Logo
শিরোনাম

ইরানের ওপর পশ্চিমা দেশগুলোর নতুন নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র দমনপীড়নের প্রতিক্রিয়ায় তেহরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিম এশীয় দেশটির ওপর চাপ বাড়াতে সোমবার (২৩ জানুয়ারি) তারা এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইরানের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর সম্পর্ক এমনিতেই ভালো না। গত সেপ্টেম্বরে নীতি পুলিশ হেফাজতে কুর্দি নারী মাশা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অস্থিরতা দমনে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির সরকারি বাহিনীগুলো যে ভয়াবহ দমনপীড়ন চালিয়েছে, তার প্রতিক্রিয়ায় পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কের ফাটল আরও চওড়া করেছে।

মাশা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইরান যে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দেখছে, তাকে ১৯৭৯ সালে ইসলামে বিপ্লবের পর দেশটির শাসকগোষ্ঠীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলা হচ্ছে। তেহরান এ অস্থিরতা উসকে দেওয়ার জন্য পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীকে দুষছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এবারের নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য ছিল ইরানের প্রভাবশালী বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) ও বিক্ষোভ দমনের দায়িত্বে থাকা শীর্ষ কর্মকর্তারা।

তারা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইআরজিসি কোঅপারেটিভ ফাউন্ডেশন ও এর পরিচালনা পর্ষদের ৫ সদস্যের ওপর; ইরানের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপমন্ত্রী নাসের রাশেদি এবং আইআরজিসির ৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও তাদের কালো তালিকায় ঢুকেছে।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর বর্বরতা চালানোর বেশিরভাগ অর্থ আসা আইআরজিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক স্তম্ভকে লক্ষ্য করেই তারা এবারের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তালিকায় এর সঙ্গে জাতীয় ও প্রাদেশিক পর্যায়ে দমনপীড়নে সমন্বয় করা ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও স্থান পেয়েছে।

ওয়াশিংটনের অভিযোগ, আইআরজিসি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিতে দমনপীড়ন চালিয়েই যাচ্ছে এবং এরা মানবাধিকারের বিস্তৃত লংঘনের মাধ্যমে বিক্ষোভ দমানোর ক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করছে।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রে টর্নেডোর আঘাত, সাতজনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যালাবামায় টর্নেডোর আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ পর্যন্ত সেখানে ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) আঘাত হানে শক্তিশালী টর্নেডো।

দেশটির ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস জানায়, আমরা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়েছি। অটাউগা কাউন্টিতে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নগরী সেলমার মেয়র জানান, টর্নেডোর আঘাতে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এটিকে ভয়াবহ ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

কাউন্টি ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির ডিরেক্টর আর্নি ব্যাগেট জানান, মন্টগোমেরির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অটাউগা কাউন্টিতে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

সেলমায়, মেয়র জেমস পারকিন্স জুনিয়র এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, শহরটি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা হচ্ছে। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তিনি বাসিন্দাদের সেলমার আশেপাশে যে কোনও ক্ষতির ছবিও পাঠাতে বলেছেন।


আরও খবর



এক দশকে দুটি অর্থনৈতিক মন্দার মুখে বিশ্ব

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কোভিড ১৯ মহামারীর ধকল, বিশ্বের পরাশক্তির মধ্যকার শীতল যুদ্ধের জের ধরে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত ও রাজনৈতিক বাঁকবদল সব মিলিয়ে বিশ্ব একটি নাজুক পরিস্থিতির মধ্যে। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো পরিস্থিতি সামাল দিতে একের পর এক কঠোর নীতি নিয়ে আসছে, তবু লাগাম টানা যাচ্ছে না প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে। ঝুঁকি তৈরি  হয়েছে বৈশ্বিক মন্দার। ঠিক এমন এক সন্ধিক্ষণে এসে বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি সতর্ক করে বলছে, বিশ্ব অর্থনীতি এক দশকের মধ্যে দ্বিতীয় মন্দা থেকে মাত্র এক আঙুল দূরে। ৮০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এ ধরনের নজিরবিহীন পরিস্থিতি দেখা যায়নি।

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসকে কমিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি ধারণা করছে, বিশ্ব অর্থনীতি চলতি বছর মাত্র ১ দশমিক ৭ শতাংশ সম্প্রসারণ হবে। তবে ২০২৪ সাল নাগাদ প্রবৃদ্ধি ২ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আক্রমণাত্মক নীতি, অবনতিশীল আর্থিক অবস্থা এবং ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রভাব পড়ছে প্রবৃদ্ধির ওপর। ফলে আরো নেতিবাচক ধাক্কা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, এমনকি কঠোর আর্থিক নীতি থেকে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধির ঘটনাগুলো বাড়ছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, এগুলো মন্দা পরিস্থিতির তীব্রতা বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট।

২০২১ সালে খানিকটা পুনরুদ্ধারের পর ২০২০ সালের মহামারীজনিত মন্দার সময় বিশ্ব অর্থনীতি ৩ দশমিক ২ শতাংশ সংকুচিত হয়। তবে ইতিহাস অনুসারে, বিশ্ব সর্বশেষ ১৯৩০-এর দশকে ১০ বছরের ব্যবধানে এ ধরনের দুটি মন্দার সম্মুখীন হয়েছিল। ২০২৩ সালে মার্কিন অর্থনীতি মোটের ওপর শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংস্থাটি আরো মনে করছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত যে ২০টি দেশ ইউরো ব্যবহার করে, তারা মোটেও কোনো অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ দেখতে সক্ষম হবে না।

সংস্থাটি মনে করে, কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ তুলে নেয়ায় ২০২৩ সালে চীনের প্রবৃদ্ধি বাড়বে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ। যদিও পূর্বাভাসটি ছয় মাস আগের অনুমানের তুলনায় কম, যা দেশটির আবাসন বাজারের চলমান নড়বড়ে অবস্থা, চীনে তৈরি পণ্যের জন্য অন্যান্য দেশের দুর্বল চাহিদা এবং অব্যাহত মহামারীজনিত ব্যাঘাতগুলোকে প্রতিফলিত করে।

বিশ্বব্যাংক তাদের প্রতিবেদনে আরো বলে, বিশ্বের তিনটি প্রধান প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরো অঞ্চল ও চীনবর্তমানে পরিচ্ছন্ন দুর্বলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ অভিঘাত আক্রান্ত হবে দরিদ্র দেশগুলোও, যারা কিনা এরই মধ্যেই একটি অনিশ্চিত জলবায়ু অর্থনীতি, নিম্ন ব্যবসায়িক বিনিয়োগ এবং ক্রমবর্ধমান সুদহার ঘিরে টালমাটাল পরিস্থিতির মোকাবেলা করছে। তাছাড়া ঋণের ক্রমবর্ধমান খরচ বড় অংকের ঋণ গ্রহণের বিষয়গুলোকে আরো চ্যালেঞ্জিং করে তুলতে পারে।  ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদন মহামারীর আগে নির্ণয় করা মাত্রার থেকে প্রায় ৬ শতাংশ নিচে থাকবে। আরো ধারণা করা হচ্ছে, আয় বৃদ্ধিও হবে ধীরগতির, যা ধনী দেশগুলোর সঙ্গে অন্যদের ব্যবধান হ্রাসের বড় ধরনের অন্তরায়।

নিউজ ট্যাগ: অর্থনৈতিক মন্দা

আরও খবর



২০ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে সাড়ে ১৩১ কোটি ডলার

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম ২০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩১ কোটি ৫২ লাখ ডলার। দেশে গত বছরের শুরু থেকেই চলছে ডলার সংকট। ধীরে ধীরে এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করছে। এমন পরিস্থিতিতির মধ্যে চলতি বছরের শুরুতেই প্রবাসী আয়ে উত্থান হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথম ২০ দিনে প্রবাসীরা সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। আলোচ্য এই সময়ে বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০৯ কোটি ৯৯ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার, বিশেষায়িত এক ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৫০ লাখ মার্কিন ডলার।

তথ্য বলছে, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে ১৬৯ কোটি ৯৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। এই পরিমাণ ২০২১ সালের ডিসেম্বরের চেয়ে প্রায় ৭ কোটি ডলার বেশি। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৩ কোটি ডলার।

এদিকে চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম (জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত) ৬ মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৪৯ কোটি ৩২ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ২৩ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। সেই হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে ২৫ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার বেশি এসেছে।

এর আগে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। তারও আগে ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আহরণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।


আরও খবর



পুঁজিবাজারে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নতুন বছরের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন চলছে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর অর্থাৎ সকাল সাড়ে ১০টায় ডিএসইর সাধারণ সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১০ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ১৬৭ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএসই শরীয়াহ্ সূচক ২ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ২ পয়েন্ট কমে যথাক্রমে ১৩৪৮ ও ২১৮৮ পয়েন্টে রয়েছে। এ সময়ের মধ্যে লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৯৫ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।

মঙ্গলবার এ সময়ে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ৮টির, কমেছে ৯২টির এবং অপরির্বতিত রয়েছে ৭৮টি কোম্পানির শেয়ার।

এর আগে আজ লেনদেন শুরুর প্রথম ৫ মিনিটে ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৫ পয়েন্ট। সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আগের অবস্থান থেকে ৬ পয়েন্ট কমে যায়। এরপর সূচকের গতি নিম্নমুখী দেখা যায়। লেনদেন শুরুর ২০ মিনিট পর সকাল ১০টা ২০ মিনিটে সূচক আগের দিনের চেয়ে ৪ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ১৭৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।

অপরদিকে লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএএসপিআই সূচক ১ পয়েন্ট কমে ১৮ হাজার ২৫৮ পয়েন্টে অবস্থান করে। এরপর সূচকের গতি ঊর্ধ্বমুখী দেখা যায়।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট। এ সময়ের ৫টি কোম্পানির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৯টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮টি কোম্পানি শেয়ারের দর।


আরও খবর



ইউক্রেনজুড়ে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

প্রকাশিত:শুক্রবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে আবার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ঘটা বড় ধরনের হামলাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। ইউক্রেনীয় শহর খারকিভ, ওডেসা, লভিভ এবং ঝাইতোমিরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীর তথ্যানুসারে, সর্বশেষ হামলায় রাশিয়ার বাহিনী মোট ৬৯টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এর মধ্যে ৫৪টিকে ইউক্রেনীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠেকিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি করা হয়। 

এর আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা মিখাইলো  পোদোলিয়াক দাবি করেন, বেসামরিক কাঠামো ও স্থাপনা লক্ষ্য করে ১২০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে রাশিয়া। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলেছে এ আকাশ হামলা।

ওডেসার আঞ্চলিক প্রধান ম্যাক্সিম মারচেঙ্কো বলেন, ইউক্রেনে ব্যাপক মাত্রার ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ হয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী বলেছে, রাশিয়া ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে হামলা চালিয়েছে। তারা আকাশ ও নৌভিত্তিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। রুশ বাহিনী বেশ কিছুসংখ্যক কামিকাজি (আত্মঘাতী) ড্রোন ব্যবহার করেছে বলেও উল্লেখ করেছে ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী।

হামলার সময় যা ঘটে : ইউক্রেনের প্রায় সব অঞ্চলে আকাশ সতর্কতার সংকেত বেজে ওঠার পর প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ওলেক্সি আরেস্তোভিচ নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার অনুরোধ জানান। দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

কিয়েভে হামলায় দুটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দেশটির সামরিক প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিত্শ্চকো বলেন, শহরের আকাশে ১৬টি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এ ছাড়া মাইকোলাইভের গভর্নর ভিতালি কিম লেখেন, আকাশ প্রতিরক্ষা পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করেছে।

ওডেসার আঞ্চলিক প্রধান ম্যাক্সিম মারচেঙ্কো বলেন, সে অঞ্চলে দুটি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র গুলি করে নামানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের অংশবিশেষ একটি আবাসিক ভবনেও আঘাত হেনেছিল। কিন্তু কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। দূর পশ্চিমের শহর লভিভের মেয়র আন্দ্রি সাদোভি একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার কথা জানান।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা বলেন, পশ্চিমের ইভানো-ফানকিভস্ক অঞ্চলের এক বাসিন্দার ঘরে ক্ষেপণাস্ত্র পড়েছিল, কিন্তু তা বিস্ফোরিত হয়নি।

এদিকে উপদেষ্টা পোদোলিয়াক মস্কোর বিরুদ্ধে ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস এবং গণহারে বেসামরিক লোকজন হত্যার অভিযোগ তুলেছেন।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেনে ১২ বারের মতো রুশ হামলা হয়েছে। এর জেরে দেশজুড়ে বিদ্যুিবভ্রাটও হচ্ছে। ইউক্রেনের বিদ্যুত্মন্ত্রী হারমান হালুশচেনকো বলেছেন, আক্রমণে তাদের বিদ্যুত্ উত্পাদন কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ওডেসা ও কিয়েভ অঞ্চলের পরিস্থিতি কঠিন হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার  লভিভের মেয়র জানান, শহরের ৯০ শতাংশ স্থানে বিদ্যুত্ নেই। অন্যদিকে ক্লিত্শ্চকো বলেন, কিয়েভের ৪০ শতাংশ বিদ্যুত্হীন রয়েছে। ওডেসা ও দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলেও বিদ্যুিবভ্রাট হচ্ছে বলেও খবর এসেছে।


আরও খবর