Logo
শিরোনাম

হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীকে নির্মম নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত:বুধবার ১০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৪৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক


চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের এক শিশু শিক্ষার্থীকে শিক্ষকের নির্মম নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। মায়ের কাছে ছুটে যাওয়ায় মো. ইয়াসিন ফরহাদ (৮) নামে ওই শিশু শিক্ষার্থীকে অমানবিকভাবে পিটিয়েছেন ওই শিক্ষক। এই ঘটনায় সমালোচনার ঝড় বইছে। এদিকে এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে হাটহাজারী পৌরসভার ফটিকা গ্রামের মারকাজুল কোরআন ইসলামিক একাডেমিতে অভিযান চালিয়ে ওই মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ মো. ইয়াহইয়াকে আটক করে পুলিশ। তবে ওই শিক্ষার্থীর বাবা-মা অভিযুক্ত ওই মাদ্রাসাশিক্ষককে ক্ষমা করে দিয়েছেন মর্মে একটি লিখিত বক্তব্য দেয়ায় প্রশাসন এ ঘটনায় দোষী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি।

এর আগে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে মায়ের পেছনে ছুটে যাওয়ার কারণে ওই শিক্ষক অমানুষিকভাবে হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াসিন ফরহাদকে প্রহার করে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে শিক্ষার্থী ইয়াসিন ফরহাদকে দেখতে যায় তার মা পারভিন আক্তার। দেখা শেষে ফিরে আসার সময় ইয়াসিন ফরহাদ তার মায়ের পেছন পেছন ছুটে আসে। এ সময় হেফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ মো. ইয়াহইয়া তাকে ধরে এনে বেদম প্রহার করে। এদিকে ওই শিক্ষার্থীর ওপর শিক্ষকের অমানুষিকভাবে বেদম প্রহারের একটি ৩৩ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, তাকে নির্মমভাবে প্রহার করা হচ্ছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন অনেকেই। তবে এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিষয়ে একাডেমিপ্রধানের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।


আরও খবর

পুকুরে ডুবে কিশোরের মৃত্যু

সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২




বাজারে দাম বেড়েছে মরিচ-মুরগির, কমেছে তেলের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে দাম বেড়েছে ডিম, কাঁচা মরিচ ও মুরগির। ১৫ টাকা দাম কমে ভোজ্য তেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকায়। এছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। শুক্রবার (২৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। শসা প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা। করলা ৮০ থেকে ৬০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৫০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৫০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা।

এইসব বাজারে বাড়তি দামে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। এছাড়া কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০ টাকা।

বাজারে আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। কেজি বিক্রি হচ্ছে, ৪০ টাকা কেজি। আর একটু ভাল মানের পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা। এসব বাজারে রসুনের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। বাজারে চায়না রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়। 

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। এছাড়াও এসব বাজারে দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। 

প্যাকেট আটার কেজি এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০। খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। বাজারে ১৫ টাকা দাম কমে ভোজ্যতেলের লিটার বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকার। 

বাজারে লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। বাজারে হাঁসের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ থেকে ১৯০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২০০ থেকে ১৯০ টাকা। পাড়া-মহল্লার দোকানে বেড়েছে লাল ডিমের দাম। লাহি বিক্রি হচ্ছে ৪১ থেকে ৪২ টাকা। ডজন বিক্রি ১২২ থেকে ১২৩ টাকায়। 

গরুর মাংসের কেজি ৭০০ টাকা। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়। বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়।


আরও খবর

কুষ্টিয়ায় চালের বাজারে আগুন

রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২




প্রসেনজিৎ এর স্ত্রী হচ্ছেন শ্রাবন্তী!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১১ আগস্ট ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টলিউডের দুই তারকা প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জি ও শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি। একজন কিংবদন্তির পর্যায়ে চলে গেছেন, অন্যজনের জনপ্রিয়তাও দারুণ। শ্রাবন্তীর অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল মায়ার বাঁধন নামের একটি সিনেমার মাধ্যমে। সেখানে তিনি প্রসেনজিতের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল মায়ার বাঁধন। এরপর দীর্ঘ ২৫ বছর হয়ে গেল। এই লম্বা সময়ে কেবল একটি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন প্রসেনজিৎ ও শ্রাবন্তী। কাবেরী অন্তর্ধান নামের সেই সিনেমায় প্রসেনজিৎ ছিলেন শিক্ষক, আর তার ছাত্রী শ্রাবন্তী।

এবার নতুন পরিচয়ে পর্দায় হাজির হচ্ছেন তারা। সায়ন্তন ঘোষালের পরিচালনায় নতুন সিনেমায় যুক্ত হয়েছেন এই তারকাদ্বয়। সিনেমাটিতে স্বামী-স্ত্রীর ভূমিকায় দেখা যাবে প্রসেনজিৎ ও শ্রাবন্তীকে। এমন এক দম্পতির গল্প এতে উঠে আসবে, যাদের বয়সের মধ্যে অনেক পার্থক্য। আগামী সেপ্টেম্বরেই সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে বলে জানা গেছে। কিছুদিন আগেই লন্ডন থেকে শুটিং করে এসেছেন শ্রাবন্তী। আবারও উড়াল দিতে হবে সেখানে। কারণ নতুন সিনেমাটির চিত্রায়ন হবে সেখানেই। সিনেমাটির নাম অবশ্য এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সিনেমাটি সম্পর্ক নির্মাতা সায়ন্তন জানিয়েছেন, এই দম্পতির বয়সের মধ্যে অনেক ফারাক। তারা থাকেন লন্ডনে, সেখানেই এক সাময়িক ক্রাইসিসের মধ্যে পড়েন। কীভাবে সেই ক্রাইসিস থেকে বের হয়ে আসেন, সেটা নিয়েই সিনেমার গল্প এগোবে।


আরও খবর

চলচ্চিত্রের বন্ধু বঙ্গবন্ধু

সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২




রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযান, গ্রেপ্তার ৫২

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার (১২ আগস্ট) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিএমপি জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৪ হাজার ৯৮৬ পিস ইয়াবা, ১৪১ গ্রাম হেরোইন, ১৫ কেজি ৬৯০ গ্রাম গাঁজা, ৫ বোতল ফেন্সিডিল ও ১০০টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৪৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আরও খবর



দূষিত নদীর তালিকার শীর্ষে ‘লবণদহ’

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন

Image

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:

গাজীপুরের শ্রীপুরে দূষিত নদীর মধ্যে লবণদহ নদীটির তালিকার শীর্ষে। বাংলাদেশের দূষিত নদীর কথা উঠলেই বুড়িগঙ্গার নাম প্রথমে আসলেও, দেশের বেশিরভাগ পরিবেশ বাদী সংগঠনের মতে এই তালিকায় প্রথমে আসবে গাজীপুরের তুরাগ। অপরদিকে লবনদহ, শ্রীপুর ভালুকা ও গাজীপুর সদর দিয়ে তুরাগে মিশেছে। যদিও শ্রীপুর ও গাজীপুর সদরের শিল্প ও নাগরিক বর্জ্য সরু নালার মত লবনদহ দিয়ে অপেক্ষাকৃত বড় নদী তুরাগে মিশেছে। কিন্তু খোলা চোখে তুরাগের চেয়ে লবনদহের পানি বেশি ভয়াবহ নোংরা দেখায়। নামলেই চর্মরোগ ও অন্যান্য ক্ষতি হওয়ার আশংকা রয়েছে।

দূষণের মাত্রা পর্যবেক্ষণের জন্য ২০১৮ সালে ওয়াটার কিপার্স বাংলাদেশ গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানের নদীর পানির উপর একটি সমীক্ষা চালায়।

সমীক্ষাটিতে পানির ভারি ধাতুর উপস্থিতি ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, তুরাগে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা প্রতি সেন্টিমিটারে ১ হাজার ১৫৭ মাইক্রো সিমেন্স, ধলেশ্বরীতে ১ হাজার ৯৫, বুড়িগঙ্গায় ১ হাজার ৬৮ বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বংশী নদীতে সবচেয়ে কম প্রতি সেন্টিমিটারে ১৬২ মাইক্রো সিমেন্স। এ ছাড়া শীতলক্ষ্যায় প্রতি সেন্টিমিটারে ১ হাজার ৬৮ সিমেন্স। এমন সার্ভে কখনো লবনদহ কিংবা চিলাই নদীতে করা হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। যে কেউ খালি চোখে দেখলেই বুঝবে তুরাগ, ধলেশ্বরীর চেয়ে লবনদহের পানি বেশি নোংরা ও দূষিত। কি নেই এই পানিতে ওয়াশিং, ডাইয়িং, ক্যামিকেল কারখানার বর্জ্য, হাসপাতালের ও ঔষধ কারখানার বর্জ্য, মৃত পশুর দেহ থেকে শুরু করে আবাসিক এলাকার পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য সহ অজানা আরো অসংখ্য বিষাক্ত বর্জ্যের ধারক এই নদী। অবশ্য এটাকে নদী বললে নদীর সংজ্ঞাটাই বদলাতে হবে।

নদীর দূষণের পাশাপাশি ফোরশোর দখল তো সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। যে কেউ ইচ্ছে হলেই নদীর গাঁ ঘেষে ভবন, সীমানা প্রাচীর, মৎস্য খামার, ভরাট করে চলেছেন।

গুগল ম্যাপ আনুযায়ী নদীটির কোন কোন স্থানে বিলুপ্তও হয়েছে। অথচ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৬ তে  স্পষ্ট এটিকে অপরাধ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। আইন লঙ্ঘনে শাস্তি হিসেবে রয়েছে- ২ থেকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা বা ২ বছর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা উভয় দন্ড। তাছাড়া ওই বিধিমালার ১৫ এর- তে ক্ষতিপূরণ দাবি ও অপরাধের সহিত সংশ্লিষ্ট বস্তু, যন্ত্রপাতি বাজেয়াপ্ত বা বিনষ্ট করার ব্যাপারেও বর্ণনা রয়েছে।

লবনদহই যে বেশি দূষিত তার নমুনা মেলে গাজীপুর সদর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জান্নাতুন শাহিন এর বক্তব্যে। তিনি জনবাণীকে বলেন, ২০১৯ সালে ভাওয়াল মির্জাপুরে তুরাগ নদীর সংযোগস্থলের পানি পরীক্ষা করেছিলাম, তখনই দেখেছি ওই নদী মাছ সহ জলজ জীবের বেঁচে থাকার যোগ্যতা হারিয়েছে।

একই মন্তব্য করছেন এক যুগেরও বেশি সময় নদী ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করা সাঈদ চৌধুরী। বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের এই সদস্য জনবাণীকে বলেন, আমার চোখে তুরাগের চেয়ে লবনদহ বেশি দূষিত। আর সেটা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সাথে দখল আর গতি পরিবর্তন তো আছেই। গাজীপুরে কম বেশি আড়াই হাজার শিল্প কারখানা রয়েছে। এর মাঝে কতগুলা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ সনদ আছে জানতে চাইলে গাজীপুরের পরিবেশ বিষয়ক কর্মকর্তা নয়ন মিয়া আমাকে তথ্য ফর্মে আবেদন করতে বলেই কথা শেষ করেন। লবনদহের কথা জিজ্ঞাসার সময়ই দেননি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেনও মনে করেন লবনদহ নদীই বেশী দূষিত। তিনি বলেন, অবশ্যই লবনদহ নদীই বেশি দূষিত, এই নদীকে ঘিরেই রয়েছে অনেক শিল্প, যার বর্জ্য সরাসরি এই নদীতেই ফেলা হয়। আমি কয়েকবার ওই নদীর বিভিন্ন এলাকা ভ্রমণ করেছি, সত্যি নদীটির অবস্থা করুন।


আরও খবর



২০২২-২৩ অর্থবছরে বিসিবির সম্ভাব্য আয় ৩৬২ কোটি টাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২০ জুলাই ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেষ হয়েছে। গত অর্থবছরে ২৩৭ কোটি ৭ লাখ ৭ হাজার ৯৫৬ টাকা আয় করেছে দেশের ধনী বোর্ডটি। এবারের এজিএমে আগামী এক অর্থবছরের (২০২২-২৩) বাজেট প্রকাশ করেছে বিসিবি।২০২২-২৩ অর্থ বছরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সম্ভাব্য আয় ৩৬২ কোটি টাকারও বেশি।  তবে ২০২০-২১ অর্থবছরে যে পরিমাণ আয় ও ব্যয় হয়েছে, তাতে ৬৮ কোটি টাকার মতো লাভ হিসেবে বিসিবির কোষাগারে জমা হয়েছে।

আজ রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে এজিএমে কাউন্সিলরদের সমর্থনে এই বাজেটের অনুমোদন দেয় বিসিবি। বিসিবির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিসিবির সম্ভাব্য আয় ৩৬২ কোটি টাকা ৬৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা, সম্ভাব্য ব্যয় ২৮৪ কোটি ৩৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫৪১ টাকা। আর উদ্ধৃত টাকা হলো ৭৮ কোটি ৩১ লাখ ৪৫ হাজার ৪৫৯ টাকা।

২০২১-২২ অর্থবছরের কোনো হিসাব পাওয়া না গেলেও এর আগের অর্থবছরে যে পরিমাণ আয়-ব্যয় হয়েছিল, সে তুলনায় অনেক টাকা জমা করতে পেরেছিল বোর্ড। ২০২০-২১ অর্থবছরে বিসিবির আয় হয়েছিল ২৩৭ কোটি ৭ লাখ ৭ হাজার ৯৫৬ টাকা। আর ব্যয় করা হয় ১৬৮ কোটি ২১ লাখ ৬৫ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। টাকা উদ্ধৃত ছিল ৬৮ কোটি ৮৫ লাখ ৪২ হাজার ৬৯৩ টাকা।

 ২০২০-২১ সালের তুলনায় এবার বিসিবির সম্ভাব্য আয় বাড়ছে ১২৫ কোটি টাকারও বেশি। আয় বাড়লেও সম্ভাব্য খরচও বাড়ছে এবার। গতবার যেখানে ব্যয় হয়েছে ১৬৮ কোটি এবার সেটি ধরা হয়েছে ২৮৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১১৬ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ছে গত অর্থ বছরের তুলনায়।

বিসিবির এফডিআর এখনো সাড়ে ৬০০ কোটি টাকাই আছে। পুঞ্জীভূত তহবিল ৯০১ কোটি ৬৪ লাখ ১১ হাজার ৮৮৪ টাকা। গত অর্থবছরে এফডিআর থেকে সুদ বাবদ আয় হয়েছিল ৪০ কোটি ৯১ লাখ ৭৬ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা।


আরও খবর