Logo
শিরোনাম

ইতিহাসের এই দিনে - ২৩ আগস্ট

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজকের দিনটি আগামীকাল হয়ে যায় অতীত। আজ ২৩ আগস্ট ২০২২ , মঙ্গলবার, ০৮ ভাদ্র ১৪২৯ বঙ্গাব্দ, ২৩ মহররম ১৪৪৪। গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের ২৩৫তম দিন। বছর শেষ হতে আরো ১৩০ (অধিবর্ষে ১৩১) দিন বাকি রয়েছে।   

আজকের দিনটি সময়ের হিসাবে অতি অল্প সময়। আবার একটি ঘটনার জন্য যথেষ্ট সময়। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায় বছরের প্রতিটি দিনেই ঘটেছে নানা উল্লেখযোগ্য ঘটনা। অনেকের আজ জন্মবার্ষিকী আবার কেউ মৃত্যুবরণ করেছিলেন এই দিনেই। চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক আজকের দিনের ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়-

ইতিহাসের পাতায় আজকের দিনটি:

৬৩৪ -  ইসলামের প্রথম খলিফা হজরত আবু বকর সিদ্দিক [রা.] ইন্তেকাল করেন।

১৩২৮ -  ফ্রান্সের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ সিংহাসনে অভিষিক্ত হন।

১৬১৭ -  লন্ডনে প্রথম ওয়ানওয়ে রাস্তা চালু হয়।

১৭৯৯ -  নেপোলিয়ন মিসর ত্যাগ করে ফ্রান্সের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

১৮২১ -  মেক্সিকো স্বাধীনতা ঘোষণা করে।

১৮২৫ -  বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৩৩ -  ব্রিটেন তার উপনিবেশগুলোতে ক্রীতদাস প্রথা বাতিল করে। ফলে ৭০ লাখ ক্রীতদাস মুক্ত হয়।

১৮৩৯ -  ব্রিটেন চীনের কাছ থেকে হংকং দখল করে নেয়।

১৮৬৬ -  প্রুশিয়া এবং অষ্ট্রিয়ার মধ্যে ঐতিহাসিক প্রাগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৮৭৫ -  বাংলার প্রথম অভিনেত্রী-নাট্যকার গোলাপের [সুকুমারী দত্ত] সাহায্যার্থে তার রচিত অপূর্ব সতি মঞ্চস্থ হয়। এটিই বাংলার প্রথম ফিল্মী-সহায়তা অভিনয় রজনী।

১৯১৪ -  জাপান জার্মানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯২১ -  প্রথম ফয়সল ইরাকের বাদশা পদে অভিষিক্ত হন ।

১৯২৩ -  ইংরেজ কম্পিউটার বিজ্ঞানী এডগার কড জন্মগ্রহন করেন।

১৯২৫ -  বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৩৯ -  হিটলারের নেতৃত্বে জার্মানী এবং ষ্ট্যালিনের নেতৃত্বে রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

১৯৪২ -  স্তালিনগ্রাদের ঐতিহাসিক যুদ্ধ শুরু হয়।

১৯৪৪ -  রুমানিয়ার শাসক উৎখাত।

১৯৬২ -  বাংলাদেশে প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়।

১৯৮৬ -  পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য মস্কো ওয়াশিংটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়

১৯৯১ -  রুশ প্রজাতন্ত্রে কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ করেন।

১৯৯১ -  সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাসাদ ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয় এবং গর্বাচেভ পুনরায় ক্ষমতা ফিরে পান।

ইতিহাসের এই দিনে যাদের জন্ম:

১৭৪০ -  রুশ সম্রাট ষষ্ঠ আইভানের জন্ম।

১৭৭০ -  দার্শনিক হেগেলের জন্ম।

১৭৭৩ -  জার্মান দার্শনিক জ্যাকব এফ ফ্রাইসের জন্ম।

১৮৯৮ -  কথাসাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম।

১৯০৮ -  রুশ-ফরাসি নাট্যকার আর্থার আদমভের জন্ম।

১৯৩১ -  নোবেলজয়ী [১৯৭৮] মার্কিন অণুজীববিজ্ঞানী হ্যামিলটন ও থানেল স্মিথের জন্ম।

১৯৭৮ -  প্রখ্যাত মার্কিন বাস্কেটবল খেলোয়াড় কোবি ব্রায়ান্ট জন্মগ্রহন করেন।

ইতিহাসের এই দিনে যাদের মৃত্যু:

১৮০৬ -  ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী চার্লস অগাস্টিন কুলম্ব মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৭৫ -  বাঙালি সাংবাদিক এবং সাহিত্যিক অমল হোম মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৮৭ -  কবি, সাংবাদিক সমর সেনের মৃত্যু।

নিউজ ট্যাগ: ইতিহাসে এই দিনে

আরও খবর

৩০ সেপ্টেম্বর: ইতিহাসে আজকের এই দিনে

শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২

ইতিহাসে আজকের এই দিনে: ২৮ সেপ্টেম্বর

বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২




মিয়ানমারের প্রতিনিধি নির্বাচন নিয়ে সংকটময় পরিস্থিতি

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত রাজনীতিবিদদের সরিয়ে গত বছর সামরিক ক্যু'র মাধ্যমে মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্যের সরকার (এনইউজি) প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে চলতি মাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশন ডাকা হয়েছে। এই অধিবেশনে মিয়ানমারের সরকারের প্রতিনিধি কে হবেন এবং তার কার্যক্রম কতটুকু থাকবে এ নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।

এর মাধ্যমে দেশটির সরকার ব্যবস্থাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। অন্যদিকে মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এই সরকার সামরিক শাসকের প্রভাবমুক্ত। এ নিয়ে খোদ জাতিসংঘের মধ্যেই মতেদ্বৈততা রয়েছে। সব মিলিয়ে এবারের অধিবেশনে মিয়ানমারের অংশগ্রহণ নিয়ে এক সংকটময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্যের সরকারের প্রতিনিধি ড. তুন-অং শের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, আমন্ত্রণ জানালে জাতিসংঘকে এনইউজের প্রতিনিধি দলকে প্রত্যেক অধিবেশ ও সেশনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। এভাবে জাতিসংঘের অন্য সংস্থাগুলোতেও তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। 

তবে এ নিয়ে মিয়ানমারের অবস্থান তুলে ধরে ড. তুন-অং শে বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই জাতীয় ঐক্যের সরকারকে সমর্থন দেওয়া উচিত, যে সরকার মিয়ারমারের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। তিনি আরও বলেন, এনইউজে মিয়ানমারের জনসাধারণের প্রতিনিধিত্ব করে, জাতিসংঘে মিয়ানমারের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করা সামরিক জান্তার বৈধতা নেই।

খবরে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং সামরিক অভুত্থানের মাধ্যমে ২০২১ সালে তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সাং সু কিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর দলটির রাজনীতিবিদদের একাংশকে নিয়ে এনইউজে গঠন করা হয়।

ক্ষমতা টিকে থাকতে সামরিক সরকার তার শাসনের বিরোধিতাকারী দমনে খড়গহস্ত হয়। তখন এনইউজে মন্ত্রণালয় সংগঠিত হয়ে জোটকে দেশে ও বিদেশে আরও সুসংহত করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু তা সত্ত্বেও জাতি সংঘ মিয়ানমারের সামরিক এই সরকারকে সংস্থায় পুরোপুরো অংশগ্রহণ করানো থেকে এড়িয়ে চলে।

জাতিসংঘ ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ঘোষণা করেছিল যে তারা মিয়ানমারের প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে যে দেশটির  অবনতিশীল পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সমর্থনের প্রতিক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এ ছাড়া এর মাধ্যমে সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।এমন পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে প্রতিনিধিত্ব করা নিয়ে জাতিসংঘের কর্তা ব্যক্তিরা মারাত্মক অসংগতি খুঁজে পেয়েছেন।

মিয়ানমার অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি প্রজেক্টের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কাছে এই সমস্যাটি সমাধানের ক্ষেত্রে গুরুতর অসঙ্গতি রয়েছে। মিয়ানমারের এনইউজে সরকারকে প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দিলেও, তারা কোনো শীর্ষ বৈঠকে অংশ নিতে পারবে না।

এই প্রাতিষ্ঠানিক অসংগতি মিয়ানমারের মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। কারণ, জাতিসংঘে তাদের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি হওয়াটা খুব দরকার ছিল। একই সঙ্গে দেশের জনগণের প্রতি সহিংস দমন ও সশস্ত্র সংঘাতের কারণে মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি দিন দিন সংকটে পড়ছে।স্থায়ী সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনসহ জাতিসংঘের নয়টি দেশের একটি কমিটির দ্বারা সাধারণ পরিষদে অংশগ্রহণের অনুমতির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

তবে সর্বশেষ অধিবেশনে জাতীয় ঐক্যের শরিকদের প্রতিনিধি সেনাপ্রধান কিয়াও মোয়ে তুনকে অংশ নেওয়ার অনুমতি দিলেও গণহত্যার প্লট রচানাকারী হিসেবে তাকে শীর্ষ পর্যায়ের সংলাপে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে এখন কিয়াও মোয়ে তুন তার নিজের পছন্দের রাষ্ট্রদূত দিয়ে অধিবেশনে দেশটির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চান।

অন্যদিকে এনইউজের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের ১৭ জন মন্ত্রীর মধ্যে ১০ জন মিয়ানমারের অংশগ্রহণ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের ওপর সামরিক সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এমন পরিস্থিতিতে উদ্ভুত সমস্যা নিয়ে হার্ভাড ল স্কুলের অধ্যাপক টাইলার জিয়ানিনি বলেন, এ নিয়ে জাতিসংঘের মধ্যে বিভক্ত এবং অসম্পূর্ণ স্বীকৃতি রয়েছে।

তবে জিয়াননি বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে প্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতা থাকা উচিত, যা জনগণের ইচ্ছার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। সে হিসেবে মিয়ানমার অধিবেশনে অংশ নিতে দেওয়া উচিত। তবে এই সংকট উত্তরণের জন্য একটা সমাধানে পৌঁছার দায়িত্বও জাতিসংঘের।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




ফোনে হুমকির অভিযোগ অরুণা বিশ্বাসের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মোবাইল ফোনে একটি নম্বর থেকে প্রতিনিয়ত হুমকি-ধমকি আর অশ্লীল কথা বলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকাই সিনেমায় এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস। রবিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই অভিযোগ করেন অরুণা বিশ্বাস। একটি ফোন নম্বর উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, এই নম্বর থেকে প্রতিনিয়ত হুমকি, ধামকি আর অশ্লীল কথা বলা হচ্ছে। ট্রু কলারে নাম দেখানো হচ্ছে মনি। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন অরুণা বিশ্বাস।

সরকারি অনুদানের অসম্ভব সিনেমা দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছেন অরুণা বিশ্বাস। ১৯৮৪ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে অরুণা বিশ্বাসের। নায়করাজ রাজ্জাক পরিচালিত চাপাডাঙার বউ ছবিতে বাপ্পারাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে তিনি চলচ্চিত্রে হাজির হন। তারপর থেকেই সাফল্যের পথ পাড়ি দিয়েছেন। ক্যারিয়ারে ইলিয়াস কাঞ্চন, রুবেল, মান্নাসহ দেশবরেণ্য আরও অনেক নায়কের সঙ্গেই জুটি বেঁধেছেন তিনি।

এই অভিনেত্রী জন্মেছেন সংস্কৃতিমনা এক পরিবারে। তার বাবা প্রয়াত অমলেন্দু বিশ্বাস ছিলেন ষাটের দশকে একজন জাঁদরেল যাত্রানট। অরুণা বিশ্বাসের মা জোৎস্না বিশ্বাসও বাংলাদেশের মঞ্চ নাটক ও যাত্রাপলা শিল্পের একজন কিংবদন্তি। তিনি প্রায় ৩০০টিরও বেশি যাত্রাপালায় অভিনয় করেছেন এবং ২০টি যাত্রা পরিচালনাও করেছেন।

নিউজ ট্যাগ: অরুণা বিশ্বাস

আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




পচন ধরছে পানে, চিন্তায় চাষিরা

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দিনাজপুর প্রতিনিধি 

দিনাজপুরের হাকিমপুরে পানের বরজে পচন রোগ দেখা দিয়েছে। এনিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পান চাষিরা। পানের ফলন ভালো হওয়া সত্ত্বেও রোগ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তারা।  চাষিদের অভিযোগ, রোগ নিয়ন্ত্রণে ওষুধ দিয়েও কোনো উপকার পাচ্ছেন না। তবে উপজেলা কৃষি দপ্তর বলছে, পচনসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন তারা।

সরেজমিনে উপজেলার ঘাসুরিয়া ও মাধবপাড়া গ্রামের কয়েকটি পানের বরজ ঘুরে দেখা যায়, এই অঞ্চলের মাটি পান চাষের জন্য উপযোগী। বর্তমান পান একটি লাভ জনক ফসল। তাই এই দুইটি গ্রামে গড়ে উঠেছে দেড় শতাধিক পানের বরজ। ওই এলাকার চাষিরা পান চাষ করেই আর্থিকভাবে সাবলম্বী হয়েছেন। চলতি বছর পানের ফলন ভালো হওয়ায় দামও ভালো পাচ্ছেন চাষিরা। কিন্তু কিছুদিন আগেই দেখা দিয়েছে পচন রোগ। এই রোগ ছোঁয়াছে রোগের মতো। যে বরজে দেখা দিচ্ছে, কয়েকদিনের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ছে তা অন্য বরজগুলোতে।

উপজেলার মাধবপাড়া গ্রামের পানচাষি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার দেড় বিঘা জমির উপর একটি পানের বরজ আছে। এই বরজটি আমার বাবা তৈরি করেছেন। বর্তমান আমি এই বরজের উপর ভর করে সংসার চালাই। বাজারে পানের দাম অনেক ভালো। তবে কিছুদিন আগে বরজে পচন রোগ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন ওষুধ স্প্রে করছি, তাতে কোনো ফল আসছে না। খুবি চিন্তায় আছি।

ঘাসুড়িয়া গ্রামের বরজ মালিক সাইদুর রহমান বলেন, হাটে বড় আকারের পান ১২০ টাকা বিরা বিক্রি করছি। পানের বরজই আমার হালগরু। আল্লাহ দিলে কয়েক বছর ধরে পানের দাম ভালো পাইছি, এবারও দাম ভাল আছে। কিন্তু হঠাৎ পানপাতা গাছে থাকতেই পচন রোগে আক্রমণ করেছে। বরজ নিয়ে খুবি আতঙ্কে আছি।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসার ড. মমতাজ সুলতানা বলেন, উপজেলার ৪০ হেক্টর জমিতে ১৫৬টি পানের বরজ রয়েছে। বরজগুলোর অধিকাংশই খট্রামাধবপাড়া ইউনিয়নের ঘাসুরিয়া ও মাধবপাড়া গ্রামে অবস্থিত। বরজগুলোতে পচন রোগ দেখা দিয়েছে। এই রোগ প্রতিরোধে বরজগুলোতে ছত্রাক নাশক অটোস্কীন, ম্যালছার, অক্সিক্লোবাইট ওষুধ স্প্রে করার পরামর্শ দিচ্ছি পান চাষিদের। 

নিউজ ট্যাগ: পানের বরজ

আরও খবর

যেভাবে উন্নত জাতের গাভি চিনবেন

সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২

বেশি ডিম দেওয়া মুরগি চেনার উপায়

সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২




ত্বক রুক্ষ হয়ে যাচ্ছে? হতে পারে কিডনির সমস্যা!

প্রকাশিত:শনিবার ০১ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের নানা লক্ষণ দেখলেই বোঝা যায় শরীরে কোনও রোগ বাসা বেঁধেছে কিনা। ঠিক তেমনই, কিডনিতে কোনও সমস্যা হলে তার লক্ষণও ফুটে ওঠে ত্বকে। কিডনির কাজ হল রক্ত থেকে সমস্ত টক্সিন এবং বর্জ্য অপসারণ করা। দেহের বর্জ্য পদার্থ পরিশুদ্ধ করার পাশাপাশি, শরীরে খনিজ লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সহায়তা করে কিডনি। কিন্তু অনেক সময় কিডনি রোগের উপসর্গগুলো এতটাই মৃদু হয় যে, অসুখ গভীর না হলে বুঝে ওঠা যায় না। তবে কিডনি রোগের কিছু লক্ষণ ফুটে উঠতে পারে ত্বকেও। আসুন জেনে নেওয়া যাক, ত্বকের কোন কোন লক্ষণগুলো দেখে বুঝবেন আপনি কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত...

ত্বক রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যাওয়া: শুষ্ক, রুক্ষ ত্বক কিডনির সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। কারণ কিডনি সঠিক ভাবে কাজ না করার ফলে ত্বকের ঘর্মগ্রন্থি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফলে টক্সিন জমে থেকে ত্বক শুকিয়ে যায়।

পিগমেন্টেশন: ত্বকের অতিরিক্ত দাগছোপ বা পিগমেন্টেশন কিডনির সমস্যার অন্যতম লক্ষণ হতে পারে। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে রক্ত ​​পরিষ্কার হয় না। যে কারণে ত্বকে দাগছোপ বা পিগমেন্টেশন এবং হলদেটে ছোপও দেখা দেয়।

ক্রমাগত চুলকানি: কিডনির সমস্যা থাকলে ত্বকে র‌্যাশ, লালচেভাব এবং চুলকানির মতো সমস্যা হতে পারে। রাতের বেলা চুলকানির সমস্যা আরও বাড়ে। ফলে ত্বকে আঁচড়ের দাগ পড়ে যায়।

ত্বকের রঙের পরিবর্তন: সঠিক ভাবে রক্ত পরিশ্রুত না হওয়ার কারণে ত্বকে টক্সিন জমা হয় এবং ত্বকের রঙের পরিবর্তন হয়। ত্বকের রঙ ধূসর অথবা হলদেটে হতে পারে, আবার অনেক সময় ত্বকে কালো বা সাদা দাগছোপও পড়তে পারে।

নিউজ ট্যাগ: কিডনি-লিভার

আরও খবর

করোনায় একজনের মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক থেকে বেরিয়ে গেলেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক থেকে বেরিয়ে গেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরভ। এর আগে পরিষদে নিজের ভাষণে ইউক্রেন ও তার মিত্ররা রুশ আগ্রাসন সম্পর্কে সম্পূর্ণ ভিন্ন বর্ণনা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। খবর দ্য গার্ডিয়ান ও সিএনএনের।।

নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে প্রায় ৯০ মিনিট দেরি করে প্রবেশ করেন ল্যাভরভ। দৃশ্যত নিজের বক্তব্য শেষ করেই দ্রুত সেখান থেকে চলে যাওয়ার পথ বেছে নেন তিনি।

ল্যাভরভের পর নিরাপত্তা পরিষদে ভাষণ দেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি। তিনি বলেন, তাঁর দেশ ইউক্রেনকে সর্বাত্মকভাবে সমর্থন দিয়ে যাবে। যতদিন সময় লাগে ততদিন পর্যন্ত এই সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

ক্লেভারলি বলেন, রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা আরোপকারীদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করেছে এবং প্রতিদিন রাশিয়ার আক্রমণের বিধ্বংসী পরিণতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক থেকে ল্যাভরভের বেরিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিনি অবাক হননি। তিনি বলেন, আমি মনে করি না মিস্টার ল্যাভরভ এই কাউন্সিলের সম্মিলিত নিন্দা শুনতে চান।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, যে আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আমরা এখানে জড়ো হয়েছি তা আমাদের চোখের সামনে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে জাতিসংঘ চার্টার, সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের অভিযোগ করেন।

এদিকে ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডকে একীভূত করতে কথিত গণভোটের বিষয়ে রাশিয়াকে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। বৃহস্পতিবার নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বিষয়টির অবতারণা করেন তিনি। পারমাণবিক সংঘাত নিয়ে আলোচনাকেও একেবারেই অগ্রহণযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

শুক্রবার থেকে রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ইউক্রেনের ডনেস্ক, লুহানস্ক, খেরসন, জাপোরিজ্জিয়া ও মাইকোলাইভের একাংশে গণভোট আয়োজন করবে মস্কোপন্থীরা। ধারণা করা হচ্ছে, এর ফল রাশিয়ার পক্ষে যাবে। এতে কোনও স্বাধীন পর্যবেক্ষক থাকবে না। পশ্চিমা দেশগুলো ও ইউক্রেন এই গণভোটকে লজ্জা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২