Logo
শিরোনাম

ঈদে সক্রিয় হচ্ছে জাল টাকা চক্রের সদস্যরা

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উৎসব আসলেই সক্রিয় হয় জাল টাকা চক্রের কারবারিরা। সারাদেশে এ জাল টাকা ছড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে এই চক্রটি। সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ফের সক্রিয় হচ্ছে এ চক্রের সদস্যরা। তবে এই চক্রের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে বলে জানিয়েছেন একাধিক গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি এ চক্রের সদস্যরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে। তারা জাল টাকা বিক্রি করার জন্য সামাজিক প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে ঈদকে সামনে রেখে। গোয়েন্দারা বলছে, টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে সবাই সচেতন না হলে এ চক্রের দ্বারা অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন সাধারণ মানুষ।

সম্প্রতি রাজধানীর লালবাগের নবাবগঞ্জ বেড়িবাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মানের জাল বাংলাদেশি টাকা ও ভারতীয় রুপি তৈরির কারখানার সন্ধান পায় ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবি জানায়, ঈদকে সামনে রেখে জাল টাকা মার্কেটে ছড়িয়ে দেওয়ার টার্গেট করে লালবাগে ৫ থেকে ৬ মাস আগে একটি বাসা ভাড়া নেয় জাল মুদ্রার কারবারি চক্র। উদ্দেশ্য ছিল রমজানের মধ্যে ও ঈদ উপলক্ষে বিপুল পরিমাণে জালটাকা তৈরি করে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, এই চক্রের অন্যতম সদস্য লিটন। এই কারখানার মূল পরিচালক অষ্টম শ্রেণি পাস লিটন। সে নিজেই এই টাকার কারিগর। বিশেষ কাগজ, নিরাপত্তা সুতা তৈরির জন্য ডায়াস কিনে জলছাপ দিয়ে প্রিন্ট করে তৈরি হয় জাল নোট। এক লাখ টাকার জাল নোট ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করত সে। লিটনের কাছ থেকে জাহাঙ্গীর ও মহসিন জাল টাকা ১২ হাজার থেকে ১৫ হাজারে কিনে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা লাভে বিক্রি করত।

ডিবি জানায়, সম্প্রতি এক অভিযানে এ ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো–জাহাঙ্গীর আলম, আলী হায়দার, তাইজুল ইসলাম লিটন ও মহসিন ইসলাম মিয়া। পুলিশ বলছে গ্রেপ্তারকৃত সবাই প্রতারণা ও জাল টাকার অভিযোগে কয়েকবার কারাবরণ করেছেন। কারাগার থেকে বের হয়ে তারা আবারও একই কাজে লিপ্ত হন। গ্রেপ্তারের সময় জাল টাকা ও রুপি তৈরিতে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, প্রিন্টার, বিভিন্ন রকমের কালি, স্ক্রিন ফ্রেম, বিশেষ ধরনের কাগজ, কেমিক্যালস, স্ক্যানার মেশিন, কাটার ও স্কেল জব্দ করা হয়।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, জাল টাকা ও রুপির একটি চালান সংগ্রহের জন্য নাটোর থেকে ঢাকায় এসেছিল জাহাঙ্গীর আলম। তাকে অনুসরণ করে গোয়েন্দা পুলিশ নবাবগঞ্জ বেড়িবাঁধ এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ছয়তলা বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে ওই চার জনকে গ্রেপ্তার করে। জব্দ করা হয় জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম।

এ চক্রের বিষয়ে ডিএমপির গুলশান গোয়েন্দা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান বলেন, পবিত্র রমজানের মধ্যে ও আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে করোনা মহামারি পরবর্তী সুষ্ঠু পরিবেশে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক মহাযজ্ঞ চলছে। রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে জালনোট কারবারিরা বাজারে জাল নোট ছড়িয়ে দিচ্ছে এমন গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া যায়। ওই তথ্য যাচাই বাছাই ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং জাল মুদ্রা কারবারি চক্রের বেশ কিছু সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। তিনি বলেন ইতোমধ্যে আমরা জাল টাকা তৈরি চক্রের সদস্যদের অবস্থান শনাক্ত করে কাজ করছি।

এদিকে জাল টাকার কারবার এখন অনলাইনেও দেখা যায়। বিভিন্ন পেজ খুলে জাল টাকার বিজ্ঞাপন করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে দেশের যে কোনো স্থানে নিরাপত্তার সঙ্গে পৌঁছে দেওয়া হবে। আবার ইনবক্সে যোগাযোগের জন্যও বলা হচ্ছে। কারবারি চক্রের সদস্যরা বলছে, কুরিয়ার সার্ভিস অথবা তাদের দেওয়া নির্দিষ্ট জায়গায় গেলেই মিলবে জাল নোট। এ সময় তারা হুঁশিয়ার করে বলছে, আমাদের নির্দিষ্ট জায়গায় না আসলে জালনোট দেওয়া হবে না।

তা ছাড়া পুলিশকে বললে ভয়াবহ পরিণতি হবে এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ভাবে বিজ্ঞাপন করছে জাল টাকা চক্রের সদস্যরা। তবে এসব বিষয় নিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমন সংস্থা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অনলাইন প্লাটফর্মকে ব্যবহার করে নানা ধরনের অপরাধী চক্র যেমন সক্রিয় হচ্ছে তেমনি জাল টাকার কারবারিরা ও বসে নেই। জাল টাকার কারবারিরা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তারা তাদের কারবার চালাচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্মকর্তারা বলছেন, দেশে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে জাল টাকার কারবারিরা সক্রিয় হয়ে উঠছে। গ্রাহক পেতে তারা অনলাইন প্লাটফর্মকে বেছে নিচ্ছে। আবার প্রতারনার কাজেও এ পেজগুলোকে অনলাইন প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

কর্মকর্তারা বলছেন, সাইবার টিম এগুলো মনিটরিং করছে। সময়মত এ চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হবে। জানতে চাইলে ডিবি পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি মিডিয়া) ফারুক হোসেন বলেন, এরা এখন যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে তা গোয়েন্দা বিভাগ অবগত। এ বিষয়ে কাজ চলছে। ঈদকে টার্গেট করে প্রতিবারের মত এবারও চক্রটি সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। তবে তাদের প্রতিহত করতে আমরা সজাগ রয়েছি।

তিনি বলেন, যারা জাল টাকার কারবারি করে, তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হলেও জামিনে মুক্তি পেয়ে ফের একই কাজ শুরু করে। তাদের ভালো পথে আনা যাচ্ছে না। এরা সাধারণত ঢাকার উপকণ্ঠে বেশি সক্রিয় থাকে। খুবই নিখুঁতভাবে তারা জাল টাকার নোট তৈরি করছে। এসব জাল টাকার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এক সময় ৪০০ টাকার কালি ও ২০০ টাকার কাগজ দিয়ে জাল টাকা বানিয়ে তা ৮ থেকে ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করত তারা। ফলে অন্য পেশায় থাকলেও বেশি লাভের আশায় অনেকে এ পেশায় জড়িয়ে পড়ছে। তবে বর্তমানে জাল টাকা তৈরির কালি ও কাগজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং আমাদের হাতে অনেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাদের তৎপরতা কিছুটা কমেছে। এসব টাকা তৈরির উপকরণের দাম বৃদ্ধি করলে জাল টাকা তৈরি অনেকটাই কমে যাবে।

 

নিউজ ট্যাগ: জাল টাকা

আরও খবর



করোনা শনাক্ত ২২ জনের, মৃত্যু নেই

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারো মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২২ জন। বুধবার (১৮ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৪১ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ১৩৮ জন।

২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৮৯০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৫ হাজার ১টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪৪ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



করোনা মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষে বাংলা‌দেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা মোকাবিলায় বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সবার শী‌র্ষে ব‌লে জাপানভিত্তিক নিক্কেই এশিয়ার প্রকাশিত নিক্কেই কোভিড-১৯ রিকভারি সূচক’- এ এই তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বময় করোনা মহামারি শুরু থেকে চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিশ্বের ১২১‌টি দেশের কোভিড-১৯ মোকাবিলার এই পরিসংখ্যান নিক্কেই এশিয়ার সূচকে তুলে ধরা হয়েছে। সূচকে বিশ্বের রিকভারি ইনডেক্সে শীর্ষস্থানে রয়েছে কাতার।

কাতা‌রের পর তালিকায় দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কম্বোডিয়া ও রুয়ান্ডা। এরপরই তালিকার পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

নিক্কেই এশিয়া বলছে, করোনা সংক্রমণ ব্যবস্থাপনা, ক‌রোনা প্রতিরোধী টিকাদান এবং এ সংক্রান্ত সামাজিক তৎপরতার ওপর ভিত্তি করে তাদের এই নিক্কেই কোভিড-১৯ রিকভারি সূচক’- এ দেশ ও অঞ্চলের মূল্যায়ন করা হয়েছে। সূচকে যে দেশের অবস্থান যত ওপরে, করোনা মোকাবিলায় সে দেশের অবস্থান তত ভালো বলে বোঝা যাবে।

অন্যদের তুলনায় সংক্রমণের হার, মৃত্যুহার, টিকাদানের পরিস্থিতি এসব বিষয় বিবেচনায় ৮৭ পয়েন্ট নিয়ে সূচকের শীর্ষে রয়েছে কাতার। একই পরিমাণ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ ছাড়া ৮৩ দশমিক ৫ ও ৮২ দশমিক ৫ পয়েন্ট নিয়ে যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে কম্বোডিয়া ও রুয়ান্ডা। অন্যদিকে ৮০ পয়েন্ট নিয়ে সূচকে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের এই অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশগুলোর মধ্যেও সর্বোচ্চ। বাংলাদেশের পরেই ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে নেপাল। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয় এই দেশটির পয়েন্ট ৭৯। এ ছাড়া শীর্ষ দশে থাকা অন্য চারটি দেশের নাম- ডমিনিকান রিপাবলিক, চিলি, কুয়েত ও এল সালভেদর। তাদের পয়েন্ট যথাক্রমে- ৭৮, ৭৬, ৭৬ ও ৭৪। এদিকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। তবে বৈশ্বিকভাবে ২৩তম অবস্থানে থাকা এই দেশটির পয়েন্ট ৭০। একই পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে যৌথভাবে ২৩তম অবস্থানে রয়েছে পেরু। এ ছাড়া ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে সূচকে ৩১তম অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা।

বাংলাদেশের আরেক প্রতিবেশী মিয়ানমার ৬৩ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় রয়েছে ৬২ নাম্বারে। এ ছাড়া আরেক দক্ষিণ এশীয় দেশ ভারত রয়েছে ৭০তম অবস্থানে। ক্যারিবীয় দেশ হাইতির সঙ্গে যৌথভাবে থাকা দেশ দু’টির পয়েন্ট ৬২ দশমিক ৫। এর পাশাপাশি ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে তালিকায় ১১৭ নাম্বারে রয়েছে আফগানিস্তান।


আরও খবর



দক্ষিণ কোরিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে একজনের প্রাণহানি

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে একজনের নিশ্চিত প্রাণহানি এবং আরো দুজন মারাত্মক আহত হয়েছে। সোমবার ইয়ুনহাপ বার্তা সংস্থার খবরে এ কথা বলা হয়েছে।

পাহাড়ী পথের সংস্কার কাজের জন্যে হেলিকপ্টারটি নির্মাণ সামগ্রী বহন করছিল। এ সময়ে এটি দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর জিওজের মাউন্ট সেওনজার চূড়ার কাছে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার দুঘন্টা পর পাইলটসহ হেলিকপ্টারের আরো দুআরোহীকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর পাইলটকে মৃত ঘোষণা করা হয়।


আরও খবর



ইউক্রেনে রাশিয়ার এক-তৃতীয়াংশ সেনা নিহত: যুক্তরাজ্য

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রায় তিন মাসের চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর এক-তৃতীয়াংশ স্থলসেনা মারা গেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাজ্যের সামরিক গোয়েন্দারা।

এক টুইট প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শুরুর দিকে ছোট ছোট অগ্রগতি সত্ত্বেও রাশিয়া গত এক মাসে যথেষ্ট আঞ্চলিক নিয়ন্ত্রণ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই সময়ে ধারাবাহিকভাবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রুশ বাহিনীর। গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পাঠানো রাশিয়ার স্থলসেনাদের এক-তৃতীয়াংশ প্রাণ হারিয়েছে।

আগামী এক মাসে নাটকীয়ভাবে যুদ্ধের কোনো পরিবর্তন হবে না বলেও জানায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।


আরও খবর



সাগর-রুনি হত্যা : ৮৮ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৯৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ফের পিছিয়ে আগামী ৭ জুন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) র‍্যাব প্রতিবেদন দাখিল না করায় নতুন এ দিন ধার্য করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী। এ নিয়ে ৮৮ বার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ পেছানো হলো।

শেরেবাংলা নগর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক জালাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ।

আদালতের নথি বলছে, এ নিয়ে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আদালত ৮৮ বার সময় বাড়িয়ে দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা। পরে তদন্তভার পড়ে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওপর। দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় র‌্যাবকে। সেই মোতাবেক মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব এখনও র‌্যাবের কাছে ন্যাস্ত রয়েছে।


আরও খবর