Logo
শিরোনাম

এবার দেবীর গজে আগমন, নৌকায় গমন

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে বাঙালি সনাতন সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। ২৫ সেপ্টেম্বর মহালয়ায় শুরু হবে দেবীপক্ষ। এ বছর সারাদেশের ৩২ হাজারের বেশি মণ্ডপে হবে দুর্গাপূজা। মৃৎশিল্পীরা দিনরাত এক করে তৈরি করছেন দুর্গা প্রতিমা।

আকাশ জুড়ে শরতের ভেলা আর দিগন্ত জোড়া সাদা কাশফুলের দোলা জানান দিচ্ছে আসছে শারদীয় দুর্গোৎসব। ২৫ সেপ্টেম্বর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। আর ১ অক্টোবর মহাষষ্ঠীতে হবে দেবীর বোধন।

শিল্পীর ছোঁয়ায় ফুটে উঠছে দেবীর অবয়ব। প্রতিমার গায়ে যে দোমাটির প্রলেপ পড়েছে সেগুলোতে আবার সুক্ষ্মহাতে চলছে এঁটেল মাটির প্রলেপ। নিজের সৃষ্টিকে নান্দনিক আর দৃষ্টিনন্দন করতে সারাবছরের এই অপেক্ষা মৃৎশিল্পীদের।

মৃৎশিল্পীরা বলেন, রথযাত্রা থেকে মায়ের কাজ শুরু করেছি। মাটির কাজ শেষের পথে, এরপর রং দিলেই পূর্ণতা পাবে। এবছর সব জিনিসের দাম বেশি তাই বায়নাটা কিছুটা কম।

এ বছর ঢাকার ২৪১টি মণ্ডপে পূজিত হবেন দেবীদুর্গা। আর সারাদেশের এ সংখ্যা ৩২ হাজারের বেশি। সব মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হবে প্রতিটি পূজা মণ্ডপ, আশা পূজা উদযাপন কমিটির।

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি মনীন্দ্র কুমার নাথ বলেন, বিভিন্ন পূজামণ্ডপের সাথে আমাদের আলাপ-আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে মণ্ডপের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার বিষয়টিতে সৃষ্টি দেওয়ার জন্য নির্দেশনা পাঠিয়েছি।

পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. চন্দ্রনাথ পোদ্দার বলেন, মায়ের পূজা যাতে নির্বিঘ্নে হয়, কোনো ধরনের অঘটন না ঘটে সেটার জন্য পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা। কিন্তু বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সরকারের একটা নির্দেশনা আছে তাই আমরা অতিরিক্ত আলোকসজ্জা না করার জন্য বলেছি।

এবছর দেবী দুর্গা মর্তে আসছেন গজে অর্থাৎ হাতিতে চড়ে আর কৈলাশে ফিরবেন নৌকায়। তাই বিশ্ব হবে শান্তিময়, অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে উদয় হবে শুভ শক্তির। 


আরও খবর

আজ কৈলাসে ফিরবেন দেবী

বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২




শিশুর ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে ডেঙ্গুজ্বর

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডেঙ্গুজ্বরে শিশুর ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে। শারীরিক দুর্বলতায় ভুগতে পারে শিশু, ফুসকুড়ির যন্ত্রণাতেও অতিষ্ঠ হয়ে পড়তে পারে। অনেক অসুস্থ শিশু মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। সঠিক চিকিৎসা না নেওয়া হলে শিশুর জীবননাশের শঙ্কাও থাকে।  শিশুদের ক্ষেত্রে ডেঙ্গুর উপসর্গ বড়দের মতো নাও হতে পারে। ছোট শিশুর পক্ষে অনেক উপসর্গের কথা সঠিকভাবে প্রকাশ করাও সম্ভব হয় না। মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, হাত-পায়ে ব্যথার মতো যন্ত্রণার কথাও অনেকে বোঝাতে পারে না। অনেকে শিশুর খাওয়া কমে যায়। দেখলেই বোঝা যায়, সে কোনো অস্বস্তিতে ভুগছে। চারপাশের পরিবেশের প্রতি বিরক্ত থাকতে পারে, অভিভাবককেও অতিরিক্ত বিরক্ত করতে পারে। শিশুর ডেঙ্গুজ্বর প্রসঙ্গে এমন নানা তথ্য দিলেন ঢাকা শিশু হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সারাবন তহুরা।

যা করতে হবে: ডেঙ্গুজ্বরের উপসর্গ দেখা দিলে জ্বরের প্রথম তিন দিনের মধ্যেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। জ্বরের কততম দিনে কোন পরীক্ষা করালে ডেঙ্গুজ্বর নির্ণয় করা যাবে কিংবা ডেঙ্গুজ্বর হয়নি বলে নিশ্চিত হওয়া যাবে, সিবিসি বা অন্য কোনো রক্ত পরীক্ষা করাতে হবে কি না, বা কোনো পরীক্ষা পুনরায় করাতে (ফলো আপ) হবে কি না, সেগুলো চিকিৎসকই বলে দেবেন। অল্প অল্প করে বারবার তরল খাবার দিন। তবে অতিরিক্ত চাপাচাপি করবেন না; কারণ, বমি হয়ে গেলে শিশুরই ক্ষতি।  জ্বর বা ব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য ওষুধ দেবেন না।

খেয়াল রাখুন বিপদচিহ্ন: এই লক্ষণগুলোর যেকোনটি দেখা দিলেই সত্বর চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন প্রস্রাব কম হওয়া, নেতিয়ে পড়া, পেটব্যথা, শ্বাসকষ্ট, খিঁচুনি, কিছুই খেতে না পারা, জ্বর একেবারেই না কমা, হঠাৎ ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া, হঠাৎ করেই শান্ত শিশুর চঞ্চল হয়ে যাওয়া কিংবা চঞ্চল শিশুর একদম শান্ত হয়ে যাওয়া, শিশু অতিরিক্ত ত্যক্ত-বিরক্ত করা, যেকোনো রক্তক্ষরণ (চামড়ার নিচেও হতে পারে)।

আরও যা জেনে রাখা ভালো: ডেঙ্গুজ্বরে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই। তবে একই সঙ্গে অন্য সংক্রমণ থাকলে অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েডজাতীয় ওষুধ দেবেন না।  শিশুকে বাড়িতে পর্যাপ্ত তরল খাওয়ানো না গেলে হাসপাতালে নিয়ে যান। বাড়ি বা ওষুধের দোকানে নিয়ে শিরাপথে স্যালাইন দেবেন না। প্রয়োজনীয় মাত্রার চাইতে কম বা বেশি তরল শিরাপথে দেওয়া হলে শিশুর মারাত্মক ক্ষতি হয়। জ্বরের সঙ্গে খিঁচুনি হলে সেটি ডেঙ্গুজ্বর নয় বলে ধরে নেওয়া যাবে না। পাঁচ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর যেকোনো কারণে জ্বর হলেই খিঁচুনি হতে পারে। পরিবারের অন্য শিশুদের এমন খিঁচুনির ইতিহাসও থাকতে পারে।

নিউজ ট্যাগ: ডেঙ্গু জ্বর

আরও খবর

করোনায় একজনের মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




এবার উখিয়া সীমান্তে গোলাগুলি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঘুমধুম সীমান্তের পর এবার নতুন করে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের আঞ্জুমান সীমান্তে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার পর মর্টার শেলের মতো ভারী অস্ত্রের গোলার শব্দে কেঁপে ওঠে পালংখালী এলাকা। থেমে থেমে গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গফুর চৌধুরী। তিনি বলেন, ঘুমধুম সীমান্তের পর এবার নতুন করে আমার ইউনিয়নের আঞ্জুমান সীমান্তে মায়ানমারের ওপারে ভারী গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমি এই মুহূর্তে ঢাকায় আছি। সকালে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে ব্যাপক গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে বলে আমার এক ইউপি সদস্য কল করে জানান। পরে আমি বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি।

পালংখালী আঞ্জুমান সীমান্তের বাসিন্দা খালেদা বেগম বলেন, এত দিন পত্রিকায় ও টেলিভিশনে শুনেছি সীমান্তে গোলাগুলি চলছে। আজ সকালে আমাদের আঞ্জুমান সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে থেমে থেমে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। এই মুহূর্তে আমাদের এলাকার মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। তবে এ বিষয়ে বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, এর আগে রবিবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু উত্তর মসজিদের কাছে মিয়ানমার থেকে দুটি মর্টার শেল এসে পড়ে।


আরও খবর



বাসর ঘর থেকে বরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, নববধূ আটক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জয়পুরহাট সদর উপজেলার বড় মাঝিপাড়া গ্রামে বাসর ঘর থেকে মোস্তাকিম নামে এক বরের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নববধূ রিয়াকে আটক করা হয়েছে। জয়পুরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম সরোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গোলাম সরোয়ার বলেন, নিহত মোস্তাকিম হোসেন (২৪) বড় মাঝিপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঘরের মধ্যে মোস্তাকিমকে পাওয়া যায়। এসময় নববধূ ওই ঘরেই ছিলেন। ঘরের দরজা খোলা ছিল।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নামাজের পরে মোস্তাকিম ও রিয়ার (২২) বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় কনের বাড়িতে। কনের বাড়ি ভাদসা ইউনিয়নের ধামইরহাট উপজেলার জোতরাম গ্রামে। বিয়ের পর নববধূ রিয়াকে নিয়ে ছেলে মোস্তাকিম সন্ধ্যার আগেই বড় মাঝিপাড়া নিজ বাড়িতে ফিরে আসেন। রাত দেড়টার সময় নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মোস্তাকিমকে পাওয়া যায়। পুলিশ খবর পেয়ে মরহেদটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা আধুনিক হাসপাতালে পাঠায়।

মোস্তাকিমের বাবা আব্দুল হামিদ অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে কে বা কারা মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই। এ হত্যার সঙ্গে নববধূ রিয়া জড়িত বলে দাবি করেন বরের বাবা। 

জয়পুরহাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম সরোয়ার বলেন, লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবস্থা দেখে আত্মহত্যা মনে হলেও সঠিক কারণ বের করতে লাশ ময়না তদন্তের জন্য জেলা আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়া গেলে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’ এ ব্যাপারে জয়পুরহাট থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা হয়েছে বলেও জানান তদন্ত কর্মকর্তা।


আরও খবর



সাহিত্যে নোবেল জিতলেন ফরাসি লেখক আনি আরনো

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০২২ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতে নিলেন ফরাসি লেখক আনি আরনো। বৃহস্পতিবার  (৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল পাঁচটায় সুইডেনের স্টকহোমে এক সংবাদ সম্মেলনে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে সুইডিশ অ্যাকাডেমি।

আনি আরনোর জন্ম হয়েছে ১৯৪০ সালের ১ সেপ্টেম্বর। এখন তার বয়স ৮২ বছর। আনি আরনোর সাহিত্য মূলত আত্মজীবনীমূলক, সমাজবিজ্ঞানের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ১৭তম নারী হিসেবে তিনি এই পুরস্কার জিতেছেন।

সুইডিশ অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সাহস ও ব্যবচ্ছেদীয় প্রখরতার সমন্বয়ে ব্যক্তিগত স্মৃতির শেকড়, বিচ্ছিন্নতা ও সম্মিলিত সংযম উন্মোচন করার জন্য তাকে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

আনি আরনোকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করার বিষয়ে অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লিঙ্গ, ভাষা ও শ্রেণি সম্পর্কিত শক্তিশালী বৈষম্য দ্বারা চিহ্নিত একটি জীবন তিনি ধারাবাহিকভাবে এবং বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে পরীক্ষা করেছেন।

তার লেখা প্রথম উপন্যাস লে আরমোয়ার বিড ১৯৭৪ সালে প্রকাশিত হয়। কিন্তু ২০০৮ সালে লে আনি প্রকাশ হওয়ার পর তিনি আন্তর্জাতিক পরিচিতি পান। এটি ২০১৭ সালে দ্য ইয়ার্স নামে ভাষান্তরিত হয়।

বইটি সম্পর্কে অ্যাকাডেমি বলেছে, এটি তার সবচেয়ে উচ্চাকাঙক্ষী প্রকল্প, যা তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এবং একদল অনুসারী ও সাহিত্যিক শিষ্য এনে দিয়েছে।

২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন ঔপন্যাসিক আবদুলরাজাক গুরনাহ। তাঞ্জানিয়ার নাগরিক আবদুলরাজাক গুরনাহ যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। তিনি মূলত ইংরেজিতে লেখেন। তার বিখ্যাত কয়েকটি উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে প্যারাডাইস (১৯৯৪), বাই দ্য সি (২০০১) এবং ডেজারশন (২০০৫)।

২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছিলেন আমেরিকান কবি লুইস গ্লাক। সুইডিশ অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে বলা হয়, গ্লাককে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তার নিরাভরণ সৌন্দর্যের ভ্রান্তিহীন কাব্যকণ্ঠের কারণে, যা ব্যক্তিসত্তাকে সর্বজনীন করে তোলে।

২০১৯ সালে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন অস্ট্রিয়ান লেখক পিটার হান্দক। তার বিরুদ্ধে সার্বিয়ার নেতা স্লোবোদান মিলোসেভিচের বলকান যুদ্ধ সমর্থনের অভিযোগ রয়েছে।

২০১৮ সালে নোবেল কমিটির এক সদস্যের স্বামী ও জনপ্রিয় আলোকচিত্রী জ্যঁ ক্লদ আর্নোর বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ আনা হয়। পরে ওই ঘটনায় তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত। যৌন কেলেঙ্কারির পাশাপাশি বিজয়ীর নাম ফাঁস করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিতর্কের মুখে স্থগিত করা হয় ২০১৮ সালের সাহিত্যে নোবেল প্রদান।

কেলেঙ্কারির কারণে ২০১৯ সাল থেকে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে শুরু করে রয়েল সুইডিশ একাডেমি। পাল্টে যায় নোবেল কমিটির কাঠামোও। সে বছর ২০১৯ সালের বিজয়ীর পাশাপাশি ঘোষণা করা হয় ২০১৮ সালের স্থগিতকৃত বিজয়ীয় নামও। ২০১৮ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান পোলিশ লেখক ওলগা তোকারজুক।

সরাসরি নোবেল ফাউন্ডেশনের বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে ২০১৮ সালেই প্রথমবারের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা বাতিল করা হয়। এর আগে দ্বিতীয় ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ও এ বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়নি। তবে ওই সময় যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে দেওয়া হয়নি।

২০১৭ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতে নেন জাপানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক কাজু ইশিগুরো। ২০১৬ সালে অ্যাকাডেমি আমেরিকান রক সংগীতের কিংবদন্তি বব ডিলানকে এই পুরষ্কার দেওয়া হয়। এর আগে ১৫ জন নারী সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন। প্রয়াত টনি মরিসন একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ নারী যিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনটি বিষয়ে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (৫ অক্টোবর) রসায়নের নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন, বিজয়ী তিন জন হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যারোলিন আর. বেরতোজ্জি, ডেনমার্কের মর্টেন মেলডাল এবং যুক্তরাষ্ট্রের কে. ব্যারি শার্পলেস। ক্লিক কেমিস্ট্রি অ্যান্ড বায়োঅর্থগোনাল কেমিস্ট্রির উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় তাদের এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) পদার্থবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন ফ্রান্সের অ্যালাইন অ্যাসপেক্ট, যুক্তরাষ্ট্রের জন এফ. ক্লজার এবং অস্ট্রিয়ার অ্যান্টন জেইলিঙ্গার। বেল ইনিকোয়ালিটিস এবং পাইওনিয়ারিং কোয়ান্টাম ইনফরমেশন সায়েন্সে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার পেয়েছেন তারা।

সোমবার (৩ অক্টোবর) চিকিৎসাবিজ্ঞানে অবদান রাখায় নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন সুইডিশ বিজ্ঞানী সুভান্তে পাবো। বিলুপ্ত মানবজাতির জিনোম এবং মানবজাতির বিবর্তন সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য সুডিশ বিজ্ঞানীকে ২০২২ সালের চিকিৎসাবিজ্ঞান অথবা শরীরতত্ত্বে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

আগামী শুক্রবার (৭ অক্টোবর) ঘোষণা করা হবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার। অর্থনৈতিক বিজ্ঞানে (অর্থনীতি) নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হবে সোমবার (১০ অক্টোবর)।

প্রসঙ্গত, ১৮৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আলফ্রেড নোবেল নিজের মোট উপার্জনের ৯৪% (৩ কোটি সুইডিশ ক্রোনার) দিয়ে তার উইলের মাধ্যমে নোবেল পুরস্কার প্রবর্তন করেন। এই বিপুল অর্থ দিয়েই শুরু হয় পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান।

১৯৬৮ সালে তালিকায় যুক্ত হয় অর্থনীতি। সে বছর পুরস্কার ঘোষণার আগেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন আলফ্রেড নোবেল। আইনসভার অনুমোদন শেষে তার উইল অনুযায়ী নোবেল ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। তাদের ওপর দায়িত্ব বর্তায় আলফ্রেড নোবেলের রেখে যাওয়া অর্থের সার্বিক তত্ত্বাবধান করা এবং নোবেল পুরস্কারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করা। বিজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব সুইডিশ অ্যাকাডেমি আর নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিকে ভাগ করে দেওয়া হয়।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




চিনি ও পাম তেলের নতুন দাম নির্ধারণ করে দিল সরকার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ সেপ্টেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১২ টাকা কমিয়ে প্রতি লিটার পাম তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩৩ টাকা। আর খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি খোলা চিনির দাম ৮৪ টাকা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নতুন দাম নির্ধারণ করে বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, খোলা পাম সুপার তেলের মিলগেট দাম ১২৮ টাকা। পরিবেশক মূল্য ধরা হয়েছে ১৩০ টাকা। ভোক্তা পর্যায়ে নতুন দাম ১৩৩ টাকা। তবে, আগে দাম নির্ধারণ ছিল ১৪৫ টাকা। ভোক্তা পর্যায়ে পরিশোধিত খোলা চিনির কেজি প্রতি বিক্রি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৪ টাকা। আর প্যাকেটজাত চিনির কেজি প্রতি দাম ৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী রোববার থেকে নতুন এই দাম কার্যকর করতে নির্দেশনা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।


আরও খবর

৩১ ডিসেম্বরের পর পাম অয়েল বিক্রি বন্ধ

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২