
বিশ্বকাপের গ্রুপ
লিগের তৃতীয় রাউন্ডের খেলা শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার থেকে। শুক্রবারের মধ্যে নিশ্চিত হয়ে
যাবে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে কোন ১৬টি দেশ খেলবে। এ বারের বিশ্বকাপে এশিয়া থেকে পাঁচটি
দেশ যেতে পারে শেষ ষোলোয়। কাদের সুযোগ সব থেকে বেশি?
এ বারের বিশ্বকাপে
এশিয়া থেকে খেলছে ছ’টি দেশ। আয়োজক
দেশ হিসাবে খেলছে কাতার। বাকি পাঁচটি দেশ হল— ইরান, সৌদি আরব,
জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া। তার মধ্যে অস্ট্রেলিয়া সরাসরি এশিয়ার অংশ নয়।
পূর্ব দিকের এই দ্বীপরাষ্ট্রটি ওশিয়ানিয়ার অন্তর্গত। কিন্তু ফুটবলে তারা এশীয় ফুটবল
সংস্থার অধীনে। অর্থাৎ ক্লাব থেকে শুরু করে দেশ, এশিয়ার প্রতিযোগিতাতেই খেলে অস্ট্রেলিয়া।
বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনও করেছে এশিয়ার ‘কোটা’ থেকেই।
এই ছ’টি দলের মধ্যে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছে একমাত্র কাতার। বাকি পাঁচটি দেশই যেতে পারে পরের ধাপে। গ্রুপ বি-তে রয়েছে ইরান। ২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩। শেষ ম্যাচে আমেরিকার বিরুদ্ধে খেলবে তারা। আমেরিকাকে হারাতে পারলেই শেষ চার নিশ্চিত তাদের। যদি কোনও কারণ ইংল্যান্ড নিজেদের শেষ ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করে তা হলে গ্রুপ শীর্ষে থেকে পরের রাউন্ডে যেতে পারে তারা।
সি গ্রুপে রয়েছে
সৌদি আরব। প্রথম ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বড় চমক দিয়েছে তারা। ২ ম্যাচে তাদের
পয়েন্ট ৩। শেষ ম্যাচে মেক্সিকোকে হারাতে পারলেই শেষ ষোলো নিশ্চিত তাদের। যদি কোনও কারণে
আর্জেন্টিনা-পোল্যান্ড ম্যাচ ড্র হয় তা হলে ইরানও গ্রুপ শীর্ষে থেকে পরের ধাপে যেতে
পারে।
গ্রুপ ডি-তে রয়েছে
অস্ট্রেলিয়া। ২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩। শেষ ম্যাচে ডেনমার্ককে হারাতে পারলে ফ্রান্সের
পরে দ্বিতীয় দল হিসাবে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে চলে যাবে অস্ট্রেলিয়া।
গ্রুপ ই-তে রয়েছে
জাপান। শেষ ষোলোয় যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকলেও সুযোগ রয়েছে তাদের। ২ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট
জাপানের। শেষ ম্যাচে জিততেই হবে তাদের। তবে খেলা স্পেনের বিরুদ্ধে। তাই লড়াই কঠিন।
সেই সঙ্গে কোস্টা রিকা জার্মানি ম্যাচ ড্র হলে স্পেনের বিরুদ্ধে ড্র করলেও পরের ধাপে
চলে যাবে জাপান।
গ্রুপ এইচ-এ রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। তাদেরও সম্ভাবনা কম। কিন্তু সুযোগ রয়েছে। ২ ম্যাচে ১ পয়েন্ট তাদের। শেষ ম্যাচে পর্তুগালকে হারাতেই হবে। সেই সঙ্গে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচের দিকে। ঘানা বনাম উরুগুয়ে ম্যাচ ড্র হলে বা উরুগুয়ে জিতলে গোল পার্থক্যে শেষ ষোলোয় পৌঁছে যেতে পারবে তারা।

