Logo
শিরোনাম

ইতিহাসের কলঙ্কিত সেই ভয়াল ২৫ মার্চ আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৭৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস। মানবসভ্যতার ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত হত্যাযজ্ঞের দিন। একাত্তরের অগ্নিঝরা ২৫শে মার্চে বাঙালির জীবনে নেমে আসে নৃশংস, বীভত্স, ভয়ংকর ও বিভীষিকাময় এক কালরাত। এই রাতে বর্বর পাকিস্তানি বাহিনী অপারেশন সার্চলাইট নামে স্বাধীনতাকামী বাঙালির ওপর হিংস্র দানবের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আর এদিন বাঙালি জাতি তথা বিশ্ববাসী প্রত্যক্ষ করেছিল ইতিহাসের এক নৃশংস বর্বরতা। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়ার পর থেকেই দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

এবার মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে জাতির জীবনে ভয়াল ২৫শে মার্চ কালরাত এসেছে এক অন্যরকম আবহে। কী ঘটেছিল সেই রাতে? তখনো কেউ জানে না কী ভয়ংকর, নৃশংস ও বিভীষিকাময় রাত আসছে বাঙালির জীবনে। ব্যস্ত শহর ঢাকা প্রস্তুতি নিচ্ছিল ঘুমের। রাত সাড়ে ১১টায় ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হলো হনন-উদ্যত নরঘাতক কাপুরুষ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। ছড়িয়ে পড়ল শহরময়। আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে গর্জে উঠল অত্যাধুনিক রাইফেল, মেশিনগান ও মর্টার। নিরীহ মানুষের আর্তনাদে ভারী হলো রাতের বাতাস। মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণের মাধ্যমে পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী নিরস্ত্র ও ঘুমন্ত বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। শুরু হলো বর্বরোচিত নিধনযজ্ঞ আর ধ্বংসের উন্মত্ত তাণ্ডব। হকচকিত বাঙালি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঢলে পড়ল মৃত্যুর কোলে। মধ্যরাতে ঢাকা পরিণত হয় লাশের শহরে। রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা ইপিআর সদর দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, নীলক্ষেতসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে তারা বাঙালি নিধন শুরু করে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে থাকা গণমাধ্যমও সেদিন রেহাই পায়নি জল্লাদ ইয়াহিয়ার পরিকল্পনা থেকে। পাকিস্তানি হানাদারেরা সেই রাতে অগ্নিসংযোগ করে, মর্টার শেল ছুড়ে একে একে দৈনিক ইত্তেফাক, দৈনিক সংবাদ, জাতীয় প্রেসক্লাব ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে। এ হামলায় জীবন দিতে হয় বেশ কয়েক জন গণমাধ্যমকর্মীকেও। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাও জান্তাদের কালো থাবা থেকে রক্ষা পাননি। ড. গোবিন্দচন্দ্র দেব, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, ড. মনিরুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের ৯ জন শিক্ষককে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়।

এদিকে ২৫শে মার্চ রাত সোয়া ১টার দিকে একদল সৈন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে অবস্থিত বাড়ির দিকে এগিয়ে যায়। তারা গুলি ছুড়তে ছুড়তে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। তখন বঙ্গবন্ধু বীরের মতো দোতলার ঝুল বারান্দায় এসে দাঁড়ান। রাত ১টা ২৫ মিনিটের দিকে বাঙালির স্বাধীনতার স্বপ্নকে চিরতরে নস্যাতের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় হায়েনার দল। অবশ্য গ্রেফতার হওয়ার আগেই ২৫শে মার্চ মধ্যরাতের পর, অর্থাত্ ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু তত্কালীন ইপিআরের ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুর এই স্বাধীনতা ঘোষণার ভিত্তিতেই ২৬শে মার্চ বাংলাদেশে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী : গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করার মধ্য দিয়েই আমরা একাত্তরের গণহত্যায় জীবনদানকারী প্রতিটি প্রাণের প্রতি জানাতে পারি আমাদের চিরন্তন শ্রদ্ধাঞ্জলি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ৭১-এর ২৫শে মার্চের কালরাতে আত্মোত্সর্গকারী শহিদদের স্মরণ করছি, যাদের তাজা রক্তের শপথ বীর বাঙালিকে অস্ত্র ধারণ করে স্বাধীনতা অর্জন না করা পর্যন্ত জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাই আসুন আমরা প্রতিজ্ঞা করি, প্রয়োজনে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে হলেও ৩০ লাখ শহিদ ও ২ লাখ নির্যাতিত মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখব।

জেপির বিবৃতি :জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি এবং দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম দিবসটি উপলক্ষ্যে গতকাল এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইট নামে পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বাঙালি জাতিসত্তাকে সমূলে বিনাশের জন্য এক জঘন্য ও বর্বরতম গণহত্যার মাধ্যমে পৃথিবীর ইতিহাসে সংযোজন করেছিল এক কালো অধ্যায়ের। ২৫শে মার্চ শাহাদত বরণকারীদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ, বাঙালি জাতিকে গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনতে অনুপ্রাণিত করেছিল। বীরের সেই রক্তস্রোত এবং মায়ের অশ্রু বৃথা যায়নি। আমরা আমাদের মুক্তিসংগ্রামের সেই সব শহিদকে আজ গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র ভালোবাসায় স্মরণ করছি।

কর্মসূচি :দিবসটি উপলক্ষ্যে রাজধানীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন কালরাত স্মরণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছেআজ ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে সংযুক্ত থাকবেন (ভার্চুয়ালি) দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। এছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহ সারা দেশে অনুরূপ কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কালরাতে শাহাদতবরণকারী শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দেশের সব মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।


আরও খবর



প্রতি ফোঁটা রক্তের বদলা নেয়া হবে: বাবুনগরী

প্রকাশিত:শনিবার ২৭ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
তৌহিদী জনতার এ আন্দোলন দেশ কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে ছিল না। এই আন্দোলন ছিল মুসলমানদের রক্তখেকো, বাবরি মসজিদ ধ্বংসকারী মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে নেতাকর্মীদের নিহত-আহত হওয়ার ঘটনায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী। বলেছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত তৌহিদী জনতার প্রতি ফোঁটা রক্তের বদলা নেয়া হবে। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তিনি। শনিবার (২৭ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন বাবুনগরী।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি নরেন্দ্র মোদির আগমনের প্রতিবাদে ডাকা বিক্ষোভে হামলায় নেতাকর্মী নিহত ও আহত হওয়ার প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের ডাকে শনিবার (২৭ মার্চ) সারাদেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এবং আগামীকাল রবিবার সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে হরতাল কর্মসূচি পালন করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বাবুনগরী বলেন, ভারতের কসাই মোদির আগমনের প্রতিবাদে গতকাল (শুক্রবার) ঢাকার বায়তুল মোকাররম, যাত্রাবাড়ী, চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ব্রাক্ষণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনরত তৌহিদী জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করে আনুমানিক ছয়জনকে শহীদ করা হয়েছে এবং গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে প্রায় ৪০০ প্রতিবাদী তৌহিদী জনতাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে এভাবে পুলিশের গুলিবর্ষণের ন্যাক্কারজনক ঘটনা কখনো মেনে নেয়া যায় না। কার নির্দেশে নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্রদেরকে এভাবে হামলা ও শহীদ করা হলো, এর জবাব প্রশাসনকে অবশ্যই দিতে হবে এবং অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

হেফাজতের আমির বলেন, তৌহিদী জনতার এ আন্দোলন দেশ কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে ছিল না। এই আন্দোলন ছিল মুসলমানদের রক্তখেকো, বাবরি মসজিদ ধ্বংসকারী মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে। এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে তৌহিদি জনতার ওপর পুলিশের এমন বর্বরোচিত হামলা বরদাশত করা যায় না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রামের হাটহাজারীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় মোদির আগমনের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন তৌহিদি জনতা। বিভিন্ন জায়গায় আন্দোলনরতের ওপর হামলার সংবাদ পাওয়া গেছে। হাটহাজারীতে আমার কলিজার টুকরা চারজন ভাইকে শহীদ করেছে পুলিশ। শহীদদের গা থেকে ঝরা এ রক্ত কভু বৃথা যেতে দেয়া হবে না। পুলিশের গুলিতে নিহত তৌহিদী জনতার প্রতি ফোঁটা রক্তের বদলা নেয়া হবে।

মোদির আগমনের কারণেই বাংলাদেশে রক্ত ঝরেছে উল্লেখ করে তিন বলেন, অনতিবিলম্বে মোদিকে বাংলাদেশ ছাড়তে হবে। ৯০ শতাংশ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশে মুসলমানদের খুনি মোদি থাকতে পারবেন না।

হেফাজত নেতা বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় যারা শহীদ হয়েছেন আমি তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করছি। শহীদেরকে আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে উঁচু মাকাম দান করুন। এবং পুলিশের গুলিতে নিহতদের ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে সরকার, প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।


আরও খবর



হরতালের প্রভাব নেই রাজধানীর ফার্মগেট-কারওয়ান বাজারে

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালের প্রভাব নেই রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও ফার্মগেট এলাকায়। রোববার (২৮ মার্চ) সকাল ১০টা পর্যন্ত এ এলাকায় তাদের নেতাকর্মী বা সমর্থকদের দেখা যায়নি। সড়কে যানবাহন চলাচলও রয়েছে স্বাভাবিক।

কাওরান বাজার ও ফার্মগেট এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি, মোটরসাইকেলসহ সবধরনের যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কারওয়ান বাজারের কাঁচাবাজারে মানুষের ভিড়। এছাড়া কর্মজীবী মানুষ অফিস বা কাজের জন্য বের হওয়াসহ যাবতীয় কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

সড়কে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। তবে মাঠে নামতে দেখা যায়নি হেফাজতে ইসলামের সমর্থক বা নেতাকর্মীদের। এ এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

রাজধানীতে সকাল থেকেই রিকশা চালাচ্ছেন রতন মিয়া। ফার্মগেট মোড়ে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, সকাল থেকেই আমি রিকশা চালাচ্ছি। হরতালের সমর্থনে কোথাও কোনো গণ্ডগোল দেখিনি। হেফাজতের কোনো নেতাকর্মীও তো দেখলাম না।

ফার্মগেটের কাপড় বিক্রেতা মো. আরিফ বলেন, আজ যে হরতাল হচ্ছে, তা বোঝা যাচ্ছে না। হরতাল পালন কেডা করব, ওই ঘোষণা দেয়া পর্যন্তই।

নিউজ ট্যাগ: হরতাল

আরও খবর

লকডাউনেও ট্রাফিক জ্যাম

মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১




সাতক্ষীরা সদর থানার ওসিকে স্ট্যান্ড রিলিজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সাতক্ষীরা সদর থানার তদন্ত ওসি বোরহান তাৎক্ষণিক বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাকে বদলি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি দায়িত্ব বুঝে দিয়েছেন

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে তাকে সিআইডি, ঢাকাতে যোগদান করতে বলা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি তদন্ত বোরহানের কাছে দায়িত্বভার বুঝেও দিয়েছেন। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের একাধিক সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়। ঢাকার সিআইডিতে তাকে যোগদান করতে বলা হয়। ওসি আসাদুজ্জামান পুলিশ সদর দফতরের আদেশ পাওয়ার পর সদর থানার দায়িত্ব বুঝে দিয়েছেন বলে সূত্র জানায়।

সাতক্ষীরা সদর থানার তদন্ত ওসি বোরহান তাৎক্ষণিক বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ সদর দফতরের এক আদেশে তাকে বদলি করা হয়েছে। ইতোমধ্যে তিনি দায়িত্ব বুঝে দিয়েছেন। ঢাকা সিআইডিতে তাকে যোগদান করতে বলা হয়েছে। তবে কী অভিযোগে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে তা তিনি বলতে পারেননি।

গত বছর ২১ মার্চ আসাদুজ্জামান সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এক বছরের মাথায় তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হলো।

নিউজ ট্যাগ: সাতক্ষীরা

আরও খবর



দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত ৩৫৫৪, মৃত্যু ১৮

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৫৫৪ জন। এর আগে সর্বশেষ গত ১৫ জুলাই একদিনে শনাক্ত ছিল তিন হাজার ৫৩৩ জন। এরপর গত আট মাসে একদিনে সাড়ে তিন হাজার অতিক্রম করেনি করোনা শনাক্ত। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে তিন হাজার ৫৫৪ জন এবং মারা গেছেন ১৮ জন। দেশে এখন পর্যন্ত শনাক্ত পাঁচ লাখ ৭৭ হাজার ২৪১ জন। সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন আট হাজার ৭৩৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয় ২৬ হাজার ৩৫৭টি। অ্যান্টিজেন টেস্টসহ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৫ হাজার ৯৫৪টি। এখন পর্যন্ত ৪৪ লাখ ৬০ হাজার ১৮৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৮৩৫ জন। এখন পর্যন্ত সুস্থ পাঁচ লাখ ২৫ হাজার ৯৯৪ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর আরও জানায়, শনাক্ত বিবেচনায় গত ২৪ ঘণ্টায় প্রতি ১০০ নমুনায় ১৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ এবং এখন পর্যন্ত ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত বিবেচনায় প্রতি ১০০ জনে সুস্থ হয়েছে ৯১ দশমিক ১২ শতাংশ এবং মারা গেছের ১ দশমিক ৫১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ এবং নারী ছয় জন। এখন পর্যন্ত পুরুষ ছয় হাজার ৬০৭ জন এবং নারী মৃত্যুবরণ করেছেন দুই হাজার ১৩১ জন।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায় যায়, ৬০ বছরের ওপর ১০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ছয় জন এবং ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দুই জন মারা গেছেন।

বিভাগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন ১৪ জন, চট্টগ্রামে তিন জন এবং রংপুরে একজন।

২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৭ জন এবং একজন বাড়িতে মারা গেছেন।


আরও খবর



জামিন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার চেয়ে ইরফান সেলিমের আবেদন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

 নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর করার ঘটনায় হওয়া মামলায় জামিন স্থগিত করে দেওয়া আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন করেছেন ঢাকা-৭ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম।

আবেদনটি শুনানির জন্য আদালতে আগামী বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) কার্যতালিকায় থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আজ মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) আবেদনটি তালিকাভুক্তির এ আদেশ দিয়েছেন।

আদালতে ইরফান সেলিমের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আবদুল বাসেত মজুমদার ও সাঈদ আহমেদ রাজা। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ।

নিউজ ট্যাগ: ইরফান সেলিম

আরও খবর