Logo
শিরোনাম

হাইড্রোজেন দিয়ে উড়বে উড়োজাহাজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৪ নভেম্বর ২০২৩ | ৯১৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্যালিসবারি শহরের একটি সংরক্ষিত সামরিক এলাকায় পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে ছোট একটি জেট ইঞ্জিনের। অতিসাধারণ এক ঘটনা মনে হলেও এই জেট ইঞ্জিনটি উড়োজাহাজ শিল্পে যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। এটি একটি রোলস রয়েস এই-২১০০এ গ্যাস টারবাইন। এই ডিজাইন সারা বিশ্বের অভ্যন্তরীণ এয়ারলাইনের উড়োজাহাজগুলোতে ব্যবহৃত হয়। ইঞ্জিনটির প্রায় সবটুকুই একটি সাধারণ জেট ইঞ্জিনের মতো হলেও, যে ব্যাপারটি এই জেট ইঞ্জিনকে অন্য সব ইঞ্জিন থেকে আলাদা করে তা হচ্ছেএর জ্বালানি। এই প্রথম কোনো আধুনিক উড়োজাহাজের ইঞ্জিন চালানো হচ্ছে হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবহার করে।

ডার্বিতে উন্নয়নকাজ সম্পন্নের পর ব্রিটিশ এয়ারলাইন কোম্পানি ইজি জেটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইঞ্জিনটির পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে রোলস-রয়েস। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে, উড়োজাহাজ চালনা শিল্পের বিকাশ অব্যাহত রাখতে হাইড্রোজেন জ্বালানিকে প্রধান ভূমিকায় রাখা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হ্রাস করা।

রোলস-রয়েসের মহাকাশ প্রযুক্তির পরিচালক অ্যালেন নিউবি ব্যাখ্যা বলেন, সাধারণত আমরা কেরোসিনের মাধ্যমে জেট ইঞ্জিন চালাতাম। কেরোসিন একটি হাইড্রোকার্বন, তাই এটি পোড়ালে কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়। হাইড্রোজেনকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছেএতে কোনো কার্বন নেই। তাই এটিকে পোড়ানো হলে কার্বন-ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয় না।

প্রকল্পটিতে অর্থের জোগান দিচ্ছে ইজি জেট। জেট ইঞ্জিনটির পরীক্ষায় এর মধ্যেই কয়েক মিলিয়ন পাউন্ডের জোগান দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

ইজি জেটের প্রধান অপারেটিং অফিসার ডেভিড মরগান বলেন, আমরা কয়েক বছর আগে থেকেই ভবিষ্যতের উড়োজাহাজ চালনায় কী জ্বালানি ব্যবহার করা যেতে পারে তা ভাবা শুরু করেছিলাম। আমরা ব্যাটারি প্রযুক্তি নিয়েও ভেবেছিলাম। তবে এটি স্পষ্ট ছিল যে, আমাদের বৃহৎ বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ ওড়ানোর জন্য ব্যাটারি প্রযুক্তি যথেষ্ট হবে না। শেষ পর্যন্ত আমরা হাইড্রোজেন ব্যবহারের সিদ্ধান্তে উপনীত হই।

যে সুবিধাটি ব্যাটারি থেকে হাইড্রোজেনকে এগিয়ে রাখে তা হলোহাইড্রোজেন প্রতি কেজিতে ব্যাটারির চেয়ে অনেক বেশি শক্তি দেয়। বড় উড়োজাহাজগুলোতে শক্তি দিতে হলে অনেক ভারী ব্যাটারির প্রয়োজন হবে। এখন পর্যন্ত হওয়া পরীক্ষাগুলোতে বোঝা গেছে, হাইড্রোজেন ব্যবহার করে জেট ইঞ্জিন ভালো মতোই চালানো যাবে। তবে গতি কিছুটা কম হবে।


আরও খবর

কমেছে রোলেক্স ও প্যাটেক ফিলিপ ঘড়ির দাম

বুধবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩




নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩