Logo
শিরোনাম

‘ইসি যে কয়টি আসনে ইভিএম দেবে আ.লীগ তাই মেনে নেবে’

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ নভেম্বর ২০২৩ | ৬৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামর্থ্য অনুযায়ী যে কয়টি আসনে ইভিএম দিতে পারবে; আওয়ামী লীগ তা মেনে নেবে বলে জানিয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আমরা ৩০০ আসনেই ইভিএম চাই। তবে কমিশন সামর্থ্য অনুযায়ী যা করতে পারবে তাই আমরা মেনে নেবো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সোমবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর সংলগ্ন কচুক্ষেত রোডে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের একথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, জনগণ আওয়ামী লীগের সাথে রয়েছে, বিএনপির সাথে নেই। টেমস নদীর পাড় থেকে আসা অদৃশ্য নির্দেশে চলা বিএনপি রাজনীতিকে নষ্ট করেছে। এর অবসান হতে হবে। এ থেকে বের হয়ে আসতে না পারলে বিএনপি কখনো আন্দোলন ও নির্বাচনে সফল হবে না।

বিএনপিকে গণতন্ত্র এবং মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ হত্যাকারী অভিহিত করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা কী করে রাষ্ট্র মেরামত করবে যারা এক কোটি ভুয়া ভোটার, ভুয়া ভোটের জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্র মেরামত করবে শেখ হাসিনার সরকার। এদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনকে আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করেছে তার সরকার।

বিএনপি দেশের গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে দাবি করে তিনি বলেন, তারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। আর মেরামত করেছেন শেখ হাসিনা। বিশ্ব সংকটে বিশ্বের বড় বড় দেশগুলো যেখানে সংকটে সেখানে বাংলাদেশের সুনাম করছে অনেকেই।

সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩০ লাখ শীতবস্ত্র দিয়েছেন জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, শীতে মানুষ কষ্টে আছে। আমরা মানুষের পাশে আছি। মানুষের যেকোনো কষ্টে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাশে ছিলাম, আছি, থাকব।

আওয়ামী লীগের উন্নয়ন বিএনপি সহ্য করতে না পেরে অন্তর জ্বালায় ভুগছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের অন্তর জ্বালা নাই। আমরা জনগণের জন্য কাজ করছি, জনগণ আমাদের সাথে আছে। জনগণ বিএনপির সাথে নেই, তাদের আন্দোলন দেখেই বোঝা যায়। বিএনপির ভুয়া আন্দোলন থেকে জনগণ মুখ ফিরিয়েছে।

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর ঢাকা সফরের বিষয়ে তিনি বলেন, ডোনাল্ড লু আসার পর বিএনপি নেতারা হাসপাতালে কেন গিয়েছে? অদৃশ্য নির্দেশে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার মিশনে বিএনপি আন্দোলন করেছিল। তারাই দেশে নষ্ট রাজনীতির জন্ম দিয়েছে। এই পথ থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে কখনোই আন্দোলনে সফল হবে না। নির্বাচনেও সফল হবে না বিএনপি। তারা ভন্ডামির রাজনীতি করছে। নির্বাচন মোকাবেলায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাজপথে আছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচির সঞ্চালনায় শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুর রউফ নান্নু প্রমুখ।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে আবারও অবস্থান পরিষ্কার করল জাতিসংঘ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জানুয়ারী ২০২৪ | ৮৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন ইস্যুতে কথা বলেছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জানুয়ারি) জাতিসংঘের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ফের উঠে আসে নির্বাচন ইস্যু।

জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানান, বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের অবস্থান আগের মতোই রয়েছে। একইসঙ্গে নির্বাচনের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যা বলেছেন সেটিও অপরিবর্তিত রয়েছে।

মূলত টানা চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবারের ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে জাতিসংঘের দেওয়া চিঠির বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, মহাসচিবের এমন চিঠি নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘের পূর্বের অবস্থান এবং নির্বাচন নিয়ে মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার যে বিবৃতি দিয়েছেন তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এটি সাংঘর্ষিক না। জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেমনটা বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানরা পুনর্নির্বাচিত হলে মহাসচিব পাঠিয়ে থাকেন।

তিনি আরও বলেন, তারা আগে যা বলেছেন এবং মানবাধিকার হাইকমিশনার আগে যা বলেছেন, তা অপরিবর্তিত রয়েছে।

এছাড়া বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। ডুজারিক বলেছেন, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে জোর করে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়।

এছাড়া এদিনের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, আপনি জানেন- বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে প্রায় সাত বছর ধরে ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে।

অন্যদিকে, মানবিক তহবিল, আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সম্পর্কিত মনোযোগ, সবকিছু সঙ্কুচিত হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ মহাসচিবের পরিকল্পনা কী?

জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র এই মুখপাত্র বলেন, প্রথমত, কাউকে কখনও প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। কোনও শরণার্থীকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে প্রত্যাবাসন করা উচিত নয়। এটি এমন পদ্ধতিতে স্বেচ্ছায় হওয়া দরকার যেখানে তাদের মর্যাদা এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে।

তিনি বলেন, এটা পরিষ্কার যে, মিয়ানমারের পরিস্থিতি বর্তমানে প্রত্যাবাসনের জন্য দরকারি প্রয়োজনীয়তা পূরণ করছে না। যেসব সম্প্রদায় উদারভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আতিথেয়তা দিয়েছে, তাদের জন্য বিশ্বব্যাপী সংহতি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। যেমন কক্সবাজারের সম্প্রদায়, মহাসচিব এটি পরিদর্শন করেছেন।

স্টিফেন ডুজারিক বলেন, শরণার্থীদের সবার সংহতি প্রয়োজন এবং আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোরও জাতিসংঘের ও সারা বিশ্বের সংহতি প্রয়োজন। এবং এসব কিছুর জন্যই আমাদের তহবিল আরও বৃদ্ধি করা দরকার।


আরও খবর

দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি

মঙ্গলবার ২৮ নভেম্বর ২০২৩