Logo
শিরোনাম

হুন্ডির মাধ্যমে এক বছরে ৭.৮ বিলিয়ন ডলার পাচার : সিআইডি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মুঠোফোনের আর্থিক সেবা ব্যবস্থা (এমএফএস) ব্যবহার করে গত চার মাসে হুন্ডির মাধ্যমে ২০ কোটি সত্তর লাখ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। এই সেবাকে কাজে লাগিয়ে হুন্ডি ব্যবসা করে এমন পাঁচ হাজার বিকাশ, নগদ, রকেট ও উপায় এর এজেন্টদের চিহ্নিত করা গেছে। যারা গেল চার মাসে ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং গত এক বছরে ৭৫ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। এই পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ১৬ জনকে গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পেয়েছে সিআইডি। 

আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের কাছে এসব তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির প্রধান মোহাম্মদ আলী মিয়া।

গত কয়েক বছরে ব্যাংকিং চ্যানেল বহির্ভূত অবৈধভাবে মোবাইল ব্যাংকিং হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায়, দেশের প্রবাসী আয়ের তুলনামূলক কিছুটা হলেও ভাটা পড়ে। হুন্ডি বন্ধে সরকার নানা পদক্ষেপ নিলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না। উল্টো দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। এমন অবস্থায় দেশে ডলারের দাম বৃদ্ধিসহ নানা কারণ তদন্ত করতে গিয়ে এই পাচারকারী চক্রের সন্ধান পায় সিআইডি। চক্রের গ্রেপ্তার ১৬ জনের মধ্যে ছয়জন বিকাশ এজেন্ট, তিনজন বিকাশের ডিস্ট্রিবিউটর সেলস অফিসার, তিনজন বিকাশের ডিএসএস, দু’জন হুন্ডি এজেন্ট, একজন হুন্ডি এজেন্টের সহযোগী এবং একজন হুন্ডি পরিচালনাকারী।

গ্রেপ্তারকৃতেরা হলেন, দিদারুল আলম সুমন, খোরশেদ আলম ইমন, রুমন কান্তি দাস জয়, রাশেদ মাঞ্জুর ফিরোজ, আক্তার হোসেন, হোসাইনুল কবির, নবীন উল্লাহ, মো. জুনাইদুল হক, আদিবুর রহমান, আসিফ নেওয়াজ, ফরহাদ হোসাইন, আবদুল বাছির, আবদুল আউয়াল সোহাগ, ফজলে রাব্বি ও মাহাবুবুর রহমান সেলিম।

হুন্ডি সব সময় দেশের রিজার্ভের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে সিআইডি প্রধান বলেন, দেশের অর্থনীতির ঝুঁকি মোকাবিলায় হুন্ডি কার্যক্রমের বিষয়ে নজরদারি শুরু করে সিআইডি। অনুসন্ধানে জানা যায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে অর্থপাচার এবং দেশের বাইরে অবস্থানরতদের কষ্টার্জিত অর্থ বিদেশ থেকে বাংলাদেশে না এনে স্থানীয় মুদ্রায় মূল্য পরিশোধ করার মাধ্যমে মানি লন্ডারিং অপরাধ করার তথ্য পাওয়া যায়। হুন্ডি চক্রটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করে তা দেশে না পাঠিয়ে এর সমপরিমাণ অর্থ স্থানীয় মুদ্রায় পরিশোধ করে।

মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন হুন্ডি ব্যবসায় জড়িত চক্র তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে কাজ থাকে। প্রথম গ্রুপ বিদেশে অবস্থান করে প্রবাসীদের কাছ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহ করে এবং দেশ থেকে যারা টাকা পাচার করতে চায় তাদের দেয়। দ্বিতীয় গ্রুপটি পাচারকারী ও তার সহযোগীরা দেশীয় মুদ্রায় উক্ত অর্থ এমএফএস এজেন্টকে দেয়। আর তৃতীয় গ্রুপ তথা এমএফএস এজেন্টরা বিদেশে অবস্থানকারীর কাছ থেকে প্রাপ্ত এমএফএস নম্বরে দেশীয় মুদ্রায় মূল্য পরিশোধ করে। এসব চক্র প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে এমএফএস ব্যবহার করে ক্যাশ ইনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হুন্ডি করছে। 

আটকদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান সিআইডি প্রধান।


আরও খবর



ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে ১১ শরণার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভূমধ্যসাগরের তিউনিসিয়া উপকূলে শরণার্থী বোঝাই একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার পর ১১টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরো ১২ জন। তিউনিসিয়া কোস্ট গার্ড নৌকাটির ১৪ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করেছে বলে জানায় বিবিসি।

গত মঙ্গলবার ওই নৌকাটি ডুবে গিয়েছিল। তিউনিসিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা টিএপি রোববার জানায়, শনিবার রাতে আরো পাঁচটি মৃতদেহ সমুদ্রে খুঁজে পাওয়ার পর ওই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ জনে।

নৌকাটিতে মোট ৩৭ জন শরণার্থী ছিলেন। তারা তিউনিসিয়া থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিল। এ বছর এখন পর্যন্ত ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে এক হাজারের বেশি শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইন্সটিটিউট অব মাইগ্রেশন এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবছর এক ‍হাজার ৩৩ জন শরণার্থী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯৬০ জনের ডুবে মৃত্যু হয়েছে।

তিউনিসিয়ার স্ফ্যাক্স অঞ্চল থেকে শরণার্থী বোঝাই ওই নৌকাটি রওয়ানা হয়েছিল। সেটি সমুদ্রে ৪০ মাইল যাওয়ার পর মাহদিয়ার শেবা উপকূলের ‍কাছে ডুবে যায়। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে যেসব নৌকা ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে তাদের জন্য স্ফ্যাক্স ঘিরে উপকূল রেখা একটি বড় পথ।

তিউনিসিয়া ও সিসিলির পূর্ব উপকূলে ইতালির ল্যাম্পেদুসা দ্বীপের অবস্থান। সাধারণত তিউনিসিয়া, মিশর এবং বাংলাদেশের শরণার্থীরা এই পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




ইসতেগফারের ফজিলত

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

‘ইস্তেগফার’ শব্দের অর্থ কৃত পাপকর্মের জন্য আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করা। আল্লাহর অসংখ্য মহান গুণাবলির একটি হলো ক্ষমা। আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন, আমি অবশ্যই ক্ষমাশীল তার প্রতি, যে তওবা করে, ইমান আনে, সৎকর্ম করে ও সৎপথে অবিচলিত থাকে। (সূরা তাহা, আয়াত: ৮২) মানবজাতিকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে, তুমি তোমার প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি তওবা কবুলকারী।

’ (সূরা নাসর, আয়াত: ৩)

ইস্তেগফারের গুরুত্ব:

রাসূল (সা.) ইস্তেগফারের প্রতি উৎসাহ প্রদান করে বলেন (অথচ তিনি মা’সুম-নিষ্পাপ), হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার ও তাওবা করো। কারণ আমি নিজেও দৈনিক শতবার তাওবা-ইস্তেগফার করি। 

অন্য হাদীসে বর্ণিত আছে, রাসূল (সা.) বলেন, যার আমলনামায় ইস্তেগফার অধিক সংখ্যায় পাওয়া যাবে তার জন্য রইল সুসংবাদ।

হযরত লোকমান হাকীম তাঁর সন্তানকে উপদেশ দান করে বলেন, হে আমার পুত্র! আল্লাহুম্মাগ ফিরলী’ বলাকে অভ্যাসে পরিণত করে নাও। কারণ এমন কিছু সময় আছে যখন আল্লাহ তা’আলা যেকোনো দু’আকারীর দু’আ কবুল করেন।

হযরত আবু মূসা (রা.) বলেন, আমাদের সুরক্ষাদানকারী দুটি জিনিস ছিল, তন্মধ্যে হতে একটি চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে। সেটা হলো আমাদের মাঝে রাসূল (সা.)-এর উপস্থিতি। আর দ্বিতীয় জিনিস ইস্তেগফার যা এখনো আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। যেদিন এটিও চলে যাবে (করার মতো কেউ থাকবে না) তখন আমাদের ধ্বংস অনিবার্য। 

হযরত হাসান (রহ.) বলেন, তোমরা ঘরে-দুয়ারে, দস্তরখানে, রাস্তা-ঘাটে, হাটে-বাজারে, সভা-সমাবেশে বেশি বেশি ইস্তেগফার করো। কারণ ইস্তেগফার কবুল হওয়ার সময় তোমাদের জানা নেই।

ইস্তেগফারের ফজিলত:

ইস্তেগফারের ফজিলত অনেক। কোরআন-হাদীসের আলোকে কিছু উপকারের কথা নিচে তুলে ধরা হলো।

এক. গোনাহখাতা মাফ হয়। 

কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে : তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল। (সূরা নূহ-১০)

দুই. অনাবৃষ্টি দূর হবে।

ইরশাদ হচ্ছে : তিনি (আল্লাহ) আকাশ থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। (নূহ-১১)

তিন. সন্তান ও সম্পদ লাভ হবে।

ইরশাদ হচ্ছে :  তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে উন্নতি দান করবেন। (নূহ-১২)

চার. সবুজ-শ্যামল পরিবেশ লাভ হবে।

ইরশাদ হচ্ছে : তোমাদের জন্য সৃষ্টি করবেন উদ্যান। (নূহ-১২)

পাঁচ. নদ-নদীর ব্যবস্থা হবে। 

ইরশাদ হচ্ছে : তোমাদের জন্য নদ-নদীর ব্যবস্থা করে দেবেন। (নূহ-১২)


আরও খবর

আজ কৈলাসে ফিরবেন দেবী

বুধবার ০৫ অক্টোবর ২০২২




যুক্তারাষ্ট্রকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সেমিফাইনাল খেলা আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। শেষ ম্যাচে বাকি ছিল শুধু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা। যুক্তরাষ্ট্র নারী ক্রিকেট দলকে উড়িয়ে দিয়ে এ’ গ্রুপের গ্রুপ চ্যাম্পিয়নই হলো বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রের নারীদেরকে ৫৫ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানার দল।

খেলাধুলায় নারীদের জয়জয়কার চলছেই। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ হয়েছে সাফ চ্যাম্পিয়ন। ছাদখোলা বাসে করে সেই বিজয়ী দলকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিয়ে বিমানবন্দর থেকে নিয়ে যাওয়া হয় বাফুফে ভবনে।

যখন সাবিনা-সানজিদা-কৃষ্ণারা ছাদখোলা বাসে বিজয় উদযাপন করছিলেন, তখন আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বিজয় রচনা করে চলেছেন বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটাররা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন নিগার সুলতানা। ব্যাট করতে নেমে শুধুমাত্র ওপেনার শামীমা সুলতানার উইকেট হারিয়ে (১ উইকেটে) ১৫৮ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

৬৪ বলে ৭৭ রানের অবিস্মরণীয় ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন আরেক ওপেনার মুর্শিদা খাতুন। অধিনায়ক নিগার সুলতানাও কম যাননি। ৪০ বলে ৫৬ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলে তিনিও অপরাজিত থাকেন।

জবাব দিতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১০৩ রান করতে সক্ষম হয় যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা। ৭১ বলে অপরাজিত ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক সিন্ধু শ্রীহর্ষ। তিনি ছিলেন অপরাজিত। বাকিদের মধ্যে লিসা রামজিত ৪১ বলে ২৬ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে সালমা খাতুন এবং নাহিদা আক্তার নেন ১টি করে উইকেট।


আরও খবর

হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২

১৬৮ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




মিয়ানমার সেনা হেলিকপ্টার হামলায় ৭ শিশুসহ নিহত ১৩

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০22 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মিয়ানমারের একটি স্কুলে জান্তা সরকারের সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার থেকে গুলিবির্ষণ করা হয়েছে। এতে সাত শিশুসহ কমপক্ষে ১৩ জন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া আটক করা হয়েছে আরও ২০ শিক্ষার্থী ও শিক্ষককে।

মিয়ানমারের স্থানীয় গণমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে বিশ্বগণমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবার সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার যখন হামলা চালায়, সেসময় ক্লাস চলছিল স্কুলটিতে। ওপর থেকে ঢালাও গুলিবর্ষণে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় অন্তত ৪ জন শিক্ষার্থী এবং আহত অন্যান্যদের নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর নিহত হয়ে আরও দুই জন।

স্কুলে গুলিবর্ষণের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের খুঁজতে লেত ইয়েত কোন গ্রামে তল্লশিও চালিয়েছে সেনাবাহিনীর একটি দল তল্লাশি চালিয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওই গ্রামের দুই বাসিন্দা। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের নাম প্রকাশ করেনি গনমাধ্যম।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই হামলা ও তল্লাশি অভিযানের ছবি পোস্ট করেছেন অনেকেই। সেসব ছবিতে ওই স্কুলের বুলেটবিধ্বস্ত দেওয়াল ও বিভিন্ন স্থানে রক্তের ছোপ দেখা গেছে।

এ বিষয়ে সোমবার এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন জান্তাবিরোধী সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী কাচিন ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর্মি (কিয়া) ও পিপলস ডেমোক্রেটিক ফোর্সের (পিডিএফ) সন্ত্রাসীরা দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশ সাগাইংয়ের লেত ইয়েত কোং গ্রামের ওই স্কুলটিতে আশ্রয় নিয়েছে এই তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়েছে।

গ্রামটিকে সন্ত্রাসীরা তাদের অস্ত্র পরিবহনের রুট হিসেবে ব্যবহার করে বলেও দাবি করা হয়েছে বিবৃতিতে।

সন্ত্রাসীরা আশ্রয় নিয়েছে গোপন সূত্রে এই তথ্য জানার পর লেত ইয়েত কোং গ্রাম ও সেই গ্রামের স্কুলটিতে অভিযান চালানোর উদ্দেশে গিয়েছিল। সে সময় কিয়া ও পিডিএফের সন্ত্রাসীরা সেনা সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা করে। তখন আত্মরক্ষার্থেই সেনাবাহিনীকে গুলিবর্ষণ করতে হয়েছে।

সন্ত্রাসীরা গ্রামের সাধরণ মানুষকে মানববর্ম হিসেবে ব্যবহারের কারণে হতাহতের এই ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। পাশপাশি ওই স্কুল ও গ্রামের বিভিন্ন বাড়ি থেকে ১৬টি হাতে বানানো বোমা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে সেনা বাহিনী।

এদিকে, মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী ছায়া সরকার ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (নাগ) পাল্টা এক বিৃবতিতে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে নিরীহ বেসামরিক লোকজনের ওপর হত্যা-নিপীড়ণ চালাচ্ছে জান্তা। আটক শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে নাগ।


আরও খবর



ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘নোরু’

প্রকাশিত:রবিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ফিলিপাইনের জনবহুল দ্বীপ লুসোনের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন নোরু’। ম্যানিলা ও কেসোন ছাড়াও ফিলিপাইনের বেশ কিছু বড় শহর এই দ্বীপে অবস্থিত। প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে এরই মধ্যে উপকূলীয় এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে ফিলিপাইন কর্তৃপক্ষ।

সেদেশের দুর্যোগ সংস্থা জানিয়েছে, টাইফুন নোরু’ সুপার টাইফুনে পরিণত হয়েছে এবং আগের চেয়েও তীব্রতর হয়ে উঠেছে। স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় প্রতি ঘণ্টায় এর বাতাসের গতিবেগ ছিল ১২০ কিলোমিটার (৭৪.৪ মাইল)। রোববার সকালে যা বেড়ে হয়েছে ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার (১১৫ মাইল)।

বিবিসি জানায়, চলতি বছর ফিলিপাইনে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড় হতে পারে নোরু। ঝড়টি স্থানীয় সময় রোববার রাতে ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষের আবাসস্থল ম্যানিলা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) উত্তর-পূর্বে আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছে ফিলিপাইনের আবহাওয়া দফতর। তার আগ পর্যন্ত এটি আরও শক্তিশালী হতে থাকবে।

এদিকে, সুপার টাইফুন নোরুর প্রভাবে আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া ব্যুরো জানিয়েছে, আঘাত হানার সময় নোরুর বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২০৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। 

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার লোকজনকে নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়েছে। দেশটির জাতীয় পুলিশ প্রধান জেনারেল রডলফো আজুরিন জনগণকে নিরাপদে সরে যাওয়ার আদেশ মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।

জেলেদের সমুদ্রে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকি এরই মধ্যে কিছু এলাকা বিদ্যুৎবিহীন হয়ে পড়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। ফ্লাইট ও ফেরি পরিষেবাও বাতিল করা হয়েছে।

প্রশান্ত মহাসাগরের ৭ হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ফিলিপাইন ঝড়ের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে দেশটিতে টাইফুন রাই’-এর আঘাতে ৪ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।

নিউজ ট্যাগ: ঘূর্ণিঝড় ‘নোরু’

আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২