Logo
শিরোনাম

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইলিশ বেড়ে উঠার পথে কোনভাবেই যাতে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। এবছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কর্মসূচি ০৪ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পালন করা হচ্ছে। মুজিববর্ষে শপথ নেবো, জাটকা নয় ইলিশ খাবো-এ প্রতিপাদ্যে আমাদের এবারের কর্মসূচি। এ সময় ইলিশের অভয়াশ্রম সুরক্ষা এবং জাটকা নিধন বন্ধে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জাটকা আহরণ বন্ধকালে ইলিশ আহরণে জড়িতদের যাতে সমস্যা নয়, সেজন্য তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবারসহ অন্যান্য সমস্যা যাতে না হয় সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে আমরা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

রবিবার (০৪ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্র্যান্ডেড এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা মাছ ইলিশ উল্লেখ করে মন্ত্রী এসময় বলেন, ইলিশের উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। আশা করছি ভবিষ্যতে এটা আরো ব্যপক আকার ধারণ করবে। ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহের মধ্যে আমরা প্রথম স্থানে রয়েছি। গত বছর আমাদের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার চমৎকার ব্যবস্থাপনা করেছে। জাটকা রক্ষায় ও মা ইলিশ আহরণ বন্ধে জলে, স্থলে ও আকাশপথে বিভিন্নভাবে মনিটর করা হচ্ছে। ইলিশের অভয়াশ্রমে জাটকা নিধনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। যারা কারেন্ট জাল, বেহুন্দী জালসহ অন্যান্য ক্ষতিকর জাল তৈরি করে জাটকা নিধন করে তাদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান ও জরিমানা করা হচ্ছে। গণমাধ্যমের সংবাদ বিবেচনায় নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্বিং অপারেশনসহ বিভিন্নভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

তিনি আরো যোগ করেন, জাটকাসহ অন্যান্য মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ জাল নির্মূলে এবছর বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করে ১৫ দিনে ১৭ টি জেলায় মোট ৪৯২ টি মোবাইল কোর্ট ও ১ হাজার ৬৮১ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ২ হাজার ৪৪৮ টি বেহুন্দি জাল, ২৭৪.২ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩ হাজার ২৫৫ টি বেড় জাল, চরঘড়া জাল, মশারি জাল ও পাইজাল আটক করা হয়েছে এবং প্রায় ৯ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা খুব কঠোর অবস্থান নিয়েছি। প্রভাবশালী ব্যক্তিরাদের সাথে আমরাও ন্যুনতম সমঝোতা করিনি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওযা হয়েছে এবং অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়েছে।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাটকা আহরণে বিরত ৩ লক্ষ ১ হাজার ২৮৮ টি জেলে পরিবারকে মাসিক ৪০ কেজি হারে ৪ মাসে ৪৬ হাজার ৭৭৮ মে.টন ভিজিএফ বিতরণ করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ম কিস্তিতে ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ৮১৫টি জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি হারে প্রদানের জন্য মোট ২৬ হাজার ৩০৫ মে.টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। কারণ আমাদের মৎস্যজীবীদের পরিবারের কথাও মাথায় রাখতে হয়। ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৫২ হাজার জেলেকে চাহিদানুযায়ী নানা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে।

জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কেউ যাতে জাটকা আহরণ করতে না পারে, আহরণের পৃষ্ঠপোষকতার জাল তৈরি করতে না পারে, ট্রলার চালাতে না পারে, ইলিশের অভয়াশ্রমে ক্ষতিকর ভূমিকা রাখতে না পারে সে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। এমনকি মাছের বাজারে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। কোনভাবে চোরাইপথে জাটকা আসলেও আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বরফ কল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দেশের যে বিস্তৃত এলাকায় ইলিশ উৎপাদন হয় সব জায়গায় ভূমিকা রাখতে না পারলেও আমরা চেষ্টা করছি কোন প্রান্তেই যেন জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে কেউ জাটকা আহরণ করতে না পারে।-যোগ করেন মন্ত্রী।

ইলিশ সংরক্ষণে শুধু মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর নয়, সকলকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকে এ সময় জনসচেতনা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। এমন কি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে। আমরা জাটকা ধরবো না। বড় ইলিশ তৈরির সুযোগ করে দেবো। আমরা বড় ইলিশ খাওয়ার সুযোগ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করবো না। এটা হোক জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে আমাদের অঙ্গীকার।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষায় অতীতের তুলনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় মোবাইল কোর্টের সংখ্যা এবং জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অবৈধভাবে মৎস্য আহরণকারী নেপথ্যের ব্যক্তিদেরও আমরা এখন আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। মৎস্যজীবীদের মধ্যে যারা ইলিশের সাথে সম্পৃক্ত তাদের এসময় তালিকা অনুযায়ী আমরা ভিজিএফ দিচ্ছি। এ তালিকা প্রতিবছর হালনাগাদ করা হচ্ছে।

করোনা থেকে বাঁচতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে হবে। আর পুষ্টি ও অমিষসমৃদ্ধ খাবারের সবচেয়ে বড় যোগান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসে।-যোগ করেন মন্ত্রী

করোনা লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোন ক্ষতি হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



অবশেষে ভাসানচর যাচ্ছেন জাতিসংঘ কর্মকর্তারা

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রায় এক বছরের অচলাবস্থার পর ভাসানচর পরিদর্শনের বিষয়ে সরকারের সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছেছে জাতিসংঘ। আগামী সপ্তাহে সংস্থাটির একটি প্রতিনিধি দল রোহিঙ্গাদের জীবনযাপন দেখতে ভাসানচরে যাবেন।

সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের ঢাকা মিশনের একটি বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদুলু এজেন্সি জানিয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে নিপীড়ন নির্যাতন থেকে প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ঠাঁই নিয়েছেন বাংলাদেশের কক্সবাজারের বিভিন্ন শিবিরে। বিপুল এ শরণার্থীদের মধ্যে ভাসানচরে যেতে আগ্রহী রোহিঙ্গাদের নোয়াখালীর অদূরে ভাসানচরে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এরইমধ্যে কয়েক দফায় প্রায় ১৩ হাজার রোহিঙ্গাকে ভাসানচর স্থানান্তর করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীরা ভাসানচরে গিয়ে সুযোগ-সুবিধার জন্য সন্তোষ প্রকাশ করলেও শরণার্থীদের দ্বীপটিতে স্থানান্তরে জাতিসংঘসহ কয়েকটি সংস্থা শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছিল। যদিও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত অবকাঠামো থাকায় কক্সবাজারের জরাজীর্ণ শিবির থেকে ভাসানচর রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ হিসেবে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে।

জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের আগামী সপ্তাহে এই সফরের বিস্তারিত জানা না গেলেও জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআরের ঢাকা কার্যালয়ের মুখপাত্র মোস্তফা মোহাম্মদ সাজ্জাদ আনাদোলুকে বলেছেন, সফরের বিস্তারিত ঠিক করতে আলোচনা চলছে।

অন্যদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) দেলোয়ার হোসেন জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, গত সপ্তাহে আমাদের বৈঠক হয়েছে। জাতিসংঘের কর্মকর্তাদের সরাসরি পরিদর্শনে সহায়তা করতে অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সামনের সপ্তাহের মাঝামাঝি সফরটি হতে পারে। আমরা তাদের সফরে টেকনিক্যাল সহায়তা দেবো।


আরও খবর



শরীর চর্চা কখন করা ভালো, সকালে না সন্ধ্যায়?

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১০৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ব্যস্ত জীবনে নিজের প্রতি যত্ন নেয়ার সময় থাকে না। তারপরও এই সময়ের মধ্যেই কেউ কেউ শরীর চর্চার চেষ্টা করেন। কেউ সকালে করেন আবার কেউ বিকেলে। কিন্তু শরীর সুস্থ রাখতে কখন শরীর চর্চা করা উচিত, তা কি আমরা জানি? এবার তাহলে এ বিষয়ে কিছু জেনে নেয়া যাক-

মূলত শরীর চর্চার জন্য ঠিক সময় বলে নির্ধারণ করা কিছু নেই। চাকরিজীবীদের এই সুযোগ নাই হতে পারে। তবে তারা সন্ধ্যায় বা রাতে একটু জিমে গিয়ে চেষ্টা করতেই পারেন। আবার যারা ভোরে ঘুম থেকে উঠেন তারা শরীর চর্চার জন্য যথেষ্ট সময় পান। তবে সন্ধ্যার পর শরীর চর্চায় কোনো ক্ষতি নেই, বরং উপকার হবে।

ভোরে ঘুম থেকে উঠে আধ ঘণ্টার মতো শরীর চর্চা করা খুবই ভালো। এতে সারাদিন অনেক ভালো কাটে। নিয়মিত শরীর চর্চার ফলে এন্ডরফিরন নামক এক হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। এতে মন ভালো থাকে। তাই শরীর চর্চার পর খারাপ লাগে না। কাজ করার ইচ্ছা-আগ্রহ বেড়ে যায়। এমনকি সামাজিক মেলামেশা বা বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে আড্ডাতেও বিরক্তিকর ভাব আসে না।

এছাড়াও সকালের দিকে ব্যায়াম করার আরও সুফল রয়েছে। এতে করে খুদা বৃদ্ধি পায় ও হজম ভালো হয়। খাওয়ার ইচ্ছা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পৌঁছাবে। ফলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে আপনার।

সন্ধ্যা : সকালে শরীর চর্চা যেমন উপকারী তেমনই কর্মব্যস্ত মানুষের জন্য সন্ধ্যার শরীর চর্চাও ভালো। এতে করে রাতে ভালো ঘুম হয়। যা কিনা শরীরের জন্য খুবই উপকারী। যারা অনাকাঙ্ক্ষিত ওজন কমাতে চান তাদের জন্য সন্ধ্যার শরীর চর্চার বিকল্প কিছু নেই। কেননা, সারাদিন পরিশ্রমের পর আবার রাতে ঘুমানোর আগে একটু শরীর চর্চা হলে খারাপ হয় না। অর্থাৎ যারা সকালে শরীর চর্চা করার জন্য সময় বের করতে পারেন না তাদের জন্য সন্ধ্যা হতে পারে সঠিক সময়। নিয়মিত শরীর চর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হোক তা দিনে কিংবা রাতে।

নিউজ ট্যাগ: শরীর চর্চা

আরও খবর



মাদরাসা প্রধানদের সতর্ক করলেন হাইকোর্ট

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর এক মাদরাসায় আট বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পেটানোর ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে শিশু শিক্ষার্থীদের শাসনের বিষয়ে সকল মাদরাসার অধ্যক্ষদের সতর্ক করেছেন আদালত। পাশাপাশি দেশের সকল মাদরাসা শিক্ষকদেরও এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

রোববার (১৪ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি নাজমুল আহসান ও বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এসব পর্যবেক্ষণ দেন। বিষয়টি আদালতের পর্যবেক্ষণে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার আরটিভি নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট

আরও খবর



বসুরহাট পৌর ভবনের চারপাশে পুলিশ, ভেতরে কাদের মির্জা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভা ভবন চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে পুলিশ। ভবনের ভেতর রয়েছেন মেয়র আবদুল কাদের মির্জা। তিনি সেখানেই রাত কাটিয়েছেন। তার সঙ্গে কয়েকজন কর্মীও রয়েছেন।

এর আগে শুক্রবার ভোরে কাদের মির্জাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারেএমন কথা ছড়িয়ে পড়েছিল পুরো জেলায়। তবে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সেটি গুজবেই সীমাবদ্ধ ছিল।

বসুরহাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে তিন শতাধিক পুলিশ ও র‌্যাবের সদস্য। পরিস্থিতির দেখভাল করার জন্য বসুরহাটে অবস্থান করছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের একজন পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। পুলিশের দাবি, বসুরহাটে এখন স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কোনো ধরনের সমস্যা নেই।

অপর দিকে বৃহস্পতিবার জেলা শহর থেকে গ্রেপ্তার করা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলকে পৌরসভা ভবনে হামলা-ভাঙচুর ও গুলির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে গুজব ছড়িয়ে পড়ে গভীর রাতে কিংবা শুক্রবার ভোরে বসুরহাট পৌরসভার আলোচিত মেয়র ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জাকে গ্রেপ্তার করতে পারে পুলিশ। এ নিয়ে উৎকণ্ঠা ছিল সবার মাঝে। ভোরের আলো ফোটার আগেই সেখানে পৌঁছে যান অনেক গণমাধ্যমের কর্মী। কিন্তু পরিস্থিতি ছিল আগের মতোই। কাদের মির্জা তার পৌরসভা কার্যালয়েই রয়েছেন। পৌরসভা ভবনের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশের বেশ কয়েকটি দল। তারা রাতভর সেখানে নির্ঘুম ছিল।

এদিকে মঙ্গলবার সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় যান। কিন্তু এজাহার থেকে প্রধান আসামি কাদের মির্জাকে বাদ দেওয়াসহ কিছু ত্রুটির থাকা কথা বলে পুলিশ সেটি গ্রহণ করেনি বলে প্রথম আলোকে জানিয়েছেন এমদাদ হোসেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, নিহত আলাউদ্দিনের ভাই একটি এজাহার নিয়ে থানায় এসেছিলেন। কিন্তু এজাহারে সাক্ষীর নামসহ কিছু ত্রুটি ছিল, সে জন্য তিনি আবার এজাহার সংশোধনের জন্য নিয়ে গেছেন।

পুলিশ সুপার জানান, বসুরহাটের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে তিন শতাধিক পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। রয়েছে র‌্যাবের দুটি দল। বর্তমান পরিস্থিতি একেবারে শান্ত। কোথাও কোনো সমস্যা নেই।

গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জের চাপরাশিরহাট বাজারে আবদুল কাদের মির্জা ও মিজানুর রহমান বাদল সমর্থকদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি মারা যান। ৯ মার্চ রাত ৯টার দিকে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভা চত্বরে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনরায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান যুবলীগ কর্মী আলাউদ্দিন (৩২)।


আরও খবর

নোয়াখালীতে খণ্ড খণ্ড বিক্ষোভ

রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১




আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীবিরোধী বিক্ষোভে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির জেরে রাজধানীসহ দেশজুড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাতে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে মাঠে থেকে দায়িত্ব পালন করবেন তারা।

বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লে. কর্নেল ফয়জুর রহমান জানান, রাজধানীসহ সারাদেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (২৭ মার্চ) সারাদেশে বিক্ষোভ এবং রোববার (২৮ মার্চ) সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর মোহাম্মদ জুনায়েদ বাবুনগরীর পক্ষে সংগঠনের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুফতি হারুন ইজাহার এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে দুপুরে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় বায়তুল মোকাররম এলাকা।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জুমার নামাজ শেষে ইসলামি দলগুলো বিক্ষোভ মিছিল বের করার চেষ্টা করায় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অর্ধশতাধিক আহত হয়। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্যাপক সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিউজ ট্যাগ: বিজিবি মোতায়েন

আরও খবর