Logo
শিরোনাম

এক বউ নিয়ে দুই স্বামীর লড়াই, প্রথম স্বামীসহ আহত ৪

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০২৩ | ৮৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে এক বউ নিয়ে প্রাক্তন ও বর্তমান দুই স্বামীর লড়াইয়ে অবতীর্ণ হওয়ার খবর এখন আলোচনার বিষয়ে পরিনত হয়েছে। 

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) এ লড়াই মারামারিতে গিয়ে ঠেকে। এতে প্রথম স্বামীসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে বোয়ালমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মারামারির ঘটনায় ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঘটনায় আলোচিত দুই স্বামী হলেন, উপজেলার পূর্বমুড়া গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী রমেন বিশ্বাস (৪৩) ও একই গ্রামের রবিন বিশ্বাসের ছেলে নিতাই বিশ্বাস (৩২)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মালয়েশিয়া প্রবাসী রমেন বিশ্বাসের স্ত্রীর সঙ্গে নিতাই বিশ্বাসের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনমাস আগে তারা পালিয়ে বিয়ে করেন। ২০ দিন পর অক্টোবরে তাদের ফিরিয়ে এনে এক সালিশ বৈঠক বসে এলাকায়। ওই সালিশে রমেন বিশ্বাসের স্ত্রী দ্বিতীয় স্বামী নিতাইয়ের সঙ্গে সংসারের সিদ্ধান্ত নেন।

সম্প্রতি রমেন বিশ্বাস দেশে ফিরে এলে স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে করায় দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে বিরোধ শুরু হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রমেনের বাবা রতন বিশ্বাস বাড়ির পাশে তেতুলিয়া মাদরাসার মোড়ে দোকানে এলে নিতাইসহ তার লোকজন হামলা চালায়।

খবর পেয়ে রতন বিশ্বাসের ছেলে রমেন বিশ্বাস, বিপ্লব বিশ্বাস, পৌড় বিশ্বাস ছুটে আসে। এক পর্যায়ের উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে রতন বিশ্বাস (৬০), রমেন বিশ্বাস (৪৩), বিপ্লব বিশ্বাস (৩৪) ও পৌড় বিশ্বাস (৩৩) আহত হন।

বোয়ালমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম আরো বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩