Logo
শিরোনাম

ইবির ‘মুক্তবাংলা’ ভাস্কর্যে মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

১৯৭১ সালের মার্চ মাস। এই মাসেই শুরু হয় বাঙালির সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে যার যা ছিল, তাই নিয়ে পাকিস্তানি হানাদারদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলার দামাল ছেলেরা। এরপর দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতা। যুদ্ধে সেই দিনগুলো স্মরণ, শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং শত্রুর বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রামের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিময় ভাস্কর্য রয়েছে। যেগুলো চির জাগ্রত হয়ে যুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোকে ফুটিয়ে তোলে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এমনি একটি ভাস্কর্য মুক্তবাংলা

মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের অন্যতম এই স্মারক ভাস্কর্যটি আধুনিক স্থাপত্য শিল্পের আঙ্গিকে ১৯৯৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভবনের পূর্ব পাশে স্থাপন করা হয়। খ্যাতিমান স্থপতি রশিদ আহমেদের নকশার ভিত্তিতে এটিকে অপরূপ এক সৌন্দর্যে রূপ দেওয়া হয়। যেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাণের সঙ্গে মিশে আছে।

মুক্তবাংলার সাতটি স্তম্ভ সম্বলিত গম্বুজের ওপর রয়েছে দৃঢ় মুষ্টিবদ্ধ মুক্তিযুদ্ধের হাতিয়ার রাইফেল, যা সাত সদস্যের মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভার প্রতীক। প্রতিটি স্তম্ভ বিস্তৃত প্রসারিত হাত উল্লাসিত অবয়বে স্থাপত্য ভিত্তিক আর্চ রচিত, চোখে লাল সূর্য উদয়ের প্রত্যাশা। সর্বনিম্নে বিস্তৃত সিরামিক বড় ইট লাগাতর আন্দোলনের নির্দেশক। এছাড়া উপর থেকে চতুর্থ ধাপে লাল সিরামিক ইট আন্দোলন ও যুদ্ধের প্রতীক, দ্বিতীয় ধাপে কালো পাথর শোক ও দুঃখের প্রতীক, তৃতীয় ধাপে সাদা মোজাইক সন্ধি ও যোগাযোগের প্রতীক এবং বেদির মূল মেঝে সবুজ মোজাইক নীল টাইলস শান্তির প্রতীক। সম্পূর্ণ অবকাঠামোটি সাতটি আর্চ সম্বলিত একটি অর্ধ উদিত (উদীয়মান) সূর্য।

মুক্তবাংলার এই সৌন্দর্য ও বিশেষত্ব উপভোগ করতে শিক্ষার্থীরা ছাড়াও প্রতিদিন দর্শনার্থীর পদচারণা ঘটে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। প্রতিনিয়ত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণ প্রিয় মানুষের আগমন ঘটে এখানে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে ভিতরে ঢুকতে ডানদিকে সবার নজর কাড়ে ব্যতিক্রমী মুক্তিযুদ্ধের এই স্থাপত্য কর্মটি।

নিউজ ট্যাগ: মুক্তবাংলা

আরও খবর

যশোরের বিজয় ৭১

বৃহস্পতিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০২২




খালেদা জিয়ার ১১ মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৫ মে

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলাসহ মোট ১১ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির দিন পিছিয়ে আগামী ১৫ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) এসব মামলায় খালেদা জিয়ার হাজিরার দিন ধার্য থাকলেও অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করলে তা মঞ্জুর করে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান নতুন এদিন ধার্য করেন।

খালেদা জিয়া ছাড়া এসব মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপি নেতা আমানউল্লাহ আমান, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল ও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

১১ মামলার মধ্যে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র গ্রহণের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। অপর ১০ মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে করার অভিযোগে ২০১৬ সালের ২৫ জানুয়ারি আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলাটি দায়ের করা হয়।

এদিকে ২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি রাতে যাত্রাবাড়ীর কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরি পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাসে পেট্রল বোমা হামলা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ ও একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

ওই ঘটনায় পরের দিন ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা হয়। এছাড়া ২০১৫ সালে দারুস সালাম থানা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে আটটি মামলা দায়ের করা হয়। এই আট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আসামি করা হয়।


আরও খবর



তীব্র শীতে আফগানিস্তানে ১২৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানে তীব্র শীতে অন্তত ১২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার তালেবান কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এক দশকের সবচেয়ে তীব্র শীতে প্রায় ৭০ হাজার গবাদি পশুও মারা গেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ আব্বাস আখুন্দ বিবিসিকে বলেছেন, আফগানিস্তানের অনেক এলাকা এখন তুষারপাতের কারণে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। উদ্ধারের জন্য সামরিক হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু হেলিকপ্টার পাহাড়ি অঞ্চলে অবতরণ করতে পারেনি।

মোল্লা আখুন্দ বলেন, যারা ঠান্ডায় প্রাণ হারিয়েছেন তাদের বেশিরভাগই রাখাল বা গ্রামীণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষ। তাদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ ছিল না। যারা এখনও পার্বত্য অঞ্চলে বসবাস করছেন আমরা তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। পাহাড়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া বেশিরভাগ রাস্তা তুষারপাতের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। গাড়ি সেখানে আটকে গেছে এবং যাত্রীরা হিমায়িত তাপমাত্রায় মারা গেছে।’

আফগান নারীদের বেসরকারি সংস্থায় কাজ করা নিষিদ্ধ করার পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অনেক সাহায্য সংস্থা দেশটিতে তাদের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। তবে তালেবান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দুর্যোগের পরও তাদের নীতিতে কোনও পরিবর্তন হবে না।


আরও খবর



সরকার বিরোধী দলকে কোনো কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সরকার বিরোধী দলকে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বাধা দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাংলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠান শেষে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দলের কোনো কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। দল যখনই সমাবেশ করতে চাচ্ছে আমরা বা ডিএমপি কমিশনার তাদেরকে অনুমতি দিয়ে দিচ্ছেন।

তিনি বলেন, আমরা এটুকুই বলি, জনগণের দুর্ভোগ যেন না বাড়ে, রাস্তাঘাট বন্ধ করতে পারবে না, ভাঙচুর করতে পারবে না রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলো শান্তিপূর্ণভাবে পালন করবেন যাতে জনগণের দুর্ভোগ না হয়।

এর বাইরে কোনো বাধা দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে সাংবাদিকদেরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাদের (বিএনপি) ইচ্ছামত প্রোপাগান্ডা করছে। যা সত্যি নয় তাকে আরও রংচং দিয়ে এমনভাবে প্রচার করছেন যা আপনারাই ভালো করে জানেন।

প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রচার এবং সমাবেশ করার জন্য কোনো রাজনৈতিক দলকেই বাধা দেননি বলে উল্লেখ করেন আসাদুজ্জামান খান।

রোহিঙ্গা শিবিরে এপিবিএন রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদন নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প আমাদের জন্য বিষফোঁড়া হবে কোনো এক সময়। এই রোহিঙ্গারা তাদের সবকিছু ফেলে এখানে চলে আসছে। যেকোনো প্রলোভনে প্রলুব্ধ হয়ে তারা যে কোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারে এটা আমরা সব সময় বলেছি। এই রোহিঙ্গারা ক্যাম্পের ভেতরে থেকে ইয়াবার ব্যবসা করে। তারা নিজেরা নিজেরা গোলাগুলি করছে মারামারি করছেন প্রতিদিনই মারামারি করছে। মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আমাদের ডিজিএফআইয়ের এক কর্মকর্তাকে তারা মেরে ফেলেছে নৃশংসভাবে তারা হত্যা করেছে। গতকালও গোলাগুলি হয়েছে। বাড়িঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের মধ্যে বিভিন্ন গ্রুপ ও ছাত্র কাঁটাতারের বেড়া কেটে এখান থেকে বের হয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা নিয়ে আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেখানে আমাদের এপিবিএন কাজ করছে। রুটিন ওয়ার্ক করার জন্য এপিবিএন সেখানে আছে। এপিবিএন নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তাদের প্রতিবেদনে যেসব কথা বলেছে, এগুলো আমার মনে হয় তথ্যভিত্তিক নয়।

তাদের আরও বেশি করে দেখে এসে এ সব প্রতিবেদন করা উচিত বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


আরও খবর



রোবটে মানবদেহের মতো ‘জীবন্ত’ ত্বক!

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চমকপ্রদ সব প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে প্রায়শই তাক লাগিয়ে দেন জাপানের বিজ্ঞানীরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার টোকিওর একদল গবেষক দাবি করেছেন, তারা এমন এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন, যার মাধ্যমে রোবটের শরীরে মানুষের শরীরের মতো ত্বক বা টিস্যু গজিয়ে উঠেছে। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে গবেষকদের মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, সাধারণত রোবটে কৃত্রিম ত্বক বা চামড়া ব্যবহার করা হয়। তবে কোষ ব্যবহার করে নতুন যে ত্বক তৈরি করা সম্ভব হয়েছে, তা মানুষের তকের মতোই জীবন্ত।

গবেষক দলের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়টির মেকানিক্যাল অ্যান্ড বায়োফাংশনাল সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক শোজি তাকুচির দাবি, অভাবনীয় এ আবিষ্কারের ফলে রোবটকে জীবন্ত প্রাণীর চেহারা ও স্পর্শের অনুভূতি দেওয়া সম্ভব হবে।

জানা যায়, জটিল এ পরীক্ষার জন্য তাকুচির দল একটি রোবোটিক আঙুল বেছে নেন। পরে দীর্ঘ প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানব ত্বকের গঠনশৈলী অনুসরণ করেই রোবটের জন্য ত্বক তৈরি করা হয়। এ প্রক্রিয়ার প্রথমেই রোবোটিক ওই আঙুলটিকে কোলাজেন বা আঁশযুক্ত প্রোটিনের একটি দ্রবণে ডোবানো হয়। ওই দ্রবণ ও মানব ত্বকের ফাইব্রোব্লাস্ট সেল একত্রিত হয়ে মানবত্বক গঠন করে। আঙুলে দ্রবণটি লাগানোর পর তাকুচি সৃষ্ট হওয়া ত্বকের বাইরের অংশে মানুষের এপিডার্মাল কেরাটিনোসাইট প্রয়োগ করেন। কেরাটিনোসাইট হল এক ধরনের কোষ, যা ত্বকের উপরিভাগের প্রথম স্তর গঠনের প্রধান নিয়ামক।

পরীক্ষা চলাকালে রোবটিক আঙুলটি মানুষের আঙুলের মতোই বিভিন্নভাবে ঘুরতে সমর্থ হয়। এমনকি, বিজ্ঞানীরা জল প্রতিরোধী মানবসদৃশ ত্বক তৈরিতেও সাফল্যের মুখ দেখে। হিউম্যানয়েড হল সেসব রোবট, যেগুলো মানুষের পাশপাশি থেকে চিকিৎসা, নার্সিং কেয়ার এবং সেবা শিল্পে কাজ করে থাকে। শোজি তাকুচির দাবি, যেহেতু এ ধরনের টিস্যু অবিকল মানবদেহের টিস্যুর মতো, তাই চিকিৎসাশাস্ত্রে এ ধরনের রোবট যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারে। ভবিষ্যতে এ ধরনের টিস্যু ব্যবহার করে কৃত্রিম অঙ্গ ও ত্বক গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

মানুষের মতো রোবটগুলো থাকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন কেমব্রিজের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পুলকিত আগ্রওয়াল। তবে তিনি জাপানের ওই গবেষণার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।

তার মতে, রোবটকে যদি ধাতু দিয়ে তৈরি করা হয়, তাহলে এটি যথাযথভাবে শক্ত ধাবব বস্তুগুলো তুলতে পারবে না। তাই রোবটের শরীরে মানুষের মতো ত্বকের প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে টোকিও ইউনিভার্সিটির আবিষ্কারটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, তবে মানুষের মতো ত্বক সৃষ্টির পেছনে আরও অনেক কাজ করতে হবে।

গবেষক তাকুচির মতে, মানুষের ত্বক জীবন্ত ও ক্রমাগত পরিচর্যার মাধ্যমে এটিকে টিকিয়ে রাখতে হয়। দুর্ভাগ্যবশত, রোবটের জন্য যে ত্বক তৈরি করা হয়েছে, তা নিজেকে নিজ থেকে টিকিয়ে রাখতে পারে না।

এ জন্য তাকুচি ওই আঙুলে ভাস্কুলার সিস্টেম যুক্ত করতে চান। যার মাধ্যমে মানব কোষে রক্ত ​​সঞ্চালিত হয় ও কোষে পুষ্টি সরবরাহ করে ত্বককে সজীব রাখতে সাহায্য করে। এমনকি মানবদেহের মতোই রোমকূপ, নখ ও ঘাম গ্রন্থি সৃষ্টি করতে চান তিনি।


আরও খবর



একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পেল ১২ লাখ ৭৮ হাজার শিক্ষার্থী

প্রকাশিত:রবিবার ০১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনের প্রথম ধাপের ফল শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশ করা হয়েছে। এই ধাপে ১৩ লাখ ৫৭ হাজার ৬৪৬ জন আবেদন করেছিল। তাদের মধ্যে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে ১২ লাখ ৭৮ হাজার ১১৪ জন। আবেদন করেও ৭৯ হাজার ৫৩২ জন পছন্দের কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়নি। ভর্তির সুযোগ বঞ্চিতদের মধ্যে ২৩ হাজার ২৩১ জনই জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী। অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রথম ধাপের এ ফল জানা যাচ্ছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার যুগান্তরকে বলেন, জিপিএ-৫ পেয়েও কলেজ না পাওয়ার একমাত্র কারণ হচ্ছে কলেজ পছন্দে সঠিক সিদ্ধান্ত না নেওয়া। ছাত্রছাত্রীদেরকে তাদের প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী কলেজ বণ্টন করা হয়েছে, জিপিএ-৫ অনুযায়ী নয়। তাই যারা প্রাপ্ত নম্বরের দিকে না তাকিয়ে বড় কলেজ পছন্দ দিয়েছে এবং তাদের মধ্যে যাদের প্রাপ্ত নম্বর কম তারা ছিটকে পড়েছে। এখন ভবিষ্যতেও একই ভুল করলে তারা কলেজ পাবে না। তাই ভেবেচিন্তে আবেদনে কলেজ পছন্দ দিতে হবে।

এবছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশ করেছে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬১৯ জন। এই হিসাবে ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৯৭৩ জন আবেদন করেনি। তবে এসব শিক্ষার্থীর অনেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা কোর্সে আবেদন করে থাকতে পারে। ওই বোর্ড এবারও বিভিন্ন পলিটেকনিক ও মনোটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তির জন্য আলাদা আবেদন নিচ্ছে।

এবারও কলেজ-মাদ্রাসায় ভর্তির লক্ষ্যে মোট তিন ধাপে আবেদন নেওয়া হবে। প্রথম ধাপে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। দ্বিতীয় ধাপের আবেদন নেওয়া হবে ৯-১০ জানুয়ারি। আর তৃতীয় ধাপের আবেদন ১৬ জানুয়ারি নেওয়া হবে। প্রথম ধাপের শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ পছন্দের তালিকায় দিতে পেরেছে। এই প্রক্রিয়ায় ১৩ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর ৭০ লাখ ২০ হাজারের বেশি আসন চয়েজ দিয়েছে।


আরও খবর