Logo
শিরোনাম

ইসি গঠন নিয়ে যে চার প্রস্তাব দিলো আ’লীগ

প্রকাশিত:সোমবার ১৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সংলাপে অংশ নিয়ে চার দফা প্রস্তাব দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশনের আর্থিক অবস্থা শক্তিশালী করা, কমিশন গঠনে আইন করা এবং সব ধরনের নির্বাচনে অধিকতর তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে এসব প্রস্তাব দেয়।

পরে দলটির কার্যালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের দেওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে-

১. সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগদান করবেন।

২. প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি যেরূপ উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, সেই প্রক্রিয়ায় তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগদান করবেন।

৩. প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের লক্ষ্যে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮-এর বিধান সাপেক্ষে একটি উপযুক্ত আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে। বর্তমানে এই ধরনের কোনো আইন না থাকায় সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারগণের নিয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধান ব্যতিরেকে অন্য কোনো আইন প্রতিপালনের বাধ্যবাধকতা নেই। তবে সাংবিধানিক চেতনা সমুন্নত রাখতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগণের যোগ্যতা-অযোগ্যতা এবং তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্ধারণের লক্ষ্যেই মূলত এই আইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

৪. সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচনের স্বার্থে সব নির্বাচনে অধিকতর তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এর আগে বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে প্রতিনিধি দল নিয়ে বঙ্গভবনে পৌঁছান আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫টা ১০ মিনিটে বৈঠক শেষে বের হন তারা।


আরও খবর



হানিমুনেই আমাকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল জনি ডেপ: অ্যাম্বার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

একের পর এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছেন হলিউড অভিনেতা জনি ডেপ ও তার স্ত্রী আম্বার হার্ড। দুজন দুজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে। আদালতে নিজের অভিযোগের পক্ষে সাফাই গাইছেন আম্বার। অন্যদিকে আম্বারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন জনি ডেপ।

ডেপের মামলার শুনানি চলছে ভার্জিনিয়ার আদালতে। সেখানেও উঠে আসছে পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ। এমনকি ডেপের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আম্বার বলেন, হানিমুনের সময়ই আম্বারকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন জনি ডেপ।

শুধু তাই নয়, মাদকাসক্ত জনি সিগারেটের ছ্যাঁকা দিতেন আম্বারের গায়ে। আদালতে এমনই অভিযোগ করলেন জনি ডেপের সাবেক।

এক সময় জনি ও আম্বারে মধ্যে নিদারুণ ভালোবাসা ছিল। সে কথাও মনে পড়ে ডুকরে কেঁদে ওঠেন আম্বার। বলেন, ভাবতে পারছি না, সবকিছু এভাবে শেষ হয়ে যাবে! আজও ভালবাসি জনিকে, কিন্তু তিক্ততা এমন জায়গায় পৌঁছেছে, কিছুই যে আর ঠিক হওয়ার নয়। আদালতে মামলা হয়েছে। সেখানে পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ উঠে আসছে।

শুনানি থেকে স্পষ্ট, দু’জনের মধ্যে অশান্তি চরমে উঠেছিল ২০১৫-র পর থেকে। ২০১৭-তে বিচ্ছেদ। তারপরেও কাদা ছোড়াছুড়ি শেষ হয়নি। ৫০ লক্ষ ডলার খরচ করে আম্বারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকেছিলেন জনি। সেই মামলার শুনানি চলছে ভার্জিনিয়ার আদালতে।

আদালতে আম্বার জানান, তিনি যে এত দিন বেঁচে আছেন, সেটাই আশ্চর্য। ২০১৫ সালে হানিমুনে গিয়ে মৃত্যুকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন তিনি। জনি নাকি তাকে ওরিয়েন্ট এক্সপ্রেসের মধ্যেই গলা টিপে ধরেছিলেন। ঘাড় ধরে ফেলে দিতে গিয়েছিলেন চলন্ত ট্রেন থেকে।

আম্বারের দাবি, সেটাই ছিল শুরু। এর পর প্রায় প্রতি দিনই ঘরের মধ্যে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি। অভিযোগ, জনি তার উপর সমস্ত রকম অত্যাচার করতেন। সেই সঙ্গে জনিকে মাদকাসক্ত এবং স্বেচ্ছাচারী হিসেবেও উল্লেখ করেন তার সাবেক স্ত্রী।

যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চার্লি অ্যান্ড দ্য চকোলেট ফ্যাক্টরি’র অভিনেতা। তার পক্ষের উকিলরাও আম্বারকে প্রতিনিয়ত নিরস্ত করার চেষ্টা করে চলেছেন। তাদের পাল্টা অভিযোগ, আম্বার জনিকে হেনস্থা করেছেন। শয্যায় মলত্যাগ করা-সহ নানা ভাবে অভিনেতার মান নষ্ট করেছেন।

তবে আম্বারও দমার পাত্রী নন। স্পষ্ট জানান, তর্ক-বিতর্ক তাদের মধ্যে চলতই, যেমন আরও পাঁচটা দম্পতির চলে। কিন্তু তর্ক করতে করতেই নাকি উত্তেজিত হয়ে পড়তেন জনি। এক বার সোজা এসে ছুরি চালিয়ে দিয়েছেন অ্যাম্বারের গায়ে। জ্বলন্ত সিগারেটের ছ্যাঁকা দিতেন তাকে, এমনটাও অভিযোগ করেন তিনি।


আরও খবর



লিবিয়ার ভূমধ্যসাগর উপকূলে ৫ শতাধিক বাংলাদেশি আটক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৭২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লিবিয়ার আইন শৃঙ্খলা বাহিনী পাঁচ শতাধিক বাংলাদেশিকে ভূমধ্যসাগর উপকূল থেকে আটক করেছে। ত্রিপোলির পূর্ব উপকূলীয় জেলা মিসরাতা থেকে অবৈধ পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেয়াকালে তাদের আটক করা হয়।

লিবিয়া পুলিশের বরাতে ত্রিপোলির বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এ খবর প্রচার করেছে। আটককৃতদের একাধিক ছবি ও ভিডিও প্রবাশ করেছে।

লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এসএম শামীম উজ জামান সংবাদ মাধ্যমে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। দুজন কর্মকর্তাকে ডিটেনশন সেন্টারের খোঁজ খবর নেওয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

তারা আইওএম এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখছেন। দূতাবাস টিম তাদের নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই শুরু করেছে।

লিবিয়ান পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৫৪১ জন আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫ শতাধিক বাংলাদেশি রয়েছেন বলে প্রাথমিক ধারণা দেয়া হয়েছে।

দূতাবাস টিম রবিবার ২৪০ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পেরেছে। আটকদের নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই শুরু করা হয়েছে। রিপোর্ট আসার পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, শনিবার আটক অভিবাসীদের প্রথমে জেলা শহর মিসরাতার একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়। সেখানে গাদাগাদি হওয়ায় একটি অংশকে রাজধানী ত্রিপোলীর বিমানবন্দর সড়কের একটি কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। তাদের খাদ্য, পানীয় এবং অন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করেছে পুলিশ। নাগরিকত্ব যাচাই শেষে তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।


আরও খবর



বাগেরহাটে ‘ভাইরাসে’ মরছে চিংড়ি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাগেরহাটের রামপাল ও মোংলায় ভাইরাসে মরছে সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি মাছ। ফলে মৌসুমের শুরুতেই এ দুই উপজলায় কোটি টাকা লোকসানের আশংকা করছেন চিংড়ি চাষিরা। তবে মৎস্য বিভাগ বলছে, অপরিকল্পিত ঘের তৈরি আর ভাইরাসযুক্ত পোনার কারণে এমনটা হতে পারে।

জানা গেছে, রামপাল ও মোংলায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ২০ হাজার চিংড়ি ঘের রয়েছে। গত এক সপ্তাহর ব্যবধানে দুই উপজলার বিভিন্ন ঘেরে হঠাৎ করে চিংড়ি মাছ মরতে শুরু করে। তবে কি কারণে মরছে চাষিরা তার কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না। তাদের ধারণা, ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েই মাছ মরে যাচ্ছে।

রামপাল উপজেলার ভোজপাতিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা চিংড়ি ঘের ব্যবসায়ী নুরুল আমিন বলেন, ইউনিয়নের ৮০ ভাগ চিংড়ি ঘেরে মড়ক লেগেছে। কি কারণে মাছ মরছে তা তো কেউ বলতে পারছে না। উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের চিংড়ি চাষি রাজীব সরদার বলেন, ৮০ থেকে ৮৫ ভাগ ঘেরের চিংড়ি মরেছে। যারা ঋণ নিয়ে চিংড়ি চাষ করেছে তারা নিঃস্ব হয়ে গেছে। উপজেলার রাজনগর, বাইনতলা ও পেড়িখালি ইউনিয়নের সব চিংড়ি ঘেরের অবস্থা একই রকম বলে জানান তিনি।

মোংলা উপজেলার সোনাইলতলা ইউনিয়নের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন সরদার বলেন, বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে তিন বিঘা জমিতে মাছ ছেড়েছিলাম। গত চারদিন ধরে মাছ মরতে শুরু করেছে। মরা মাছ তুলে দেখি প্রতিটি মাছের গায়ে সাদা সাদা স্পট। কি রোগে মাছ মরছে, তা তো বুঝতে পারছি না। একই উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের কাটাখালি এলাকার বাসিন্দা মারুফ হাওলাদার বলেন, এর আগেও ঘেরে মাছ মরেছে, কিন্তু এত দ্রুত কখনও মাছ মরেনি।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম রাসেল বলেন, রামপাল ও মোংলা উপজেলার প্রায় ২০ হাজার চিংড়ি ঘেরের ৩৫ শতাংশে মাছ মরেছে বলে জেনেছি। মাছ মরার কারণ জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গরম, হোয়াইট স্পট সিনড্রম ভাইরাস বা মৌসুমের শেষে ভাইরাস যুক্ত চিংড়ি ঘেরে ছাড়ায় এমনটা হতে পারে। জেলার অধিকাংশ ঘের প্রস্ততির আগে চাষিরা ব্লিচিং পাউডারসহ ভাইরাস মুক্ত করণের যে সব পদ্ধতি আছে তা প্রয়াগ করে না। এছাড়া পোনা ছাড়ার আগে সেটি ভাইরাস মুক্ত কিনা তা পিসিয়ার পরীক্ষা না করেই ছাড়ে। এসব কারণে মাছ মরতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

নিউজ ট্যাগ: বাগেরহাট

আরও খবর



গোপালগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে ৭ জন নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গোপালগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেল সংঘর্ষের ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। শনিবার (১৪ মে) বেলা ১১টার দিকে দক্ষিণফুকরা এলাকার মিল্টন বাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কাশিয়ানী থানার এসআই সিরাজুল ইসলাম জানান, রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।


আরও খবর



মাশরাফির পায়ে ২৭ সেলাই

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কাচের টেবিলের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আহত হয়েছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (০৭ মে) নিজ বাসায় অবস্থান করছিলেন মাশরাফি। সেখানে কাচের টেবিলের সঙ্গে ধাক্কা লাগে তার। টেবিলে ধাক্কা লাগায় ওপর থেকে তার পায়ের পেছন দিকে কাচ পড়ে। এতে বেশ খানিকটা অংশ কেটে যায়।

জানা গেছে, এই দুর্ঘটনার পর মাশরাফিকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার পায়ে ২৭টি সেলাই করা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।


আরও খবর