Logo
শিরোনাম

দক্ষিণ কোরিয়ায় ভবন ধসে ৯ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দক্ষিণ কোরিয়ায় একটি পাঁচ তলা ভবন ভাঙতে গিয়ে অন্তত নয় জন নিহত হয়েছে। কর্মকর্তারা এ খবর জানান।

বুধবার রাজধানী সিউলের দক্ষিণ পশ্চিমের গুয়াংজু শহরে ভবনটি ভাঙার সময় এর সামনে এসে একটি বাস থামে। বাসটির ওপর ভবনটি ধ্বসে পড়লে এর ভেতরে থাকা ১৭ যাত্রীর নয়জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায়। বাকিরা মারাত্মক আহত হয়। ন্যাশনাল ফায়ার এজেন্সি এ কথা জানিয়েছে। এদিকে ভবনটি ধসে পড়ার আগেই এ কাজে নিয়োজিত সকল শ্রমিককে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পুলিশ এ ঘটনার তদন্ত করছে।


আরও খবর



ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বিষয়ে সর্তক থাকাটা জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞেরা

প্রকাশিত:বুধবার ২৬ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছোঁয়াচে নয়। এটি নিয়ে শঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকাটা জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞেরা। তাঁরা বলছেন, এ ছত্রাকবাহিত রোগ বাংলাদেশে আগেও হয়েছে। এ ছত্রাক প্রকৃতির সর্বত্র আছে। রোগ প্রতিরোধ কমে গেছে, এমন ব্যক্তিদের এতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে আক্রান্ত হলে এতে মৃত্যুর আশঙ্কা থাকে।

তিন দিন আগে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে একজন রোগীর মৃত্যু হয়। আজ মঙ্গলবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, ওই রোগী অন্যান্য রোগের পাশাপাশি মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে সংক্রমিত একজন রোগী এখনো বারডেম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। শনাক্ত হওয়া আরেকজন রোগী অন্য হাসপাতালে চলে গেছেন।

প্রতিবেশী ভারতে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৮০০ জন এই ফাঙ্গাসে সংক্রমিত হয়েছেন।

এ পরিস্থিতিতে দেশের দুজন অণুজীববিজ্ঞানীর সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা হলেন জনস্বাস্থ্যবিদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখার সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব চাইল্ড হেলথের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান সমীর কুমার সাহা।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কী

সমীর কুমার সাহা বলেন, মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাঙ্গাস সর্বত্র বিরাজমান। আমাদের চারপাশেই এটি আছে। বেশি সময় ধরে ঘরে রাখা আমাদের জুতাতেও এ ছত্রাক থাকতে পারে, দীর্ঘক্ষণ রাখা রুটিতেও এটি সৃষ্টি হতে পারে। মাটি, গাছপালা, সার বা পচনশীল ফল ও সবজির মধ্যে এটি থাকতে পারে। এটি কোনো বিরল কিছু না।

এখন কেন বেশি ছড়াচ্ছে

করোনা মহামারির এ সময়ে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ানোর কথা বেশি শোনা যাচ্ছে। যেকোনো রোগে আক্রান্ত হলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়। এ অবস্থায় রোগীর জটিল অবস্থা সৃষ্টি হলে স্টেরয়েড দেওয়া হয়। এটা প্রমাণিত যে এটি রোগীকে সহায়তাও করে। করোনায় আক্রান্ত রোগীকেও স্টেরয়েড দেওয়া হয় বা হচ্ছে। ফুসফুসে যখন ভাইরাসটি যায়, তখন আমাদের শরীরে অনেক বেশি প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এমন মারাত্মক পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়াকে আমরা স্টর্মও বলে থাকি। এতে রোগীর অবস্থা অনেক খারাপ হয়ে যায়। এই স্টর্ম বা ঝড়ের মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস বা অন্য যেকোনো সুযোগসন্ধানী জীবাণু, যেগুলো কিনা সাধারণ পরিস্থিতিতে আক্রমণ করে না, তারা এ সময় সক্রিয় হয়ে ওঠে। স্টেরয়েড প্রয়োগ করে রোগীর এই বাড়াবাড়ি অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে। কিন্তু যদি এই স্টেরয়েডের পরিমাণ বেশি দিয়ে দেওয়া হয় অথবা রোগীর কোমর্বিডিটি থাকে, তখন রোগীর প্রতিরোধের ক্ষমতা কমে যায়। এসব মানুষের মধ্যে ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে অন্য যেকোনো জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। স্টেরয়েডের সঠিক ব্যবহারে এর নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

আবার যখন স্টেরয়েডটা দেওয়া হচ্ছে, তখন পারিপার্শ্বিক পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পরিচ্ছন্নতার অভাব এই ফাঙ্গাস ছড়ানোর একটি কারণ হতে পারে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কি ছোঁয়াচে

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছোঁয়াচে নয় মোটেও। তাই এ নিয়ে ভীতির কারণ নেই বলেই মনে করেন অণুজীববিজ্ঞানী অধ্যাপক সমীর সাহা। খুব কদাচিৎ এর সংক্রমণ দেখা যায়।

অণুজীববিজ্ঞানী বে-নজির আহমদের মন্তব্য, আক্রান্ত রোগী থেকে অন্যজনের হবে না। অর্থাৎ এটি মানুষে থেকে মানুষে ছড়ায় না বটে, তবে এটি ভিন্নভাবে ছড়াতে পারে। যেমন রোগীর চিকিৎসা-বর্জ্য হিসেবে এটি প্রকৃতিতে গেলে সেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যদি নিরাপদ না থাকেন বা তাঁদের প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

 ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কীভাবে মানুষের শরীরে যেতে পারে?

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) তথ্য অনুযায়ী, স্বাস্থ্যগত জটিল সমস্যায় থাকা ব্যক্তি বা চিকিৎসায় ওষুধ ব্যবহারের ফলে প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়া ব্যক্তিদের এতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্রকৃতিতে থাকা এ ছত্রাক নাক দিয়ে শ্বাসগ্রহণের মাধ্যমে সাইনাসে এবং ফুসফুসে ঢুকতে পারে। প্রতিরোধক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তির শরীরের কাটাছেঁড়া জায়গা, পোড়া জায়গা বা চর্মের কোনো ক্ষত থাকলে সেখানেও আক্রান্ত হতে পারে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কত মারাত্মক?

ভারতের উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, সেখানে মৃত্যুর হার ছিল শতকরা ৫০ শতাংশের বেশি।

ভারতে কেন এত বেশি

দুটি মূল কারণের কথা বলেন রোগতত্ত্ববিদ বে-নজির আহমেদ। তাঁর কথা, ভারতে করোনায় মৃত্যু ব্যাপক হারে বাড়তে থাকায় একপর্যায়ে মৃতদেহের সৎকারের প্রথাগত স্থানে সংকুলান হচ্ছিল না। একপর্যায়ে তাই পোড়ো জায়গাগুলো সৎকারের জন্য বেছে নেওয়া হয়। যখন এমনটা করা হলো তাতে ঝুঁকি বেড়ে গেল। এসব অপরিচ্ছন্ন স্থান থেকে জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কাকে বাদ দেওয়া যায় না।

ভারতে যারা ব্ল্যাক ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের একটা বড় অংশেরই অক্সিজেন বেশি নেওয়ার কথা জানা গেছে। এবার ভারতে শিল্পের অক্সিজেন ব্যবহার করা হয়েছে। এখানকার অক্সিজেন সিলিন্ডার যত্রতত্র পড়ে থাকে। ধরা যাক, কোনো সিলিন্ডারের গায়ে এটি লেগে আছে। হাসপাতালে এটি নিয়ে আসার পর যাঁরা এর রক্ষণাবেক্ষণ করছেন, তাঁদের হাতে এটি লেগে যাচ্ছে। সেটি রোগীর মধ্যে চলে যেতে পারে। আবার সিলিন্ডারের যেখান থেকে অক্সিজেন বেরোচ্ছে, সেখানে যদি ছত্রাক লেগে থাকে তবে ক্যাথেটার লাগিয়ে যদি রোগীকে তা দেওয়া হয়, তবে তা সরাসরি ফুসফুসে চলে যাবে। এটি ভয়াবহ সমস্যা সৃষ্টি করবে।

বে-নজির আহমেদ বলেন, আমাদের জন্য এটি একটি শিক্ষা। আমাদের এখানে অক্সিজেন সিলিন্ডারগুলোকে জীবাণুমুক্ত করার বিষয়টি এখন বেশি করে ভাবতে হবে। হাসপাতালে আসার আগে ও পরে সিলিন্ডার জীবাণুমুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে নির্দেশ দিতে হবে।

কাদের ব্ল্যাক ফাঙ্গাস হওয়ার আশঙ্কা থাকে?

যে মানুষগুলোর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা অনেক কম, তারা এতে আক্রান্ত হতে পারে। ক্যানসার, এইডসে আক্রান্ত রোগীদের এতে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। ডায়াবেটিস, ক্যানসার আক্রান্ত হওয়ার পর রেডিও থেরাপি বা কেমোথেরাপি নিচ্ছে, তারা খুব ঝুঁকিতে আছে। বংশ বা জন্মগতভাবে কেউ কেউ কম প্রতিরোধক্ষমতার অধিকারী। ঝুঁকি তাদেরও আছে। তাদের জন্য বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে, যাতে করে প্রকৃতি থেকে না আসে। যেসব রোগী স্টেরয়েড পেয়েছে, তাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কম থাকে। তাদেরও সাবধানে থাকতে হবে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ছড়ায় কীভাবে

যেহেতু এটি প্রকৃতিতে বসবাস করে, তাই যেকোনো সময় এটি ছড়াতে পারে। এটি যেকোনো সময়েই আমাদের সংস্পর্শে আসতে পারে। আমাদের স্বাভাবিক প্রতিরোধক্ষমতার বলেই এটি আক্রমণ করলেও কিছু হয় না। বে-নজির আহমেদ বলেন, ব্ল্যাক ফাঙ্গাস চোখ ও নাক দিয়ে প্রবেশ করতে পারে। চোখ থেকে আবার মস্তিষ্কে চলে যেতে পারে। এটা প্রাণঘাতী। আর সাইনাসের জায়গাটি ফাঁপা। সেখানে সংক্রমণ ব্যাপক আকারে হতে পারে এবং সেখান থেকে বেড়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কি এই প্রথম

বে-নজির আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে এই সংক্রমণ আগেও হয়েছে। তবে সংখ্যায় কম। তাই এটি আমাদের দেশে হয় নাএমন কথা ঠিক নয়; আবার খুব বেশি হয়, সেটাও ঠিক নয়। এই সংক্রমণ মাঝেমধ্যেই আমাদের দেশে হয়।

করোনা রোগীদের জন্য ঝুঁকি কতটুকু

করোনা রোগীদের কারও কারও যেহেতু অক্সিজেনের প্রয়োজন হতে পারে তাই এই অক্সিজেন যাওয়াটা সব দিক থেকে জীবাণুমুক্ত হওয়াটা সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করেন বে-নজির আহমেদ। তিনি বলেন, সব দিক থেকে জীবাণুমুক্ত হওয়া বলতে বোঝাচ্ছি সিলিন্ডারের গায়ে, নজল বা যে ক্যাথেটার দিয়ে অক্সিজেনটা দেওয়া হবে, সেখানে যেন না লেগে থাকে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সব হাসপাতালে এ জন্য নজর দেওয়া উচিত।

সতর্কতা কী ধরনের

ব্যক্তিপর্যায়ে বেশি সতর্ক হওয়া উচিত তাদের, যারা করোনাকালে যেসব ব্যক্তি স্টেরয়েড পেয়েছে। করোনাকালে যেসব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলা হয়েছে, আক্রান্ত হওয়ার পরও তাদের এসব পালন করতে হবে। যেমন মাস্ক পরা, বারবার হাত ধোয়ার বিধি মানতে হবে। বিশেষ করে বাইরে থেকে এসে হাত অবশ্যই ধুতে হবে। তাদের কত দিন এটা পালন করতে হবে?

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বে-নজির আহমেদের কথা, এসব ব্যক্তি যত দিন পারেন মাস্কটা পরবেন। এটা একটা অযাচিত সংক্রমণ। এটা যাতে না আসে, সে জন্য সতর্ক থাকতে হবে।

ঝুঁকি কীভাবে কমানো যায়, সিডিসির পরামর্শ

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্যমতে, মিউকরমাইকোসিস আসে পরিবেশ থেকে। তাই একে রোধ করা কঠিন। এর কোনো টিকা নেই। যেসব মানুষের প্রতিরোধশক্তি কম, তাদের জন্য কিছু পরামর্শ আছে ঝুঁকি কমানোর। তবে এর মাধ্যমে ব্ল্যাক ফাঙ্গাস থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকা যাবে, তা নয়।

ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের নির্মাণকাজ বা খননকাজ চলছে এমন স্থানে যাওয়া যাবে না। যদি যেতেই হয় তবে এন নাইনটিফাইভ মাস্ক পরে যাওয়া উচিত। বন্যা বা পানিতে ডুবে ছিল এমন ভবনে না যাওয়া উচিত। ধুলাবালু এড়িয়ে চলতে হবে, এড়িয়ে চলতে হবে স্যাঁতসেঁতে এলাকাও। বাগানে, উঠানে বা বনের মধ্যে ঘুরতে গেলে জুতা, ফুল প্যান্ট এবং ফুল স্লিভ শার্ট পরতে হবে। মাটি ধরতে হয়এমন কাজের জন্য অবশ্যই গ্লাভস পরে থাকতে হবে।

চামড়ার মাধ্যমে যেন সংক্রমণ না হয়, সে জন্য আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার রাখতে হবে। বিশেষ করে এসব স্থানে যদি ধুলাবালু লাগে, তবে অবশ্যই তা সাবান-পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।


নিউজ ট্যাগ: ব্ল্যাক ফাঙ্গাস

আরও খবর



অর্থপাচার: হাইকোর্টে জামিন পাননি রিজেন্টের সাহেদ

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অর্থপাচার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।  তার জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে সাহেদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।  অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান।

এর আগে ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট সাহেদ ও পারভেজের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা করেন সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহীম হোসেন।  মামলায় সাহেদ ও পারভেজের বিরুদ্ধে ১১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৭ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগ আনা হয়।

সিআইডি জানায়, সাহেদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ৪৩টি ব্যাংক হিসাবে জমা ছিল ৯১ কোটি ৭০ লাখ টাকা।  এর মধ্যে তিনি তুলে নেন ৯০ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।  ঋণের ৮০ লাখ টাকাসহ এ মুহূর্তে তার ব্যাংক হিসাবগুলোতে জমা আছে ২ কোটি ৪ লাখ টাকার মতো।

এ পর্যন্ত মোহাম্মদ সাহেদ ও সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে ৩০টি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

মোহাম্মদ সাহেদ (৪৮) ও তার সহযোগী মাসুদ পারভেজ (৪০) ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেড, রিজেন্ট কেসিএস লিমিটেড, রিজেন্ট ডিসকভারি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেড এবং অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত ১১ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৯৭ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।

এ ছাড়া বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারি আকার ধারণ করলে ভুয়া পরীক্ষা এবং জাল সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তিন কোটি ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। সাহেদ তার অপরাধকর্মের প্রধান সহযোগী মাসুদ পারভেজের সহযোগিতায় রিজেন্ট ডিসকভারি ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস লিমিটেড নামে ঢাকায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের শাহ মখদুম অ্যাভিনিউ শাখায় নতুন হিসাব খোলেন।

হিসাবটি পরিচালনা করতেন সাহেদের বাবা সিরাজুল করিম ও মাসুদ পারভেজ।


আরও খবর



আগামীকালও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামীকাল বুধবার দেশের সব কয়েকটি বিভাগে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে এবং লঘুচাপের অপর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই কারণে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা এবং ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে দিনের এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রা বাড়তে পারে।

এদিকে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৩৪ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা টাঙ্গাইলে ২৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ১৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সন্দ্বীপে ১০০ মিলিমিটার, ফেনীতে ১০৪ মিলিমিটার, ঢাকায় ৮৮ মিলিমিটার, টাঙ্গাইলে ৪৮ মিলিমিটার, ফরিদপুরে ২৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।


আরও খবর



বুধবার আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

প্রকাশিত:রবিবার ২৩ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি একই এলাকায় ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হয়ে নিম্নচাপ এবং পরবর্তী সময়ে গভীর নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়েছে

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী বুধবার (২৬ মে) ভারতের ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের খুলনা উপকূলে আঘাত হানতে পারে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় ইয়াস। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে এক নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

রবিবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে বিচরণ না করতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে গভীর সাগরে বিচরণরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে আজ রোববারের (২৩ মে) মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় এবং কুষ্টিয়া অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া দেশের অন্যস্থানে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

অন্যদিকে, রাঙামাটি, সীতাকুণ্ড, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, শ্রীমঙ্গল, রাজশাহী ও পাবনা অঞ্চলসহ ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের তাপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এসব অঞ্চলে তা অব্যাহত থাকতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় ইয়াস

আরও খবর



বিশ্বের বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা চতুর্থ

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পৃথিবীতে বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় এবার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বাসযোগ্যতা নির্ণয়ে বুধবার প্রকাশিত ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) বার্ষিক জরিপে বিশ্বের ১৪০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ১৩৭তম।

ইকোনমিস্ট গত বছর বসবাসযোগ্য শহরের যে র‍্যাঙ্কিং করেছিল, তা বাতিল করা হয়।  ২০১৯ সালের তালিকা অনুসারে বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরগুলোর তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে ছিল ঢাকা। ওই বছর ১৪০টি শহরের মধ্যে ঢাকার অবস্থান ছিল ১৩৮তম। সেই হিসাব অনুসারে এক ধাপ অগ্রগতি হয়েছে ঢাকার।

নতুন জরিপ অনুসারে ২০২১ সালে বাসযোগ্য শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জাপানের ওসাকা। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড।

এবার বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় একেবারে তলানিতে রয়েছে সিরিয়ার দামেস্ক। ১৩৯তম অবস্থানে রয়েছে নাইজেরিয়ার লাগোস। ১৩৮তম অবস্থানে রয়েছে পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মোরেসবি। এ ছাড়া ১৩৬তম অবস্থানে আলজেরিয়ার আলজিয়ার্স, ১৩৫তম অবস্থানে লিবিয়ার ত্রিপোলি ও ১৩৪তম অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন অনুসারে, বসবাসযোগ্য শীর্ষ ১০ শহরের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের দুটি, জাপানের দুটি, অস্ট্রেলিয়ার চারটি ও সুইজাল্যান্ডের দুটি রয়েছে।

বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থান রয়েছে নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটন ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে জাপানের টোকিও। ষষ্ঠ অবস্থানে অস্ট্রেলিয়ার পার্থ। সপ্তম ও অষ্টম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে সুইজারল্যানন্ডের জুরিখ ও জেনেভা। নবম ও দশম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও ব্রিসবেন।

করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে বসবাসযোগ্য শহরের ক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা এ তালিকায় শীর্ষে ছিল ২০১৮ সাল থেকে। কিন্তু এবার শীর্ষ ১০ শহরের মধ্যে স্থান পায়নি ভিয়েনা। ২০১৯ সালে ভিয়েনার সঙ্গে একই পয়েন্টে নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থান ছিল অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন। সেই মেলবোর্ন এবার আট নম্বরে নেমে এসেছে।


আরও খবর