রীরা। তারা অনেকেই কাউন্টারে এসে ফিরে যাচ্ছেন। এছাড়া বিকল্প পথে হিসেবে অন্য যানবাহনে নিজ নিজ গন্তব্যে রওয়ানা দিচ্ছেন। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ কাউন্টারগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।

Share

আরও খবর



টিকা নিলেন আরো ২ লাখ ৬২ হাজার জন, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ২৭

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৫৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট টিকা নিয়েছেন ২ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৫ জন। তাদের মধ্যে মাত্র ২৭ জনের সামান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া (যেমন: জ্বর, টিকা দেওয়া স্থানে লাল হাওয়া ইত্যাদি) দেখা গেছে।

এখন পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ১৮ লাখ ৪৮ হাজার ৩১৩ জন। তাদের মধ্যে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেছে মোট ৫৩৭ জনের।

বৃহস্পতিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (এমআইএস) অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট টিকা নিয়েছেন ২ লাখ ৬১ হাজার ৯৪৫ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৬ জন ও নারী ৯৭ হাজার ৯ জন।

এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭৩ হাজার ৫১৪ জন, ময়মনসিংহে ১১ হাজার ৯০১ জন, চট্টগ্রামে ৫৪ হাজার ৭৮৮ জন, রাজশাহীতে ৩২ হাজার ২২৪ জন, রংপুরে ২৫ হাজার ৫৭৯ জন, খুলনায় ৩৪ হাজার ১৯৫ জন, বরিশালে ১৪ হাজার ৪৪৪ জন ও সিলেটে ১৫ হাজার ৩০০ জন টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের তথ্যানুসারে, গত ২৭ জানুয়ারি দেশে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রথম দিন টিকা দেওয়া হয় ২৬ জনকে। করোনা ভাইরাসের টিকাদান কার্যক্রমের দ্বিতীয় দিনে (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর পাঁচ হাসপাতালে মোট ৫৪১ ব্যক্তিকে টিকা দেওয়া হয়।

৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে টিকা কার্যক্রম শুরু হয়। এ দিনে সারাদেশে টিকা নেন ৩১ হাজার ১৬০ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৩ হাজার ৮৫৭ জন ও নারী সাত হাজার ৩০৩ জন।

এর আগে স্বাস্থ্যঅধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, রাজধানী ঢাকায় ৫০টি হাসপাতাল ও সারাদেশে ৯৫৫টি হাসপাতালসহ সারাদেশে মোট এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। রাজধানী ঢাকায় ৫০টি হাসপাতালে ২০৪টি ও সারাদেশে ৯৫৫টি হাসপাতালে দুই হাজার ১৯৬টি টিম কাজ করবে। মোট এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে মোট ২ হাজার ৪০০টিম কাজ করবে।

এছাড়া ভ্যাকসিন বিষয়ক কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত রয়েছে সাত হাজার ৩৪৪টি টিম।

Share

আরও খবর



বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ১১ কোটি ছাড়িয়েছে

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৭৩জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯১ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে

বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির সংখ্যা কোনোভাবেই কমছে না। সবশেষ করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ কোটি ২২ হাজার ১১১ জন। আর এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৮ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৮ কোটি ৪৮ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৭ জন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটার থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯১ জন এখন পর্যন্ত মারা গেছেন। বিশ্বে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যাও এই দেশটিতে। এই পর্যন্ত ২ কোটি ৮৩ লাখ ৮১ হাজার ২২০ জন এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পর মৃত্যু বিবেচনায় করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হচ্ছে ব্রাজিল। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৯৯ লাখ ২১ হাজার ৯৮১ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৮৩ জনের। তবে মৃত্যু বিবেচনায় মেক্সিকোর অবস্থান তৃতীয়।

আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা ভারত মৃত্যু বিবেচনায় আছে চতুর্থ অবস্থানে। এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৯৩ লাখ ৭ হাজার ১০৬ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪৯ জনের।

দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ২৯৮ জনে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ১৮৮টি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

Share

আরও খবর



আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়ার বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশের পেছনে গত ১২ বছরের নিরলস পরিশ্রমের ফসল। এই অর্জনে দেশের মানুষ কাজ করেছে। সরকার শুধু নীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা করেছে। এক যুগ আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়ার বাংলাদেশ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল চারটায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করা উপলক্ষে এ প্রেস কনফারেন্স (ভার্চ্যুয়ালি) আয়োজন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতাম কখন যদি দেশ চালানোর সুযোগ পাই তাহলে গ্রামের মানুষের উন্নয়নে কাজ করবো। কারণ দেশের ৮০ ভাগ মানুষ বসবাস করেন গ্রামে। ১৯৯৬ সালে জনগণের রায় আওয়ামী লীগ যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আসে। তখন থেকেই দেশের উন্নয়নে বিভিন্ন কাজ করেছি। ওই সময় কৃষি উৎপাদনের উপর বেশি জোর দিয়েছি, দেশকে খাদ্য স্বয়ংসম্পর্ন করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালের পরবর্তী সময়ে যারা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছিলেন তারা দেশের মানুষের জন্য পুরনো কাপড় বিদেশ থেকে নিয়ে আসতেন। গ্রাম উন্নয়নে শাসকরা এগিয়ে আসেনি। মানুষের হাতে কাজ ছিল না। না খেয়ে মানুষ দিন পার করতেন। সারা দিন কাজ করে দুমুঠো চাল কিনে ঠিকমত ভাত খেতে পারতেন না। জনগণ এসব বঞ্ছনার কথা কাউকে বলতে পারতেন না।

Share

আরও খবর



বিজয় দিবসে আগারগাঁও-উত্তরা রুটে চলবে মেট্রোরেল

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ মার্চ ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি বছরে মহান বিজয় দিবসে রাজধানীর আগারগাঁও থেকে উত্তরা রুটে চলবে মেট্রোরেল বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নগরীর উত্তরা মেট্রোরেল ডিপো পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা জানান।

পরিকল্পনামন্ত্রী মান্নান বলেন, রাজধানীর আগারগাঁও থেকে উত্তরা পর্যন্ত অংশের মোট দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। এ পথে স্টেশন রয়েছে নয়টি। ১১ দশমিক চার কিলোমিটার ভায়াডাক্ট দৃশ্যমান। এ রুটে চলতি বছরে মহান বিজয় দিবসে মেট্রোরেল চলবে।

তিনি বলেন, আমরা আশা করছি মহান বিজয় দিবসে আগারগাঁও থেকে উত্তরা রুটে মেট্রোরেল চালু করতে পারবো। আমাদের দেশীয় ও বিদেশি এক্সপার্টরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। করোনার মধ্যেও সবাই কাজ করে যাচ্ছেন। মেট্রোরেল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

ডিএমটিসিএলর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব এম এ এন সিদ্দিক বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছরপূর্তি উদযাপন বর্ষের ২০২১ সালে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশে প্রথম মেট্রোরেল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে চলেছে প্রকল্পের কাজ। করোনা সংকট না থাকলে কাজের অগ্রগতি আরো বাড়তো।

Share

আরও খবর