Logo
শিরোনাম

দুই বিভাগে আ.লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) দলটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রবিবার (২১ নভেম্বর) আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় চূড়ান্ত করা হয় এসব প্রার্থী।

ঢাকা বিভাগ

ফরিদপুর জেলার আলফাডাংগা উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়ন পরিষদে মিয়া আসাদুজ্জামান, বানায় আশরাফুজ্জামান মিয়া (জিল্লু), পাঁচুড়িয়ায় এস এম মিজানুর রহমান, বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুরে মো. ফারুক হোসেন, ময়নায় পলাশ বিশ্বাস, চতুলে খোন্দকার মো. আবুল বাশার, গুনবহায় কামরুল ইসলাম, শেখরে কামাল আহমেদ, বোয়ালমারীতে ওহাব মোল্যা (তাঁরা), পরমেশ্বরদীতে মো. সোলাইমান মোল্যা, দাদপুরে শেখ সাজ্জাদুর রহমান হাই, রূপাপাতে মো. মাহব্বত আলী, সাতৈরে মুহাম্মদ মুজিবর রহমান, গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নে বিজন বিশ্বাস, সাদুল্যাপুরে সমর চাঁদ মৃধা, রাধাগঞ্জে ভীম চন্দ্র বাগচী, বান্ধবাড়ীতে মিজানুর রহমান হাওলাদার, আমতলীতে রাফেজা বেগম, পিঞ্জুরীতে আমিনুজ্জামান খাঁন, হিরণে মাজাহারুল আলম, কান্দিতে তুষার মধু, কুশলায় সুলতান মাহমুদ চৌধুরী, শোয়াগ্রামে যজ্ঞেশ্বর বৈদ্য অনুপ, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলীতে মো. বেলায়েত হোসেন সরদার, বর্ণিতে মোসা. মিলিয়া আমিনুল, গোপালপুরে লাল বাহাদুর বিশ্বাস, পাটগাতীতে শেখ শুকুর আহমদ, ডুমুরিয়ায় মো. আলী আহম্মেদ শেখ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদে মো. সোলায়মান হোসেন, হুগড়ায় মো. তোফাজ্জল হোসেন খান, করটিয়ায় মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, ঘারিন্দায় মো. হোসাইন সাদাব অন্তু, পোড়াবাড়ীয়ায় মো. ফজলুজ্জামান রশীদ, মগড়ায় মো. আজাহারুল ইসলাম, বাঘিল ইউনিয়নে এস, এম, মতিয়ার রহমান, গালায় রাজকুমার সরকার, ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুন ইউনিয়ন পরিষদে মো. দিদারুল আলম খান (মাহবুব), গাবসারায় মো. মনিরুজ্জামান, ফলদায় মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার, গোবিন্দাসীতে মো. দুলাল হোসেন চকদার, অলোয়ায় মো. রফিকুল ইসলাম, নিকরাইলে মুহাম্মদ আব্দুল মতিন সরকার, ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ীতে মো. সুজাত আলী খান, ঘাটাইলে মোহাম্মদ হায়দার আলী, লোকেরপাড়ায় মোহাম্মদ শরিফ হোসেন, আনেহলায় তালুকদার মো. শাহজাহান, দিঘলকান্দিতে মো. ইকবাল হোসেন, দিগড়ে মো. জামাল হোসেন, দেওপাড়ায় মো. বাহাদুর আলম খান, কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়ন পরিষদে মো. আ. ছালাম, সিদলায় মো. কামরুজ্জামান কাঞ্চন, গোবিন্দপুরে মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, আড়াইবাড়ীয়াতে মো. মোছলেহ উদ্দিন, শাহেদলে শাহ্ মাহবুবুল হক, পুমদীতে আ. কাইয়ুম, কটিয়াদি উপজেলার বনগ্রামে মো. কামাল হোসেন মিলন, সহশ্রাম ধুলদিয়াতে মো. আবুল কাসেম আকন্দ, করগাঁওয়ে মো. বেলায়েত হোসেন, চান্দপুরে মাফুজুর রহমান, মুমুরদিয়ায় তরিকুল ইসলাম, আচমিতায় এ, কে, এম, এম, মুর্শেদ, মসুয়ায় মো. আল আমিন, লোহাজুরীতে মো. আতাহার উদ্দিন ভূইয়া, জালালপুরে আ. খালেক সরকার (রাজু), ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দিতে মো. মিজানুর রহমান, শ্রীনগরে মো. আবুল বাশার, শিবপুরে মো. শফিকুল ইসলাম, সাদেকপুরে মো. সাফায়েত উল্লাহ, গজারিয়ায় ফরিদ উদ্দিন খান, কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নে মো. ফারুক মিয়া, আগানগরে মো. হুমায়ুন কবীর চেয়াম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বরাইদ ইউনিয়ন পরিষদে মো. হারুন অর রশিদ, দিঘুলিয়ায় সফিউল আলম (জুয়েল), দড়গ্রামে মো. আলীনূর বক্স, সাটুরিয়ায় মো. আনোয়ার হোসেন, হরগঞ্জে মো. আনোয়ার হোসেন খান, ফকুরহাটিতে মো. আফাজ উদ্দিন, ধানকোড়ায় মো. আব্দুর রউফ, তিল্লীতে শরীফুল ইসলাম, বালিয়াটিতে মো. রুহুল আমিন, ঘিওর উপজেলার ঘিওর ইউনিয়ন পরিষদে মো. হামিদুর রহমান, বানিয়াজুড়ীতে মো. নূর আলম, বড়টিয়ায় সামছুল হক মোল্লা (রওশন), বালিয়াখোড়ায় এম এ লতিফ, পয়লায় মো. হারুন অর রশীদ, নালীতে মো. আব্দুল কুদ্দুস, সিংজুরীতে মো. আব্দুল আজিজ, মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার শেখর নগর ইউনিয়ন পরিষদে দেবব্রত সরকার, বালুচরে এ এস এম শাহাদাত হোসেন, রশনিয়ায় মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, ইছাপুরায় আবদুল মতিন হাওলাদার, রাজানগরে মো. মজিবর রহমান, চিত্রকোর্টে শামছুল হুদা (বাবুল), কেয়াইনে মো. আশ্রাফ আলী, বাসাইলে মো. সাইফুল ইসলাম, মধ্যপাড়ায় মি. করিম শেখ, বয়রাগাদীতে মো. শহিদুল্লাহ, লতব্দীতে এস এম সোহরাব হোসেন, কোলায় মীর লিয়াকত আলী, জৈনসারে মো. আবুল খায়ের বেপারী, মালখানগরে সানজিদা আক্তার, লৌহজং উপজেলার কলমা ইউনিয়ন পরিষদে আমিনুল ইসলাম ফকির, খিদিরপাড়ায় আবুল কালাম আজাদ, গাঁওদিয়ায় মো. শহিদুল ইসলাম, বৌলতলীতে মো. তোফাজ্জল হোসেন, বেজগাঁওয়ে মো. ফারুক ইকবাল, হলদিয়ায় মো. মোজাম্মেল হক, কনকসারে মো. মেহেদী হাসান, কুমারভোগে লুৎফর রহমান তালুকদার, মেদিনীমন্ডলে মো. আশরাফ হোসেন চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে মো. জহিরুল ইসলাম খান, কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরি ইউনিয়ন পরিষদে মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম, নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়ন পরিষদে মো. জাকির হোসেন আকন্দ, চালাকচরে মো. ফখরুল মান্নান, চন্দনবাড়ীতে আব্দুর রউফ হিরন, বড়চাপায় অধ্যাপক এম সুলতান উদ্দিন, কাচিকাটায় নাজিবুর রহমান (সেলিম), শুকুন্দীতে মো. ছাদিকুর রহমান শামিম, দৌলতপুরে মো. হাদিউল ইসলাম, এক দুয়ারিয়ায় আনিসুজ্জামান মিটুল, গোতাশিয়ায় মো. মতিউর রহমান, পলাশ উপজেলার চরসিন্দুরে মোফাজ্জল হোসেন (রতন), জিনারদীতে মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম গাজী, নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে অদুদ মাহমুদ, দুপ্তারায় মো. নাজমুল হক, ব্রাহ্মন্দীতে মো. লাক মিয়া, ফতেপুরে মো. আবু তালিব, মাহমুদপুরে মোহাম্মদ আমান উল্যাহ, হাইজাদীতে আলী হোসেন, উচিতপুরায় মো. ইসমাঈল, খাগকান্দায় মো. আরিফুল ইসলাম, বিশনন্দীতে মো. সিরাজুল ইসলাম, কালাপাহাড়িয়ায় মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সোনারগাঁও উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদে আল আমিন সরকার, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদে খন্দকার লুৎফর রহমান স্বপন, রাজবাড়ী জেলার সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন পরিষদে মো. টুকু মিজি, খানগঞ্জে মুহাম্মদ শরিফুর রহমান সোহান, চন্দনীতে মো. আব্দুর রব, সুলতানপুরে মো. লুৎফর রহমান চুন্নু, শহীদ ওহাবপুরে নুর মোহাম্মদ ভূঁইয়া, পাঁচুরিয়ায় কাজী আলমগীর, দাদশীতে মো. রমজান আলী, বরাট ইউনিয়নে মো. ফরিদ উদ্দিন শেখ, বাণীবহে মোছা. শেফালী আক্তার, রামকান্তপুরে মো. আবুল হাসেম বিশ্বাস, মুলঘরে ওহিদুজ্জামান শেখ, খানখানাপুরে মো. আমীর আলী মোল্লা, বসন্তপুরে মো. আব্দুল মান্নান মিয়া, আলীপুরে মুহাম্মদ বজলুর রশিদ মিঞা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগ

জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোর ইউনিয়ন পরিষদে মো. মোখলেছুর রহমান তালুকদার, বকশীগঞ্জ সদরে মো. আলমগীর কবির আলমাস, মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়ন পরিষদে মো. মোজাম্মেল হক, গুনারীতলায় মোস্তাফিজুর রহমান, আদারভিটায় মো. মিজানুর রহমান, সিধুলীতে মো. মাহাবুব আলম, চরপাকেরদহে বদরুল আলম সরদার, বালিজুড়ীতে মির্জা ফকরুল ইসলাম, জোড়খালীতে মো. সুজা মিঞা, সরিষাবাড়ী উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়ন পরিষদে মো. আবু তাহের, পোগলদিঘাতে মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, ডোয়াইলে মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, আওনায় মো. বেল্লাল হোসেন, ভাটারায় মোঃ বোরহান উদ্দিন, কামরাবাদে মো. আব্দুস ছালাম, মহাদানে এ, কে,এম আনিছুর রহমান, শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলার শ্রীবরদী ইউনিয়ন পরিষদে মোহাম্মদ আব্দুল হালিম, গড়জরিপায় মো. সাইফুল আলম সাগর, সিংগাবরুনায় মো. ফকরুজ্জামান, কাকিলাকুড়ায় মো. জাহাঙ্গীর আলম, কুড়িকাহনিয়ায় মো. নুর হোসেন, ভেলুয়ায় মো. রেজাউল করিম, গোসাইপুরে মো. শাহজামাল ইসলাম আশিক, রাণীশিমূলে মো. মাসুদ রানা, তাতিহাটিতে মো. আসাদউল্লাহ, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার তারাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদে মো. খাদেমুল আলম শিশির, গালাগাওয়ে মো. আবদুর রহমান তালুকদার, ঢাকুয়ায় এনায়েত কবির, বিষকায় মো. আব্দুছ ছালাম মন্ডল, বানিহালায় মো. আলতাব হোসেন খন্দকার, কাকনীতে মো. মশিউর রহমান, বালিখাতে মো. শামছুল ইসলাম, রামপুরে মো. আজিজুর রহমান, কামারিয়ায় এ, কে, এম, আজাহারুল ইসলাম, কামারগাঁওয়ে মো. রফিকুল ইসলাম, গৌরিপুরে মইলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদ মুহাম্মদ জোসেফ উদ্দিন, গৌরীপুরে মো. হযরত আলী, অচিন্তপুরে মোছা. জাহানারা বেগম, মাওহাতে নুর মোহাম্মদ কালন, ডৌহাখলায় মো. শহীদুল হক সরকার, সহনাটিতে সালাউদ্দিন কাদের রুবেল, বোকাইনগরে মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ, রামগোপালপুরে মো. আবুল হাসিম, ভাংনামারীতে মো. নুরুল ইসলাম আকন্দ, সিধলাতে মো. জয়নাল আবেদীন চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদে মোতাহার হোসেন চৌধুরী, বড়তলী বানিহারীতে মো. মুখলেছুর রহমান, তেতুলিয়ায় মো. শফিকুল ইসলাম চৌধুরী, মাঘান সিয়াধারে মো. আবু বকর সিদ্দিক, সুয়াইরে কামরুল হাসান, গাগলাজুরে মো. হাবিবুর রহমান, সমাজ সহিলদেও ইউনিয়ন পরিষদে মো. আমিনুল ইসলাম খান সোহেল, খালিয়াজুরি উপজেলার চাকুয়ায় আবুল কালাম আজাদ, নগরে হরিধন সরকার, কৃষ্ণপুরে মো. নাজিম উদ্দিন সরকার, গাজীপুরে আতাউর রহমান, সদর উপজেলার মদনপুরে মো. কামরুজ্জামান চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।


আরও খবর

হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




কিছুটা দাম কমেছে সবজির

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শীত আসতে শুরু করায় বাড়ছে সবজির সরবরাহ। এতে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে বাজারে। কিছুদিন আগেও ৬০/৭০ টাকার নিচে কোনো সবজি না পাওয়া গেলেও বর্তমান বাজারে সে দাম কমতে শুরু করেছে।

শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এই চিত্র দেখে গেছে। তবে ক্রেতারা বলছেন, আসন্ন শীতের এই সময় দাম আরও কম থাকার কথা। সেই তুলনায় কিছুটা বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে সবজি।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের বাজারে বড় সাইজের একটি ফুলকপি ৪০/৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে বিক্রি হয়েছে ৬০/৭০ টাকায়। একইভাবে বাঁধাকপি প্রতি পিস ৩৫/৪০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা থেকে কমে প্রতি কেজি ৬০/৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১০০ টাকা কেজির সিম ২০ টাকা কমে আজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

শুক্রবারের বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ দাম কমে ৮০/৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও শসা ৪০ টাকা, মূলা ৪০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

তবে আগের মতো বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে টমেটো, গাঁজর। বাজারে আজ টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজিতে আর গাঁজর বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১২০ টাকায়। পিঁয়াজের কেজি মানভেদে ৬০/৬৫ টাকা।

নিউজ ট্যাগ: সবজির দাম

আরও খবর

কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সবজির বাজারে

শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১




রওশন এরশাদ কথা বলতে পারছেন না

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির (জাপা) চিফ প্যাট্রন (প্রধান পৃষ্ঠপোষক) রওশন এরশাদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি নেই। ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন এই রাজনীতিক কারো ডাকে সাড়া দিতে পারছেন না, কোনো কথা বলতে পারছেন না। তবে মাঝেমধ্যে চোখ খুলে তাকান।

রোববার (৩১ অক্টোবর) নিউ জাপার মহাসচিব ও এরশাদ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশিদ হাসপাতালে রওশন এরশাদকে দেখে আসার পর সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, রওশন এরশাদের অবস্থা ভালো নয়। তিনি কথা বলতে পারছেন না। বোঝা যাচ্ছে, খুব কষ্ট পাচ্ছেন। তবে আমাদের কথা তিনি শুনছেন।

৭৮ বছর বয়সী এই নেতাকে বিদেশে নেওয়া হবে কি-না জানতে চাইলে কাজী মামুনুর রশিদ বলেন, বিদেশে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। ওনাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়ার পর সেচুরেশন ৯৬ তে আছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন- এই মুহূর্তে তার শারীরিক যে অবস্থা তাতে বিদেশে নেওয়া সম্ভব নয়।

সে সময় উপস্থিত ছিলেন নিউ জাপার কো-চেয়ারম্যান বিদিশা সিদ্দিক, এরশাদপুত্র শাহাতা জারাব এরিক এরশাদ। টানা ৭৭ দিন ধরে হাসপাতালে থাকা রওশনের সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।


আরও খবর

হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




২৬ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে সালমান খানের নতুন সিনেমা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সামনেই আসছে সালমান খানের নতুন ছবি 'অন্তিম: দ্য ফাইনাল ট্রুথ। ছবিটির ট্রেইলার প্রকাশের পরে অনেক আগ্রহ দেখিয়েছেন দর্শকরাও। তাদের অপেক্ষা শেষ করে এ মাসের ২৬ তারিখে মুক্তি মিলবে ছবিটির।

তবে এ ছবিটিতে মূল চরিত্র ছেড়ে অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে সালমানকে। ছবিটির শুটিং শেষ হওয়ার আগে বেশ কয়েকবার চিত্রনাট্যে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

শুরুতে সালমানকে রাখা হয় ছবির অতিথি চরিত্রেই। ছবিতে ছিল না সালমানের কোনো গান বা নায়িকাও। এ বিষয়টি সালমানের পছন্দ না হওয়ায় চিত্রনাট্যে আবার পরিবর্তন এনে সালমানের নায়িকা, গান-নাচ রাখেন নির্মাতা মহেশ মাঞ্জেরেকার।

পরে আবার ছবিটিতে সালমানের চরিত্র পছন্দ হওয়ায় তিনি বলেন, কাহিনি যেমন আছে তেমনই থাক। সালমানের চরিত্রের সঙ্গে নায়িকা, গান-নাচ মানাচ্ছে না বলে তার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানান তিনি।

এর পরে আবার ফিরে যাওয়া হয় আগের চিত্রনাট্যেই। কিন্তু সালমানের ভক্তরা এ চরিত্রটি কীভাবে নেবে তা নিয়েও অনেক চিন্তায় ছিলেন ছবির পরিচালক মহেশ।

আসন্ন এ ছবিটির প্রযোজক হচ্ছেন সালমান নিজেই। আর এ ছবির মূল চরিত্রে থাকবেন সালমানের ছোট বোন অর্পিতার স্বামী আয়ুষ শর্মা। এতে সালমানকে শিখ পুলিশ অফিসার আর আয়ুষকে দেখা যাবে গ্যাংস্টার চরিত্রে। দুজনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে দেখা মিলবে এই অ্যাকশন ধাঁচের ছবিটিতে।


আরও খবর



আবরার হত্যা মামলার রায় রোববার

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার রায় দেওয়া হবে রোববার (২৮ নভেম্বর)। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করবেন। এর আগে ১৪ নভেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন একই ট্রাইব্যুনাল।

গত ২৪ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষের চিফ প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে পলাতক তিন আসামিসহ ২৫ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিচারক আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও ৪৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ পড়ে শোনান। এসময় বিচারক তাদের প্রশ্ন করেন, আপনারা দোষী না নির্দোষ? উত্তরে তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করেন।

গত ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষ পুনরায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আবেদন করে। এরপর আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আসামিদের বিরুদ্ধে পুনরায় অভিযোগ গঠন করেন।

গত বছরের ৫ অক্টোবর এ মামলার বাদী ও আবরারের বাবা বরকতুল্লাহর আদালতে সাক্ষ্য দেন। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর গত ২৪ জানুয়ারি তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদুজ্জামান মামলার শেষ সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দেন। গত ৪ মার্চ তদন্তকারী কর্মকর্তার জেরার মধ্য দিয়ে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এসময় আদালত আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ মার্চ দিন ধার্য করেন।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার জেরে আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে ডেকে নেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। ওইদিন রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের দোতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে আবরারের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়। নিহত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন তিনি।

ওই ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামান।

অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন ও তদন্তে প্রাপ্ত আরও ছয়জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং এজাহারবহির্ভূত ছয়জনের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন আটজন।

গ্রেফতার ২২ জন হলেন- মেহেদী হাসান রাসেল, মো. অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মো. মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুর রহমান, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এ এস এম নাজমুস সাদাত, ইসতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, মোর্শেদ অমত্য ইসলাম ও এস এম মাহমুদ সেতু।

মামলার তিন আসামি এখনো পলাতক। তারা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। তাদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহারবহির্ভূত আসামি।

২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় মোট ৬০ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।


আরও খবর



চার মাস ১৭ দিনে মসজিদের দানবাক্সে ১২ বস্তা টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স চার মাস ১৭ দিন পর আবারও খোলা হয়েছে। আটটি সিন্দুকে পাওয়া ১২ বস্তা টাকা গণনা করা হচ্ছে।

শনিবার (০৬ নভেম্বর) সকালে মসজিদের ৮টি দানবাক্স খোলার পর শুরু হয়েছে দিনব্যাপী টাকা গণনার কাজ। 

টাকা গণনা কাজ তদারকি করছেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা খানম ও পাগলা মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. শওকত উদ্দিন ভূঞা প্রমুখসহ আরও অনেকে। 

সাধারণত তিন মাস পর পর পাগলা মসজিদের দানবাক্স খোলা হয়। এবার ৪ মাস ১৭ দিন পর মসজিদের দান বাক্স খোলা হয়েছে।

টাকা গণনা শেষে বিকেলে কতো টাকা পাওয়া গেল তার হিসাব পাওয়া যাবে। 

এর আগে, সর্বশেষ চলতি বছরের ১৯ জুন মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে গণনা করে দুই কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়াও স্বর্ণ ও রূপাসহ বেশ কিছু বৈদেশিক মুদ্রাও পাওয়া যায়। 

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পশ্চিম প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে আনুমানিক চার একর জায়গায় পাগলা মসজিদ ইসলামী কমপ্লেক্স অবস্থিত। প্রায় আড়াইশ বছর আগে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয় বলে ইতিহাস সূত্রে জানা যায়। এই মসজিদের প্রতিষ্ঠা নিয়ে অনেক কাহিনী প্রচলিত আছে, যা ভক্ত ও মুসল্লিদের আকর্ষণ করে।

সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশ্বাস রয়েছে, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর এ কারণেই মূলত দূর-দূরান্তের মানুষও এখানে মানত করতে আসেন। দান সিন্দুকে পাওয়া টাকা সাধারণত কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্বশীলদের পরামর্শে বিভিন্ন মসজিদে দান-খয়রাত, মাদরাসার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়ে থাকে। 

 

নিউজ ট্যাগ: পাগলা মসজিদ

আরও খবর