Logo
শিরোনাম

গাইবান্ধায় ৯ মাস পর কবর থেকে উঠে এলেন নারী!

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৩২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গাইবান্ধায় ৯ মাস আগে দাফন করা এক বৃদ্ধ নারী কবর থকে ফিরে এসেছেন বলে দাবি তার পরিবারের।

সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে কথিত বাছিরন বেগম (৭৫) নামের ওই নারীকে দেখতে গাইবান্ধা শহরের ডেভিড কোম্পানী পাড়ায় তার মেয়ের বাড়িতে ভিড় করছেন শত শত মানুষ।

জানা যায়, ৯ মাস আগে বাছিরন বেগম খাট থেকে পড়ে মারা যান। আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী তাকে যথারীতি দাফনও করেন। হঠাৎ করেই আজ সকালে ছোট মেয়ে মাজেদা বেগমের বাড়ি সংলগ্ন গাইবান্ধা রেল স্টেশনে আসেন তিনি। তার চেহারা ও আচরণ মৃত বাছিরনের মতো জানতে পেরে খবর পেয়ে মাজেদা বেগমকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এরপরই শুরু হয় শহর জুড়ে ব্যাপক আলোচনা। পরিবারের দাবি, তিনি সবাইকে চিনতে পারছেন। এমনকি তার ঘরটিও ঠিকই চিনেছেন। কবর থেকে ফিরে আসা কথিত বাছিরন আজ আসরের নামাজের পর সবার সাথে কথা বলবেন।

তবে, এমন ঘটনায় ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। অনেকে বলছেন, এটি অসম্ভব। বিষয়টি রহস্যজনক। তাই তদন্ত করে ওই মহিলার প্রকৃত পরিচয় বের করা দরকার। এমনকি কেউ কেউ বলছেন ঘটনাটি গুজব।

কথিত বাছিরন ক্রমাগত নানা ধরণের অসংলগ্ন কথা বলছেন। পরিবারের অনেকের নাম বলছেন। তবে তার কিছু কিছু কথা মিলে গেলেও এর পিছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না।

সেখানে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ব্যাপারটি খতিয়ে না দেখা পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা যাবে না। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা দরকার। পুলিশ উৎসুক জনতার ভিড় থেকে বয়স্ক নারীকে সুরক্ষা দিতে দুপুরে থানায় নিয়ে যান।


আরও খবর



ভারতে মুসলিমদের প্রজনন হার বেশি কমছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতে প্রায় সব ধর্মের মানুষের বসবাস। তবে দেশটিতে আনুপাতিক হারে মুসলিমদের প্রজনন হার কমছে। দেশটির জাতীয় ফ্যামিলি হেলথ সার্ভিস (এনএফএইচএস) ৫-এর তথ্য বলছে, ২০১৫-১৬ সালে প্রজননের হার ছিল দুই দশমিক ছয়। ২০১৯-২১ সালে এই হার কমে দাঁড়িয়েছে দুই দশমিক তিন-এ।

সব ধর্মের মানুষের মধ্যে প্রজননের হার কম হলেও মুসলিমদের মধ্যে কমার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। ১৯৯২-৯৩ সালে ভারতে মুসলিমদের মধ্যে প্রজননের হার ছিল চার দশমিক চার, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে দুই দশমিক তিন-এ। তবে ভারতে মুসলিমদের প্রজননের হার অন্যদের তুলনায় এখনো সবচেয়ে বেশি।

ভারতে হিন্দুদের মধ্যে প্রজনন হার হলো এক দশমিক ৯৪। ২০১৫-১৬ সালের মধ্যে তা ছিল দুই দশমিক এক। ১৯৯২-৯৩ সালে হিন্দুদের প্রজননের হার ছিল তিন দশমিক তিন। এনএফএইচএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ক্রিশ্চিয়ানদের প্রজননের হার এক দশমিক ৮৮, শিখদের এক দশমিক ৬১, জৈনদের এক দশমিক ছয় এবং বৌদ্ধদের এক দশমিক ৩৯।

পপুলেশন ফাউন্ডেশন ইন্ডিয়ার নির্বাহী পরিচালক পুনম মুর্তাজা বলেন, হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে প্রজননের হারে যে ব্যবধান ছিল, তা কমছে। গত কয়েক দশকে মধ্যবিত্ত মুসলিমরা পরিবার পরিকল্পনা ও মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে সচেতন হয়েছেন।

এর আগে ২০১৫-১৬ সালের এনএফএইচএসের সমীক্ষায় দেখা যায়, ৩২ শতাংশের বেশি মুসলিম মেয়ে কোনো স্কুলেই যান না। সেই হার এবারের এনএফএইচএসের সমীক্ষায় কমে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক নয়-এ। হিন্দুদের ক্ষেত্রে এ হার আগে ছিল ৩১ দশমিক চার, এখন তা কমে হয়েছে ২৮ দশমিক পাঁচ।

সমীক্ষায় আরও দেখা যায়, যত বেশি মেয়েরা শিক্ষা পাচ্ছেন, ততই সন্তানের সংখ্যাও কমছে। যে মেয়েরা স্কুলে যাননি, তাদের প্রজননের হার হলো দুই দশমিক আট, আর যারা স্কুলে গেছেন এবং অন্তত ১২ ক্লাস পর্যন্ত পড়েছেন, তাদের প্রজনেনর হার এক দশমিক আট। যে সব নারীরা গরিব, তাদের প্রজননের হার অন্যদের তুলনায় বেশি।

মুর্তাজার দাবি, মুসলিমরা এখন পরিবার পরিকল্পনার বিষয়ে আগের থেকে বেশি সচেতন। সমীক্ষায় এটাও দেখা গেছে, তারা আগের থেকে অনেক বেশি জন্মনিরোধক ব্যবহার করছেন। দেশটির এক প্রবীণ সাংবাদিক বলেন, হিন্দুত্ববাদীরা প্রচার করেন যে, মুসলিমদের প্রজননের হার খুবই বেশি। হিন্দুদের কম। ফলে ভারতে মুসলিমদের সংখ্যা হিন্দুদের তুলনায় বাড়ছে। সরকারি তথ্য দেখিয়ে দিচ্ছে, এ ধরনের প্রচারণা একেবারেই ভিত্তিহীন।

নিউজ ট্যাগ: প্রজনন ভারত

আরও খবর



দাম বেড়েছে চাল,ডাল,আটাসহ সবজির

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাজারে দাম বেড়েছে চাল,ডাল,আটা, ডিম, সবজি ও মুরগির। ব্যবসায়ীরা বলছেন নিত্য প্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম আরও বাড়বে।এর মাঝে কষ্টে দিন পার করছেন মধ্যবিত্তরা। 

বাজারে সবজির দাম বেড়েছে। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা আর গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, চায়না গাজর প্রতি কেজি ১৬০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ৬০ টাকা ও মটরশুটির ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা। 

বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। পেঁয়াজে কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি দরে। আর একটু ভালো মানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়।

বাজারে চায়না রসুন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি। বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি। এছাড়া প্যাকেট চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়।  দশ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে দেশি মসুরের ডালের কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। আটার দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা।

বাজারে ডিমের দামও বেড়েছে। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ১৯০ টাকা। 

গরুর মাংসের কেজি ৭০০ টাকা। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। সোনালী মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩১০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায়। 

ভরা মৌসুমেও দাম বেড়েছে চালের। মিনিকেট চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা। এক সপ্তাহ আগে মিনিকেটের কেজি ছিল ৬৪ টাকা। ২৮ চালের কেজি ২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। আগে দাম ছিল ৪৮ টাকা কেজি। নাজিরশাইল চালের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে বিক্রি হতো ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়। বাজারে পোলাও-এর চাল বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়। সাত দিন আগেও পোলাও-এর চালের কেজি ছিল ৯০ থেকে ১০০ টাকা।

মকবুল রাইস এজেন্সির কর্ণধার কামাল সরকার বলেন, রাইস মিল মালিকরা বন্যা ও সরকারের চাল ক্রয়ের অজুহাত দিয়ে দাম বাড়িয়েছে। এছাড়াও অন্য আরেকটি কারণ হচ্ছে রাইস মিল মালিকরা চাল কিনে চাল মজুদ করে রাখছেন। পরে বিক্রি করবেন বলে। এসব কারণেই চালের ভরা মৌসুমেও দাম বেড়েছে। 

বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় মূল্যের দাম ঊর্ধ্বগতি থাকায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে দিন পার করছেন ধ্যবিত্ত মানুষরা। তারা কাউকে কিছু বলতেও পারছেন না, সইতেও পারছেন না।  


আরও খবর



সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আর নেই

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৮৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আবুল মাল আবদুল মুহিত মারা গেছেন। শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) দিনগত রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। বর্ষীয়ান এ রাজনীতিকের বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।

মুহিতের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা বাচ্চু মিয়া বলেন, স্যার আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। শ্বাসকষ্ট ও সুগার ফল্ট করে তার। সকাল ৭টায় নিজের হাতে আমি স্যারকে খাইয়েছি। সারাদিন অসুস্থ ছিলেন। স্যার রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে মারা গেছেন।

এদিকে খ্যাতনামা এ রাজনীতিক ও অর্থনীতিবিদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা শোক জানিয়েছেন।

পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, শনিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশান আজাদ মসজিদে মুহিতের প্রথম নামাজে জানাজা হবে। এরপর সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ প্লাজায় দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ২টায় তার মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। এরপর দাফনের জন্য মরদেহ নেওয়া হবে জন্মস্থান সিলেটে।

সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত গত বছর করোনায় আক্রান্ত হলে ওই বছরের ২৯ জুলাই তাকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। পরে তিনি করোনামুক্ত হয়ে বাসায় ফেরেন। এরপর থেকেই তিনি শারীরিকভাবে ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েন। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ মুহিত ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি একাধারে লেখক, কূটনীতিক ও গবেষক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। ১৯৩৪ সালে সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মুহিত। তৎকালীন সিলেট জেলা মুসলিম লীগের নেতা আবু আহমদ আবদুল হাফিজের দ্বিতীয় ছেলে মুহিত। তার মা সৈয়দ শাহার বানু চৌধুরীও রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।

১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে মাস্টার্স করার পর অক্সফোর্ড ও হার্ভার্ডে উচ্চশিক্ষা নেন মুহিত। ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার পর তখনকার পাকিস্তান এবং পরে স্বাধীন বাংলাদেশে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭১ সালে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলো, মুহিত তখন ওয়াশিংটন দূতাবাসে কূটনৈতিক দায়িত্বে ছিলেন। জুন মাসে পাকিস্তানের পক্ষ ত্যাগ করে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন করেন তিনি। ১৯৭২ সালে পরিকল্পনা সচিবের দায়িত্ব পালনের পর ১৯৭৭ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বহিঃসম্পদ বিভাগের সচিব হন মুহিত। ১৯৮১ সালে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসরে গিয়ে অর্থনীতি ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ হিসেবে’ কাজ শুরু করেন ফোর্ড ফাউন্ডেশন ও আইএফএডি-তে।

১৯৮২-৮৩ সালে তখনকার এইচ এম এরশাদ সরকারের সময়ে প্রথমবারের মতো অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্বে আসেন মুহিত। দীর্ঘদিন বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে কাজ করার পর দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি পান অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব তার কাঁধেই রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মোট ১২ বার ও টানা ১০ বার বাংলাদেশের বাজেট ঘোষণা করার রেকর্ড গড়েন মুহিত।

মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ইতিহাস, জনপ্রশাসন এবং রাজনীতি নিয়ে ৩০টির অধিক বই লিখেছেন মুহিত। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মুহিতকে ২০১৬ সালের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করে সরকার।


আরও খবর



ঠাকুরগাঁওয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন

Image

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের আশ্রমপাড়ায় ভবন নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে ২৪টি থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল ও ৩টি এসএলআর উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় বেশ কিছু গুলিও উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে শহরের আশ্রমপাড়া এলাকার বাসিন্দা আবু হানিফের একটি নতুন পাকা ভবনের কাজ করার সময় মাটি খুঁড়তে গিয়ে এসব আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর হোসেন। পুলিশের ধারণা মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত হয়েছিল এই অস্ত্র।

পুলিশ জানায়, দুপুরের দিকে শহরের আশ্রমপাড়া এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা ভবন নির্মাণের কাজ করছিলেন রাজমিস্ত্রীরা। এসময় সেখানে শ্রমিকরা মাটি খুঁড়তে গিয়ে একটি ট্রাঙ্ক উদ্ধার করে। পরে ট্রাঙ্কের ভিতর অস্ত্র দেখে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে।

বাড়ির মালিক মোহাম্মদ হানিফ জানান, একবছর আগে তিনি চারশতক জমি ক্রয় করেন। নতুন বাড়ি নির্মাণের জন্য কাজ শুরু করেন তিনি। দুপুরে জমিটির দক্ষিণ-পূর্ব কোণে মাটি খুঁড়তে গিয়ে শ্রমিকরা ট্রাঙ্কের ভেতর অস্ত্রের খোঁজ পান। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে।

পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ভবন নির্মাণে মাটি খোঁড়ার সময় পুরনো অস্ত্রের খোঁজ পান শ্রমিকরা। খোঁড়ার সময় অস্ত্রগুলো টিনের ট্রাঙ্কের ভেতর প্লাস্টিকে মোড়ানো ছিল। উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোতে জং ধরেছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অস্ত্রগুলো অনেক পুরনো। কীভাবে এখানে এসব অস্ত্র আসলো এবং আরও অস্ত্র রয়েছে কিনা তা তদন্তের পরে বলা জানানো হবে।


আরও খবর



৬ দিনের ছুটি শেষে অফিস খুলছে বৃহস্পতিবার

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৭১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পবিত্র ঈদুল ফিতরে ছয়দিনের ছুটি শেষে সরকারি অফিস খুলছে কাল বৃহস্পতিবার। শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ছুটি শেষ হচ্ছে আজ বুধবার। মঙ্গলবার দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়।

গত ২৯ ও ৩০ এপ্রিল ছিল সপ্তাহিক ছুটি। এরপর ১ মে ছিল মে দিবসের ছুটি। এরপর ২, ৩ ও ৪ মে ঈদের ছুটি কাটাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

বৃহস্পতিবার একদিন খোলা থাকার পর আবার দুদিন (৬ ও ৭ মে) সাপ্তাহিক ছুটি। তাই যারা ৫ মে ছুটি নিয়েছেন তারা টানা ৯ দিনের ছুটি পেয়ে যাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে তাদের আগামী ৮ মে রবিবার অফিস করতে হবে।

তাই ঢাকার বাইরে ঈদ করতে যাওয়ার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেশির ভাগই ৫ মে ঐচ্ছিক ছুটি নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে যারা ছুটি না পেয়েও দূর-দূরান্তে গিয়ে ঈদ করেছেন তারা হয়তো বৃহস্পতিবার এসেই অফিসে যোগ দেবেন।


আরও খবর