Logo
শিরোনাম

হাদিসের দোহাই দিয়ে বাবার শেষ স্ত্রীকেও বিয়ে করেছিল মামুনুল (ভিডিও)

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০21 | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ১৩৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

মামুনুল হক তার বাবার শেষ স্ত্রীকেও বিয়ে করেছিল, তথ্যটি জানাচ্ছেন কমরেড ডা. এম এ সামাদ। তিনি কমিউনিস্ট পার্টি অব বাংলাদেশ-এর (মার্কসিস্ট) জেনারেল সেক্রেটারি এবং দৈনিক সিপিবিএপত্রিকার সম্পাদক। তিনি প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ হাতে নিয়েই  ফেসবুক লাইভে এসে এমন তথ্য জানান।

 

ডা. এম এ সামাদ তার ফেসবুক লাইভে বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, মামুনুল হকের সেই সৎ মা এবং পরবর্তীতে স্ত্রীর নাম ফারহানা। তিনি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী। সেখান থেকে মামুনুল হকের গ্রেপ্তারের খবরে উতলা হয়ে বিভিন্ন ধরণের গুজব অপপ্রচার চালাচ্ছেন, সেই সাথে উসকানি দিচ্ছেন মামুনুল হকের অনুসারীদের রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং জ্বালাও পোড়াও শুরু করার জন্য।

 

ডা. এম এ সামাদ এর সাথে মামুনুল হকের পিতা স্বঘোষিত স্বাধীনতাবিরোধী শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠতা ছিল। ডা. সামাদ সেই পরিচয় এবং পারিবারিক সম্পর্কের সুবাদে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

 

তিনি জানান, মামুনুল হকের পিতার স্ত্রীর সংখ্যা অনেক, যাদের অনেকেই ছিলেন তার বাড়ির গৃহ পরিচারিকা। তাদেরকে একে একে বিয়ে করেন আজিজুল হক। এসব বিয়ের কোনো রেজিষ্ট্রি বা কাবিন নাই। শুধুমাত্র মুখে কলেমা পড়ে বিয়ে এবং ছেড়ে দিলামবলে ডিভোর্স দেয়া হয়। এই স্ত্রীদের গর্ভে মোট সন্তানের সংখ্যা ১৪ জন।

 

মামুনুল হক যাকে বিয়ে করেছেন সেই ফারহানা তার পিতা আজিজুল হকের শেষ বয়সে করা বিয়ের অতি অল্প বয়সী এক স্ত্রী। বয়সের বিস্তর ব্যবধানের কারণে এ নিয়ে মাদ্রাসায় এবং ধর্মীয় অঙ্গনে বেশ রসালো আলাপ হতো। এ নিয়ে ১৯৯১ সালে এক আলোচনায় তিনি খোদ মহানবী (স.) এর ৬ বছর বয়সী হযরত আয়েশা (রা.) কে বিয়ের উদাহরণ দিয়ে নিজের বিয়ের বৈধতা দান করেন।

 

এমনকি আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফের সাথে এক আলোচনায় আজিজুল হক দেশের প্রচলিত আইনকে মুরতাদদের আইন আখ্যা দিয়ে বলেছিলেন, বিয়ের সংখ্যা এবং বয়স নির্ধারণ করা এই মুরতাদদের আইন আমরা মানি না। বরং ১৩টি পর্যন্ত বিয়ের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন তিনি।

 

ডা. এম এ সামাদ জানান, মামুনুল হকের সেই সৎ মা এবং পরবর্তীতে স্ত্রী হওয়া নারী ফারহানা এখনও তার ফেসবুক প্রোফাইলে মামুনুল হকের এক্স স্ত্রী হিসেবে নিজের পরিচিতি বহন করেন।


আরও খবর



হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সাম্প্রতিক সময়ে নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনায় পল্টন থানায় দায়ের করা মামলার আসামি খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবীকে মানিকগঞ্জের সিংগাইর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) ভোররাতে তাকে মানিকগঞ্জের সিংগাইর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে নাশকতা ও সহিংসতার ঘটনায় পল্টন থানায় দায়ের করা মামলার আসামি খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবীকে মানিকগঞ্জের সিংগাইর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব'।

এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে পুরাতন ও নতুন মামলায় হেফাজতে ইসলামের অন্তত ১৫ শীর্ষ নেতাকে গ্রেপ্তার করা হলো।

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের সহসভাপতি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির খুরশিদ আলম কাসেমীকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওয়ারী বিভাগ। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম গ্রেপ্তারের খবরটি নিশ্চিত করেন।

খুরশিদ আলম কাসেমীর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় মামলা রয়েছে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তিনি মামুনুল হকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

তার আগে মঙ্গলবার মধ্যরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

গত রবিবার গ্রেপ্তার হন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মামুনুল হক। তার বিরুদ্ধে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর সাম্প্রতিক সহিংসতা ও রিসোর্টকাণ্ডে রাজধানীর পল্টন থানা ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দুটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।


আরও খবর



ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৮৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতি ও শুক্রবার বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কমতে পারে এবং তাপমাত্রা বাড়বে। আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে

দেশের আট বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সীতাকুণ্ড, রাঙামাটি, নোয়াখালী, ফেনী, মৌলভীবাজার, রাজশাহী, পাবনা অঞ্চলসহ ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু এলাকায় কমতে পারে এই তাপপ্রবাহ। এ সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৩৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিলেট ও নেত্রকোনায় ২২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃহস্পতি ও শুক্রবার বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কমতে পারে এবং তাপমাত্রা বাড়বে। আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বাড়তি অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছে। এর বাড়তি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।


আরও খবর

হালকা বৃষ্টি থাকবে ঈদের দিন

বৃহস্পতিবার ১৩ মে ২০২১




বিশ্ব ধরিত্রী দিবস আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
বিশ্বজুড়ে ধরিত্রী দিবস পালন করা হচ্ছে। এই দিবসের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণায় বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল তাঁদের মূল পাতায় একটি বিশেষ ডুডল যুক্ত করেছে। বিশেষ দিনে হোমপেজে ডুডল ব্যবহার করে গুগল

আজ ২২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। পৃথিবীর প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৭০ সাল থেকে প্রতিবছর এই দিবসটি পালিত হয়েছে আসছে।

জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় দুই কোটি মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন। এর মধ্য দিয়েই শুরু হয় বিশ্ব ধরিত্রী দিবস।

যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনের সিনেটর গেলর্ড নেলসনকে ধরিত্রী দিবসের প্রবক্তা বলা যায়। ১৯৭০ সালে তাঁর নেতৃত্বেই বিশ্বের জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির প্রয়াস শুরু হয়। তাঁর অক্লান্ত চেষ্টায়ই যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশ রক্ষা সংস্থা গড়ে ওঠে। এ ছাড়া দূষণমুক্ত বায়ু, পানি ও হুমকির মুখে থাকা জীব প্রজাতি সম্পর্কে আইন করা হয়। অবশ্য পরে বিশ্বজুড়েই জলবায়ু সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি হয় এবং পরিবেশ আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

ধরিত্রী দিবসের ২০ বছর পূর্তিতে ১৯৯০ সালে আরেকটি বড় আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০ কোটি মানুষ ধরিত্রী দিবস পালন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন সিনেটর নেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত করেন।

বিশ্বজুড়ে ধরিত্রী দিবস পালন করা হচ্ছে। এই দিবসের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণায় বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল তাঁদের মূল পাতায় একটি বিশেষ ডুডল যুক্ত করেছে। বিশেষ দিনে হোমপেজে ডুডল ব্যবহার করে গুগল। ডুডল হলো বিশেষ নকশা বা চিত্রের মধ্য দিয়ে কোনো বিষয় ফুটিয়ে তোলা হয়। ডুডল ব্যবহারের মাধ্যমে বিষয়টির উপলক্ষ সম্পর্কে সবাইকে জানানো হয়।

এবারের ধরিত্রী দিবসের গুগুল ডুডলে দেখা যায়, একটি গাছের নিচে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী গাছে হেলান দিয়ে বই পড়ছেন। আর, আরেক পাশে একই গাছের নিচে চারাগাছ হাতে দাঁড়িয়ে আছে ছোট্ট একটি শিশু।  ডুডলটির ওপর ক্লিক করলে ইউটিউবে একটি ভিডিও আসে। এতে দেখা যায় একটি শিশু গাছের চারা রোপণ করছে। এরপর চারাটি একসময় পূর্ণাঙ্গ বৃক্ষে রূপান্তরিত হয় এবং শিশুটিও প্রাপ্তবয়স্ক থেকে ক্রমে বৃদ্ধা হন। এরপর সেই বৃদ্ধা একটি শিশুর হাতে একটি গাছের চারা তুলে দেন। এভাবে চলতে থাকে। মূলত গাছ লাগানোর প্রয়োজনীয়তা ভিডিওটিতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।   

এ বছর ধরিত্রী দিবসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক ভার্চুয়াল সম্মেলনে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

আজ বৃহস্পতিবার দুদিনের এই সম্মেলন শুরু হচ্ছে। বিশ্বের বেশ কয়েকজন নেতাকে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাইডেন।


আরও খবর



নজরদারিতে রয়েছেন বাবুনগরী: প্রমাণ মিললেই গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শনিবার ২৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
মূলত বর্তমানে যেসব হেফাজত নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং যাদের বাবুনগরীপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাঁদের অনেকেই বাবুনগরীর কমান্ড মানতেন না। বিশেষ করে মামুনুল হক বাবুনগরীর সিদ্ধান্ত সব সময় উপেক্ষা করতেন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের বিরোধিতা করে চালানো তাণ্ডবের ঘটনায় সরকারের কঠোর অবস্থানে বিপাকে পড়েছে হেফাজতে ইসলাম। রাষ্ট্রবিরোধী উসকানি ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং সহিংসতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন হেফাজতের শীর্ষ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা। এদের মধ্যে অন্তত ৩২ জন কেন্দ্রীয় নেতা রয়েছেন। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন আরো অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী। গ্রেপ্তার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা নেতারা।

সম্প্রতি গোয়েন্দা পুলিশের হাতে আটক হওয়া হেফাজতের হেভিওয়েট নেতাদের মধ্যে আছেন নারীকাণ্ডে বিতর্কিত মাওলানা মামুনুল হক, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ইলিয়াস হামিদী, ওয়াসেক বিল্লাহ নোমানী, লোকমান হোসেন আমিনী, শাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, মুফতি বশির উল্লাহ, মাওলানা জুবায়ের, মাওলানা জালাল উদ্দিন ও জুনায়েদ আল হাবীব। এসব নেতাই হেফাজতের মূল নিয়ন্ত্রক ছিলেন বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

বাবুনগরীও কি গ্রেপ্তার হবেন?

একের পর এক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তারের ঘটনার মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে তবে কি হেফাজত আমির মাওলানা জুনাইদ বাবুনগরীকেও গ্রেপ্তার করা হবে নাকি এই যাত্রায় রক্ষা পাবেন?

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সংস্থার সংগে যোগাযোগ করে জানা গেছে, আপাতত জুনাইদ বাবুনগরীকে গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা কম। তবে তিনি নজরদারিতে রয়েছেন। শীর্ষ নেতাদের গ্রেপ্তারে অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন বাবুনগরী। হেফাজতের আরো যেসব নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে তাঁরা গ্রেপ্তার হলে তিনি জিম্মি পরিস্থিতিতে পড়ে যাবেন। ফলে তাঁকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সেভাবে ভাবছে না গোয়েন্দা পুলিশ।

গোয়েন্দা সংস্থার অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রবিরোধী কাজে উসকানির অভিযোগে হেফাজতের ১৯৪ জন নেতার তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকায় প্রথমেই রয়েছেন জুনাইদ বাবুনগরী। তবে আপাতত তাঁকে নজরদারিতে রেখে বাকিদের গ্রেপ্তারে জোর দিচ্ছেন গোয়েন্দা পুলিশসহ অন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

সূত্রটি আরো বলছে, জুনাইদ বাবুনগরীকে গ্রেপ্তারের মতো পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ এখনও হাতে আসেনি। তবে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

অন্য একটি গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ২০১৩ সালে হেফাজতকাণ্ডে দায়েরকৃত মামলার আসামি জুনাইদ বাবুনগরী। সম্প্রতি দায়েরকৃত মামলাগুলোতেও তাঁকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের যেসব অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে আনা হচ্ছে, সেগুলোর শক্ত কোনো প্রমাণ এখনও সংগ্রহে করতে পারেননি তদন্তকারীরা।

পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি হেফাজতের মামুনুল হকসহ যেসব নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের জবানবন্দিতে রাষ্ট্রবিরোধী যেসব কর্মকাণ্ডের তথ্য উঠে এসেছে তাতে বাবুনগরীর জড়িত থাকার বিষয়ে সুস্পষ্ট প্রমাণ মিলছে না। তবু তদন্ত অব্যাহত রেখেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

তিনি আরো বলেন, মূলত বর্তমানে যেসব হেফাজত নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং যাদের বাবুনগরীপন্থী হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাঁদের অনেকেই বাবুনগরীর কমান্ড মানতেন না। বিশেষ করে মামুনুল হক বাবুনগরীর সিদ্ধান্ত সব সময় উপেক্ষা করতেন। সম্প্রতি জবানবন্দিতেও তিনি এসব বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অন্য যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাঁদের জবানবন্দিতেও এটি স্পষ্ট নয় যে, বাবুনগরী নাশকতার কোনো নির্দেশনা বা উসকানি দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, জুনাইদ বাবুনগরীর বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধেও আমাদের তদন্ত অব্যাহত আছে। তদন্তে নাশকতা কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের প্রমাণ মিললে অবশ্যই তাঁকেও গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি আমাদের নজরদারির বাইরে নন।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১




সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় ধাপ শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ মে ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনার সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ বা সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় ধাপের প্রথম দিন আজ বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আগামী বুধবার (২৮ এপ্রিল) মধ্যরাত পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ বা লকডাউন বহাল থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আন্তর্জাতিক বিশেষ ফ্লাইট চলাচল ও ব্যাংকিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ পূর্বের সব বিধি-নিষেধ আরোপের সময়সীমা আগামী ২১ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হলো।

গত ১২ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেওয়া হয়। ১৪ থেকে শুরু হয়ে ২১ এপ্রিল সেই লকডাউন শেষ হয়। নতুন প্রজ্ঞাপনে আগের বিধি-নিষেধগুলো পালন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিধি-নিষেধগুলো নিম্নরূপ:

১. সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান (পরে ব্যাংক খুলে দেওয়া হয়) বন্ধ থাকবে। প্রতিষ্ঠানের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী নিজ নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন। তবে প্লেন, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসগুলো এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

২. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৩. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে (নতুন প্রজ্ঞাপনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর অনুমতি দেওয়া হয়েছে)। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না।

৪. শিল্প-কারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। তবে শ্রমিকদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান থেকে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

৫. আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন- কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা দেওয়া, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে।

৬. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনা, চিকিৎসাসেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। তবে টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়ত করা যাবে।

৭. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা ঘাবে। শপিংমলসহ অন্য দোকান বন্ধ থাকবে।

৮. কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাবেচা করা যাবে। বাজার কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৯. বোরো ধান কাটার জরুরি প্রয়োজনে কৃষি শ্রমিক পরিবহনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সমন্বয় করবে‌।

১০. সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন উল্লেখিত নির্দেশনা বাস্তবায়নের কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল জোরদার করবে।

১১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তার পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা দেবেন।

১২. স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জুমা ও তারাবি নামাজের জামায়াত বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করবে।

১৩. উপর্যুক্ত নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ প্রয়োজনে সম্পূরক নির্দেশনা জারি করতে পারবে।

এর আগে, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পুনরায় বাড়তে থাকায় গত ৫ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এক সপ্তাহের জন্যে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। পরের দিন ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের ১১টি সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর ৯-১৩ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফয় কঠোর লকডাউন দেয় সরকার, যা ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ছিল।


আরও খবর

ঈদ মোবারক

শুক্রবার ১৪ মে ২০২১