Logo
শিরোনাম

হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ব্লক করলে জানবেন যেভাবে

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে কাউকে ব্লক করা সম্ভব। কারো সঙ্গে চ্যাট করতে না চাইলে আপনিও তাকে ব্লক করতে পারবেন। তিনি চাইলেও আপনাকে ব্লক করতে পারবেন। আপনি না পারবেন তাকে কল করতে বা মেসেজ দিতে। কেউ আপনাকে ব্লক করেছেন কি না জানবেন কীভাবে? আপনাকে কেউ ব্লক করেছেন কি না- তা জানার সরাসরি কোনো পদ্ধতি না থাকলেও একাধিক উপায়ে বোঝা সম্ভব।

*হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ব্লক করলে বুঝবেন কীভাবে?

প্রোফাইল ছবি অদৃশ্য হয়ে যাবে।

অ্যাক্টিভিটি স্ট্যাটাস অফলাইন হয়ে যাবে।

স্ট্যাটাস দেখা যাবে না।

অ্যাবাউট বিভাগ ফাঁকা হয়ে যাবে।

মেসেজ পাঠালে তা কখনই ডাবল টিক পাবে না।

কল করা যাবে না।

* প্রোফাইল ছবি অদৃশ্য

আপনাকে কোনো ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করলে সেই ব্যক্তির প্রোফাইল ছবি আর দেখতে পাবেন না।

* অ্যাক্টিভিটি স্ট্যাটাস অফলাইন

প্রোফাইল ছবির ঠিক নিচে অ্যাক্টিভিটি স্ট্যাটাস দেখা যায়। এখানে অনলাইন, টাইপিং অথবা লাস্ট সিন স্ট্যাটাস দেখা যায়। আপনাকে কেউ ব্লক করলে এখানে কোন অপশন দেখতে পাবেন না।

* স্ট্যাটাস আপডেট

আপনাকে কোন ব্যক্তি হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করলে আপনি আর সেই ব্যক্তির স্ট্যাটাস আপডেট দেখতে পাবেন না।

* অ্যাবাউট বিভাগ

আপনাকে কেউ ব্লক করলে আপনি আর সেই ব্যক্তির প্রোফাইলে অ্যাবাউট বিভাগে কোনো তথ্য দেখতে পাবেন না।

* মেসেজে সিঙ্গেল টিক

একবার হোয়াটসঅ্যাপে ব্লক করলে আপনার পাঠানো কোনো মেসেজ আর সেই ব্যক্তির ফোনে ডেলিভার হবে না। ফলে মেসেজ পাঠালে পাশে একটা টিক দেখা যাবে।

* কল যাবে না

একবার ব্লক করলে আপনি আর হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস ও ভিডিও কল করতে পারবেন না। ভয়েস কল করলে তা কখনই কানেক্ট হবে না।

নিউজ ট্যাগ: হোয়াটসঅ্যাপ

আরও খবর



চলতি বাজেট

দ্বিতীয় মেয়াদের ১০ মাসে প্রণোদনা ঋণে ধীরগতি

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বড় শিল্প ও সেবা খাতে প্রথম মেয়াদে প্রণোদনা ঋণ ৮১.৭৬ শতাংশ বিতরণ করা হলেও দ্বিতীয় মেয়াদের ১০ মাসে এই ঋণ বিতরণ হয়েছে মাত্র ৩৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। একইভাবে প্রথম মেয়াদে ছোট শিল্পে ঋণ বিতরণের হার ছিল ৭৬.৯৩ শতাংশ। দ্বিতীয় মেয়াদের ১০ মাসে তা হয়েছে মাত্র ৪৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে ধীরগতিতে হতাশ ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। চলতি বাজেটে এটি শতভাগ বাস্তবায়নের কথা থাকলেও বছর শেষে হিসাব-নিকাশে ধীরগতির তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত বড় শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসাবে প্রথম মেয়াদে ৪০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছিল, যার বাস্তবায়নের হার ছিল ৮১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। তবে চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে দ্বিতীয় মেয়াদের ৩৩ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ বাস্তবায়ন শুরুর পর ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত এ খাতে বিতরণ হয়েছে মাত্র ১১ হাজার ৩২২ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা মোট প্যাকেজের ৩৪ দশমিক ৩০ শতাংশ।

অপরদিকে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পে (সিএমএসএমই) ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল হিসাবে প্রথম মেয়াদে ২০ হাজার কোটি টাকার ঋণ সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়। সে ঋণ বিতরণ হয়েছে ৭৬.৯৩ শতাংশ। একই খাতে দ্বিতীয় মেয়াদে আরও ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল ঘোষণা করা হয়। কিন্তু দ্বিতীয় পর্যায়ে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে ৯ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা, যা লক্ষ্যমাত্রার ৪৯ দশমিক ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ দ্বিতীয় ধাপের প্যাকেজ বাস্তবায়নে বৃহৎ ও ক্ষুদ্র শিল্পে ঋণ বিতরণের হার খুবই কম।

ঋণ বিতরণের দিক থেকে নাজুক অবস্থায় আছে বেশ কয়েকটি ব্যাংক। এরমধ্যে ১৯টি ব্যাংক এক টাকাও বিতরণ করেনি। অপরদিকে ৪টি ব্যাংকের ঋণ বিতরণের হার ১ শতাংশেরও কম। ২টি ব্যাংক ঋণ বিতরণ করেছে ২ শতাংশেরও কম। ১৪টি ব্যাংক ৫০ শতাংশের বেশি ঋণ বিতরণ করেছে। সবচেয়ে এগিয়ে আছে চতুর্থ প্রজন্মের বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক। ব্যাংকটির লক্ষ্য ছিল মাত্র ৫০ কোটি টাকা। তাদের লক্ষ্যের শতভাগ ঋণ বিতরণ করেছে। এরপরের অবস্থানে আছে বিদেশি হাবিব ব্যাংক। এ ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৯৫ শতাংশ। যদিও ব্যাংকটির লক্ষ্য ছিল মাত্র ১০ কোটি টাকা। এরপর বেশি ঋণ বিতরণ করেছে বেসরকারি খাতের দ্য সিটি ব্যাংক। ব্যাংকটি টার্গেটের ৮৮ শতাংশ প্রণোদনা ঋণ বিতরণ করেছে। সিটি ব্যাংকের লক্ষ্য ছিল ৯৫৭ কোটি টাকা। ব্যাংকটি বিতরণ করেছে ৮৪১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

বেশিরভাগ ব্যাংক যেখানে ঋণ বিতরণে পিছিয়ে সেখানে সিটি ব্যাংক এত ঋণ বিতরণ করল কিভাবে জানতে চাইলে ব্যাংকটির প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, গ্রাহককে বেশি অগ্রাধিকার দিয়েছি। গ্রাহকদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। যে গ্রাহক কখনো খেলাপি হননি, সে যখন কোভিডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাকে সাহায্য করেছি এবং গ্রাহক প্রণোদনার ঋণ নিয়ে সময়মতো ফেরত দিয়েছেন। সব গ্রাহকই টাকা ফেরত দিচ্ছেন। কেউ খেলাপি হননি। তাই দ্বিতীয় ধাপেও গ্রাহক ও ব্যাংকের সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ বিতরণ করেছি। আমরা কোনো খারাপ গ্রাহককে ঋণ বিতরণ করিনি।

সামগ্রিকভাবে দ্বিতীয় ধাপের ঋণ বিতরণের হার হতাশার বলে মন্তব্য করেছেন একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বলেন, প্রথম ধাপের ঋণ বিতরণের টাকা সময়মতো ফেরত আসেনি। তখন এক টাকা ফেরত না দিলেও খেলাপি করা যায়নি। এরপর কিস্তির ২৫ শতাংশ ফেরত দিলেই খেলাপি না করতে বলা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে। এসব কারণে দ্বিতীয় ধাপে ঋণ বিতরণ করতে পারিনি। প্রথম ধাপের ঋণ বিতরণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক যে টাকা দিয়েছিল তা আবার ফেরত নিয়েছে এক বছর পরেই। কিন্তু গ্রাহকের কাছ থেকে সে টাকা ফেরত পাইনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়, প্রথম পর্যায়ে শিল্প ও সেবা খাতের জন্য ঘোষিত ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল থেকে ৩২ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়। এ ঋণ পেয়েছে ৩ হাজার ৩০৬টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় মেয়াদে এ তহবিল থেকে বিতরণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। ঋণ পেয়েছে ১ হাজার ১৬২টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এই তহবিলের ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ হলেও গ্রাহকদের দিতে হচ্ছে সাড়ে ৪ শতাংশ। বাকি সাড়ে ৪ শতাংশ ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।

বৃহৎ শিল্প ছাড়া কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় দ্বিতীয় মেয়াদে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ৯ হাজার ৮২৮ কোটি টাকা। ২০ হাজার কোটি টাকার এই তহবিল থেকে ঋণ পেয়েছে ৫৬ হাজার ৪৭টি প্রতিষ্ঠান। প্রথম দফায় এ তহবিল থেকে ১৫ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়, ঋণ পেয়েছিলেন ৯৭ হাজার ৮১৪ জন গ্রাহক। এ ঋণের সুদ ৯ শতাংশ, তবে এর মধ্যে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে ৫ শতাংশ। গ্রাহকের দিতে হচ্ছে ৪ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে প্রথম দফায় ঋণ নিতে যত আগ্রহ ছিল, দ্বিতীয় দফায় তত আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। কারণ, যারা ঋণ নিয়েছেন, তাদের ঋণ পরিশোধের সময় এসেছে। এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত ১০টি প্রণোদনা তহবিল থেকে দুদফায় সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ২১৮ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে শিল্প ও সেবা খাতের ৪৪ হাজার ২৬ কোটি টাকা, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ২৫ হাজার ২১৫ কোটি টাকা, প্রি-শিপমেন্ট খাতে পুনঃঅর্থায়নে ঋণ গেছে ৬৫২ কোটি টাকা, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে ২ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ হয়েছে।

এ ছাড়া রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল থেকে ২৭ হাজার ৭৫৮ কোটি টাকা, এসএমই খাতের ঋণ নিশ্চয়তা স্কিম থেকে ৮৯ কোটি টাকা, রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যে ৫ হাজার কোটি টাকা, গ্রাহকের সুদ ভর্তুকি বাবদ ১ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা ও কৃষি খাতের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ৫ হাজার ৯০২ কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে। তবে পর্যটন খাতের হোটেল, মোটেল ও থিম পার্কের কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ১ হাজার কোটি টাকা তহবিল গঠন হলেও কোনো ঋণ বিতরণ হয়নি।

মহামারি কোভিড ১৯-এর কারণে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য সরকারের নির্দেশনায় মোট ২৮টি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। এসব প্যাকেজে অর্থের অঙ্ক দাঁড়ায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকা। পরে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) মাধ্যমে প্যাকেজটিতে যুক্ত হয় আরও ১২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে প্রণোদনা প্যাকেজের অঙ্ক ২ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার ১০টি প্যাকেজ বাস্তবায়ন হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে।


আরও খবর



দিল্লিতে ভবনে আগুন, নিহত ২৭

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের পশ্চিম দিল্লির মুন্ডকা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি তিন তলা বাড়িতে আগুন লেগে ২৭ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি ও আনন্দবাজার।বাণিজ্যিক ভবনটিতে আগুন লাগার পর বিকালে আসে দমকল কর্মীরা। তাদের ২০টি ইউনিট রাত নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন চলছে উদ্ধার অভিযান। ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত ৬০ থেকে ৭০ জনকে।

দিনের ব্যস্ত সময়ে যখন আগুন লাগে, তখন বাড়িতে অনেকে ছিলেন। আগুন থেকে বাঁচতে বহুতল থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন অনেকে। তাদের মধ্যে ৪০ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কীভাবে আগুন লাগল তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানা গেছে আনন্দবাজারের খবরে। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এনডিটিভির খবরে জানা যায়, আগুনের শুরু ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি অফিস থেকে। সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা ও রাউটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের অফিস ছিল।

আগুনের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট বার্তায় বলেছেন, দিল্লিতে মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় অত্যন্ত মর্মাহত। শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।

এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ২ লাখ ও আহতদের জন্য ৫০ হাজার রুপি করে দেওয়ার ঘোষণা দেন মোদি।

ভারতের প্রেসিডেন্ট রামনাথ কোবিন্দের কার্যালয় থেকে টুইট বার্তায় বলা হয়, দিল্লির মুন্ডকা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ভবনে মর্মান্তিক অগ্নি দুর্ঘটনায় মর্মাহত। শোকাহত পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।


আরও খবর



বিদেশে শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে পাপ পুণ্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত বহুল প্রতিক্ষীত সিনেমা পাপ পুণ্য ২০ মে মুক্তি পেতে চলেছে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের নতুন এক ইতিহাস গড়তে চলেছে এ সিনেমা। পাপ পুণ্য বাংলাদেশের প্রথম সিনেমা, যেটি প্রথমবারের মতো দেশের বাইরের শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। একই দিনে বাংলাদেশের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকার ১১২টি প্রেক্ষাগৃহে আসতে যাচ্ছে সিনেমাটি। এরই মধ্য আন্তর্জাতিক পরিবেশক সংস্থা স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো প্রকাশ করেছে পাপ পুণ্যের থিয়েটার লিস্ট। কানাডার পাঁচটি প্রভিন্সের আটটি শহর এবং আমেরিকার ২৫টি স্টেটের শতাধিক শহরের দর্শক উপভোগ করতে পারবেন পাপ পুণ্য।

পাপ পুণ্যে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, আফসানা মিমি, সিয়াম আহমেদ, শাহনাজ সুমিসহ আরো অনেকে। সিনেমাটির মধ্য দিয়ে মনপুরার এক যুগ পর একই সঙ্গে কাজ করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম ও চঞ্চল চৌধুরী। মনপুরা, স্বপ্নজাল, গুনিনের পর পাপ পূণ্য গিয়াস উদ্দিন সেলিমের চতুর্থ ছবি। জনপ্রিয় এ পরিচালক বলেন, সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাচ্ছে, পরিচালক হিসেবে এটা আমার জন্য অনেক আনন্দের। এটা মূল ধারার সিনেমা, সব শ্রেণীর মানুষের জন্য। এটি কোনো কমিউনিটি শো না। চলচ্চিত্রের এই দুর্দিনে এমন ছবির দরকার যা পাপ পুন্যের মত। আগের ছবিগুলোর চেয়ে এটি সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে বানানো হয়েছে।’ দীর্ঘদিন পর চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে কাজ করছেন এ পরিচালক। এ নিয়ে তিনি বলেন, পাপ পুণ্যে একজন পরিণত বয়সী মানুষের চরিত্রে চঞ্চল অভিনয় করেছে। চঞ্চল সবসময় ভালো কাজ করে। পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে চঞ্চল সেটে আসে। মনপুরা সিনেমা থেকে পাপ পুণ্যতেও সে নিজের গতিতেই রয়েছে। আমার ধারণা, পাপ পুণ্যে তার অভিনয় দর্শক খুব পছন্দ করবেন

সিয়াম আহমেদ বলেন, পাপ পুণ্য সিনেমাটি আমাদের কাছে স্পেশাল হওয়ার বেশকিছু কারণ রয়েছে। সবচেয়ে বড় কারণ এর গল্প। দর্শক হলে না গেলে এ গল্প জানতে পারবেন না। যে ধরনের গল্প আমাদের দর্শক পরিবার নিয়ে দেখতে চান গল্পটা সে রকম। নারী দর্শকদের এ গল্প খুব ভালো লাগবে বলে আশা করি। আমি বারবার বলি, নারী দর্শককে হলে ফিরিয়ে আনতে হবে। সব বয়সের সব ধরনের দর্শকের জন্য সিনেমাটি।

গিয়াস উদ্দিন সেলিম ও চঞ্চল চৌধুরী মনপুরার পর আবার একসঙ্গে সিনেমায় কাজ করলেন। একজন দর্শক হিসেবে সিনেমাটি নিয়ে আমারো প্রত্যাশা অনেক। পাপ পুণ্য সিনেমাটিতে দর্শক টানার মতো অনেক কিছু রয়েছে, যেটা দেখতে হলে দর্শককে হলে আসতে হবে। আমার মনে হয়, গান থেকে শুরু করে পাপ পুণ্যর সবকিছু এমনভাবে করা হয়েছে যে সিনেমা হলে মানুষ যখন গল্পের মধ্যে একবার ঢুকে যাবে তারা একবারে গল্পটা শেষ করেই বের হবে।’

স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর প্রেসিডেন্ট মো. অলিউল্লাহ সজীব সিনেমাটি নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে অনেক আশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি লিখেছেন, বিপ্লবটা ঘটেই গেল!!! একযোগে ১০০ র বেশি বিদেশী হলে মুক্তির মাইলফলক ছুঁয়েই ফেলল বাংলাদেশের সিনেমা! পাপ পুণ্য’র থিয়েটার লিস্টটা যখন তৈরি করা হচ্ছিল, আমি নিজেই বারবার দেখছিলাম। সবকিছু নিজের হাত দিয়ে হবার পরও বিশ্বাস হতে চাচ্ছিল না, আমাদের সিনেমার থিয়েটার লিস্টে ১১২টি নর্থ আমেরিকান মাল্টিপ্লেক্সের নাম! আগেরবার টাইমস স্কয়ারের ফ্ল্যাগশিপ রিগ্যাল থিয়েটারে বাংলদেশের সিনেমা মুক্তি দিতে পেরে যে ভালো লাগা ছিল, এবারের ভালো লাগা সে তুলনায় সীমা-পরিসীমা ছাড়িয়ে গেছে। এবার টাইমস স্কয়ারের ফ্ল্যাগশিপ এএমসি এম্পায়ারে ২৫ তো আছেই, সাথে ইউনিয়ন স্কয়ার, হলিউড, ডিজনি ওয়ার্ল্ড, মিয়ামি বিচ, লাস ভেগাসসহ আমেরিকা তথা পৃথিবীর এমন কোনো উল্লেখযোগ্য জায়গা নেই যেখানে পাপ পুণ্য’ মুক্তি পাচ্ছে না। বাংলাদেশের সিনেমা তাড়াতাড়িই একযোগে ৫০০/১০০০ বিদেশী থিয়েটারে নিয়মিত মুক্তি পাবে।

স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো থেকে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের এএমসি, রিগ্যাল, সিনেমার্ক, হারকিন্স, শোকেইস চেইনে ২৫টি স্টেটের ১০৪টি মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে পাপ পুণ্য। স্টেটগুলোর মধ্য রয়েছে নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি, পেনসিলভানিয়া, মেরিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া, মিশিগান, কানেক্টিকাট, ম্যাসাচুসেটস, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, অ্যারিজোনা, নেভাডা, ইউটাহ, ওহাইও, ইলিনয়, ইন্ডিয়ানা, কানসাস, কলোরাডো, ওকলাহোমা, টেনেসি, লুইজিয়ানা, অরিগন ও ওয়াশিংটন। এছাড়া কানাডায় সিনেপ্লেক্স এন্টারটেইনমেন্টের চেইনে পাঁচটি প্রভিন্স অন্টারিও, ম্যানিটোবা, অ্যালবার্টা, ব্রিটিশ কলাম্বীয় এবং নোভাস্কোশিয়ার আটটি শহরের আটটি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাবে আসন্ন সিনেমাটি।

প্রতিষ্ঠানটির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে জানা যায়, উত্তর আমেরিকায় পাপ পুণ্য সিনেমার ১১২ প্রেক্ষাগৃহের তালিকা। প্রথম সপ্তাহের শো টিকিট ও সময় জানা যাবে ১৮ মে থেকে থিয়েটারগুলোর ওয়েবসাইট ও কাউন্টারে।


আরও খবর



বাণিজ্যমন্ত্রীর অপসারণ দাবি বাম জোটের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ বাণিজ্যমন্ত্রীএ কথা উল্লেখ করে তাঁকে অপসারণের দাবি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

মঙ্গলবার এমন দাবি জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঘেরাও করার আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তাঁরা।

সয়াবিন তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ করার কথা উল্লেখ করে গ্রাম ও শহরে সর্বজনীন রেশনিং চালু করার দাবি জানান বাম নেতারা।  সমাবেশে নেতারা অনতিবিলম্বে টিসিবির দোকান ও ট্রাক পুনরায় চালুর দাবি জানান।  বিক্ষোভ সমাবেশে নেতারা বলেন, দ্রব্যমূল্য নিয়ে যে কারসাজি চলছে, তার বিরুদ্ধে ও আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই একাকার হয়ে গেছে। এই লড়াইয়ে আমাদের নীতিনিষ্ঠভাবে আন্দোলন করে এই সরকারকে হটাতে হবে, অবস্থা বদল করতে হবে।

সমাবেশ শেষে বাম নেতারা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে পল্টন হয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দিকে যাত্রা করেন। এ সময় জিরো পয়েন্টে সচিবালয়ের প্রবেশমুখে তাঁরা পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন। তখন বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।

বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদ (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের বজলুর রশীদ ফিরোজসহ অন্যরা।


আরও খবর

মির্জা আব্বাস হাসপাতালে

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




নোয়াখালীতে বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে মা-ছেলের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ এপ্রিল 20২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে মা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার পূর্বচরবাটা গ্রামের কালা মসজিদ এলাকা থেকে চরজব্বার থানা পুলিশ তাদের মরদেহ উদ্ধার করে। কোহিনুর পূর্বচরবাটা গ্রামে খায়রুল হাসান ওরফে জমিদার শাহিনের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন।

নিহতরা হচ্ছেন, হাতিয়া উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের চরফকিরা গ্রামের নেছার উদ্দিনের স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৩৫) ও তার তিন বছরের শিশু ছেলে ইয়াছিন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কোহিনুর তার শিশু ছেলেকে কোলে নিয়ে পাশের বাড়ি যায়। বিকেলের দিকে স্থানীয়রা বাড়ির পাশের একটি বাগানে কোহিনুর ও তার ছেলেকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে দেখতে পান, বিদ্যুতের একটি তারের সাথে প্যাঁচিয়ে আছে মা-ছেলে।

পরে স্থানীয়রা চরজব্বার থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে স্থানীয় ইলেক্ট্রিশিয়ানের মাধ্যমে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ দুটি চরজব্বার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সুবর্ণচর কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) সফিউল হক জাহাঙ্গীর বলেন, বুধবার (২০ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গাছ ও গাছের ডাল পড়ে তার ছিঁড়ে যায়। রাত থেকে তারা বিভিন্ন স্থানে কাজ করেছে। কিন্তু পূর্ব চরবাটায় তার ছিঁড়ে যাওয়ার বিষয়টি তাদেরকে কেউ অবহিত করেনি। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে তারে প্যাঁচিয়ে মা-ছেলের মৃত্যুর বিষয়টি তিনি শুনেছেন।

তিনি আরও বলেন, লাইন বন্ধ রেখে মেরামতের জন্য লোক পাঠানো হয়েছে।

চরজব্বার ভূঞারহাট ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. শাহ্ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।  


আরও খবর