Logo
শিরোনাম

ফ্রেঞ্চ ওপেনে সংবাদ সম্মেলনের আরেক শিকার কেভিতোভা

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সবাইকে হতাশ করে ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে নাম সরিয়ে নিয়েছেন টেনিস তারকা নাওমি ওসাকা। তাঁর সরে যাওয়ার কারণ ছিল, সংবাদমাধ্যমকে বয়কট করা। এবার সেই সংবাদমাধ্যমের প্যাঁচে পড়ে গেলেন পেত্রা কেভিতোভা। নাউমি ওসাকার পর তিনিও সরে দাঁড়ালেন ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে।

চারবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী ওসাকা সংবাদ সম্মেলন বয়কটের ঘোষণা দিয়ে রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছেন। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে আসেননি তিনি। এ জন্য তাঁকে ১৫ হাজার ডলার জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে টুর্নামেন্ট থেকে বহিষ্কার করার হুমকি দেওয়া হয়। তাই এসব ঝামেলা এড়াতে নিজেই সরে দাঁড়ালেন ওসাকা।

তবে কেভিতোভার ব্যাপারটি একটু ভিন্ন। সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চেক প্রজাতন্ত্রের এই টেনিস তারকা বেলজিয়ামের গ্রিট মিনেনকে ৬-৭ (৬-৩), ৭-৬ (৭-৫), ৬-১ গেমে হারান। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনেই যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথে পা হড়কে পড়ে যান কেভিতোভা। পড়ে গিয়ে গোড়ালিতে নাকি চোট পেয়েছেন তিনি।

এক টুইট বার্তায় ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে সরে যাওয়ার খবর জানিয়ে কেভিতোভা লিখেছেন, বেশ হতাশা নিয়েই ফ্রেঞ্চ ওপেন থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। রোববার সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে আমি পড়ে যাই আর গোড়ালিতে গুরুতর আঘাত পাই। এমআরআই করার পর সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি ফ্রেঞ্চ ওপেনে না খেলার। সিদ্ধান্তটা নেওয়া অনেক কঠিন ছিল। আমি এখন মন শক্ত করার চেষ্টা করছি। দ্রুত সুস্থ হয়ে কোর্টের লড়াইয়ে ফেরার আশা করছি।

এর আগে টুইটারে ঘোষণা দিয়ে ওসাকাও সরে দাঁড়ান। তিনি লিখেছিলেন, আমার মনে হয়েছে টুর্নামেন্ট, অন্য খেলোয়াড় ও আমার নিজের ভালোর জন্যই সরে দাঁড়ানো উচিত। প্যারিসে এখন সবাই টেনিসেই মনোযোগ দিতে পারবেন। আমি কখনই ঝামেলা হয়ে থাকতে চাইনি। আমি মনে করি, ব্যাপারটা আরও পরিষ্কার করে বোঝাতে পারতাম। সত্যি কথা হলো, আমি ২০১৮ সালের ইউএস ওপেন থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছি। এর সঙ্গে লড়াই করতে সত্যিই খুব কঠিন সময় কাটিয়েছি।

ওসাকা আরো লিখেছেন, আপাতত কোর্ট থেকে আমি কিছুটা সময় দূরে থাকব। কিন্তু যখন সময় হবে, তখন খেলোয়াড়, গণমাধ্যম ও ভক্তদের জন্য ভালো হয়, এমন পথ বের করতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করব।



আরও খবর



৬ দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ

প্রকাশিত:সোমবার ০৭ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৬ দফা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। সোমবার (৭ জুন) ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস।

জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এটি এক অনন্য প্রতিবাদী ও আত্মত্যাগের সংগ্রামী একটি দিন। ৬ দফার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যার পরিণতি রূপ নেয় মহান মৃক্তিযুদ্ধে।

পূর্ব বাংলার মানুষের ওপর জেঁকে বসা পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন-শোষণ ও নির্যাতনের চাকায় পিষ্ট বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ৬ দফা ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু ঘোষিত এই ৬ দফার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন-সংগ্রামই বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয় এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের পথ রচিত হয়। ৬ দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র সমাজের ৫ দফা দাবি যুক্ত হয়ে ১১ দফা দাবিতে পরিণত হয় এবং এই ১১ দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ৬৯ এর ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়। এই গণঅভ্যুন্থানের পথ ধরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন এবং রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয় সূচিত হয়।

ভারতীয় উপমহাদেশের জনগণ ব্রিটিশ শাসন ও শোষকদের এদেশ থেকে তাড়াতে যেভাবে ঐক্যবদ্ধ অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল, ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ৬ দফাকে তৎকালীন পূর্ববাংলার জনগণ পাকিস্তানিদের এদেশ থেকে তাড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছিল। ৬ দফার প্রতিটি দফা বাংলার আনাচে-কানাচে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। আত্মঅধিকার প্রতিষ্ঠার ৬ দফা দ্রুত বাঙালির মুক্তির সনদে পরিণত হয়।

১৯৬৬ সালের ১৩ মে আওয়ামী লীগ আয়োজিত পল্টনের এক জনসভায় ৭ জুন হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। জুন মাসব্যাপী ৬ দফা প্রচারে ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হয়। ৭ জুন তেজগাঁওয়ে বেঙ্গল বেভারেজের শ্রমিক সিলেটের মনু মিয়া গুলিতে প্রাণ হারান। এতে বিক্ষোভ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তেজগাঁওয়ে ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। আজাদ এনামেল অ্যালুমিনিয়াম কারখানার শ্রমিক আবুল হোসেন ইপিআরের গুলিতে শহীদ হন। একই দিন নারায়ণগঞ্জ রেলস্টেশনের কাছে পুলিশের গুলিতে মারা যান ৬ জন শ্রমিক। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সন্ধ্যায় কারফিউ জারি করা হয়। হাজার হাজার আন্দোলনকারী নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ গ্রেফতার হন। বহু জায়গায় বিক্ষুব্ধ জনতা গ্রেফতারদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ৬ দফা ভিত্তিক আন্দোলন সারাদেশে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয় শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের আন্দোলন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গৌরবময় অধ্যায় হলো ৬ দফা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া। ৬ দফার পক্ষে জনমত সংগঠিত করার লক্ষ্যে সারা বাংলায় গণসংযোগ আন্দোলন শুরু করেন শেখ মুজিবুর রহমান। এ সময় তাকে সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকায় বার বার গ্রেফতার করা হয়। ১৯৬৬ সালের প্রথম তিন মাসে তিনি ৮ বার গ্রেফতার হন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭০-এর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিচালিত ৬ দফা আন্দোলই ছিল সেই সময়ে দেশের সমস্ত রাজনৈতিক কর্মতৎপরতার কেন্দ্রবিন্দু।

এই ৬ দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান অনুষ্ঠিত হয়। ৬ দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত হন। এর পর ৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা বাঙালি জাতি বিপুল বিজয় পায়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়। এরপর দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালি বিশ্বের বুকে স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।



আরও খবর



কোভ্যাক্সের ১০ লাখ টিকা আসছে আগস্টে

প্রকাশিত:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৬৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভ্যাক্সের ১০ লাখ টিকা আগামী আগস্টে দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

বুধবার (১৬ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।

যতোগুলো টিকা উপাদনকারী সংস্থা বা দেশের সঙ্গে আমরা সরাসরি ক্রয় করতে চাই বা আমাদের দেশে উৎপাদন করেন। সেটা সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়ে হোক। এই প্রস্তাবনা সবাইকেই দিয়েছি।

চীন থেকে প্রাপ্ত ১১ লাখ টিকাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা নিবন্ধন করেও টিকা পাননি তাদেরকে আগে দেওয়া হবে। এছাড়াও স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, মেডিক্যাল-ডেন্টাল শিক্ষার্থী, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থী, মেগা প্রকল্পের কর্মরত এবং দেশে অবস্থিত বিদেশিরা টিকা পাবে।


আরও খবর



সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০২ জুন 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এ অধিবেশন শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট পেশ হবে।

এর আগে সংসদ ভবনে সভাপতিমণ্ডলীর সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, একাধিক দফা বিরতি দিয়ে ১২ কার্যদিবসের মতো এই বাজেট অধিবেশন চলতে পারে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার সব নিয়ম মেনে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়েছে। বরাবরের মতো এবারও রোস্টার করে অধিবেশনে অংশ নেবেন সংসদ সদস্যরা। করোনার কারণে প্রত্যেক কার্যদিবসে উপস্থিতি সংখ্যা ১০০-১২০ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হবে।

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, একজন সংসদ সদস্য ৩-৪ কার্যদিবস অধিবেশনে অংশ নেবেন। অধিবেশনে যোগদানের জন্য প্রত্যেকের করোনা নেগেটিভ সনদ থাকা বাধ্যতামূলক। একদিন করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট দিয়ে পরপর দুদিন অধিবেশনে যোগ দেওয়া যাবে। ফলে এই অধিবেশনে যোগদানের জন্য সংসদ সদস্যদের একাধিকবার করোনা পরীক্ষা করতে হবে।


আরও খবর



আল আকসা মসজিদ ও গাজা দখল বন্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: হামাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফিলিস্তিনের হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে আপাতত যুদ্ধবিরতি হলেও সীমান্ত বন্ধ রেখে গাজাবাসীর ওপর আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে তেল আবিব। মানবিক সহায়তা পৌঁছাতে না পারায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন ফিলিস্তিনিরা।

এদিকে পবিত্র আল আকসা মসজিদ ও গাজা দখল বন্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি ও রয়টার্স জানায়, সাধারণ ফিলিস্তিনিদের ওপর টানা ১১ দিন বোমাবর্ষণ ও বর্বর হামলার পর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও দখলদারিত্ব মনোভাব বজায় রেখেছে ইসরায়েল। সরাসরি বোমা দিয়ে না হলেও সীমান্ত বন্ধ রেখে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের দমানোর চেষ্টায় ব্যস্ত তেল আবিব।

গাজার সবগুলো সীমান্তই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে। তাই সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ায় জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সব ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এ মুহূর্তে বিধ্বস্ত গাজার সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন খাদ্য ও চিকিৎসা। ইসরায়েলের কঠোর মনোভাবের কারণে তা বন্ধ রয়েছে। এমনকি আহত ও অসুস্থরা আগে পশ্চিম তীরের হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে পারলেও সীমান্ত বন্ধ থাকায় এখন তাও পারছেন না।

ফিলিস্তিনিরা বলছেন, আপাতত যুদ্ধবিরতি হলেও সীমান্ত বন্ধ রেখে মূলত ইসরায়েল তাদের ওপর অত্যাচার অব্যাহত রেখেছে।

তারা বলেন, সীমান্ত বন্ধ রাখায় কয়েকদিনের মধ্যে এখানকার মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। এরইমধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সামনের দিনগুলোতে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব আরও বেড়ে যাবে।

ফিলিস্তিনিরা আরও বলেন, ইসরায়েল চাইছে আমরা যেন ওষুধ ও খাবার না পাই। কোনো কারণে লকডাউন যদি আরও ১০ কিংবা ২০ দিন বাড়ানো হয় আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ হবে বলে জানান তারা।

শুধু গাজাতেই নয় জেরুজালেমে বসবাসরত আরবদের ভূমি দখলে মত্ত ইসরায়েল। তেমনি এক আরব পরিবারের ভূমি দখলের বিরুদ্ধে ইসরাযেলের একটি আদালতে বুধবার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ভুয়া দলিল দিয়ে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখলের অভিযোগ আনা হয়। ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে এদিন আদালতের বাইরে বিক্ষোভ করেন অনেকে।

ফিলিস্তিনিদের ওপর দফায় দফায় ইসরাইলের আগ্রাসী আচরণের কারণে শুধু গাজায় নয় ওই অঞ্চলে বড় সড় জাতিগত যুদ্ধ বেধে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন হামাসের শীর্ষ নেতা ইয়েহিয়ে সিনওয়ার। পবিত্র আল আকসা মসদিজ ও ফিলিস্তিনিদের শেখ জারাহ বসতির ওপর ইসরাইলি বর্বরতা বন্ধে বিশ্ববাসীকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে কূটনৈতিক মিশনের অংশ হিসেবে মিশর, জর্ডান সফর করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন।

জর্ডানের বাদশা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহর সঙ্গে বৈঠকে, গাজায় সহায়তা পৌঁছানোর ব্যাপারে কোনো মন্তব্য না করলেও ফিলিস্তিনের সশস্ত্রগোষ্ঠী হামাসে কাছে যেন আন্তর্জাতিক সাহায্য সহযোগিতা না পৌঁছায় সেদিকে জোর দিয়েছেন তিনি।

এর আগে ফিলিস্তিন-ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির বিষয়ে মিশরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাতাহ আল সিসির সঙ্গে বৈঠক করেন ব্লিঙ্কেন



আরও খবর



গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধির বালাই নেই, নেয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া

প্রকাশিত:সোমবার ৩১ মে ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৯ জুন ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর গণপরিবহনগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। অতিমারি করোনার লাগাম টানতে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে যাত্রী পরিবহনের কথা থাকলেও অনেক বাসেই সে নিয়মের তোয়াক্কা করা হচ্ছে না। সরকারি নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গাদাগাদি করে পরিবহন করা হচ্ছে যাত্রী। তবে নির্দেশনা অনুযায়ী বাড়তি ৬০ শতাংশ ভাড়া তারা ঠিকই আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে দেখা গেছে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

সোমবার (৩১ মে) রাজধানীর মিরপুর, ফার্মগেট, কারওয়ানবাজার, শাহবাগ, গুলিস্তান ও মতিঝিলসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে গণপরিবহনের এমন চিত্র দেখা গেছে।

কিছু কিছু বাসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীদের গন্তব্যে যেতে দেখা গেলেও অধিকাংশ বাসে গাদাগাদি করে যাত্রীদের চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেকের মুখে মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বাস শ্রমিকদের মধ্যে দেখা যায়নি কোন তৎপরতা। বেশিভাগ বাসচালক ও হেলপাররা ব্যবহার করছেন না মাস্ক। ক্যামেরা দেখলেই শুরু হয় মাস্ক পড়ার তোড়জোড়। এদিকে, যাত্রীদের অভিযোগ, বাসে অতিরিক্ত যাত্রী উঠানো হলেও সঙ্গে আদায় করা হয় অতিরিক্ত ভাড়াও।

বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন আব্দুল গণি। প্রতিদিন মিরপুর থেকে গণপরিবহনে করে যাতায়াত করেন মতিঝিলে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনে চলাচলের বিষয়টি শুধুমাত্র খাতা কলমেই আছে। বাসে কোনো সুরক্ষা সামগ্রী দেয়া হচ্ছে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ন্যূনতম স্যানিটাইজারও দেয়া হচ্ছে না। আমাদের ঘাড়ের ওপর যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। অথচ বেশি ভাড়াই আদায় করা হচ্ছে।

মিরপুর থেকে যাত্রাবাড়ীগামী খাজাবাবা পরিবহনের বেশ কয়েকজন যাত্রী মাস্ক পড়েননি। কেন পড়েননি জানতে চাইলে তারা বলেন, এতোক্ষণ মাস্ক পড়েছিলাম। যে গরম পড়ছে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। তাই একটু মাস্ক খুলেছি।

বাসে কেনো নিয়ম না মেনে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিহঙ্গ পরিবহনের হেল্পার নওশাদ আলী বলেন, যারা একই পরিবারের তারাই কেবল দুই সিটে একসঙ্গে বসেছে। এছাড়া অন্য যাত্রীরা আলাদা আলাদা সিটে বসছে।

তবে যাত্রীদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা কেউই কারো পরিচিত নন বলে জানান। এসময় প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে ওই বাস হেল্পার বলেন, ভাই অফিস টাইম এখন। আমরা কি করবো? যাত্রীরা আমাদের ঠেলে বাসে উঠে যায়। তারা বাসে উঠে গেলে তো আমরা নামায়ে দিতে পারি না।

নিউজ ট্যাগ: গণপরিবহন

আরও খবর