
তিয়েনআনমেন স্কয়ার গণহত্যার স্মরণে হংকং
বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা ভাস্কর্য ‘পিলার অব শেম’ সরিয়ে ফেলেছে
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১৯৮৯ সালে চীনা কর্তৃপক্ষের হাতে নিহত গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনকর্মীদের
মরদেহ স্তূপাকারভাবে দেখানো হয়েছিল এই ভাস্কর্যে। ভাস্কর্যটি গত ২৪ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাসে ছিল। এখন থেকে এটি নিজেদের স্টোরেজে রাখা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃপক্ষ।
হংকংয়ের ওই স্মরণীয় ঘটনায় এখনো অবশিষ্ট
আছে এমন গুটি কয়েক স্মৃতিস্তম্ভের মধ্যে এটিও একটি ছিল, যা চীনে খুবই স্পর্শকাতর। হংকংয়ে
রাজনৈতিক ভিন্ন মতাবলম্বীদের বেইজিংয়ের প্রতিনিয়ত দমন-পীড়নের মধ্যেই এটি সরিয়ে নেওয়া
হলো। খবর বিবিসি অনলাইনের।
বিশ্ববিদ্যালয় গত অক্টোবরে ‘পিলার অব শেম’ নামের এই ভাস্কর্যটি
সরানোর প্রাথমিক নির্দেশ দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের
বৃহৎ স্বার্থে ঝুঁকি মূল্যায়ন করে এবং বাহ্যিক আইনি পরামর্শের ভিত্তিতে বহু বছরের পুরনো
এই ভাস্কর্য সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় এই ভাস্কর্য সম্পর্কিত নিরাপত্তা
ইস্যু নিয়েও উদ্বিগ্ন।
বুধবার রাতে ভাস্কর্যটি সরানোর প্রথম লক্ষণ
ধরা পড়ে যখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্লাস্টিক শিট দিয়ে ওই এলাকা ঘিরে ফেলে। নির্মাণ
শ্রমিকরা সারারাত প্লাস্টিকের বেড়ার ওপাশে কাজ করে তামার তৈরি ২৬ ফুট উঁচু ভাস্কর্যটি
উপড়াতে সক্ষম হয়। এসময় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলের ছবি তোলার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা
বাধা দেয়।
বিবিসির সাংবাদিক গ্র্যাস টোসই ঘটনাস্থল
থেকে বলেন, ভেতরে ভাঙচুর ও ড্রিল মেশিনের শব্দ হচ্ছিল কিন্তু কেউ দেখতে পায়নি আসলে
কি ঘটতেছিল।

