Logo
শিরোনাম

হাদিসের দোহাই দিয়ে বাবার শেষ স্ত্রীকেও বিয়ে করেছিল মামুনুল (ভিডিও)

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১৫২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

মামুনুল হক তার বাবার শেষ স্ত্রীকেও বিয়ে করেছিল, তথ্যটি জানাচ্ছেন কমরেড ডা. এম এ সামাদ। তিনি কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ-এর (মার্কসিস্ট) জেনারেল সেক্রেটারি এবং দৈনিক সিপিবিএপত্রিকার সম্পাদক। তিনি প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ হাতে নিয়েই  ফেসবুক লাইভে এসে এমন তথ্য জানান।

 

ডা. এম এ সামাদ তার ফেসবুক লাইভে বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, মামুনুল হকের সেই সৎ মা এবং পরবর্তীতে স্ত্রীর নাম ফারহানা। তিনি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী। সেখান থেকে মামুনুল হকের গ্রেপ্তারের খবরে উতলা হয়ে বিভিন্ন ধরণের গুজব অপপ্রচার চালাচ্ছেন, সেই সাথে উসকানি দিচ্ছেন মামুনুল হকের অনুসারীদের রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং জ্বালাও পোড়াও শুরু করার জন্য।

 

ডা. এম এ সামাদ এর সাথে মামুনুল হকের পিতা স্বঘোষিত স্বাধীনতাবিরোধী শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা ছিল। ডা. সামাদ সেই পরিচয় এবং পারিবারিক সম্পর্কের সুবাদে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

 

তিনি জানান, মামুনুল হকের পিতার স্ত্রীর সংখ্যা অনেক, যাদের অনেকেই ছিলেন তার বাড়ির গৃহ পরিচারিকা। তাদেরকে একে একে বিয়ে করেন আজিজুল হক। এসব বিয়ের কোনো রেজিষ্ট্রি বা কাবিন নাই। শুধুমাত্র মুখে কলেমা পড়ে বিয়ে এবং ছেড়ে দিলামবলে ডিভোর্স দেয়া হয়। এই স্ত্রীদের গর্ভে মোট সন্তানের সংখ্যা ১৪ জন।

 

মামুনুল হক যাকে বিয়ে করেছেন সেই ফারহানা তার পিতা আজিজুল হকের শেষ বয়সে করা বিয়ের অতি অল্প বয়সী এক স্ত্রী। বয়সের বিস্তর ব্যবধানের কারণে এ নিয়ে মাদ্রাসায় এবং ধর্মীয় অঙ্গনে বেশ রসালো আলাপ হতো। এ নিয়ে ১৯৯১ সালে এক আলোচনায় তিনি খোদ মহানবী (স.) এর ৬ বছর বয়সী হযরত আয়েশা (রা.) কে বিয়ের উদাহরণ দিয়ে নিজের বিয়ের বৈধতা দান করেন।

 

এমনকি আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের সাথে এক আলোচনায় আজিজুল হক দেশের প্রচলিত আইনকে মুরতাদদের আইন আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, বিয়ের সংখ্যা এবং বয়স নির্ধারণ করা এই মুরতাদদের আইন আমরা মানি না। বরং ১৩টি পর্যন্ত বিয়ের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন তিনি।

 

ডা. এম এ সামাদ জানান, মামুনুল হকের সেই সৎ মা এবং পরবর্তীতে স্ত্রী হওয়া নারী ফারহানা এখনও তার ফেসবুক প্রোফাইলে মামুনুল হকের এক্স স্ত্রী হিসেবে নিজের পরিচিতি বহন করেন।


আরও খবর



প্রশিক্ষণ শেষে শপথ নিলেন বিজিবির ৭৮৪ জন সৈনিক

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবীন সৈনিকদের উদ্দেশে বিভিন্ন উপদেশ ও দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন

দেশমাতৃকার সেবা আর দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে সীমান্তের প্রহরা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে শপথ নিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের ৭৮৪ জন সৈনিক (নারী-পুরুষ)। আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে বিজিবির ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিঅ্যান্ডসি) বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে তারা শপথ নেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের নবীন সৈনিকদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন ও বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম।

সকাল সাড়ে ১০টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সশস্ত্র সালাম প্রদানের মধ্য দিয়ে নবীন সৈনিকদের শপথ গ্রহণ ও প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।

৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ গত ৩১ জানুয়ারি শুরু হয়। বিজিটিসিঅ্যান্ডসিতে প্রশিক্ষণ নেওয়া মোট ৭৮৪ জন রিক্রুটের মধ্যে ৬৫৬ জন পুরুষ এবং ১২৮ জন নারী। বিজিটিসিঅ্যান্ডসি ছাড়াও বিজিবির অন্য আরও আটটি প্রশিক্ষণ ভেন্যুতে ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের নবীন সৈনিকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়। সর্বমোট শপথ নেন দুই হাজার ৭৩৬ জন সৈনিক। তাদের মধ্যে পুরুষ দুই হাজার ৬০৮ জন ও ১২৮ জন নারী।

দীর্ঘ ২৪ সপ্তাহের অত্যন্ত কঠোর ও কষ্টসাধ্য এ প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে আজ আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ ও সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তাদের সৈনিক জীবনের সূচনা হলো। ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নবীন সৈনিকদের উদ্দেশে বিভিন্ন উপদেশ ও দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। পরে তিনি সব বিষয়ে প্রথম স্থান অধিকারী সৈনিক নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রথম স্থান অধিকারী সৈনিকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সংসদ সদস্য অধ্যাপক ড. আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, সংসদ সদস্য জাফর আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ মোতালেবসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



দ্বিতীয় দিনে যেমন চলছে ‘সবচেয়ে কঠোর লকডাউন’

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশব্যাপী হু হু করে বাড়তে থাকা প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় নতুন করে আরোপিত সবচেয়ে কঠোর লকডাউনের দ্বিতীয় দিন আজ শনিবার (২৪ জুলাই)। সরেজমিনে দেখো যায়- রাজধানী ঢাকায় সড়কে জরুরি প্রয়োজনে অনুমোদিত যানবাহন চলাচল করছে, ইঞ্জিনচালিত কোন গণপরিবহন চোখে পড়েনি। মাঝেমাঝে দুএকটা রিকশার দেখা পাওয়া যাচ্ছে। তবে পায়ে হেঁটে সড়কে হাটতে দেখা গেছে অনেককেই। এক্ষেত্রে চেকপোস্টগুলোতে পায়ে হেঁটে বের হওয়াদের তেমন একটা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে দেখা যায়নি।

৫ই আগস্ট (বৃহস্পতিবার) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত এই কঠোর বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এসময় খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হলে তাকে শাস্তির আওতায় আনার কথা বলেছে প্রশাসন। বিধিনিষেধ চলাকালে জনগণকে সতর্ক থাকা, মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, বিধিনিষেধ আগের চেয়ে কঠোর হবে। বিধিনিষেধ কার্যকর করতে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, বিজিবি, সেনাবাহিনী ও আনসার সদস্যরা মাঠে তৎপর রয়েছেন।

গত ১৩ জুলাই বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই আদেশে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল ঈদের কারণে। ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে নতুন করে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল ওই ঘোষণায়।

কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিন গতকাল শুক্রবারে (২৩ জুলাই) ঢাকায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪০৩ জন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, লকডাউন অমান্য করে অহেতুক ঘোরাফেরা করায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০৩ জনকে ১ লাখ ২৭ হাজার ২৭০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে র‌্যাব সদর দপ্তরের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি আ ন ম ইমরান খান জানান, করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারি সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধের প্রথম দিনে সারাদেশব্যাপী র‌্যাবের ১৬৮টি টহল ও ১৫৮টি চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। বিনা প্রয়োজনে মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে র‌্যাবের জনসচেতনামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি চলমান ছিল।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। বিধি-নিষেধ অমান্য করায় সারাদেশে পরিচালিত ১২টি ভ্রাম্যমাণ আদালতে সর্বমোট ৯৫ জনকে ৪৮ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বিনামূল্যে এক হাজারের বেশি মাস্ক বিতরণ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করে র‌্যাব।

সরকার আরোপিত ‌বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে-

১) সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

২) সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩) শপিং মল/মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪) সব পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫) সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

৬) জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান (ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৭) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৮) ব্যাংক-বিমা/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৯) সরকারি কর্মচারীরা নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কাজগুলো ভার্চুয়ালি (ই-নথি, ই-টেন্ডারিং, ই-মেইল, এসএমএস, হোয়াটঅ্যাপসহ অন্যান্য মাধ্যম) সম্পন্ন করবেন।

১০) আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন: কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রি, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্মাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।

১১) বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয় খোলা রাখার বিষয়ে অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

১২) জরুরি পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, লরি/কাভার্ডভ্যান/নৌ-যান/পণ্যবাহী রেল/ফেরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৩) বন্দরগুলো (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১৪) কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৫) অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনা, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৬) টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা নেওয়ার জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৭) খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রি (অনলাইন/টেকওয়ে) করতে পারবে।

১৮) আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন।

১৯) স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

২০) আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার বিধানের আওতায় মাঠপর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

২১) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি/কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি সময় নির্ধারণ করবেন। সেইসঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনও কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলো এ বিষয়ে মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।

২২) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠপর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২৩) স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।



আরও খবর



যেভাবে এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ১০৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা নেয়া হবে। আর যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে আগের পরীক্ষার বিষয় ম্যাপিং ও অ্যাসাইনমেন্টের ভিত্তিতে ফলাফল দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) বেলা ১১টায় ভার্চুয়ালি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

যেভাবে হবে মূল্যায়ন:

এসএসসিতে ২৪টি ও এইচএসসিতে নৈর্বচনিক বিষয়ে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে শিক্ষার্থীদের। বাংলা, ইংরেজি, গণিত এমন আবশ্যিক বিষয় ও চতুর্থ বিষয়গুলোর ওপর পরীক্ষার্থীদের কোনো অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে না।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ১২ সপ্তাহে ২৪টি অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে। তারা প্রতি সপ্তাহে দুটি করে অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেবে।

অপরদিকে এইচএসসির পরীক্ষার্থীদের জন্য ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে। প্রতিটি পত্রে ৫টি করে অ্যাসাইনমেন্ট করতে হবে। সপ্তাহে এসব শিক্ষার্থীরা দুটি অ্যাসাইনমেন্ট করবে। এর ফলে আগে যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস দেয়া হয়েছিল এর মাধ্যমে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শেষ করা হবে। তবে অতিরিক্ত বিষয়ে কোনো অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারও গতবছরের মতো বিষয় ম্যাপিং করা হবে। যেসব শিক্ষার্থীর পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিত আছে তাদের এসব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে। যারা এসএসসি দেবে তাদের বিষয় ম্যাপিংয়ের ক্ষেত্রে জেএসসি বিজ্ঞান বিষয়গুলোর সঙ্গে এসএসসির অন্যান্য বিষয়ভিত্তিক বিজ্ঞান বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হবে। কমার্স ও মানবিকের বিষয়গুলোও কীভাবে মূল্যায়ন হবে সেটার বিস্তারিত স্কুলগুলোতে নির্দেশনা পাঠানো হবে।

অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মতোই তাদের অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।


আরও খবর



ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১ | ৮৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঠাকুরগাঁওয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাংবাদিক তানভীর হাসান তানুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার রাত আটটার দিকে তানু মামলার বিষয়ে থানায় খোঁজ নিতে গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডালিম কুমার রায় তাকে গ্রেপ্তার করেন।

রাত ১২টার দিকে তদন্তকারী কর্মকর্তা ডালিম কুমার রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, হাসপাতাল নিয়ে প্রকাশিত সংবাদটি মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং জনরোষ সৃষ্টিকারী ও মানহানিকর দাবি করে শুক্রবার ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ নাদিরুল আজিজ বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫(১)(ক) ২৫(১)(খ) ২৯(১)/৩১(১)/৩৫(১) ধারায় মামলাটি করেন।

এর আগে, গত ৫ জুলাই অনলাইন সংবাদমাধ্যম জাগো নিউজে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে রোগীদের খাবার নিয়ে দিনে বরাদ্দ ৩০০ হলেও করোনা রোগীদের খাবার দেয়া হচ্ছে ৭০ টাকার! শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

ওই থানার অফিসার ইনচার্জ তানভিরুল ইসলাম জানান, এই মামলায় তানভীর হাসান তানু ছাড়া আরও দুজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন- বাংলাদেশ প্রতিদিনের আব্দুল লতিফ ও নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের জেলা প্রতিনিধি রহিম শুভ।

তানভীর হাসান তানু জাগো নিউজ ছাড়াও ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ও ইত্তেফাকের জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত।

সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ডিজিটার নিরাপত্তা আইনে মামলা ও সাংবাদিক তানভির হাসান তানুকে গ্রেপ্তার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাব, ঠাকুরগাঁও টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, ঠাকুরগাঁও অনলাইন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতাসহ ঠাকুরগাঁওয়ের সাংবাদিক মহল।

ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সভাপতি মনসুর আলী বলেন, করোনাভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণের এই সময়ে প্রতিকূল অবস্থা মোকাবিলায় অপ্রতুল উদ্যোগের কথাগুলো তুলে ধরে সমাধানের পথ খুঁজতে আলোচনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে সাংবাদিকরা। তখন গণমাধ্যমের ওপর আঘাত আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনাকেই বিপন্ন করবে।


আরও খবর



ইভ্যালিকে গ্রাহকদের টাকা পরিশোধ করতে হবে: টিক্যাব

প্রকাশিত:রবিবার ১১ জুলাই ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৪ জুলাই ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১ মোতাবেক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালিকে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ নেওয়া ২১৪ কোটি টাকা অবিলম্বে ফেরত দেওয়া অথবা পণ্য সরবরাহের দাবি জানিয়েছে টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব)।

রবিবার (১১ জুলাই) দুপুরে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানিয়েছেন টিক্যাবের আহ্বায়ক মুর্শিদুল হক।

মুর্শিদুল হক বলেন, গত ৪ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মাধ্যমে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনায় স্বচ্ছতা, দায়বদ্ধতা, জবাবদিহিতা, ভোক্তাদের আস্থা বৃদ্ধি ও অধিকার নিশ্চিতের লক্ষ্যে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স পলিসির ২০২০ (সংশোধিত অনুচ্ছেদ ৩.৩.৬ অনুসারে ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ প্রণয়ন করে গেজেট প্রকাশিত হয়। ডিজিটাল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা-২০২১ এর ৩.৩.২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে পণ্যের সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করা হয়ে থাকলে ক্রেতা-বিক্রেতা একই শহরে অবস্থান করলে ক্রয়াদেশ গ্রহণের পরবর্তী সর্বোচ্চ পাঁচদিন এবং ভিন্ন শহরে বা গ্রামে অবস্থিত হলে সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দিতে হবে। অথচ আমরা দেখতে পাচ্ছি ঢাকাসহ সারা দেশের গ্রাহকদের হাজার হাজার অর্ডার ইভ্যালিসহ বিভিন্ন ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠান মাসের পর মাস ধরে ফেলে রেখেছে।

১-৬ মাস পর্যন্ত অপেক্ষার পরও গ্রাহকদের পণ্য বা অর্থ কিছুই ফেরত দেওয়া হচ্ছে না। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিসে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টান্টা অপেক্ষা করেও কোন ফল মিলছে না। অথচ ডিজিটল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ অনুযায়ী ১০ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহকদের পণ্য বা অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক জানায় ইভ্যালির মোট দায় ৪০৭ দশমিক ১৮ কোটি টাকা। গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ ২১৩ দশমিক ৯৪ কোটি টাকা এবং মার্চেন্টদের নিকট হতে ১৮৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকার পণ্য বাকিতে গ্রহণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

স্বাভাবিক নিয়মে প্রতিষ্ঠানটির কাছে কমপক্ষে ৪০৩ দশমিক ৮০ কোটি টাকার চলতি সম্পদ থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ৬৫ দশমিক ১৭ কোটি টাকা। বাকি অর্থ কোথায় তার কোনো হদিস নেই। 

এ অবস্থায় গ্রাহকরা তাদের অগ্রিম পেমেন্ট করা অর্থ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলসহ ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় আগামী দুই মাসে ইভ্যালি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে, দায়ের তুলনায় ইভ্যালির ব্র্যান্ডভ্যালু অনেক বেশি এসব কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু অর্থ লোপাটের অভিযোগের কোনো সন্তোষজনক উত্তর তারা দিচ্ছেন না। আমরা আশঙ্কা করছি গ্রাহক ও মার্চেন্টদের কাছে ইভ্যালির দায়ের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

টিক্যাবের আহ্বায়ক বলেন, গত বছর থেকে করোনা মহামারির ফলে সারাদেশে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় অনেকটাই স্থবিরতা নেমে আসে। এক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনলাইন প্লাটফর্মে পণ্য কেনাকাটায় অনেকটা সুফল পাওয়া গেছে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও বেশ বেড়েছে। এ অবস্থায় দুই/একটি প্রতিষ্ঠানের কারণে গ্রাহকদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হলে তা সার্বিকভাবে দেশের অর্থনীতিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে

তিনি বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পণ্য সারাদেশের গ্রাহকদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মেইড ইন বাংলাদেশ পণ্য সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতেও আমরা ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করতে পারি। প্রতিযোগিতা বাড়াতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনকে দেশের বাজারে নিয়ে আসা যায় কি তা ভেবে দেখা যেতে পারে। অ্যামাজনের মাধ্যমে ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমাদের প্রতিবেশী ভারত বৈশ্বিক বাজারে প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিক্রি করেছে। সম্প্রতি পাকিস্তানেও অ্যামাজনকে ব্যবসা পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশও কিভাবে এর সুফল পেতে পারে তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

বিজ্ঞপ্তিতে টিক্যাবের পক্ষ থেকে গ্রাহকদের স্বার্থরক্ষায় ৩ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়-

ইভ্যালিসহ যেব ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের অর্ডার মাসের পর মাস ধরে ফেলে রেখেছে ডিজিটল কমার্স পরিচালনা নির্দেশিকা ২০২১ অনুযায়ী ১০ দিনের মধ্যে সেসব অর্ডারের বিপরীতে গ্রাহকদের পণ্য অথবা অর্থ ফেরত দিতে হবে। 

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ জমা পড়েছে সেগুলো দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি করতে হবে।

ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা প্রতরণার আশ্রয় না নিতে পারে সেজন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে ও অভিযোগ প্রমাণ হলে গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে।



আরও খবর

ব্যাংকে লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১