Logo
শিরোনাম

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ৬ শতাধিক যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায়

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফরিদপুরের সদরপুরে আটরশির উরশ ও টানা তিন দিন সরকারি ছুটি থাকার কারণে চরম বিপাকে পড়েছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে পদ্মা নদী পারের জন্য এখন অপেক্ষা করছে প্রায় ৬ শতাধিক যানবাহন। অপেক্ষমান যানবাহনের মধ্যে দেড় শতাধিক যাত্রীবাহী বাস ও সাড়ে চার শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক রয়েছে।

সরেজমিন সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের প্রায় চার কিলোমিটার সড়কের ওপর নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় সাড়ে চার শতাধিক বাস ও ট্রাক। অন্যদিকে গোয়ালন্দ মোড়ে দৌলতদিয়া-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজবাড়ীর দিকে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের ওপর নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।

অপর ট্রাকচালক বলেন, সারারাত এই খোলা আকাশের নিচে রাত কাটিয়েছি। এখানে নেই কোনও খাবারের দোকান, নেই টয়লেট। দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ্ রনি বলেন, আটরশির উরস ফেরত বাস ও তিনদিন সরকারি ছুটি থাকার কারণে ঘাটে বাড়তি যানবাহনের চাপ রয়েছে। যানবাহনগুলোকে নদী পারের জন্য এই নৌরুটে ১৬টি ফেরি চলছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যাত্রীবাহী বাস ও কাঁচা পণ্যবাহী ট্রাকগুলোকে নদী পারের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।

Share

আরও খবর



চতুর্থ ধাপে: রবিবার ৫৫ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৮৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এ ধাপে ২৬ পৌরসভায় ব্যালট পেপারে এবং ২৯ পৌরসভায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে

চতুর্থ ধাপে ৫৫ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হবে রবিবার। ভোটগ্রহণের ৩২ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ শুক্রবার মধ্যরাতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার শেষ হয়েছে। ভোটগ্রহণের সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ৫৫ পৌরসভার এ ভোট নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি শঙ্কা-উৎকণ্ঠাও রয়েছে প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে। আগের রাতে সিলমারা ঠেকাতে ভোটগ্রহণের দিন সকালে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট পেপার পাঠাবে ইসি। নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। 

নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব আসাদুজ্জামান আরজু বলেন, রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। এ ধাপে ২৬ পৌরসভায় ব্যালট পেপারে এবং ২৯ পৌরসভায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ করা হবে।’

এদিকে নির্বাচনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছে বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও আনসারের সদস্যরা। এ ধাপের নির্বাচনি লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। পাশাপাশি মেয়র পদে লড়ছেন বেশকিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীও। উৎসবমুখর এ নির্বাচন নিয়ে যেমন রয়েছে উত্তেজনা, তেমনি শঙ্কাও রয়েছে ভোটার ও প্রার্থীদের মাঝে। আর এসব নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ নির্বাচন কমিশনও (ইসি)।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে এবার বেশ কয়েকটি ধাপে পৌরসভা নির্বাচন করছে কমিশন। প্রথম ধাপের তফসিলের ২৪টি পৌরসভায় ইভিএমের মাধ্যমে ভোট হয় ২৮ ডিসেম্বর। ১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপের ভোট হয়। তৃতীয় ধাপে ৬৩টি পৌরসভায় ভোট হয় ৩০ জানুয়ারি। চতুর্থ ধাপে ৫৭ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও দুটি পৌরসভা নির্বাচন স্থগিত রয়েছে। এ ছাড়া পঞ্চম ধাপের ভোটগ্রহণ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি।

আইন অনুযায়ী, মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যেই পৌরসভার ভোট করতে হয়। স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের পর ২০১৫ সালে প্রথম দলীয় প্রতীকে ভোট হয় পৌরসভায়।

Share

আরও খবর



ভোটারদের টিকা কেন্দ্রে যেতে অনুরোধ করেন সিইসি

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভোটারদেরকে করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে সিইসি নিজে করোনার টিকা নেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি ভোটারদের টিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।

করোনা টিকা নেওয়ার পর অনুভূতি জানিয়ে সিইসি বলেন, আসলে উৎসবমুখর পরিবেশ। আমার খুব ভালো লেগেছে। টিকা নিয়ে কোনও সমস্যা ফেস করিনি। আধাঘণ্টা অবজারভেশনে ছিলাম। আমার কোনও রকম অসুবিধা হয়নি। আমি ভোটারদের অনুরোধ করবো, আপনারা প্রত্যেকে এসে যার যার এলাকায় এই টিকা গ্রহণ করুন।

তিনি আরও বলেন, এটা কোভিড থেকে রক্ষার অত্যন্ত ফলপ্রসূ উপায়। টিকা নেওয়ার পর কোনও অসুবিধা হয় না বলেও জানান তিনি।

Share

আরও খবর



প্রেস ক্লাবে দু’একজন পুলিশ হয়তো ঢুকেছিল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ মার্চ ২০২১ | ৬১জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
প্রেস ক্লাব অনিরাপদ হয়নি। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন, আমিও আধঘণ্টা ধরে দেখেছি, আপনারাই ছবি তুলে প্রচার করেছেন। ঘটনা যখন অতিমাত্রায় চলে যায় তখন পুলিশ টিয়ার

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, গতকালও আমরা দেখলাম প্রেস ক্লাবের সামনে একা একজন পুলিশকে পেয়ে কীভাবে পেটানো শুরু হয়েছিল। তা সবাই দেখেছেন। সেখানে পুলিশ ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। প্রেস ক্লাবে কোনোদিন আমাদের পুলিশ ভেতরে ঢোকে না এবং এদিন যেভাবে ইটপাটকেল ছুড়ছিল সে সময় দু-একজন হয়ত ঢুকেছে। কিন্তু যেভাবে ইট-পাটকেল ও মারামারির সৃষ্টি হয়েছিলো সেখানে উচিত ছিল মারামারি না করা। চরম ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছে পুলিশ।

পুলিশ মেমোরিয়াল ডে-২০২১ উপলক্ষে সোমবার (১ মার্চ) পুলিশ স্টাফ কলেজের স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা এবং স্বীকৃতি স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের রূপকল্প বাস্তবায়ন ও উন্নয়ন নিরাপত্তা স্থিতিশীল রাখার নিয়ামক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। পুলিশ বাহিনী শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়ই নয় জঙ্গি নির্মূলেও কাজ করে যাচ্ছে। জঙ্গি উত্থানের সময় পুলিশকে আহত করা হয়। সে চিত্রও আমরা রাজশাহীতে এক জঙ্গিবিরোধী অভিযানে দেখেছি। গতকালও দেখলাম প্রেস ক্লাবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‌পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পুলিশ সদস্য মারা যাচ্ছেন। ২০২০ সালে বিভিন্ন অবস্থায় বিভিন্ন পদের ৪৫৭ জন পুলিশ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন। এদের মধ্যে ২০৮ জন কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গ করেছেন। আমি নিহত ও মৃত্যুবরণকারী শোক সন্তপ্ত পুলিশ সদস্য পরিবারের প্রতি শোক-সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতা কর্মনিষ্ঠা এবং নিজেদের জীবন উৎসর্গ করার মত চরম ত্যাগে দায়িত্ব পালনে যে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন, সেজন্য পুলিশ বাহিনীসহ আমরা দেশবাসী গর্বিত। পুলিশ বাহিনী তাদের অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে যাচ্ছে। বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে অগ্রযাত্রায় প্রথম দরকার আইনশৃঙ্খলা নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সেটা পুলিশ সঠিকভাবেই করে যাচ্ছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, করোনায় যখন আমরা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেছিলাম, যখন আমাদের কাছে তখন করোনার কোনো প্রতিষেধক ছিল না, করোনায় মৃত্যুবরণকারী মায়ের ডেড বডি হাসপাতাল থেকে সন্তান যখন নিতে আসছিল না, তখন পুলিশ সেই মায়ের ডেড বডি বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করেছে। করোনায় দুস্থ অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছে পুলিশ। বর্তমান সরকার সর্বদাই পুলিশ বাহিনীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী পুলিশ সদস্যদের পরিবারের দিকে লক্ষ্য রেখে প্রত্যেক পরিবারকে এককালীন আট লাখ টাকা প্রদানে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এছাড়া চাকরিরত অবস্থায় স্থায়ী অক্ষম ও অবসরে গেলে চার লাখ টাকা অনুদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

তিনি জানান, ২০১৩ থেকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত জামায়াত-বিএনপি, শিবির, হেফাজত ও দুর্বৃত্তদের হামলায় বিভিন্ন পদমর্যাদার ২৮ জন সদস্যের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ২ কোটি ৭২ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান করা হয়েছে। এছাড়া ২০২০ সাল থেকে আজীবন রেশনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

‘প্রেস ক্লাবের সামনে এবং ভেতরে বহিরাগতদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পুলিশ প্রেস ক্লাবের দিকে তাক করে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করছে। বহিরাগত ও পুলিশ প্রেস ক্লাবে ঢুকলো। তাহলে কি প্রেসক্লাব অনিরাপদ?

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রেস ক্লাব অনিরাপদ হয়নি। আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন, আমিও আধঘণ্টা ধরে দেখেছি, আপনারাই ছবি তুলে প্রচার করেছেন। ঘটনা যখন অতিমাত্রায় চলে যায় তখন পুলিশ টিয়ার গ্যাস মেরে তাদেরকে সরানোর কৌশল মাত্র।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন বলেন, জীবন মৃত্যুতে কারও হাত নেই। তবে চেষ্টা থাকবে কারও যেন অকালে বা অকারণে মৃত্যু না হয়। দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য জীবন দেয়া গৌরবময় বিষয়। নতুন নতুন অপরাধ বাড়ছে। অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে। অনেক ঝুঁকি নিয়ে পুলিশ সদস্যদের কাজ করতে হচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এখন যেকোনো ধরনের সঙ্কট মোকবিলায় সক্ষম। সে সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

Share

আরও খবর



হত্যা মামলায় ছেলের ফাঁসি, বাবা-মাসহ পাঁচজনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ১৭৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে কৃষক ছিদ্দিক মিয়া হত্যা মামলায় জুয়েল মিয়া (২৭) নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আ. রহিম সোমবার সকালে এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দুই লাখ ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জুয়েল বাজিতপুর উপজেলার হিলোচিয়া বড়মাইপাড়া গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, একই গ্রামের মো. জজ মিয়া (৫২), তার ছেলে মো. কাকন মিয়া (২৯), জজ মিয়ার স্ত্রী মোছা. রহিমা খাতুন, জয়নাল আবেদিনের ছেলে মো. মাহবুব হাসান রঞ্জু ও মজলু মিয়ার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৫)। এদের মধ্যে মো. সাইফুল ইসলাম ও মো. কাকন মিয়া পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, জেলার বাজিতপুর উপজেলার হিলোচিয়া ইউনিয়নের বরমাইপাড়া গ্রামের মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে কৃষক মো. সিদ্দিক মিয়ার সাথে একই এলাকার আসামিদের জমি নিয়ে বিরোধ ছিল। ২০১৬ সালের ২২ জানুয়ারি বিকেলে আসামিরা লোহার রড ও শাবল দিয়ে পিটিয়ে ছিদ্দিক মিয়াকে গুরুতর আহত করেন।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রথমে ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে ঢাকায় নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে পরদিন ৬ জনকে আসামি করে বাজিতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ৩০ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার এসআই মো. নজরুল ইসলাম। আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ। তবে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা।

Share

আরও খবর



শিগগিরই শুরু হচ্ছে ৫৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ মার্চ ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিগগিরই প্রায় ৫৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। মামলার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে বন্ধ রয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার সংক্রমণ কমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান যাতে ব্যাহত না হয়, সে জন্য শিক্ষক নিয়োগ দিতে মামলার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে এনটিআরসিএ। মতামত পেলে শিগগিরই শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

সোমবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) চেয়ারম্যান মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, ৫৭ হাজারের বেশি শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলেও নিয়োগ দিতে পারছি না। তবে ৫৫ হাজার পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। এ জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। মতামত পেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে কার্যক্রম শুরু হবে।

জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। চলতি মাসের শেষে অথবা আগামী মাসে এ নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে।

এনটিআরসিএর তথ্য মতে, সারা দেশের এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৭ হাজার ৩৬০টি শূন্যপদ রয়েছে। মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে এ তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। সংগৃহীত তালিকার যাচাই-বাছাইরের কাজও শেষ পর্যায়ে। এমপিওভুক্ত বিভিন্ন বিষিয়ভিত্তিক চাহিদা অনুযায়ী, শিক্ষক পদ শূন্য আছে ৫৭ হাজার ৩৬০টি। আর শিক্ষক নিয়োগ হবে এনটিআরসিএর শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে। তবে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা একক নিয়োগের দাবিতে মামলা করায় নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ১৩তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রায় দুই হাজার প্রার্থী মামলা করে তাদের পক্ষে রায় এনেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আপিল করেছে এনটিআরসিএ। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫৭ হাজার শিক্ষকের শূন্য পদের মধ্যে দুই হাজার বাদ দিয়ে বাকি ৫৫ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই মোতাবেক এনটিআরসিএ কাজ শুরু করেছে।

Share

আরও খবর