Logo
শিরোনাম

ফ্যামিলি কার্ডে বিক্রি হচ্ছে টিসিবির পণ্য

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও চালু হচ্ছে ভর্তুকিমূল্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রির কার্যক্রম। বুধবার (২২ জুন) থেকে চলবে আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত।

তবে এবার আগের মতো ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করবে না টিসিবি। শুধু ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ডিলারের দোকান বা নির্ধারিত স্থান থেকে টিসিবির এসব পণ্য কিনতে হবে। এই দফায় একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ দুই লিটার সয়াবিন তেল, দুই কেজি মসুর ডাল ও এক কেজি চিনি কিনতে পারবেন। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১১০ টাকা, আর প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা ও মসুর ডাল ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হবে। মঙ্গলবার টিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এক কোটি নিম্ন আয়ের পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য দেওয়া হবে।

এদিকে মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জসহ কিছু জেলায় টিসিবির এই পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হবে ২৬ জুন। আর বন্যার কারণে সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে আপাতত স্থগিত থাকবে বিক্রি কার্যক্রম। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরবর্তী সময়ে বিক্রির তারিখ জানাবে সংস্থাটি।


আরও খবর



সমুদ্রে নেমে নিখোঁজ, ৭ দিন পর চেন্নাই থেকে ফোন

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৯৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সাঁতার কাটতে নেমে নিখোঁজ হন পর্যটক ফিরোজ শিকদার (২৭)। নিখোঁজের সাত দিন পর নিজেই নিজের সন্ধান দিয়েছেন।

শনিবার (৪ জুন) দুপুরে ফিরোজ তার বড় ভাই মাসুম সিকদারকে ভারতের চেন্নাই প্রদেশ থেকে ফোন করেন।

ফিরোজের বড় ভাই মাসুম জানান, গত ২৭ মে দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে সমুদ্র সৈকতে সাঁতার কাটতে নেমে নিখোঁজ হয় ফিরোজ।

ফিরোজের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সৈকতে গোসলে নামার পর ঢেউয়ের স্রোতে গভীর সমুদ্রে ভেসে যায় ফিরোজ। পরে সমুদ্রে একটি কলাগাছ পেয়ে সেটি আঁকড়ে ধরে ২৪ ঘণ্টা ভেসে থাকে। ভাসমান অবস্থায় ভারতের জেলেরা তাকে উদ্ধার করে চেন্নাই প্রদেশে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে ভারতের প্রশাসনের জিম্মায় রয়েছে।

ফিরোজ সিকাদার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের মৃত মিলন সিকদারের ছেলে। তিনি একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল খালেক জানান, বিষয়টি ফিরোজের ভাই মাসুম নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার (২৬ মে) রাতে গলাচিপার আমখোলা থেকে ফিরোজ সিকদারসহ তার সাত বন্ধু কুয়াকাটায় বেড়াতে যান। সেখানে হোটেল রয়েল প্যালেসে ওঠেন তারা।

শুক্রবার (২৭ মে) দুপুরে সৈকতের জিরো পয়েন্টে গোসলে নেমে নিখোঁজ হন ফিরোজ সিকদার। পরে কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদলসহ কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ তাকে উদ্ধারের সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালায়।

নিউজ ট্যাগ: পটুয়াখালী

আরও খবর



২৪ জুন লাবণ্য দাশ হয়ে আসছেন জয়া আহসান

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আগামী ২৪ জুন পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে জয়া আহসান অভিনীত সিনেমা ঝরা পালক। সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে বাংলা সাহিত্যের নির্জনতম কবি জীবনানন্দ দাশের ওপরে। এটি নির্মাণ করেছেন সায়ন্তন মুখার্জি। জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম অনুসারে এ সিনেমার নাম রাখা হয়েছে। সিনেমায় জয়া আহসান অভিনয় করেছেন জীবনানন্দ দাশের স্ত্রী লাবণ্যর ভূমিকায়। জীবনানন্দ দাশের মৃত্যুর পর স্ত্রীর চিরকালীন না পাওয়ার ক্ষোভ, জীবনযন্ত্রণার অসহায়ত্ব সবকিছু একটি সংলাপের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে। আর সে সংলাপটি হলো, বাংলা সাহিত্যকে তোমার দাদা অনেক কিছুই দিয়ে গেলেন, কিন্তু আমার জন্য কী রেখে গেলেন? ট্রেলার দেখে মনে হয়, কবি জীবনানন্দ দাশের বায়োপিক ঝরা পালক। সিনেমায় জীবনানন্দ দাশের চরিত্রে অভিনয় করেছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ ব্রাত্য বসু।

ঝরা পালক নিয়ে দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান বলেন, আমার চরিত্রটির ভেতরে জীবনানন্দ দাশের অন্য যে চরিত্রগুলো আছে সেগুলোর ছায়াও আছে। আরেকটি বিষয় আমার মনে হয়, জীবনানন্দ দাশের মতো একজন ব্যক্তি ছিলেন, যে কিনা পা থেকে মাথা পর্যন্ত কবিতার ভেতর নিমজ্জিত হয়ে থাকতেন, সে রকম একটি মানুষের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা সহজ কথা নয়। তিনি জীবনে খুব স্বস্তি পেয়েছেন তা নয়। এ চরিত্রে অভিনয় করাটা আমার জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল। সিনেমাটির সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট তারা প্রত্যেকেই বলেছেন, জয়া আহসানের অভিনয়ের কারণেই জীবনানন্দ দাশের স্ত্রীর চরিত্রটি এক অন্য মাত্রা পেয়েছে। পরিচালক সায়ন্তন মুখার্জি ঝরা পালক সিনেমাকে একটা ক্যানভাসের মতো ব্যবহার করে জীবনানন্দের জীবন, তার ভাবনা, দুঃখ-কষ্ট, আবেগ এবং আশপাশের মানুষজনকে আঁকার চেষ্টা করেছেন। এ ছবির কেন্দ্রে রয়েছে মূলত কবি জীবনানন্দ দাশের দাম্পত্য জীবনের কাহিনী। যাকে লাবণ্য ও জীবনানন্দের সাংসারিক টানাপড়েনের গল্প বলা যেতে পারে। পাশাপাশি রয়েছে সে সময়ের সামাজিক প্রেক্ষাপট, কবি মহলে জীবনানন্দ দাশের অবস্থান এবং কবির জীবনে পাওয়া  না-পাওয়ার দ্বন্দ্ব।

বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় এ কবির দুই বয়সের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে সিনেমায়। তরুণ জীবনানন্দ দাশের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পরিণত বয়সের কবির চরিত্রে থাকছেন ব্রাত্য বসু। এতে কবি ও শনিবারের চিঠি পত্রিকার সম্পাদক সজনীকান্ত দাসের চরিত্রে দেবশঙ্কর হালদার, কবি বুদ্ধদেব বসুর চরিত্রে কৌশিক সেন ও কাজী নজরুল ইসলামের চরিত্রে সুপ্রিয় দত্ত অভিনয় করেছেন। সিনেমাটি কলকাতার পাশাপাশি বাংলাদেশেও মুক্তির পরিকল্পনার কথা জানান পরিচালক। সায়ন্তন বলেন, জীবনানন্দ দাশের জীবনের অনেকটা অংশজুড়ে বরিশাল, বাংলাদেশ জড়িয়ে আছে। ফলে কাজটা নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছি। জীবনানন্দ দাশের পাশাপাশি জয়া আহসানও এ সিনেমার আরেকটি ফ্যাক্টর। তাই আমি চাইছি সিনেমাটি বাংলাদেশেও মুক্তি পাক। বড়দিন উপলক্ষে গত বছরের ডিসেম্বরে সিনেমার প্রোমো প্রকাশ করা হয়। কলকাতায় সেই আয়োজনে যোগ দেন ব্রাত্য বসু, জয়া আহসানসহ সিনেমার কলাকুশলীরা। সিনেমা হলে মুক্তির আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও সিনেমাটি প্রদর্শিত হয়। জয়া আহসানের প্রশংসা করেন সিনেমাপাড়ার মানুষজন।

ঝরা পালক কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ। ১৯৭২ সালে ভারতের কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। কবি তখন কলকাতা সিটি কলেজে শিক্ষকতা করতেন। বইয়ের প্রচ্ছদে পাখির আটটি পালকের ছবি দেয়া ছিল। বইয়ের দাম ছিল এক টাকা। বইয়ের উৎসর্গে কারো নাম না লিখে কবি শুধু কল্যাণীয়াসু শব্দটা লেখেন। পরে জানা যায়, চাচাতো বোন শোভনাকে বইটি উৎসর্গ করেন। এ বই প্রকাশের তিন বছর পর ১৯৩০ সালে ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী লাবণ্য দাশের সঙ্গে বিয়ে হয় জীবনানন্দ দাশের। লাবণ্য দাশ মানুষ জীবনানন্দ নামে একটি বই লিখেছেন। বইয়ে কবির স্ত্রী, সন্তান সর্বোপরি সংসারের প্রতি অনীহার কথা ফুটে উঠেছে। জীবনানন্দ ও লাবণ্য দাশের পারস্পরিক স্বভাব ছিল পুরোপুরি বিপরীত। কবি ছিলেন ধীর, শান্ত। তার স্ত্রী ছিলেন ধৈর্য ও সহিষ্ণুতা থেকে অনেক দূরে। জীবনানন্দের মৃত্যুর পর লাবণ্য দাশ লেখক ভূমেন্দ্র গুহকে ডেকে বলেছিলেন, বাংলা সাহিত্যের জন্য তিনি অনেক কিছু রেখে গেলেন হয়তো, আমার জন্য কী রেখে গেলেন বলো তো? কবির জীবন নিয়ে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে আগ্রহের কমতি নেই। স্বভাবত ঢাকা ও কলকাতার দর্শকরা সিনেমাটির জন্য অপেক্ষা করছেন। ২০১৭ সালের শেষের দিকে এ সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছিল। তারপর নানা কারণে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যায়।


আরও খবর

২৭ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন মীর!

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২

বড় পর্দায় বাম-কংগ্রেস সন্ত্রাস

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




আঙ্গুল ফোটানো কি খারাপ?

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আমাদের শরীরের অস্থিসন্ধিতে (যেমন হাতের আঙুলের যেখানটায় চাপ দেওয়া হয়) কিছু খালি জায়গা থাকে। এ জায়গাগুলো তরল অস্থিমজ্জা দিয়ে ভর্তি থাকে। এত দিন ভাবা হতো, আঙুল ফোটানোর সময় অস্থির মাঝে ফাঁক বেড়ে যায়। এর ফলে বুদ্‌বুদ সৃষ্টি হতো। সেটা বেড়িয়ে যাওয়াতেই সে শব্দটা সৃষ্টি হয়।

এ তত্ত্বটা ভুলে যেতে হচ্ছে। ফিলাডেলফিয়ার রথম্যান ইনস্টিটিউটের হাত ও কবজির চিফ অব সার্জারি ডা. পেদ্রো বেরেজিকলিয়ান জানাচ্ছেন, আঙুল ফোটালে কেন এমন আওয়াজ সৃষ্টি হয়, যখন আপনি আঙুল ফোটান কিংবা টানেন, তখন দুই হাড়ের মাঝে কিছু ফাঁকা জায়গা বের হয়। এতে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং সেখানে হাড়ের মজ্জা ঢুকে যায়। হঠাৎ করে এভাবে তরল ঢোকার ফলেই সে শব্দ সৃষ্টি হয়।’

অনেক তো জ্ঞান নেওয়া হলো, কিন্তু আসল প্রশ্নের জবাব কোথায়? এভাবে আঙুল ফোটালে কি আসলেই হাড়ের ক্ষয় হয়? ডা. বেরেজিকলিয়ান বলছেন, না! আঙুল টানাটানি কিংবা ফোটানোর সঙ্গে শরীরের হাতের ক্ষয়ের কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর দাবি, আঙুল ফোটানোর অভ্যাস অনেক বিস্তৃত। যদি ক্ষতিকরই হতো, তবে এ নিয়ে অনেক রিপোর্টই পাওয়া যেত। কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না। তাই হাড়ে সমস্যা কিংবা বাতের সঙ্গে আঙুল ফোটানোর কোনো সম্পর্ক নেই।’

এতেও বিশ্বাস না হলে ডোনাল্ড আনগারের ঘটনাটি শুনুন। আনগার নামের ক্যালিফোর্নিয়ার এক চিকিৎসক ৬০ বছর ধরে নিজের ওপর একটি পরীক্ষা চালিয়েছেন। প্রতিদিন নিয়ম করে বাঁ হাতের আঙুল ফুটিয়েছেন কিন্তু ডান হাত ধরেননি। এত দীর্ঘ পরীক্ষার ফল? দুই হাতের মাঝে কোনো পার্থক্যই খুঁজে পাননি ডক্টর আনগার। এত গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য ২০০৯ সালে আইজি নোবেল’ বা ইগনোবেল পুরস্কারও জুটেছে তাঁর।

ফলে সারা দিন মোবাইল টিপে টুপে হাতের আঙুল যদি কড়কড়ে অনুভূতি এনে দেয়, পটাস-মটাস করে আঙুলগুলো একটু ফুটিয়ে নিতেই পারেন। ফুল ফোটানোর সাধ্য হয়তো আমাদের নেই, আঙুল ফোটানোর তো আছে!

নিউজ ট্যাগ: আঙ্গুল ফোটানো

আরও খবর

মাস্ক পরা ভুলে গেলো সবাই?

বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২




ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে করলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

এই গরমে অনেকেরই রোজের খাদ্যতালিকায় তেঁতো কোনও পদ থাকেই। ডায়াবিটিসের সমস্যায় মহৌষধি হল তেঁতো। তাই ডায়াবিটিসে ভুগলে প্রতি দিন পাতে রাখুন করলা। এতে রয়েছে এমন উপাদান, যা ইনসুলিনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

করলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম, জিঙ্ক, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন। রোজ করলা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এর তেঁতো স্বাদের জন্য অনেকেই করলা খেতে পছন্দ করেন না। কিন্তু করলা অত্যন্ত স্বাস্থ্যবান্ধব একটি সব্জি।

করলা নানা ভাবে খাওয়া যায়। যদি তরকারিতে করলা খেতে পারেন, তা হলে তো কোনও অসুবিধেই নেই। করলা দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন হালকা ঝোল। ভেজে খেতে পারেন। শুক্তোতেও দিতে পারেন।

করলা ভাল করে ধুয়ে, শুকিয়ে নিয়ে ছোট করে কেটে নিয়ে মিহি করে গুঁড়ো করে সকালে খালি পেটে জলের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন।

তবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবচেয়ে উপকারী পন্থা করলার রস খাওয়া। রোজ সকালে খালি পেটে আধ কাপ করলার রস খেতে পারেন। ডায়াবিটিসের জন্য করলার রস খুবই উপকারী।

ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা ছাড়াও করলার রস বিভিন্ন ভাবে যত্ন নেয় স্বাস্থ্যের। শরীরের যাবতীয় দূষিত পদার্থ বার করে দিতে দারুণ কার্যকর করলার রস। সকালে এক গ্লাস এই রস খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়।

সকালে খালি পেটে করলার রস হজমশক্তিও বাড়ায়। রোজ সকালে করলার রস খেলে পেট পরিষ্কার থাকে। খিদে বাড়ে। বিপাক হারও উন্নত হয়।

নিউজ ট্যাগ: করলা

আরও খবর

আজকের ভালো মন্দ

শনিবার ০২ জুলাই 2০২2




অভিনেত্রীর আত্মহত্যা, লিভ ইন সঙ্গীকে দুষছেন বাবা

প্রকাশিত:বুধবার ২২ জুন 20২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মেয়েকে বার বার ফোন করেও উত্তর পাননি বাবা। পরে জানতে পারেন, তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে একটি ভাড়াবাড়ি থেকে। ওই বাড়িটি ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রী হিসাবে বসবাস করছিলেন মেয়ে ও তাঁর পুরুষসঙ্গী। এই ঘটনায় মেয়ের ওই সঙ্গীকেই দুষছেন বাবা।

পুলিশ জানিয়েছে, ভারতের ভুবনেশ্বরের নয়াপল্লি এলাকায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে ২৩ বছরের অভিনেত্রী রশ্মিরেখা ওঝার। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, নয়াপল্লির ভাড়াবাড়িতে একটি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় রশ্মিরেখার দেহ পাওয়া যায়। ঘর থেকে একটি সুইসাইড নোটও মিলেছে। তাতে লেখা, তোমাকে মিস্‌ করছি বাবা। ওপর থেকেও তোমাকে মিস্‌ করব। সঙ্গে আরও লেখা, আমি খুব খারাপ মেয়ে!

এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে ভুবনেশ্বর পুলিশ। যদিও পুলিশের এক শীর্ষকর্তার দাবি, প্রাথমিক ভাবে একে আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। একটি সুইসাইড নোটও পাওয়া গিয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।

পুলিশের অনুমানে এটি আত্মহত্যার ঘটনা হলেও মেয়ের পুরুষসঙ্গী সন্তোষ পাত্রকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন অভিনেত্রীর বাবা। তাঁর দাবি, শনিবার মেয়েকে বার বার ফোন করলেও তা বেজে গিয়েছিল। পরে সন্তোষ আমাদের মেয়ের মৃত্যুর খবর জানায়। সে সময় ওই বাড়ির মালিকের কাছ থেকে জানতে পারি যে সন্তোষ এবং রশ্মি স্বামী-স্ত্রী হিসাবে ওখানে থাকছিলেন। এ নিয়ে আমাদের কোনও ধারণা ছিল না।

ওড়িয়া টেলিভিশনের অভিনেত্রী হিসাবে যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে, আদতে জগৎসিংহপুরের বাসিন্দা রশ্মিরেখার। কেমিটি কাহিবি কহা নামে একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিকে প্রংশসিত হয়েছিলেন তিনি।

 


আরও খবর

২৭ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন মীর!

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২

বড় পর্দায় বাম-কংগ্রেস সন্ত্রাস

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২