Logo
শিরোনাম

‘একতারা’ প্রতীক পেলেন হিরো আলম

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০২৩ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ দুই আসনের উপনির্বাচনে আবারও সিংহ প্রতীক নিয়ে লড়তে চেয়েছিলেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। তবে তাকে দেওয়া হয়েছে একতারা প্রতীক। বুধবার দুপুর ২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম হিরো আলমের হাতে তার বরাদ্দকৃত প্রতীক তুলে দেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক সাইফ ইসলাম ব‌লেন, মহামান‌্য হাই‌কোর্ট থে‌কে আমরা আদেশ পেয়েছি। আমাদেরকে হিরো আলমকে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেই নির্দেশনার আলোকে আজকে বগুড়া-৪ এবং বগুড়া-৬ এই দুটি আসনের উপনির্বাচনের জন্য তাকে একতারা’ প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হলো।’

প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে হিরো আলম বলেন, আ‌মি সিংহ প্রতীক নি‌য়ে নির্বাচন কর‌তে চে‌য়ে‌ছিলাম। কিন্তু প্রতীক‌টি অন‌্য একটি রাজ‌নৈ‌তিক দলের নিবন্ধনে থাকায় আমি পাইনি। এতে আফ‌সোস নেই। বিকল্প প্রতীক হিসেবে আমি একতারা’ চয়েস করেছিলাম। সেটিই পেয়েছি।’

‘একতারা’ প্রতীক পছন্দ করার কারণ জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, আমি অভিনয় জগতের মানুষ। অভিনয় ও গান নিয়ে আমার কাজ। এ জন্য একতারা প্রতীক পছন্দ করেছি। প্রতীকটি পেয়ে আমি খুব খুশি।’

হিরো আলম আরও বলেন, গতবারের মতো এবারও অনেক যুদ্ধ করে আমাকে প্রার্থিতা পেতে হয়েছে। কেন এরকম বারবার হয়রানি করা হয় জানি না।’

স্বঘোষিত হিরো বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠ হওয়ার ব্যাপারে আমি পুরোপুরি আশাবাদী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষ তাদের সেবা করার জন্য আমাকেই সুযোগ দেবেন বলে আমি নিশ্চিত। আমি আগামীকাল থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করব। আমার তো এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে। আমি সোশ্যাল মিডিয়া এবং ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইব।’

এর আগে ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিংহ প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছিলেন হিরো আলম। তবে জিততে পারেননি। আরও একবার সংসদ সদস্য হওয়ার মিশনে নেমেছেন ফেসবুক ও ইউটিউবের এই ভাইরাল তারকা।

দলীয় সিদ্ধান্তে দুটি আসন থেকে বিএনপির সংসদ সদস্যরা পদত্যাগ করায় বগুড়া-৪ ও বগুড়া-৬ আসনে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ভোট গ্রহণের জন্য তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি। এই দুই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়নপত্র কিনে প্রার্থী হয়েছেন হিরো আলম। দুটি আসনেই তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়বেন।

যদিও দুটি আসনেই তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন- ইসি। কারণ হিসেবে বলা হয়, হিরো আলমের ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় গরমিল পাওয়া গেছে। সেখানে কয়েকজন ভোটারের সমর্থন না পাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। আইনি লড়াইয়ে মঙ্গলবার তা ফিরে পান হিরো আলম।

একই ভাবে ২০১৮ সালের নির্বাচনেও প্রাথমিক অবস্থায় তার প্রার্থিতা বাতিল করেছিল নির্বাচন কমিশন। সে বারও হাইকোর্টে রিট আবেদন করে তা ফিরে পেয়েছিলেন হিরো আলম।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩