Logo
শিরোনাম

ইলিশ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ আহরণে সরকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় মাছ অহরণে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ইলিশ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে

সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত উপকূলীয় মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা: সুনীল অর্থনীতি ও রুপকল্প ২০৪১ প্রেক্ষিত শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এ সেমিনার আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেস্ট ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ সমুদ্রসীমায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সমুদ্র আমাদের সুনীল অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সম্ভার। সমুদ্রে থাকা জলজ সম্পদ তথা প্রচলিত বা অপ্রচলিত মাছ, সীউইড সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে পারলে এগুলো বহির্বিশ্বে রপ্তানির ক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় যোগান হবে। সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে হলে প্রচলিত মৎস্য, অপ্রচলিত মৎস্য এবং সীউইডকে পরিচর্যা করে এ ক্ষেত্রকে উপযুক্ত করে নিয়ে আসতে হবে। সামুদ্রিক এ মৎস্যসম্পদ আমাদের খাদ্য ও পুষ্টির যোগানের পাশাপাশি রপ্তানির মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, রূপকল্প ২০৪১ হচ্ছে সুখী, সমৃদ্ধ, আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিপূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে পারলে বাংলাদেশ উন্নত হবে। অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে হলে আমাদের অর্থনীতিকে জাগ্রত করতে হবে। আর অর্থনীতিকে জাগ্রত করতে আমাদের সম্পদ রপ্তানি করতে হবে। এজন্য সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে হবে। সুনীল অর্থনীতিকে কার্যকর করতে হবে। আর এ কাজে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে

এ সময় তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তীতে দূরদৃষ্টি দিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। একসময় নানা কারণে দেশে মাছের সংকট দেখা দিয়েছিল। মাছ দুর্লভ হয়ে গিয়েছিল, হারিয়ে যাচ্ছিলো। সে জায়গা থেকে গবেষণা ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ৩১ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ আমরা ফিরিয়ে এনেছি। সরকারের সঠিক ভূমিকা ও ব্যবস্থাপনার কারণে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ আহরণে সরকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় মাছ অহরণে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ইলিশ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, পার্বত্য অঞ্চলসহ ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে স্থান উপযোগী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। মৎস্য খাতে রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

উপকূলীয় মৎস্য সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর হতে পারে, উদ্যোক্তা তৈরি হতে পারে, খাবারের বড় জোগান তৈরি হতে পারে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হতে পারে। এ জন্য মৎস্যসম্পদের উন্নয়সে সবাই মিলে কাজ করতে হবে- যোগ করেন মন্ত্রী।

মৎস্য খাতে যারা গবেষণা করছেন, বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করছেন, মাঠে কাজ করছেন এবং যারা ব্যবস্থাপনা করছেন তাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। তাদের নিজ নিজ কাজের ক্ষেত্রকে ধারণ করতে হবে, দায় নিতে হবে। সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রত্যেককেই অবদান রাখতে হবে।-জানান মন্ত্রী।

বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআই-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আব্দুল লতিফ। মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও বিএফআরআই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, মৎস্য বিজ্ঞানী, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধি সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




ভোলায় জোয়ারের পানিতে প্লাবিত ৩৫ গ্রাম

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভোলায় জোয়ারের পানির চাপে নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৩৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ সময় পানি প্রবেশের ৩ থেকে ৪ ঘণ্টার মধ্যেই আবার পানি নেমে যায়। তবে এরই মধ্যে বসতঘর, ফসলি জমিতে পানি ঢুকে পড়েছে। 

জানা গেছে, জোয়ারের পানিতে ভোলা সদরের মাঝের চর, বলরামসুরা, দৌলতখানের মদনপুর, লালমোহনের কচুয়াখালী, মনপুরা উপজেলার চর নিজাম, কলাতলির চর, চর যতিন, চরজ্ঞান, চরফ্যাশনের চর কুকরী-মুকরী, ঢালচর, চর পাতিলাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

ঢাল চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সালাম হাওলাদার জানান, মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জোয়ারের পানি ঢুকে ইউনিয়নটির সব গ্রামই তলিয়ে যায়। এছাড়াও বসতঘর, ফসলি জমি, রাস্তা-ঘাটও জোয়ারের পানিতে ডুবে যায়।

তিনি আরও জানান, জোয়ারের সময় পানিবন্দী থাকেন কয়েক হাজার মানুষ। জোয়ার হলেই নদীতে পানি বেড়ে বেড়িবাঁধের আশেপাশের এসব চর ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে যায়।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাসানুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অমাবশ্যার প্রভাবে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষয়-ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে নিউজিল্যান্ড

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মিরপুর শেরেবাংলায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপাকে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় ৬.৪ ওভারে মাত্র ২১ রান সংগ্রহ করতেই প্রথম সারির ৪ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে সফরকারী দলটি।

ইনিংসের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই সাফল্য পান স্পিনার মেহেদি হাসান। তার বলে তার হাতেই ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন এই ম্যাচে অভিষেক হওয়া রাচিন রবিন্দ্র। 

প্রথম ওভারে ১ রানে নিউজিল্যান্ডের নেই এক উইকেট। তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে সাকিব আল হাসান তুলে নেন ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নামা উইলি ইয়ংকে। চতুর্থ ওভারের তৃতীয় বলে নাসুম আহমেদের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন কলিন ডি গ্রান্ডহোম।

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

অতীত সমীকরণে বাংলাদেশের চেয়ে একধাপ এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে অতীতে উভয় দল ১০ ম্যাচে মুখোমুখি হয়। সব ম্যাচে একক আধিপত্য বিস্তার করে জয় ছিনিয়ে নেয় নিউজিল্যান্ড।

নিউজ ট্যাগ: নিউজিল্যান্ড

আরও খবর

পেলে ফের আইসিইউতে

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

জেমিকে অব্যাহতি, নতুন কোচ অস্কার ব্রুজন

শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১




অক্টোবরের পর টিকা সরবরাহ করবে ভারত : হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদ বলেছেন, অক্টোবর থেকে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে টিকা উৎপাদন জোরদার হবে। তখন বাংলাদেশের সাথে চুক্তি অনুযায়ী ভারত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা সরবরাহ করবে।

সম্প্রতি ভারত ঘুরে আসা এই আওয়ামী লীগ নেতা শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে এক সংবাদ সম্মেলনে তার সফরের অভিজ্ঞতা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, টিকা উৎপাদনের ক্ষেত্রে তারা যেটি আশা করেছিলেন, সে অনুযায়ী হয়নি। এ বছরের শেষ দিকে, লাস্ট কোয়ার্টারে, অর্থাৎ অক্টোরের দিকে টিকা উৎপাদন আরও জোরদার হবে। যেটা তারা আশা করছিলেন, সে অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারেননি।

তিনি বলেন, টিকার ম্যাটেরিয়াল (কাঁচামাল) বিদেশ থেকে আসে, সেগুলো না আসার কারণে তারা টিকা উৎপাদনে যেতে পারছে না। আশা করি এই বছরের শেষের দিকে এই প্রতিবন্ধকতা কেটে যাবে। তখন আমাদের সাথে চুক্তি অনুযায়ী সেই টিকা সরবরাহ করার সম্ভব হবে।

সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তিন কোটি ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা কোভিশিল্ড কিনতে গত বছরের নভেম্বরে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করে বাংলাদেশ। এরপর জানুয়ারিতে ৬০০ কোটি টাকার বেশি অগ্রিম হিসেবে দেয় সরকার, যা টিকার মোট দামের অর্ধেক।

চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা ছিল। গত ২৫ জানুয়ারি প্রথম চালানে ৫০ লাখ ডোজ এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় চালানে ২০ লাখ ডোজ টিকা আসে বাংলাদেশে।

পাশাপাশি ভারত সরকারের উপহার হিসেবে ২১ জানুয়ারি আরও ২০ লাখ ডোজ এবং ২৬ মার্চ ১২ লাখ ডোজ কোভিশিল্ড পেয়েছে বাংলাদেশ।

মার্চে ভারতে করোনাভাইরাস মহামারি চরম আকার ধারণ করলে সেদেশের সরকার টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। ফলে সঙ্কটে পড়ে বাংলাদেশ।

পর্যাপ্ত টিকা না থাকায় ২৫ এপ্রিল দেশে প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ করে দিতে হয়। এক পর্যায়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়াও বন্ধ হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত চীন থেকে সিনোফার্মের টিকা কেনার জন্য সরকার চুক্তি করে। সেই টিকার পাশাপাশি টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকেও টিকা আসছে এখন। সেই টিকা দিয়েই এখন আবার সারা দেশে টিকাদান কর্মসূচি চলছে।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




দেশে আরও ২৪৮ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৪৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৩ হাজার ২৫৫ জনে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আজ শুক্রবারবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৪৮ জনের মধ্যে ৩৪ জন ঢাকার বাইরে এবং বাকি ২১৪ জন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার ২২১ জন রোগী ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে, ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার ৪১ জন ও দেশের অন্যান্য বিভাগগুলোতে ১৮০ জন রোগী ভর্তি আছেন।

এছাড়া, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৯৮০ জন রোগী হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে গেছেন।

চলতি মাসে এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৮৯৯ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হলো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে সাত হাজার ৬৯৮ জনের, জুলাই মাসে দুই হাজার ২৮৬ জনের, জুন মাসে ২৭২ জনের এবং মে মাসে ৪৩ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




তৃতীয় বারের মতো বিয়ে করছেন অপূর্ব

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব বিয়ে করছেন। জানা গেছে, পাত্রী আমেরিকা প্রবাসী। নাম শাম্মা।

পারিবারিক আয়োজনেই অভিনেতার এই বিয়ে সম্পন্ন হবে বলে নিশ্চিত করেছেন অপূর্ব।

তিনি জানান, আগামীকাল ২ সেপ্টেম্বর রাজারবাগের একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে অনুষ্ঠিত হবে। নতুন জীবনের জন্য দোয়া চেয়েছেন এই তারকা।

এটি অপূর্বর তৃতীয় বিয়ে। শাম্মার এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ২০১০ সালে অভিনেত্রী প্রভাকে বিয়ে করেন অপূর্ব। সে সংসার ভেঙে গেলে ২০১১ সালে নাজিয়া হাসান অদিতিকে বিয়ে করেন তিনি। তার সঙ্গেও সংসারের ইতি টানেন ২০২০ সালে।

অদিতির সংসারে আয়াশ নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে অপূর্বর। জানা গেছে অপূর্বর সাবেক স্ত্রী অদিতিও আবার বিয়ে করেছেন কয়েক মাস আগে।


আরও খবর