Logo
শিরোনাম

ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন ঠোঁটের কালচে ভাব

প্রকাশিত:শনিবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ জানুয়ারী ২০২১ | ৩৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সুন্দর ঠোঁট কে না চায়। ঠোঁটের রং গোলাপি হোক, এটা প্রায় সব নারীর প্রত্যাশা। অবশ্য পুরুষেরও। কিন্তু নানা কারণেই ঠোঁটে কালচে ভাব দেখা দেয়। ভিটামিনের অভাব, ডিহাইড্রেশন, অ্যালার্জি, হরমোনের সমস্যা, সিগারেট ও মদ্যপানসহ নানা কারণে গোলাপি ঠোঁট হয়ে ওঠে কালচে।

তবে মন খারাপ করার কিছু নেই। ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি ঠোঁটের হারিয়ে যাওয়া গোলাপি আভা ফিরিয়ে দিতে পারে। 

লেবু

লেবুর রসে থাকে ব্লিচিং উপাদান। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে লেবুর রস দিয়ে ঠোঁটে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। এতে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।

বিট

এক টুকরো বিট নিয়ে ঠোঁটে ভালো করে ম্যাসাজ করুন। ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। বিটে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ঠোঁটে সতেজ ভাব এনে দেবে। ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করবে।

শসার রস

শসা ব্লেন্ড করে রস তৈরি করুন। তারপর সেটা ঠোঁটে লাগান। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। শসার রস ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখে। ঠোঁটে সতেজ ভাব এনে দেয়।

গোলাপজল

পরিষ্কার কাপড় বা তুলায় গোলাপজল নিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে লাগান। এতে ঠোঁটে রক্তচলাচল বাড়বে। ঠোঁটের দাগ দূর হবে।

লেবু ও মধু

লেবু ও মধু ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। সেই মিশ্রণ কিছুক্ষণ ঠোঁটে রাখুন। এরপর নরম কাপড় ভিজিয়ে সেটা দিয়ে মুছে নিন। দেখবেন, কয়েক দিন পর ঠোঁটের রং ফিরে আসবে।

দুধের সর

ঠোঁটের গোলাপি আভা এনে দেয় দুধের সর। দুধের সরের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। প্রতিদিন ব্যবহার করলে ঠোঁটের কালো দাগ দূর হয়ে ফিরবে গোলাপি আভা।

নারকেল তেল

নারকেল তেলে আছে ফ্যাটি অ্যাসিড, যা ঠোঁটকে আর্দ্র রাখে। আঙুলে করে একটু নারকেল তেল নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে নিলেই কাজ শেষ। দেখুন পার্থক্যটা।

Share


এই সম্পর্কিত আরও খবর

আজকের রাশিফল (২৫ জানুয়ারি ২০২০)

মুলার উপকারিতা জানলে অবাক হবেন আপনিও

যে ভাবে বন্ধু হয়ে উঠবেন স্বামী-স্ত্রী

ফুলকপির যত উপকারিতা

কেউ মিথ্যা বলছে বুঝবেন কীভাবে

উপকারের চেয়ে, মদ্যপানে অপকারই বেশি

ভালোবাসার মানুষটা মিথ্যা বলছে কিনা বুঝে নিন সহজ উপায়ে

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে কুকুরের মূত্রপান করেন মার্কিন সুন্দরী

লিপস্টিকের রঙ বলে দেবে নারীর চরিত্র

শরীরের জন্য ভিটামিন সি কতটা প্রয়োজন ?