Logo
শিরোনাম

ফের বলিউডে রুক্মিণী মৈত্র

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফের বলিউডে পাড়ি দিতে চলেছেন টলিউডের মিষ্টি অভিনেত্রী রুক্মিণী মৈত্র। শোনা যাচ্ছে নেটফ্লিক্সের ওয়েব সিরিজ মাই-য়ের সিজন টুতে দেখা যাবে তাকে। তবে বিষয়টি এখনো মুখ খোলেননি রুক্মিণী।

সাক্ষী তানওয়ার অভিনীত নেটফ্লিক্সের মাই সিরিজের প্রথম সিজন বেশ জনপ্রিয়। এক প্রতিশোধের গল্পই উঠে এসেছিল এই সিরিজে। শোনা যাচ্ছে, সিজন টু-য়ের গল্পে এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নাকি দেখা যাবে রুক্মিণী মৈত্রকে।

এর আগে রুক্মিণীকে দেখা গিয়েছে বলিউড অভিনেতা বিদ্যুৎ জামেওয়ালের সঙ্গে সনক ছবিতে। রুক্মিণীর অভিনয় দেখে প্রশংসা করেছিলেন খোদ বিদ্যুৎও। শোনা যাচ্ছে, সেই ছবির পর মুম্বাই থেকে নাকি বেশ কিছু ছবির অফারও পেয়েছেন রুক্মিণী। তবে আপাতত টলিউডেই নাকি মন দিতে চান তিনি।


কয়েকদিন আগেই মুক্তি পেয়েছে দেব ও রুক্মিণী মৈত্রর কিশমিশ। ইতোমধ্যেই বক্স অফিসে সাড়া ফেলেছে এই ছবি। প্রশংসিত হয়েছে রুক্মিণীর অভিনয়ও।

অন্যদিকে, দেব-রুক্মিণীর বন্ধুত্ব নিয়ে বহুদিন ধরেই টলিপাড়ায় নানা গুঞ্জন। তবে প্রকাশ্যে নানা ছবি পোস্ট করলেও, নিজেদের এই বন্ধুত্ব নিয়ে মুখ খোলেন না তারা। তবে গুঞ্জনকে কি আর থামানো যায়! সেই গুঞ্জনকে সঙ্গী করেই দেব ও রুক্মিণীর রসায়ন দারুণ হিট টলিপাড়ায়।

নিউজ ট্যাগ: রুক্মিণী মৈত্র

আরও খবর



কিউবায় পাঁচ তারকা হোটেলে বিস্ফোরণ: নিহত ১৮, আহত ৭৪

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কিউবার অন্যতম জনপ্রিয় ও বিলাসবহুল একটি পাঁচ তারকা হোটেলে এক বিস্ফোরণে অন্তত ১৮ জন নিহত ও ৭৪ জনের বেশি আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ মে) ওল্ড হাভানার সারাতোগা নামের একটি হোটেলে এই বিস্ফোরণ হয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, গ্যাস লিকেজ থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা। 

করোনা পরিস্থিতির পর আগামী চার দিনের মধ্যে হোটেলটি আবারও সবার জন্য খুলে দেওয়ার কথা ছিল। তবে শুক্রবারের বিস্ফোরণের ফলে তা হয়তো সম্ভব হবে না। ঘটনাস্থলে কর্মরত ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ফলে হোটেলটির বাইরের দেয়ালের বেশিরভাগ অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইয়াজিরা দে লা কারিদাদ নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা সিবিএস নিউজকে জানান, বিস্ফোরণের পর তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এ ছাড়াও বিস্ফোরণের পর আকাশে কালো ধোঁয়া ও ধুলো উড়তে দেখার কথা জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

উদ্ধার কাজে নিয়োজিতরা জানান, হোটেলের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধার করতে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আহতদের কাছের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল বলেছেন, এটি কোনো বোমা হামলা না। এটি দুর্ঘটনা।

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন অঞ্চল হাভানায় ঘুরতে গিয়ে ম্যাডোনা, বিয়ন্সে ও মিক জ্যাগারের মতো তারকারাও থেকেছেন ১৯ শতকের ঐতিহাসিক এই সারাতোগা হোটেলে। 


আরও খবর



‘জটিল পরিস্থিতিতে চীনের শ্রমবাজার’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চীনের প্রিমিয়ার লি কেপিয়াং দেশটির শ্রমবাজার নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। দেশটির অন্যতম শীর্ষ এই নেতা শ্রমবাজারের পরিস্থিতি ভয়ংকর’ অবস্থায় রয়েছে বলে মনে করেন। নতুন করে কোভিড-১৯ শুরু হওয়ায় দেশটির অর্থনীতি ভেঙে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এ তথ্য দিলেন বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশটির নেতা।

চীনের বর্তমান শাসকদল কমিউনিস্ট পার্টির দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা লি কেপিয়াং। তিনি কর্মসংস্থান পরিস্থিতিকে জটিল ও স্থবির’ বলেও উল্লেখ করেন। এ পরিস্থিতিতে সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি সরকারের সব স্তরকে চাকরির পদ বাড়াতে ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। এসব নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও উদ্যোক্তাদের টিকে থাকার উপায় নিয়ে সহায়তা প্যাকেজ, ইন্টারনেট অর্থনীতিকে সহায়তা করা এবং নিজস্ব ব্যবসা চালু করার জন্য জনসাধারণকে বিশেষ প্রণোদনা দেয়া। সবশেষে চাকরি হারানো কর্মীদের জন্য বেকার ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা চালু করা।

‘মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য স্থিতিশীল শ্রমবাজার প্রয়োজন এবং এর মধ্য দিয়েই অর্থনীতি চাঙা রাখতে যুক্তিসংগত উপায়ে সহায়তা করা যাবে, বলেন লি। গত দুই বছরের মধ্যে চীনে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে, যে সময় তিনি এই মন্তব্য করেন বলে জানায় সরকারি সূত্র।

চীনের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে প্রতি বছর কয়েক লাখ নতুন কর্মসংস্থান দরকার। এজন্য সরকারের একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এ লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য চলতি বছর সরকারকে শহর ও নগরে কমপক্ষে এক কোটি ১০ লাখ পদ সৃষ্টি করতে হবে। তবে মার্চে লি জানান, তিনি এক কোটি ৩০ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের ব্যাপারে আশাবাদী। তখন নতুন গ্র্যাজুয়েট এবং গ্রাম থেকে আসা কর্মীর প্রয়োজন হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

চীনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন লি। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় তিনি কর্মসংস্থানের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বেশ কয়েকবার সরকারের নানা পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চলতি সপ্তাহের এই মন্তব্যে বোঝা গেছে, কভিড বিধিনিষেধের চরম মূল্য দিচ্ছে চীন। ওমিক্রন ধরনের প্রাদুর্ভাবের কারণে দুই বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে দেশটি। এখন পর্যন্ত ৩১টি শহরকে পূর্ণ বা আংশিক লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। এ কারণে ক্ষতিতে পড়তে পারেন দেশটির ২১ কোটি ৪০ লাখ নাগরিক।

দুই বছর ধরে চলা মহামারিতে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জিরো কভিড নীতি দ্বিগুণ করেছেন। অথচ একই সময় বিশ্বের অন্য দেশগুলো এ ভাইরাস নিয়েই বেঁচে থাকার উপায় শিখছে। অথচ জিরো কভিড নীতি বাস্তবায়নের জন্য তিনি গণপরীক্ষা ও কঠোর লকডাউনের পথেই হাঁটছেন। এই নীতি অমান্যকারীকে শাস্তির আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। লকডাউনের কারণে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি প্রায় ভেঙে পড়ছে’ বলে সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায় সোসিয়েটে জেনারেলের বিশ্লেষকরা। গত এপ্রিলে চীনের বৃহত্তম চাকরির বাজার সেবা খাত’-এ ধস নামে, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লকডাউনের কারণে দিশাহারা হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে উৎপাদন খাতেও পতন দেখা যায়।

সরকারের সবশেষ তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মার্চে বেকারত্বের হার ২১ মাসের মধ্যে সর্বনিন্ম পর্যায়ে নামে। সে মাসে দেশটির ৩১টি শহরে রেকর্ড বেকারসংখ্যা বেড়ে যায়। দেশটির অন্যতম বৃহৎ প্রযুক্তি খাতেও অপ্রত্যাশিতভাবে কর্মসংস্থান কম হচ্ছে। খাতটিতে কর্মরতরা একসময় বেশ মোটা অঙ্কের মজুরি পেতেন। কিন্তু সরকার এ খাতের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপর একের পর এক নিয়মনীতি চাপিয়ে দিচ্ছে। এ কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে প্রযুক্তি খাত। বিষয়টি নিয়ে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় আবাসন থেকে শিক্ষা খাতেও চাকরির বাজার সংকুচিত হয়েছে। অর্থনীতির এ করুণ দশা সম্পর্কে অবগত বেইজিং। গণবেকারত্ব কমিউনিস্ট সরকারের কপালে চিন্তা ভাঁজ ফেলে দিয়েছে। তাই ভাইস প্রিমিয়ার হু চুনহুয়া বলেন, কর্মসংস্থান স্থিতিশীল রাখতে সব ধরনের প্রচেষ্টা’ অব্যাহত রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: চীন

আরও খবর



বাংলাদেশে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে উল্লুক

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের বনগুলোতে থাকা উল্লুক এখন বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে অনেকটা বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বিবিসি বাংলা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক একটি গবেষণার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, চার দশক আগেও বাংলাদেশের বনে বসবাসকারী উল্লুকের সংখ্যা ছিল প্রায় তিন হাজার। কিন্তু সেখান থেকে এখন সেটি মাত্র কয়েকশোতে এসে ঠেকেছে।

 বিশ্বজুড়েই এই প্রাণীটি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা আইইউসিএনের বিলুপ্তির ঝুঁকিতে থাকা প্রাণীদের লাল তালিকায়ও রয়েছে এই প্রাণীটি।  এই বিষয়ে সাম্প্রতিক একটি গবেষণার প্রধান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক হাবিবুন নাহার বিবিসি বাংলাকে বলছেন, দেশের ২২টি বনাঞ্চলে নিবিড় গবেষণা করে আমরা ওয়েস্টার্ন হোলক গিবন বা পশ্চিমা উল্লুক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়েছি। তাতে দেখা গেছে, সরকারিভাবে সুরক্ষিত বনাঞ্চলগুলোয় এই প্রাণীটি সবচেয়ে ভালো অবস্থায় রয়েছে। আবার আগে কয়েকটি বনাঞ্চলে প্রাণীটি আগে দেখা গেলেও সুরক্ষার অভাবে সেখান থেকে হারিয়ে গেছে।  ২০১৯ সালের মার্চ মাস থেকে শুরু করে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের ২২টি বনে গবেষণা করে ৪৬৮টি উল্লুকের দেখা পেয়েছেন গবেষকরা। সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে মৌলভীবাজারের রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে।

হাবিবুন নাহার আরও বলেছেন, পরিবেশের ভারসাম্যের জন্য এই প্রাণীটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এরা ফলের বীজ বনাঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করে। যার মাধ্যমে অরণ্যের বিস্তারে সহায়তা হয়।

সর্বশেষ এ গবেষণায় সিলেট ও চট্টগ্রাম এলাকার ২০৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ২২টি বনাঞ্চলের ওপর জরিপ করা হয়। সেখানে কিছু কিছু বন থেকে উল্লুক হারিয়ে গেছে বলে দেখা গেছে। আবার মৌলভীবাজারের রাজকান্দি, পাথারিয়া ও লাউয়াছড়া বনাঞ্চলে অনেক উল্লুক বাস করতে দেখা গেছে। বনাঞ্চলে বড় বড় গাছ কেটে ফেলা, খাদ্য সংকট, অবৈধভাবে উল্লুক শিকারের কারণে বনগুলো থেকে এই প্রাণীর সংখ্যা কমছে বলে মনে করছেন হাবিবুন নাহার।  বানর প্রজাতির লেজবিহীন প্রাণীগুলোকে ইংরেজিতে বলা হয় এপ। গরিলা, ওরাং-ওটাং- এসব প্রাণীও এপ-এর অন্তর্ভুক্ত এবং উল্লুক হচ্ছে সবচেয়ে ছোট জাতের এপ।

বানরের সঙ্গে উল্লুকের বড় পার্থক্য হলো, এই প্রাণীটির যার লেজ নেই। পুরুষ উল্লুক কালো আর স্ত্রী উল্লুক ধুসর লোমের হয়ে থাকে।

নিউজ ট্যাগ: উল্লুক

আরও খবর

পুরনো আবহে ফিরেছে রমজান

রবিবার ০৩ এপ্রিল ২০২২




গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করছে ভারত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। রপ্তানির অপেক্ষায় কাস্টমসে আটকা পড়া গমগুলোকে রপ্তানি করতে দিচ্ছে ভারত। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে আজ মঙ্গলবার এ কথা জানা গেছে।

ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আজ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে রপ্তানি শিথিলের কথা জানানো হয়। মিসরে গম রপ্তানি করা যাবে বলেও জানানো হয়।

গতকাল সোমবার পর্যন্ত ভারতের বন্দরগুলোতে ২২ লাখ টন গম ছিল। এ নিয়ে রয়টার্স বিশেষ প্রতিবেদন করে। এতে বলা হয়, এলসি ক্লিয়ারেন্স না থাকায় ১৮ লাখ টন গম আটকা পড়েছে। বাকি চার লাখ টনের এলসি ক্লিয়ারেন্স রয়েছে। নিষেধাজ্ঞা অনুযায়ী সেগুলোর রপ্তানিতে কোনো বাধা ছিল না। এবার অপেক্ষমান ওইসব গম রপ্তানি করার অনুমোদন দিল ভারত সরকার।

গত শনিবার (১৪ মে) গম রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের কথা জানায় ভারত সরকার। ১৩ মের আগে আগে ইস্যু করা এলসি বা পেমেন্ট গ্যারান্টির বিপরীতের গমগুলো ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।


আরও খবর



৩২ মাস পর কারামুক্ত সম্রাট

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলাসহ মোট ৪টি মামলায় ৩২ মাস কারাভোগ করে অবশেষে জামিনে মুক্ত হয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেল থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) জেলার মাহবুবুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কারা কর্মকর্তা জামিনের কাগজ নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সব নিয়ম-কানুন মেনে সেখানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন সম্রাটের পাহারায় থাকা কারারক্ষীদের সরিয়ে নেওয়া হয়। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

এর আগে আজই অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করেন।

তার আইনজীবী মাহবুবুল আলম দুলাল গণমাধ্যমকে জানান, সম্রাটের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা করা হয়। অস্ত্র, মাদক ও অর্থপাচারের মামলায় ইতোমধ্যে জামিন পেয়েছেন তিনি। কারাগারে ছিলেন দুদকের মামলায়।

১৯৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে সম্রাটের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে একটি মামলা করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম বিভাগের উপপরিদর্শক রাশেদুর রহমান বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় এই মামলা (মামলা নম্বর ১৪) করেন। সম্রাট তার সহযোগী এনামুল হক আরমানের মাধ্যমে ১৯৫ কোটি টাকা সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করেছেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে। সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার জিসানুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, ২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট পর্যন্ত সম্রাট সিঙ্গাপুরে ৩৫ বার, মালয়েশিয়ায় তিনবার, দুবাইতে দুবার এবং হংকংয়ে একবার ভ্রমণ করেছেন। এছাড়া তার সহযোগী এনামুল হক আরমান ২০১১ সালের ১২ ডিসেম্বর থেকে ২০১৯ সালের ১৮ মে পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে ২৩ বার ভ্রমণ করেছেন। সম্রাট ও আরমান অবৈধ অর্থ দিয়ে যৌথভাবে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।

৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়। তার সঙ্গে আরমানকেও গ্রেফতার করা হয়। পরে ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও করে র‌্যাব।

৬ অক্টোবর দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্ব একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান শুরু করে। এদিন নিজ কার্যালয়ে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের জেল দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম। এর পর সম্রাটকে কারাগারে পাঠানো হয়।


আরও খবর