Logo
শিরোনাম
সংগঠনের প্রধান নিরীক্ষকের তথ্য

হেফাজতের কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বাবুনগরী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০১৬ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তবে জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছ থেকে অর্থের হিসাব চাওয়া এবং এ বিষয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করায় তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধান নিরীক্ষকের পদ

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচি 'সফল' করতে নানা উৎস থেকে টাকা নিয়েছিল সংগঠনটি। বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকাও সে সময় অন্তত ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই অর্থের অন্তত এক কোটি টাকার হিসাব দিতে পারেননি হেফাজতের বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। পুরো টাকাই তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে জনপ্রিয় একটি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন সংগঠনটির প্রধান নিরীক্ষক (অডিটর) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

সংগঠনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে দফায় দফায় চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার সঙ্গে থাকা খাদেম (একান্ত সচিব) মাওলানা ইন'আমুল হাসান ফারুকীর মাধ্যমে চেষ্টা করা হলে তিনি জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেবেন বলে জানান। পরে তাকেও পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার রাত ও শনিবার বিকেলে মাওলানা সলিমউল্লাহর সঙ্গে দুই দফায় কথা হয় ওই সংসাদপত্রটির। এ সময় তিনি বলেন, ঢাকা ঘেরাও এবং এর অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি যখন তুমুল সাড়া জাগায়, তখন আন্দোলন সফল করতে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সহায়তা আসছিল। সে সময় ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাও নগদ ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন সংগঠনের তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে। কিন্তু সেই টাকা নিজের কাছে রেখে দেন তিনি।

মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে হুজুরকেও (হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী) অনেকে টাকা-পয়সা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো টাকা তিনি নিজের কাছে তেমন একটা রাখতেন না। একদিন হুজুর নিজ হাতে তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকাও তিনি হজম করে ফেলেছেন।

শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছিল। কারাভোগের পর তিনি জামিনে বেরিয়ে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন। মাওলানা সলিমউল্লাহ এ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জুনায়েদ বাবুনগরী হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালে একদিন তার মেয়ের এক ভাসুরকে পাঠান এবং তার মাধ্যমে চিকিৎসার কথা বলে সংগঠন থেকে ২০ লাখ টাকা নেন। সেই টাকা ফেরত দেওয়া দূরে থাক, কোনো হিসাবই দেননি তিনি। চিকিৎসার জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে; সেটাও কারও জানা নেই। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় সংগঠন থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। সংগঠনের তৎকালীন মহাসচিব হিসেবেও অনেকে তার কাছে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এসব টাকার কোনো হিসাব নেই।

২০১৬ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তবে জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছ থেকে অর্থের হিসাব চাওয়া এবং এ বিষয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করায় তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধান নিরীক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হেফাজতের যে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি রয়েছে, সে কমিটির অন্যতম সদস্য তিনি। অবশ্য কাগজ-কলমে নাম থাকলেও কয়েক মাস ধরে হেফাজতের সঙ্গে তেমন একটা সম্পৃক্ত নন ফটিকছড়ির নাজিরহাট আল জামিয়াতুল ফারুকীয়া মাদ্রাসার মুহতামিম (মহাপরিচালক) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

আর্থিক অনিয়মের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, ২০১৬ সালে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী আমাকে হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক করে একটি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর সংগঠনের আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে গিয়ে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়তে হয়। মূলত শাপলা চত্বরে আন্দোলনের সময় বিভিন্নভাবে নেওয়া টাকার হিসাব চাইতে গিয়ে এ সমস্যা তৈরি হয়। আমি বিষয়টি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি- সেটা মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী চাইতেন না। তাই যখনই আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করি, তখন পদাধিকারবলে আমার নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দেন তিনি। যখন যাকে পছন্দ তাকে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব দেন। অবশ্য কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে প্রধান নিরীক্ষকের পদ দেওয়া হতো। এভাবে তিনবার কমিটি পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রামের চাক্তাই মোজাহেরুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা লোকমান হাকিম।

আমি যখন প্রধান নিরীক্ষক ছিলাম, তখন সে কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। তবে বর্তমানে তথাকথিত হেফাজতের কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

শাহ্‌ আহমদ শফীর ঘনিষ্ঠভাজন ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। কয়েক মাস আগেও ফটিকছড়ির আল জামেয়াতুল আরাবিয়া নছিরুল ইসলাম নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মুহতামিম ছিলেন তিনি। তবে আহমদ শফী ইন্তেকাল করার পর তাকে সে পদ থেকে সরিয়ে দেন জুনায়েদ বাবুনগরী ও তার সমর্থকরা। তবে এর নেপথ্যে আরও গভীর রহস্য রয়েছে বলে মনে করেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তিনি বলেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ মারা যাওয়ার পর ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার শরীফের পীর মুজিবুল হক মাইজভাণ্ডারী ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে চেষ্টা করেছিলেন। এ জন্য কওমিদের সমর্থন প্রয়োজন বলে মনে করেছিলেন তিনি। একাধিকবার আমার মাধ্যমে শফী হুজুরকে দিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ফোন করাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি সেটা করিনি। এমন প্রেক্ষাপটে তার সঙ্গে বাবুনগরীর সুসম্পর্ক হয়। শফী হুজুর ইন্তেকাল করার পর তারা ষড়যন্ত্র করে আমাকে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেন।

ফটিকছড়িতে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি নামে একটি সংগঠন রয়েছে। প্রায় ২২ বছর ধরে জুনায়েদ বাবুনগরী সভাপতি ও সলিমউল্লাহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও মাদ্রাসার পাশাপাশি সেই কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সলিমউল্লাহকে।

রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে কথিত নাস্তিক-ব্লগারদের শাস্তিসহ ১৩ দফা দাবি আদায়ে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি শেষে মতিঝিল শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয় হেফাজতের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক। দিনভর বিভিন্ন স্থাপনা, যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে তারা। পরদিন ৬ মে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় রাজধানীসহ রদশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের ২২ কর্মীসহ ৩৯ জন নিহত হয়। সূত্র : সমকাল


আরও খবর



প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি ২২ মে পর্যন্ত

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ন্যায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও আগামী ২২ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চলমান ছুটি আগামী বাড়িয়ে রবিবার (২৮ মার্চ) আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার লক্ষ্যে চলমান ছুটির অনুবৃত্তিক্রমে আগামী ২২ মে পর্যন্ত সব ধরনের সরকারি/বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন বন্ধ থাকবে। এ সময়ে নিজেদের এবং অন্যদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার লক্ষ্যে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করবে। এ সময়ে অনলাইন শিক্ষা কর্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ সময়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক সময়ে সময়ে জারি নির্দেশনা ও অনুশাসনগুলো মেনে চলবেন। শিক্ষার্থীদের বাসস্থানে অবস্থানের বিষয়টি অভিভাবকরা নিশ্চিত করবেন এবং স্থানীয় প্রশাসন তা নিবিড়ভাবে পরিবীক্ষণ করবেন। এ সময়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ তাঁদের নিজ নিজ শিক্ষার্থীরা যাতে বাসস্থানে অবস্থান করে নিজ নিজ পাঠ্যবই অধ্যয়ন করে সে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের মাধ্যমে নিশ্চিত করবেন।

এরআগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় গত ২৫ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদ উল ফিতরের পরে ২৩ মে থেকে শুরু হবে।

সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে অতি সম্প্রতি চলমান কোভিড-১৯ অতিমারিতে সংক্রমণের ঊর্ধগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্হ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান আগামী ঈদ উল ফিতরের পর ২৩ মে শুরু করার সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।


আরও খবর



পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে গলায় ফাঁস দিলেন স্বামী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পরকীয়া সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রাজু মল্লিক (৪৫) নামে এক ব্যক্তি। সোমবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার চুঁচুড়া চকবাজার এলাকার শান্তিপল্লীতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজু মল্লিক তার প্রতিবেশি এক ভাবীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি তার স্ত্রী রিঙ্কু মল্লিক জেনে যান। এনিয়ে গত দুই বছর রাজু-রিঙ্কুর সংসারে অশান্তি চলছিল। একপর্যায়ে স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় বাবার বাড়ি চলে যান রিঙ্কু। একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ নেন তিনি।

তবে রিঙ্কুকে রাস্তায় বিভিন্নভাবে উত্যক্ত করতেন রাজু। সোমবার স্বামীর বাড়ির পাশে শান্তিপল্লীতে এক রোগীর রক্ত সংগ্রহ করতে যান রিঙ্কু। এসময় তার স্বামী রাজু তার ওপর হামলা চালায়। রাস্তায় ফেলে তাকে ধারালো ছুরি ও ক্ষুর দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর রাজু নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। কিছুক্ষণ পর তার রাজুর ঘরের দরজা ভেঙে ফেলে ক্ষুব্ধ প্রতিবেশীরা। তবে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, রাজু ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছেন। পরে তারা পুলিশে খবর দিলে রাজুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রাজু-রিঙ্কু দম্পতির একমাত্র সন্তান জানান, অনেক দিন ধরে তার বাবা-মায়ের ঝগড়া চলছিল। কিছুদিন আগে তারা দাদার বাড়ি চলে যায়। তবে কাজ করতে বাইরে বের হলেই নানাভাবে তার মাকে উত্যক্ত করত বাবা রাজু।

নিউজ ট্যাগ: আত্মহত্যা

আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




টিকাপ্রাপ্ত ও করোনা থেকে সুস্থরা ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

যারা করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন এবং করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন তারাই কেবল এবার পবিত্র ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন।

রমজান উপলক্ষে চলতি মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া ওমরাহ নিয়ে গতকাল সোমবার এমনটাই ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। আরব নিউজের খবরে এ কথা জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বলেছে, করোনার টিকা যারা নিয়েছেন এবং যারা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন তারাই কেবল ওমরাহ পালন ও মক্কার মসজিদে হারামে বা দ্য গ্র্যান্ড মসজিদে নামাজ আদায়ের সুযোগ পাবেন।

দুই ডোজ টিকা নেওয়া হলে তারা ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি এক ডোজ টিকা নেওয়ার ১৪ দিন পরও ওমরাহ পালনের সুযোগ থাকছে। এ ছাড়া করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন এমন সনদ থাকলেও সৌদি কর্তৃপক্ষ ওমরাহ করার সুযোগ দেবে বলে জানানো হয়েছে।

তবে ওমরাহ চলাকালে অবশ্যই কোভিড-১৯ মোকাবিলার বিধিনিষেধ ও শর্তগুলো পালন করতে হবে হাজিদের।


আরও খবর

মিয়ানমারে সেনা অভিযানে নিহত ৮২

রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১




ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দুই দিনের এক রাষ্ট্রীয় সফরে আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা পৌঁছেছেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বের ৫০ বছর পূর্তিতে মোদির এ সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

আজ সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নরেন্দ্র মোদিকে স্বাগত জানান। বিমানবন্দরে নরেন্দ্র মোদিকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতার পর, ভারতের প্রধানমন্ত্রী সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ধানমণ্ডি-৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে যাবেন।

বিকেলে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আজ বিকেলে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানমালার দশম দিনের অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন।


আরও খবর



সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো প্রেতাত্বাদের মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১১১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৯৭১ ও তার পূর্ববর্তী সময়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো প্রেতাত্বাদের বাংলাদেশে কোনভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই একটা চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যে আছে। এর মধ্যেও সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় আক্রমণ হয়েছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি এবং এদের পৃষ্ঠপোষক রাজনৈতিক দল ও জোট এর পেছনে জড়িত থাকতে পারে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কোনভাবেই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে, রাম-রহিমের বাংলাদেশে, ত্রিশ লক্ষ শহিদের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না। যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, সে ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হবে। কঠোরভাবে তাদের দমন করা হবে।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলাম, সিভিল সার্জন হাসনাত ইউসুফ জাকি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু,  জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ খান টিটু প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তানী এবং এদেশীয় দোসররা নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় তারা। সেজন্য ইতিহাসে ২৫ মার্চ একটা বর্বরোচিত কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এ নির্মম ঘটনা যারা সংগঠিত করেছিল তাদের দোসর এদেশীয় একটি শ্রেণি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পুনর্বাসিত হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুপ্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রাজনীতিতে ও সরকারে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। এভাবেই পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলো বাংলাদেশকে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করার ব্যবস্থা করেছিল।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, ২৫ মার্চ নতুন নয়। অথচ ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ২০১৭ সালে। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ শেখ হাসিনা সরকার আমলে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অতীতে কেউ এটি করেনি। কারণ ২৫ মার্চের গণহত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের উত্তরসূরিরা বাংলাদেশের প্রশাসনে, রাষ্ট্র ক্ষমতায়, রাজনীতিতে রয়ে গেছে। এজন্য ২৫ মার্চকে আনুষ্ঠানিকভাবে অতীতের সরকারগুলো পালন করেনি। কিন্তু দৃঢ়চেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আসলেই মনে করেন মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধু অবিচ্ছেদ্য। কারণ বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ যেখানে প্রত্যেকের অধিকার থাকবে সম পর্যায়ে, ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে ছোট করে দেখা হবে না। কেউ বঞ্চনার শিকার হবেন না। এরকম বাংলাদেশ যারা চায়নি তারা বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, এ মূহুর্তেও দেশে ষড়যন্ত্র চলছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমন নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে বিষোদগার করা হচ্ছে। আবার এক শ্রেণির মৌলবাদিরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী না আসার জন্য বিক্ষোভ করার ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিদেশি অতিথিরা এসে বাংলাদেশকে সম্মানিত করবেন, সেক্ষেত্রেও বিএনপি বাধা দিচ্ছে। ভারতবিরোধী রাজনীতির একটা ট্রাম্পকার্ড ছুঁড়ে দেয়ার জন্য অনেকেই চেষ্টা করছেন। তারা ভুলে গেছেন বাংলাদেশে এ রাজনীতির ট্রাম্পকার্ড এখন চলে না। এ জাতীয় রাজনীতির ভন্ডামিতে মানুষ এখন বিভ্রান্ত হয় না।

ঐক্যবদ্ধভাবে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশকে সুন্দরভাবে আমাদের বিনির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সকলের প্রচেষ্টা আবশ্যক। কারণ বাংলাদেশ অস্থিতিশীল থাকলে আমরা কেউ ভালো থাকবো না। এজন্য স্বাধীনতাবিরোধী ও এদের পৃষ্ঠপোষকদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে। যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।


নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর