শিরোনাম

ফিটনেসবিহীন বাস ধ্বংস করা হবে: মেয়র তাপস

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
পহেলা ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় কোনো ফিটনেসবিহীন বাস চলবে না। এবার আমরা শুধু জরিমানা করব না, বরং ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো জব্দ করে তা ধ্বংস করে ফেলব

আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় কোনো ফিটনেসবিহীন বাস চলবে না। ফিটনেসবিহীন কোনো বাস চললে এবার জব্দ করে ধ্বংস করে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ রোববার নগর ভবনের বুড়িগঙ্গা হলে বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির ১৯ তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মেয়র। এ সময় ঢাকা উত্তরের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, পহেলা ডিসেম্বর থেকে ঢাকায় কোনো ফিটনেসবিহীন বাস চলবে না। এবার আমরা শুধু জরিমানা করব না, বরং ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো জব্দ করে তা ধ্বংস করে ফেলব।’

ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর নতুন রুটে কোনো পুরোনো বাস চলবে না জানিয়ে মেয়র তাপস বলেন, এখন এই রুটে যে বাসগুলো চলছে, সেগুলোর মধ্যে ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারির পর কেনা বাসগুলো থাকবে। বাকি বাসগুলো উঠিয়ে নেওয়া হবে। এর সঙ্গে নতুন বাস যোগ হবে। আমাদের এই পরিকল্পনার বিষয়ে পরিবহন মালিকেরা সম্মতি দিয়েছেন।’

সভায় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার, বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম, রাজউক চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মদ, ঢাকা মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ, গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ ড. এস এম সালেহ উদ্দিনসহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।  


আরও খবর



টিকা না নিলে ১৫ জানুয়ারির পর স্কুলে যাওয়া বন্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা গ্রহণ না করা শিক্ষার্থীদের শ্রেণি কার্যক্রম তথা স্কুল-কলেজে না যাওয়ার লিখিত নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ১২-১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীর টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করতে শনিবার (৮ জানুয়ারি) নির্দেশনা পাঠিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রায় সব শিক্ষার্থীর টিকাদান কার্যক্রম শেষ হবে এবং এরপর থেকেই টিকা না নেওয়া শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না।

মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়, ১২-১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থীকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে গত ৩০ ডিসেম্বর বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়। রাষ্ট্রের এ গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে নতুন করে নির্দেশনা দেওয়া হলো।

মাউশির নির্দেশনা:

> ১২-১৮ বছর বয়সী সব শিক্ষার্থী (নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত) ভ্যাকসিন গ্রহণ করবে।

> সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানপ্রধান ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনে শিক্ষার্থীদের টিকা কেন্দ্রে উপস্থিতি নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে শৃঙ্খলা রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষককেও টিকা কেন্দ্রে পাঠাবো হবে।

> টিকা গ্রহণ ব্যতিত কোনো শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

> টিকা কার্যক্রম চলমান অবস্থায় সব মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অঞ্চল, জেলা শিক্ষা অফিস, উপজেলা-থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না।

> জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় করে ভ্যাকসিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিতে সচেষ্ট থাকবেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার সব পরিচালক, সরকারি ও বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, সব অঞ্চলের উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, সব সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে প্রধান শিক্ষক এবং উপজেলা-থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

নির্দেশনার বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, আমাদের এক কোটি ১৬ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ৪৬ লাখের টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ শেষ হয়েছে। আশা করছি আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বাকিরাও নিয়ে নেবে।

টিকা গ্রহণ ব্যতিত কোনো শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে না- এ নির্দেশনা কবে থেকে কার্যকর হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ১৫ জানুয়ারির পর থেকেই কার্যকর হবে।

১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্কুলে যাওয়ার বিষয়ে কেবিনেট সেক্রেটারি নির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে মাউশি মহাপরিচালক বলেন, আমরা সে অনুযায়ী কাজ করছি। ১৫ জানুয়ারির পর বিষয়টি (টিকা ছাড়া স্কুলে নয়) নিশ্চিত করা হবে।

গত ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, টিকা না নিয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়া যাবে না। ১২ বছরের বেশি বয়সের শিক্ষার্থীদের অন্তত এক ডোজ টিকা নিয়ে স্কুল-কলেজে যেতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেওয়া তো শেষ হয়নি- এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ভ্যাকসিন এখন আমাদের গ্রাম পর্যন্ত পর্যাপ্ত আছে। ভ্যাকসিন দিয়ে যদি স্কুলে যাওয়া সহজ হয় বা সে যদি সেভ থাকে, সেটির জন্য তো প্রমোশন ক্যাম্পেইন করা হবে।


আরও খবর

দেশে মোট ৫৫ জনের দেহে ওমিক্রন শনাক্ত

সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২




মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন

প্রকাশিত:সোমবার ২০ ডিসেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সবসময় কাজে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন  বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির ব্যবসায়ীরা।

সোমবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ বিষয়ে আলোকপাত করেন।

সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সম্মিলিত গণতান্ত্রিক জোট।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য চাহিদা সম্পন্ন শ্রমবাজারের মধ্যে সৌদি আরব ও মালয়েশিয়া অন্যতম। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরের পর থেকে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তিন বছরের বেশি সময় এই গুরুত্বপূর্ণ শ্রম বাজারটি বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী যাওয়ার সংখ্যা একেবারেই কমে গেছে। 

২০১৭ এবং ২০১৮ সালে যখন শ্রমবাজারটি চালু ছিল তখন সর্বাধিক সংখ্যক কর্মী দেশটিতে গিয়েছিল। সে সময়ে বাংলাদেশ থেকে সর্বাধিক দশ লাখ আট হাজার কর্মীর বিদেশে কর্মসংস্থান হয়েছিল। মালয়েশিয়া শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে এ অভিবাসী খাতে অনেকটা ধীর গতি চলে আসে।

বক্তারা আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ চৌধুরীর অক্লান্ত পরিশ্রমে চল্লিশ মাসে নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে ১৯শে ডিসেম্বর উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে উন্মুক্ত হলো বহুল প্রতিক্ষিত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। এতে আমরা আশান্বিত বাংলাদেশের প্রচুর কর্মীর কর্মসংস্থান হবে এবং আমাদের প্রবাসী আয় বাড়বে। 

সরকার যখন সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করছে, বৈদেশিক কর্মসংস্থান খাতে যখন নতুন নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত হচ্ছে, রেমিটেন্স প্রবাহ যখন বাড়ছে, ঠিক তখনই কিছু সংখ্যক মানুষ চলমান গতিকে স্থবির করার জন্য নানা রকম গুজব বা মিথ্যাচার করছে। তাদের এসব গুজব ও মিথ্যাচারের কারণে বিভিন্ন সময়ে শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।


আরও খবর



সব সমাবেশ বন্ধসহ ৪ সুপারিশ কারিগরি কমিটির

প্রকাশিত:শনিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতসহ সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দেশেও সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। এ পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি ওই কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছে। প্রয়োজনে কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিতকরণের জন্য আইনি ব্যবস্থা যেমন- মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পরামর্শ দেয় কমিটি।

করোনা মোকাবিলায় জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি ৪টি সুপারিশ করেছে। সেগুলো হলো-

১. শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা নিশ্চিত করা, হাত পরিষ্কার রাখা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে। বিভিন্ন স্থানে পুনরায় হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের উদ্দেশে সব সামাজিক (বিয়ের অনুষ্ঠান, মেলা ইত্যাদি), ধর্মীয় (ওয়াজ মাহফিল) ও রাজনৈতিক সমাবেশ এই সময় বন্ধ করতে হবে। সভা/কর্মশালার ব্যবস্থা অনলাইনে করা প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণ ও নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংক্রমণের বিষয়ে নিয়মিত নজরদারির বিষয়ে পরামর্শক কমিটি গুরুত্বারোপ করে।

২. শিক্ষার্থীসহ সবাইকে দ্রুত ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

৩. সব পয়েন্ট অব এন্ট্রিতে স্ক্রিনিং, কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশন আরও জোরদার করণে সুপারিশ করা হয়।

৪. সংক্রমণ বেড়ে গেলে তা মোকাবিলায় হাসপাতাল প্রস্তুতি বিশেষ করে পর্যাপ্ত সাধারণ ও আইসিইউ শয্যা, পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা রাখতে হবে।


আরও খবর



ইউপি নির্বাচন : ৪৮ জেলায় মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৬ জানুয়ারী ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের ৪৮টি জেলায় নিষিদ্ধ করা হয়েছে মোটরসাইকেল চলাচল। পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। সোমবার (৩ জানুয়ারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) সকাল ৬টা পর্যন্ত ৫৪ ঘণ্টার জন্য এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এছাড়া আজ মধ্যরাত থেকে এসব নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণাও বন্ধ থাকবে। মধ্যরাতের পর থেকে আর নির্বাচনী প্রচারণা চালানো যাবে না।

পঞ্চম ধাপের ইউপি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে ৫ জানুয়ারি। ৪৮ জেলার ৯৫টি উপজেলায় ৭০৮ ইউনিয়নে ভোট হবে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সব নির্বাচনী এলাকায় মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আইন অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা আগে নির্বাচনী প্রচার কাজ বন্ধ করতে হয়। ভোটগ্রহণ শুরু হবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টায়। তার ৩২ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ ৩ জানুয়ারি মধ্যরাত ১২টার পর আর প্রচার চালানো যাবে না। শুধু তাই নয়, কোনো মিছিল, বিজয় মিছিল, মশাল মিছিল ও আনন্দ র্যালি করা যাবে না।

ইসির উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান জানান, মোটরসাইকেলের পাশাপাশি মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) মধ্যরাত ১২টা থেকে বুধবার (৫ জানুয়ারি) রাত ১২টা পর্যন্ত সব যন্ত্রচালিত যান চলাচলও বন্ধ থাকবে। ইসির অনুমোদন নেওয়া গাড়ি এই সংক্রান্ত নির্দেশনার বাইরে থাকবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে কমিশন।

নির্দেশনায় বলা হয়, যান চলাচল বন্ধ থাকলেও রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্ট, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের (পরিচয়পত্র থাকতে হবে) ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।

এছাড়া নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সাংবাদিক (পরিচয়পত্র থাকতে হবে), নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, নির্বাচনের বৈধ পরিদর্শক এবং জরুরি সেবা যেমন- অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, ডাক, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। অন্যদিকে জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও জরুরি পণ্য সরবরাহসহ অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, পঞ্চম ধাপে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ১৯৩ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৫২ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৩২ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ১০৯ প্রার্থী রয়েছেন।

এই ধাপে চেয়ারম্যান সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারণ সদস্য পদে মোট ৩৬ হাজার ৪৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে তিন হাজার ২৭৪ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে সাত হাজার ৯৫০ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ২৫ হাজার ২৩৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।

চলমান ইউপি নির্বাচনে ইতোমধ্যে চার ধাপের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এছাড়া পঞ্চম ধাপের পর ষষ্ঠ ধাপে ২১৯ ইউপিতে ৩১ জানুয়ারি এবং সপ্তম ও শেষ ধাপে ১৩৮ ইউপিতে ৭ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন।



আরও খবর



এলপিজি সিলিন্ডার ও অটোগ্যাসের দাম আরও কমলো

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমে যাওয়ায় দেশেও আবার দাম কমানো হলো।

সোমবার (৩ জানুয়ারি) সোমবার অনলাইনে বিইআরসি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই দাম ঘোষণা করা হয়। এসময় সংবাদ সম্মেলনে কমিশন চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, সচিব আবু সায়িদ, সদস্য মকবুল ই ইলাহিসহ অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য বেসরকারি পর্যায়ে মূসকসহ প্রতি কেজি এলপিজি ১০২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে কমিয়ে ৯৮ টাকা ১৭ পয়সা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ২২৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৭৮ টাকা করা হয়েছে। সেই হিসাবে সিলিন্ডার প্রতি কমলো ১৫০ টাকা। আজ ৩ জানুয়ারি সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

এর আগে ডিসেম্বর মাসের জন্য বেসরকারি পর্যায়ে মূসকসহ প্রতি কেজি এলপিজি ১০৯ টাকা ৪২ পয়সা থেকে কমিয়ে ১০২ টাকা ৩২ পয়সা করা হয়। এতে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩১৩ টাকা থেকে কমে হয় ১ হাজার ২২৮ টাকা। 

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত (রেটিকুলেটেড) এলপিজির দামও কমানো হয়েছে। প্রতি কেজি ৯৯ টাকা ০৮ পয়সা থেকে থেকে কমিয়ে ৯৪ টাকা ৯৪ পয়সা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, একইসঙ্গে কমেছে পরিবহনে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের দামও, যা অটোগ্যাস নামে প্রচলিত। জানুয়ারি মাসের জন্য অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার ৫৪ টাকা ৯৪ পয়সায় আদেশ দেওয়া হয়। যা ডিসেম্বর মাসে ছিল ৫৭ টাকা ২৪ পয়সা। লিটারে কমেছে প্রায় ২ টাকা ৩০ পয়সা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সৌদি সিপি অনুসারে জানুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম যথাক্রমে প্রতি টন ৭৯৫ থেকে কমে ৭৪০ এবং ৭৫০ ডলার থেকে কমে ৭১০ ডলারে নেমেছে। প্রোপেন ও বিউটেনের মিশ্রণ অনুপাত ৩৫:৬৫ বিবেচনায় জানুয়ারি মাসের জন্য এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

শুধু ১২ কেজি নয়, সাড়ে ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত সব সিলিন্ডারের দামই কমানো হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।


আরও খবর