Logo
শিরোনাম

ইউক্রেনে রাশিয়ার ৬ হাজার সৈন্য নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ সেপ্টেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রায় সাত মাস ধরে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার এখন পর্যন্ত ৬ হাজার সৈন্য নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মস্কো। বুধবার প্রথমবারের মতো ইউক্রেন সংঘাতে সৈন্যদের প্রাণহানির ব্যাপারে তথ্য প্রকাশ করেছে রাশিয়া। বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, ইউক্রেনে সামরিক অভিযানে সহায়তায় রাশিয়া রিজার্ভে থাকা আরও তিন লাখ সৈন্যকে মোতায়েন করবে।

এ সময় তিনি বলেন, সংঘাত শুরুর সময় থেকে এখন পর্যন্ত রাশিয়ার ৫ হাজার ৯৩৭ জন সৈন্য নিহত হয়েছেন। এদিকে, বুধবার জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ভাষণে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, পশ্চিমা বিশ্ব যদি পারমাণবিক ব্ল্যাকমেইল অব্যাহত রাখে তাহলে বিপুল অস্ত্রভাণ্ডারের পুরো শক্তি ব্যবহার করে রাশিয়া প্রতিক্রিয়া দেখাবে।যদি আমাদের আঞ্চলিক অখণ্ডতা হুমকির মুখোমুখি হয়, তাহলে আমাদের জনগণকে রক্ষার জন্য সম্ভাব্য সব উপায়ের ব্যবহার করবো। এটা কোনও ধাপ্পাবাজি নয়। রাশিয়ার কাছে জবাব দেওয়ার মতো বিপুল অস্ত্র আছে। কেবল ইউক্রেন নয়, বরং তার পশ্চিমা সমর্থকদের বিরুদ্ধেও যুদ্ধ জয়ের জন্য অতিরিক্ত জনবলের প্রয়োজন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো রিজার্ভ সৈন্যদের ফের সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, রিজার্ভ বাহিনীর আংশিক সমাবেশে তিন লাখ সৈন্যকে ডাকা হবে এবং যাদের পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা আছে তাদের মোতায়েন করা হবে। রাশিয়া সাত মাসের যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে বলে কিয়েভ এবং পশ্চিমা দেশগুলো যে দাবি করেছে, তা প্রত্যাখ্যান করেছেন  শোইগু। তিনি বলেছেন, রাশিয়ার আহত সৈন্যদের প্রায় ৯০ শতাংশই যুদ্ধের সম্মুখসারিতে আবার ফিরে গেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধে নিজ সৈন্যদের প্রাণহানির ব্যাপারে রাশিয়া প্রথম পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছিল গত ২৫ মার্চ। যুদ্ধে তখন পর্যন্ত তাদের ১ হাজার ৩৫১ সৈন্য নিহত হয়েছেন বলে ওই দিন মস্কো জানিয়েছিল।

তবে গত আগস্টে পেন্টাগন বলেছিল, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার সৈন্য নিহত অথবা আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। জুলাইয়ে রাশিয়ার সৈন্যদের প্রাণহানির সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার হতে পারে বলে জানিয়েছিল পেন্টাগন।

শোইগু বলেছেন, রাশিয়ার আড়াই কোটি সম্ভাব্য যোদ্ধা রয়েছে। বুধবার পুতিন রিজার্ভে থাকা সৈন্যদের সামরিক বাহিনী ডাক দেওয়ার  নির্দেশ দেওয়ার পরপরই একটি ডিক্রি জারি করা হয়েছে। ক্রেমলিনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সেই ডিক্রিতে বলা হয়েছে, কেবল সামরিক বাহিনীতে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে এমন যোদ্ধাদের পুনরায় নিয়োগ করা হবে। এর মানে প্রায় ৩ লাখ সৈন্য রয়েছেন। ইউক্রেনে মোতায়েন করার আগে রিজার্ভে থাকা সৈন্যদের অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




কবুতর রোগাক্রান্ত হলে শুরুতে যা করবেন

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশে বাণিজ্যিকভাবে কবুতর পালন হয়ে আসছে। দেশের বেকার সমস্যা দূর করতে কবুতর পালনের অনেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে কবুতর পালন করতে গিয়ে শুরুতেই অনেকে ভুল করে ফেলেন। ফলে প্রত্যাশিত সফলতা লাভ করতে পারেন না। তাই কবুতর পালনের প্রাথমিক বিষয়গুলো জেনে নিতে হবে। এসব বিষয়ের মধ্যে রয়েছে কবুতর রোগে আক্রান্ত হলে প্রাথমিকভাবে কি করতে হবে সেসব বিষয় সম্পর্কে জেনে নেওয়া।

একটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখা গেছে যারা কবুতর পালন করেন তারা প্রাথমিক অবস্থায় এর রোগ এবং তার প্রতিকার সম্পর্কে খুব একটা জ্ঞান রাখেন না। অথচ সামান্য একটু বিচক্ষণতার পরিচয় দিলে আপনি নিজের প্রিয় কবুতরটিকে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা দিয়ে সারিয়ে তুলতে পারেন।

কবুতর রোগাক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে স্যালাইন (ইলেক্ট্রোমিন) এবং রাইস স্যালাইন (কলেরা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহারযোগ্য যেকোন রাইস স্যালাইন) এই দুটি ওষুধ খাওয়াতে হবে। এগুলো খুবই স্বল্প মূল্যের সাধারণ ঔষধ। এতে কবুতর দ্রুত সেরে উঠবে। কবুতর পালনের প্রথম দিন থেকেই, কবুতরের সঙ্গী হিসেবে এই দুটি জিনিস বাড়িতে নিয়ে আসা উচিত।

কবুতরের ড্রপিংস পাতলা হলে, খাবার হজম না হলে, কবুতর না খেলে, বা খাবারের পর বমি করে খাবার ফেলে দিলে এবং এর সঙ্গে যখন তার মাঝে ঝিমুনির ভাব দেখা দেবে তখন রোগ সনাক্ত করে চিকিৎসার জন্য চেষ্টার শুরুতে কবুতরকে রাইস স্যালাইন খাইয়ে দিয়ে হবে। অসুস্থতা দেখা দিলেই আগে আপনার কবুতরকে খাবার দিতে হবে। কবুতরের পানি শূন্যতা যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খাবার পেলে কবুতর রোগের বিরুদ্ধে টিকে থাকবার জন্য হলেও শক্তি পাবে।

এবার জেনে নিন কবুতরকে খাবার স্যালাইন দিতে হবে যে পদ্ধতিতে- ১০ মিলি কুসুম গরম পানিতে ১ গ্রাম রাইস স্যালাইন মিশিয়ে সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিতে হবে। দিনে ৩ থেকে ৪ বার। অথবা ২ ঘণ্টা পরপর স্যালাইন দিতে হবে। অন্যদিকে ৫ মিলি কুসুম গরম পানিতে ১ গ্রাম রাইস স্যালাইন দিতে হবে। এভাবে যত্ন নিলে রোগাক্রান্ত কবুতর দ্রুত সেরে উঠবে।

নিউজ ট্যাগ: কবুতর

আরও খবর

যেভাবে উন্নত জাতের গাভি চিনবেন

সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২

বেশি ডিম দেওয়া মুরগি চেনার উপায়

সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২




উলভারিন চরিত্রে ফিরছেন হিউ জ্যাকম্যান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উলভারিন চরিত্রে ফিরছেন অভিনেতা হিউ জ্যাকম্যান। ডেডপুল ৩ সিনেমাতে হবে তাঁর রাজকীয় প্রত্যাবর্তন। খবরটি জানিয়েছেন সিনেমার অন্যতম প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার রায়ান রেনল্ডস। উলভারিন জ্যাকম্যানের প্রত্যাবর্তনের খবর পেয়ে উচ্ছ্বসিত মার্ভেল-প্রেমীরা।

রায়ান জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাবে ডেডপুল ৩। এই সিনেমাতে যে জ্যাকম্যানকে উলভারিনের চরিত্রে দেখা যাবে, তা নিয়ে প্রযোজক নিজেও উচ্ছ্বসিত। টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি। নাটকীয়ভাবে সেই ভিডিওতেই সুখবরটি দেওয়া হয়েছে। রায়ান লিখেছেন, এই বড় খবরটা আমি আর চেপে রাখতে পারলাম না।

উলভারিন চরিত্রে জ্যাকম্যানের প্রত্যাবর্তন বহু প্রতীক্ষিত। ভক্তরা অধীর আগ্রহে ছিলেন এই খবরের জন্য। ভিডিওতে প্রথমে জ্যাকম্যানকে নিয়ে বেশ খানিকটা ভণিতা করেছেন রায়ান। পরে দেখা যায়, পিছনে হাজির হয়েছেন জ্যাকম্যান। সরাসরি জ্যাকম্যানের কাছেই রায়ান জানতে চান, তিনি উলভারিন চরিত্রে আরও এক বার দেখা দিতে চান কি না। জ্যাকম্যান রাজি হন।

২০১৭ সালের লোগান সিনেমাতে শেষ বার জ্যাকম্যানকে উলভারিন হিসাবে দেখা যায়। সিনেমার শেষে মৃত্যু হয়েছিল উলভারিনের। পাঁচ বছর পর ফের চেনা চরিত্রে ফিরছেন হলিউড তারকা। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল। জ্যাকম্যানকে ফের উলভারিন হিসাবে দেখা যেতে পারে বলে অনেকেই ভাবছিলেন।

নিউজ ট্যাগ: হিউ জ্যাকম্যান

আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




অপুকে ডিভোর্সের ১৪৮ দিন পর বুবলীকে কবুল বলেন শাকিব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঢালিউড তারকা শাকিব খান সাবেক স্ত্রী অপু বিশ্বাস সন্তানের খবর প্রকাশ্যে নিয়ে আসায় ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন। ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এই দম্পতির বিচ্ছেদ হয়।

এরপর ২০১৮ সালের ২০ জুলাই বিয়ে করেন আরেক চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীকে। গুঞ্জন ছিল, বুবলীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকায় শাকিবের ঘরে নিজের সন্তান থাকার সংবাদ প্রকাশ্যে আনেন অপু। সেই হিসাবে অপুকে ডিভোর্সের ১৪৮ দিন পর বুবলীকে বিয়ে করেন শাকিব। আর সেই খবর বুবলী প্রকাশ্যে এনেছেন আজ; ১৫৩৬ দিন পর।

চিত্রনায়ক শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী দুজনই সম্প্রতি অভিন্ন ভাষায় নিজেদের সন্তানের খবর ও ছবি প্রকাশ করেছেন। যদিও বিয়ে ও এ সংক্রান্ত অন্য কোনও তথ্য দেননি তাঁরা।

 এবার সেই বিয়ের তারিখ ঘোষণা দিয়েছেন চিত্রনায়িকা। এক ফেসবুক পোস্টে বুবলী শাকিবের সঙ্গে ছবি শেয়ার করে জানিয়েছেন, ২০১৮ সালে তাঁদের বিয়ে হয়েছে। তারিখ-মাসে সেটা ২০ জুলাই।

 সন্তানের জন্মের দিন আর বিয়ের দিনকে এখন পর্যন্ত জীবনের স্মরণীয় দুটো তারিখ জানিয়ে নিজেদের জন্য দোয়া চেয়েছেন বুবলী।

 চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে বীর’ সিনেমার শুটের সময় ঢালিউড উত্তাল ছিল চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর মা হতে যাচ্ছেন এমন গুঞ্জনে। সেই গুঞ্জন এত দিনে সত্যি হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) শাকিব খান ও শবনম বুবলী নিজেরাই স্বীকার করেছেন, তাঁদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে, নাম শেহজাদ খান বীর।

নিউজ ট্যাগ: শাকিব খান

আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




কোহলির অপেক্ষার অবসান : ভারতের বড় জয়

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিরাট কোহলির অপেক্ষার অবসান হয়েছে। তিন বছর পর তিনি পেয়েছেন সেঞ্চুরির দেখা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরিও এটিই। ভারতও পেয়েছে বড় জয়। কিন্তু তবুও তাদের ফিরতে হচ্ছে দেশে। গতকাল রাতে পাকিস্তানের জয়ই নিশ্চিত করে দিয়েছে সেটি।

এশিয়া কাপের ম্যাচে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১০১ রানে জিতেছে ভারত। আগে ব্যাট করতে নেমে কোহলির সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ২ উইকেট হারিয়ে ২১৩ রানের লক্ষ্য দেয় তারা। জবাব দিতে নেমে ৮ উইকেটে ১১১ রানের বেশি করতে পারেনি আফগানিস্তান। 

টস হেরে ভারত ব্যাট করতে নামে লোকেশ রাহুলের নেতৃত্বে। নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মার অনুপুস্থিতিতে ইনিংস উদ্বোধনে তার সঙ্গে আসেন কোহলি। তাতেই বাজিমাত করেছেন। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষ করে সেঞ্চুরি পেয়েছেন তিনি। 

৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরি করতে কোহলি খেলেছেন ৫৩ বল। অর্থাৎ পরের পঞ্চাশ রান তিনি করেছেন ২১ বলে। শেষ অবধি ৬১ বলের ইনিংসটি ১২ চার ও ৬ ছক্কায় থেমেছে ১২২ রানে। 

হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন লোকেশ রাহুলও। ৪১ বলে ৬২ রান করে তিনি অবশ্য আউট হয়ে গেছেন ফরিদ আহমেদের বলে। আউট হওয়া আরেক ব্যাটার সূর্য কুমার যাদবও (২ বলে ৬) শিকার ফরিদের। এছাড়া ১৬ বলে ২০ রানে অপরাজিত থেকেছেন ঋষভ পন্থ। 

জবাব দিতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে আফগানিস্তান। দুই ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ফিরেছেন শূন্য রানে। তাদের হয়ে একাই লড়েছেন ইব্রাহিম জাদরান। শেষ অবধি অপরাজিত থাকা এই ব্যাটার করেছেন ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫৯ বল খেলে ৬৪ রান। 

দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে ১০নম্বরে খেলতে নামা মুজিব উর রহমানের ব্যাটে। ১৩ বলে ১৮ রান করেছেন তিনি। এছাড়া দুই অঙ্ক পাড় করতে পারা রশিদ খান করেছেন ১৫ রান। ভারতের হয়ে ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে এক মেডেনসহ ৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর।


আরও খবর

হার দিয়ে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২

১৬৮ রানের লক্ষ্য পেল বাংলাদেশ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




বাংলাদেশের ইলিশ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত একযুগে দেশে ইলিশ আহরণ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২২ বাস্তবায়ন উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী একথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ইলিশের উৎপাদনে একসময় খারাপ অবস্থা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা, ইলিশ সমৃদ্ধির জন্য সুনির্দিষ্ট গবেষণা ও বর্তমান সরকারের গৃহিত ব্যবস্থাপনায় ইলিশের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে গত ১২ বছরে ইলিশ আহরণ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ইলিশ আহরণ ছিল ২ দশমিক ৯৮ লাখ মেট্রিক টন। ২০২০-২১ অর্থবছরে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ দশমিক ৬৫ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, ইলিশের উৎপাদন ক্রমান্বয়ে এমনভাবে বৃদ্ধি পাবে যে প্রান্তিক পর্যায় থেকে শুরু করে সর্বত্র মানুষ ইলিশের স্বাদ গ্রহণ করতে পারবে। ইলিশের উৎপাদন ব্যাপক আকারে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে গণমাধ্যমেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অত্যন্ত সুস্বাদু এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ও আবেগের মাছ ইলিশ। ইলিশের জিআই সনদ বাংলাদেশের। পৃথিবীতে মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশ আমাদের দেশে উৎপাদন হয়। সরকারের কঠোর ব্যবস্থাপনা, ইলিশের জন্য অভয়াশ্রম তৈরি, মা ইলিশ ধরতে না দেওয়া, জাটকা আহরণ বন্ধ রাখা এবং ইলিশ যেখানে ডিম দেয় সে জায়গায় উপযোগী পরিবেশ রক্ষার ফলে ইলিশের উৎপাদন এভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইলিশ আহরণ বন্ধ রাখাকালে ইলিশ আহরণে সম্পৃক্ত মৎসীজীবীদের যাতে কোন ক্ষতি না হয়, সেজন্য তাদের সরকার চাল দেয়, বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সহযোগিতা দেয়। মা ইলিশ অথবা ছোট ছোট ইলিশ ধরলে ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে না। সেক্ষেত্রে ইলিশ আহরণকারী জেলেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দেশের মানুষ ইলিশ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হবে, রপ্তানি পণ্যের ক্ষতি হবে এবং নিষেধাজ্ঞার সময় ইলিশ ধরতে যাওয়া অসাধু ব্যক্তিরা নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এজন্য স্থানীয়ভাবে সচেতন করা, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়াসহ নানাভাবে সরকার জেলেদের মা ইলিশ ও জাটকা আহরণ থেকে বিরত রাখে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কেউ মাছ আহরণ করে কী না সেটা বিমানবাহিনীর মাধ্যমে আকাশপথে মনিটর করা হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তর সম্মিলিতভাবে কাজ করবে। নৌ পাহারা, আকাশ পথে পাহারা ও স্থলপথে পাহারা দেওয়া হবে। মা ইলিশ ধরা বন্ধ রাখতে কোথাও কোথাও বরফকল বন্ধ রাখা হবে। নিষেধাজ্ঞার সময় যারা আইন অমান্যের অপরাধ করবে তাদের তাৎক্ষণিক সাজা প্রদানে মোবাইল কোর্টের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া অবৈধভাবে মাছ আহরণ করা যানবাহন জব্দ করা, প্রয়োজনে সেগুলো বাজেয়াপ্ত করা, মা ইলিশ ধরা থেকে বিরত রাখতে মৎসীজীবীদের উৎসাহিত করাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে মা ইলিশ সংরক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

সাংবাদিকদের মন্ত্রী আরও জানান, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সহজ-সরল জেলেদের যানবাহনে নিয়ে বন্ধকালে মাছ ধরার চেষ্টা করে। সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। যারা অবৈধ জাল তৈরি করে আহরণ বন্ধকালে জাটকা অথবা মা ইলিশ ধরে তাদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেয়। এমনকি জাল তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে বেআইনি জাল উদ্ধার করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু ইলিশ বিদেশে রপ্তানি করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত ইলিশ রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ৩৫২ মেট্রিক টন। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয়েছে ১ কোটি ৩৬ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৪১ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। এই মুহূর্তে দেশের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। ইলিশ বৃদ্ধি না পেলে আমরা  রপ্তানি করে এ বৈদেশিক মুদ্রা আনতে পারতাম না।

মন্ত্রী যোগ করেন, জলবায়ুর পরিবর্তন, নদীর স্রোত ও পরিবেশের সঙ্গে ইলিশ সম্পৃক্ত। বৈরী পরিবেশ, অসাধুভাবে বালু উত্তোলন, নদী ভাঙ্গন, নদীর পানি দূষণসহ নানা কারণে মা ইলিশের প্রজনন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সরকার নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বিধায় বর্তমানে ইলিশের বিস্তৃতি অনেক বেড়েছে। এখন ছোট নদীসহ অনেক দুর্লভ জায়গায় ইলিশ পাওয়া যায়। মা ইলিশ আহরণে বিরত থাকা মৎস্যজীবীদের অতীতে পরিবার প্রতি ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হতো। এ বছর এটি ২৫ কেজিতে উন্নীত করা হয়েছে। এবার দেশের ৩৭ জেলার ১৫৫টি উপজেলায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮৭ টি জেলে পরিবারকে ১৩ হাজার ৮৭২ মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে এর পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মা ইলিশ আহরণ বন্ধকালে আমাদের জলসীমায় নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, নৌপুলিশসহ মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে। মিয়ানমার অথবা অন্য কোন দেশের কেউ এসে আমাদের ভৌগলিক এলাকায় মৎস্য আহরণের কোন সুযোগ নেই। যদি কেউ লুকিয়ে এ ধরনের পদক্ষেপ নিতে চায় আমরা তাদের গ্রেফতার করবো। এ ব্যাপারে আমরা কঠোরভাবে নজরদারি করছি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল কাইয়ূম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, প্রতিবছরের ন্যয় এবছরও ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৭ হতে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও বিনিময় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: শ ম রেজাউল করিম

আরও খবর