
ইউরো কাপের শেষ
ষোল থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। তবে দলটির সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দারুণ
সাফল্য পেয়েছেন। তিনি জিতেছেন গোল্ডেন বুট। অথচ ইউরোর সেরা একাদশে জায়গা হয়নি পর্তুগাল
অধিনায়কের।
এই দলে বেশি জায়গা
পেয়েছেন ইতালি ও ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা। বেলজিয়ামের লুকাকু জায়গা পেয়েছেন উয়েফার সেরা
একাদশে।
ইতালির চ্যাম্পিয়ন
হওয়ার পিছনে বড় অবদান গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোনারুমার। তাঁকে গোলরক্ষকে দায়িত্বে রাখা
হয়েছে। ইতালির ডিফেন্ডার লিওনার্দো বোনুচ্চি ও লিওনার্দো স্পিনাজ্জোলা। তাঁরা আছেন
এই দলে।
স্পেনের একমাত্র
প্রতিনিধি হিসাবে আছেন তরুণ মিডফিল্ডার পেদ্রি। ইতালির আক্রমণভাগে দারুণ উজ্জ্বল ফেদেরিকো
কিয়েজা। এছাড়াও দলে আছেন কাইল ওয়াকার ও হ্যারি ম্যাগুইয়ার।
রোনালদো এবারের
ইউরোতে চার ম্যাচে পাঁচ গোল করেছেন এবং একটি গোলে পাস দিয়েছেন। চেক প্রজাতন্ত্রের প্যাট্রিকও
পাঁচ গোল করেন, তবে পর্তুগীজ তারকা অ্যাসিস্টের নিরিখেই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা
হন, গোল্ডেন বুট জেতেন। তারপরও ইউরোর সেরা একাদশে জায়গা হয়নি তাঁর।
ইউরো ২০২০ একাদশ:
গোলকিপার: জিয়ানলুইজি
দোন্নারুমা (ইতালি)।
ডিফেন্ডার: কাইল
ওয়াকার (ইংল্যান্ড), লিওনার্দো বোনুচ্চি (ইতালি), হ্যারি ম্যাগুয়ার (ইংল্যান্ড) ও লিওনার্দো
স্পিনাৎসোলা (ইতালি)।
মিডফিল্ডার: পিয়ের-এমিল
হইবিয়া (ডেনমার্ক), পেদ্রি (স্পেন) ও জর্জিনিও (ইতালি)।
ফরোয়ার্ড: ফেদেরিক
কিয়েসা (ইতালি), রোমেলু লুকাকু (বেলজিয়াম) ও রাহিম স্টার্লিং (ইংল্যান্ড)।

