Logo
শিরোনাম

গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক করোনা ইউনিটে আরও ১২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের ৭ জন করোনা পজিটিভ ছিলেন, অন্য ৫ জন মারা গেছেন করোনা উপসর্গ নিয়ে।

বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত তারা মারা যান। মৃতদের মধ্যে রাজশাহীর ৯ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনজন বাসিন্দা রয়েছেন। রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১ জুন থেকে ১০ জুন সকাল পর্যন্ত রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৯২ জন। এর মধ্যে ৫২ জনের করোনা পজিটিভ এবং বাকিদের উপসর্গ ছিল। মৃতের সংখ্যা ১ জুন-৭, ২ জুন ৭, ৩ জুন ৯, ৪ জুন ১৬, ৫ জুন ৮, ৬ জুন ৬, ৭ জুন ১১, ৮ জুন ৮, ৯ জুন ৮ ও ১০ জুন ১২ জন।

উপ-পরিচালক আরও বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৭১ শয্যার রামেক হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগী ভর্তি ছিলেন ২৯০ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন ১৮ জন। রাজশাহীর ১৪২ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১১১ জন, নওগাঁর ১৫ জন, নাটোরের ১৫ জন, পাবনার ৩ জন, কুষ্টিয়ার ৩ জন এবং চুয়াডাঙ্গার ১ জন।



আরও খবর



মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে সৎ মা আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৫ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার হরনী ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজের ১২ঘন্টা পর পুলিশ চতুর্থ শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। মঙ্গলবার (২৫ মে) দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ উপজেলার দক্ষিণ আদর্শ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনের একটি ঝোপঝাড় থেকে নিখোঁজ ওই স্কুল ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে।

গতকাল সোমবার দুপুর থেকে নিখোঁজ ছিল নিহত শাবনূর বেগম (১২)। সে হরনী ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ আদর্শ বাজারের ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের মেয়ে এবং স্থানীয় দক্ষিণ আদর্শ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ নিহতের সৎ মা খালেদা আক্তারকে (২৯) আটক করে। 

নিহতরে পিতা আবুল কাশেম জানান, গত ১২ বছর আগে সন্তান প্রসবের সময় তার প্রথম স্ত্রী মারা যায়। প্রথম ঘরে তার ৩ মেয়ে এক ছেলে সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রী খালেদা আক্তারের (২৯) ঘরে তার তিন ছেলে মেয়ে রয়েছে। তিনি স্থানীয় আদর্শ গ্রাম বাজারের একজন ব্যবসায়ী। গতকাল সোমবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত তার মেয়ে তাকে দোকানে সহযোগীতা করে। পরে তিনি মেয়েকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। দুপুরের দিকে তিনি বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুজি শুরু করেন। কিন্তু তিনি দিন রাত খুঁজে তার কোন সন্ধ্যান পাননি। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে প্রতিবেশীরা দক্ষিণ আদর্শ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনের ঝোপঝাড়ের মধ্যে শাবনূরের মরদেহ দেখতে পেয়ে আমাকে খবর দেয়।

নিহতের পিতা আবুল কাশেম অভিযোগ করেন, এ ঘটনার পর তার বসত ঘরের একটি কক্ষে কিছু রক্তের দাগ দেখতে পাওয়া যায়। তার একটি লুঙ্গি এবং নিহত শাবনূরের একটি নতুন ওড়না ঘরের মধ্যে ভিজে পাওয়া যায় এবং ঘরের পাশে দুটি লাঠি পাওয়া যায়। সৎ মা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে এবং কুপিয়ে হত্যা করে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরো জানান, তার দ্বিতীয় স্ত্রী খালেদা আক্তার পারবারিক কলহের জের ধরে তাকে অনেকবার নির্যাতন করেছেন। একাধিকবার অন্ডকোষ চেপে হত্যা করতে চেষ্টা করেন।

হাতিয়া মোর্শেদবাজার তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন জানান, শাবনূরকে মাথায়, মুখে, ঘাড়ে, কানে দা দিয়ে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে হত্যা করে ঝোপঝাড়ে মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। নিহতের সৎ মাকে সন্দেহমূলক ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর



ইয়াসের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পানিতে ডুবে ৬ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৭ মে ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ১০৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি বেড়ে গেছে। এ কারণে জোয়ারে বেড়িবাঁধ ভেঙে বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ সময় পৃথক স্থানে পানিতে ডুবে মারা গেছে পাঁচ শিশু।

বুধবার (২৬ মে) ইয়াসের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো হাওয়ায় বিধ্বস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি। ডুবে গেছে ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি।

১. বরিশালের বাকেরগঞ্জে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ডুবে ২ শিশু মারা গেছে। বুধবার (২৬ মে) উপজেলার পৃথক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শিশুরা হলেন, সুমাইয়া আক্তার (৩) উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের ঢালমারা গ্রামের হাফিজুর রহমানের মেয়ে। আজওয়া আক্তার (৩) গারুরিয়া ইউনিয়নের রুনসী পশুরি গ্রামের আজগর আলীর মেয়ে ।

২. বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের খাউলিয়া এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৬ মে) দুপুরের দিকে উপজেলার খাউলিয় ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত জিনিয়া আক্তার (৪) চালিতাবুনিয়ার নির্মাণ শ্রমিক কালাম গাজীর মেয়ে।

৩. নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার সুখচর ইউনিয়নে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে লিমা আক্তার (৭) নামের এক শিশু।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সকাল পর্যন্ত নিখোঁজ শিশুটির কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছেন হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন।

(৭) সুখচর ইউনিয়নের চর আমান উল্যাহ গ্রামের বাবুল মিয়ার মেয়ে।

এ বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের জানান, এ সংবাদ পেয়ে শিশুটির পরিবারের সদস্যদের নিয়ে লিমাকে খোজা হচ্ছে।

৪. ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার প্রভাবে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় বিষখালী নদীর পানি বেড়ে গেছে। এ সময় পনি ডুবে মারা গেছে দুই শিশু। বুধবার (২৬ মে) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার মেডিকেল মোড় সংলগ্ন ও বড়ইয়া এলাকায় পৃথক এই ঘটনা ঘটে।

৫. রাজাপুরে ব্যাপক হারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং বিষখালী নদীতে বেড়িবাঁধ না থাকায় পানি ঢুকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ডুবে গেছে ফসলি জমি, রাস্তাঘাট, ঘর-বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেই সঙ্গে ভেসে গেছে কয়েকশ পুকুরের মাছ।

৬. মোংলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আশপাশের উপকূলীয় এলাকার নদ-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে পশুর নদীর বাঁধ সংলগ্ন কানাইনগর, চিলা ও জয়মনি এলাকার চারশতাধিক বসতঘর তলিয়ে গেছে। চিংড়িসহ অসংখ্য মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। তবে উপকূলীয় অঞ্চলের আশ্রয়কেন্দ্র গুলোতে কেউ আসেননি

অতি জোয়ার বা জলোচ্ছ্বাসে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলার ২৭টি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলো হলো- আশাশুনি, শ্যামনগর, দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছা, মোংলা, শরণখোলা, মোড়েলগঞ্জ, বরগুনা সদর, মঠবাড়িয়া, পাথরঘাটা, আমতলী, পটুয়াখালী সদর, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, দশমিনা, মির্জাগঞ্জ, কলাপাড়া, চরফ্যাশন, মনপুরা, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন, ভোলা সদর, তজুমদ্দিন, হাতিয়া, কমলনগর ও রামগতি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান বলেন, যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসকদের অনকূলে পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী ও অর্থ বরাদ্দ দেয়া আছে।


আরও খবর



হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ: সাতক্ষীরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০১ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৬ জুন ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় করোনা রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। মে'র প্রথম সপ্তাহে ১২ শতাংশ রোগীর দেহে করোনা জীবাণু পাওয়া গেলেও মাস শেষে বেড়ে ৪৯ শতাংশে দাঁড়ায়। বাজার-ঘাট ও বিপণিবিতানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ঈদের আগে বিভিন্ন জেলায় ঘরেফেরা মানুষ ও ভারত ফেরতরা সাতক্ষীরায় আসার পরই সংক্রমণ বাড়ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরায় প্রায় ২৫ লাখ লোকের বাস। এ জেলার সঙ্গে ভারতের রয়েছে ১৩৭ কিলোমিটার সীমান্ত।

পরিসংখ্যান বলছে, ভারত প্রত্যাগত পাসপোর্ট যাত্রী সাতক্ষীরায় আসার পর করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। ভারত থেকে আগত ৩৩৭ জনের মধ্যে ১৭ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। তাছাড়া সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে স্বাস্থ্যবিধির নিয়ম না মেনেই অবাধে ঢুকছে ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক। আবার বাজার ও মার্কেটগুলোতে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। আক্রান্তের সংখ্যা এতই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, করোনা ডেডিকেটেড সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংস্থান না হওয়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালেও ২৩ জন করোনা উপসর্গের রোগীকে ভর্তি করা হয়েছে।

সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. হোসাইন সাফায়েত বলেন, ঈদের আগে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বাড়ি এসেছে, তারা ইচ্ছামতো ঘুরেছে, এসব কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামালের দাবি, ভারত থেকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে আসা বাংলাদেশিদের কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, ভারত থেকে কতজন অবৈধভাবে সাতক্ষীরায় এসেছে, এমন সব তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করা হবে। আগামী ৩ জুলাই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে সীমান্তে টহল বাড়িয়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে সাতক্ষীরা বিজিব ৩৩ ব্যাটালিয়ন উপ-অধিনায়ক রেজা আহমেদ বলেন, একইসঙ্গে যারা মাদক ও গরু ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের বাড়ি ও গতিবিধি নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

জেলায় এখন পর্যন্ত এক হাজার ৫৮৫ জনের দেহে করোনা জীবাণু পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৪৭ জন মারা যান। এছাড়া করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ২০৯ জন।


নিউজ ট্যাগ: সাতক্ষীরা

আরও খবর



দেশের যেসব জেলা ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে!

প্রকাশিত:বুধবার ০৯ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে ভূমিকম্পের প্রবণতা বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মধ্যে রয়েছে সিলেট। গত কয়েকদিনে উল্লেখযোগ্যহারে সিলেটে ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। সিলেটের ঘন ঘন ভূমিকম্প আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সারাদেশে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় ধরনের ভূমিকম্পের আগে বা পরে এমন ছোট ছোট ভূকম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের অন্যতম প্রধান কারণ হলো ভূত্বকীয় পাত (টেকটনিক প্লেট)। বাংলাদেশ তিনটি প্লেটের সংযোগস্থলে রয়েছে। ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ প্লেটের মধ্যে অবস্থান করছে সিলেট

নেচার জিওসায়েন্স জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশে ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকার মানচিত্র অনুযায়ী, সিলেট ও চট্টগ্রাম উচ্চ ঝুঁকিপ্রবণ অঞ্চল।

যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের গবেষকরা বলছেন, সিলেট, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এবং পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সর্বাপেক্ষা কম ঝুঁকিপূর্ণ। ডাউকি ফল্ট বা সিলেট থেকে চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চল গত ৫০০ থেকে এক হাজার বছরে বড় ধরনের কোনো ভূমিকম্প হয়নি। যার ফলে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো বড় ধরনের ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিচ্ছে।

গত ২৯ মে সাতবার এবং ৩০ মে একবার জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সোমবার (৭ জুন) দেড় মিনিটের মধ্যে দুই দফা ভূমিকম্প হয়েছিল।

নিউজ ট্যাগ: ভূমিকম্প

আরও খবর



বরাদ্দ বাড়ল শিক্ষা খাতের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৩ জুন ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২০ জুন ২০21 | ৯২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনলাইনে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ২০০টি ক্লাসের আয়োজন করা হয়। এসব ক্লাসে দুই কোটি ৭৬ লাখ ৯১ হাজার ৪০৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন

আসন্ন অর্থবছরে (২০২১-২২) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য ৭১ হাজার ৯৫১ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। টাকার হিসাবে বিদায়ী অর্থবছরের চেয়ে এবার ৫ হাজার ৫৫১ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আসন্ন অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী।

করোনাভাইরাসের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ১২ জুন পর্যন্ত উচ্চমাধ্যমিক স্তর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আছে। করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ১৩ জুন থেকে স্কুল-কলেজ খোলার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। কিন্তু করোনার বিদ্যমান বাস্তবতায় ঘোষিত সময়ে খোলা যাবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। আর বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে সরাসরি ক্লাস শুরু হবে শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার পর। ফলে এটি কবে হবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে এখন অনলাইন ও সরাসরি পরীক্ষা নেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এ রকম পরিস্থিতি বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বন্ধের সময়ে টিভি ও অনলাইনে ক্লাস নেওয়াসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, করোনাকালে শুধু মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে অনলাইনে ২৯ লাখ ৯ হাজার ৮৪৪টি ক্লাসের আয়োজন করা হয়। মোট ২০ হাজার ৪৯৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৫ হাজার ৬৭৬টি এবং ৪ হাজার ২৩৮টি কলেজের মধ্যে ৭০০টিতে অনলাইনে ক্লাস চালু করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনলাইনে মোট ৪ লাখ ৯৭ হাজার ২০০টি ক্লাসের আয়োজন করা হয়। এসব ক্লাসে দুই কোটি ৭৬ লাখ ৯১ হাজার ৪০৭ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। বিদ্যালয় পর্যায়ে আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কেনার জন্য ৪১ হাজার ৫০১ জন শিক্ষার্থীকে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হয়েছে।

বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ করে আগামী অর্থবছরের জন্য বরাদ্দের তথ্য তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষায় ২৬ হাজার ৩১১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়, যা চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) বরাদ্দ ছিল ২৪ হাজার ৯৩৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার জন্য ৩৬ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়, যা চলতি অর্থবছরে ছিল ৩৩ হাজার ১১৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার জন্য ৯ হাজার ১৫৪ কোটি টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বর্তমান অর্থবছরে বরাদ্দ করা হয় ৮ হাজার ৩৪৫ টাকা।


আরও খবর