Logo
শিরোনাম

ইউটিউবার হওয়ার ঝোঁক বাড়ছে ছোটদের মধ্যে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইন্টারনেট ও মোবাইল। নয়া প্রজন্মের এই দুই অপরিহার্য জিনিসকে হাতিয়ার করে বিশ্ব জুড়ে বিনোদনের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছে ইউটিউব। ক্রমশ লাফিয়ে বাড়ছে ইউটিউবের দর্শক সংখ্যা। শুধু দর্শক হিসাবেই নয়, নতুন প্রজন্ম ইউটিউবকে উপার্জনের মাধ্যম হিসাবেও ব্যবহার করছে। এখন অনেকেই অন্য পেশা ছেড়ে ইউটিউবার হতে চান।

নিজস্ব একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করেন। সেখানেই বিভিন্ন ধরনের বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড করে থাকেন। যাঁরা ইউটিউবের নিয়মিত দর্শক, এই ধরনের বিনোদন পেতে নিজেদের সেই চ্যানেলের সদস্য করে নেন। চ্যানেলের সদস্য সংখ্যা অনুযায়ী প্রতি মাসে আয়ের পরিমাণ নির্ভর করে। অর্থাৎ সাবস্ক্রাইবার বেশি হলে ইউটিউব সংস্থাও সংশ্লিষ্ট চ্যানেলটিকে বেশি টাকা দেয়।

টেলিভিশনের জনপ্রিয়তাকে প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে ইউটিউব। কোনও কোনও ক্ষেত্রে টেলিভিশনকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। এমনকি, প্রতিদিন টেলিভিশনের পর্দায় যাঁরা ফুটে ওঠেন, তাঁদের অনেকেই এক-একটি করে ইউটিউব চ্যানেল চালান। নিজেদের জীবনের রোজনামচা ইউটিউব চ্যানেলের দর্শকদের সামনে তুলে ধরেন।

দ্রুত জনপ্রিয়তা পেতে এবং আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল হতে এই প্রজন্মের অনেকেই তাই পেশা হিসাবে বেছে নিচ্ছেন ইউটিউব। ঝাঁপ দিচ্ছেন অনিশ্চিতের দিকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সব জিনিসেরই ভাল এবং খারাপ, দুটি দিক আছে। ইউটিউবার হতে চাওয়ার ইচ্ছা খারাপ নয়। কিন্তু তার উপরেই যেন জীবন নির্ভরশীল না হয়ে পড়ে। বিকল্প কোনও ভাবনা ভেবে রাখা জরুরি। কিংবা অন্য কোনও কাজ করার পাশাপাশি, এটি করা যেতে পারে। তাতে মানসিক চাপ কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

নেটমাধ্যমে প্রভাবী (ইনফ্লুয়েন্সার) হওয়ার স্বপ্ন দেখেন তরুণ প্রজন্মের অনেকেই। প্রচুর পরিশ্রমও দরকার হয়। দশর্কের পছন্দ বুঝে সেই মতো অনুষ্ঠান তাঁদের সামনে নিয়ে আসে একেবারেই সহজসাধ্য নয়। সেই সঙ্গে তো রয়েছে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা। এর ফলে মাঝেমাঝেই শিল্পের মান কিছুটা হলেও কমে যায়। তা ছাড়া সাফল্য-ব্যর্থতা তো লেগেই আছে।

সমীক্ষা বলছে, ১৮ থেকে ২৬ বছর বয়সিদের মধ্যে ইউটিউবকে পেশা হিসাবে বেছে নেওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। সোশ্যাল মিডিয়ার অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম সময়ে বিপুল জনপ্রিয়তা এবং অর্থ এই দুইয়ের কারণেই মূলত এই পেশার প্রতি ঝোঁক বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে প্রতিযোগিতা ও মানসিক চাপ। এর প্রভাব পড়ছে ব্যক্তিগত জীবনেও। তাঁদের মতে, ইউটিউবকে আয়ের একমাত্র উৎস হিসাবে না দেখে নিজেদের শিল্পী সত্ত্বা প্রকাশের মাধ্যম হিসাবে দেখাই শ্রেয়।

নিউজ ট্যাগ: ইউটিউবার

আরও খবর



একা ভ্রমণে বেরোনোর আগে যা জানা দরকার

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মায়েদের সময়ে মেয়েদের ভ্রমণের একমাত্র জায়গা ছিল বাপের বাড়ি। এই প্রজন্মের নারীরা সে চিত্রটা পাল্টে দিতে শুরু করেছে। বাঙালি নারী ভ্রমণ করতে শিখে গেছে। বিশেষ করে নগরের নারীরা। তাই ভ্রমণের আগে কিছু প্রস্তুতি ভ্রমণে নারীকে আরাম দেবে। তেমনই কিছু বিষয় জেনে নেওয়া যাক।

নথিপত্র: ভ্রমণের সব নথির এক সেট ছাপা ও এক সেট সফট কপি তৈরি করুন। নথি বলতে পাসপোর্টের ফটোকপি, হোটেল বুকিং, টিকিট, টিকার সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), ভিসা পেজ, ইনস্যুরেন্স, প্রয়োজনীয় ফোন নম্বরসহ দরকারি কাগজপত্র। যিনি ভ্রমণে যাবেন, তিনি নিজেই এটা করবেন।  প্রিন্ট কপিগুলো নিজে ব্যাকপ্যাকে অথবা ট্রলিব্যাগে রাখুন। কখনোই এগুলো চেক-ইন লাগেজে রাখবেন না, তাহলে প্রয়োজনের সময় হাতের কাছে পাবেন না। ভ্রমণের আগেই সব নথির সফট কপি নিজের মেইলে রাখার পাশাপাশি এমন একজন বিশ্বস্ত পরিচিতজনের মেইলে দিয়ে রাখুন, যিনি নিয়মিত ইমেইল চেক করেন এবং ভিনদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইমেইল আদানপ্রদানে যথেষ্ট পারদর্শী। কী জন্য? ধরুন ভ্রমণে গিয়ে সব খোয়া গেল! তখন আপনার সমস্যা জানার সঙ্গে সঙ্গে ওই পরিচিতজন অনলাইন ঘেঁটে সংশ্লিষ্ট দেশের পুলিশ, দূতাবাস ও ফরেন মিনিস্ট্রির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের প্রয়োজনীয় নথির সফট কপি পাঠাতে পারবেন। আপনি তো তখন অসহায়, নিজে সবটা কুলিয়ে নাও উঠতে পারেন।

ভ্রমণের জায়গা সম্পর্কে ধারণা: যে শহর বা দেশে যাচ্ছেন, যাওয়ার আগে সেই জায়গা নিয়ে গুগল করুন। পরিচিত কারও অভিজ্ঞতাও শুনতে পারেন। সেই জায়গার ঐতিহাসিক ভিত্তি, আবহাওয়া, নিরাপত্তাব্যবস্থা, আর্থসামাজিক অবস্থা কিংবা খরচাপাতি কেমন, জানুন। এ জানাশোনা আপনার ভ্রমণকে সহজ করবে। একেবারে কিছুই বুঝে উঠতে পারছেন না? ভ্রমণ শুরুর আগে যে হোটেল বুকিং করেছেন, তাদের সঙ্গে চ্যাট করুন। কিছু ঐতিহাসিক স্থান আছে, যেগুলোর প্রবেশ টিকিট দু-এক মাস আগেই কিনে রাখতে হয়, না হলে নির্দিষ্ট দিনে দেখা যায় না। যেমন পেরুর মাচুপিচু। এমন কোনো স্থানে ঘুরতে গেলে অন্তর্জাল ঘেঁটে জেনে নিন সেসব তথ্য। প্লেনের টিকিট কাটার আগেই অনলাইনে এসব দুষ্প্রাপ্য টিকিট কেটে ফেলুন।

নারীর নিরাপত্তা: ভিনদেশে যাওয়ার আগে অনলাইনে সে দেশের জরুরি সেবার নম্বরগুলো সংগ্রহ করুন। পুলিশ, হাসপাতাল, দূতাবাসের ফোন, ইমেইল ইত্যাদি। মধ্যরাতে পৌঁছেছেন কোনো শহরে? রাস্তায় আলোর স্বল্পতা আছে? ছোট্ট একটি টর্চলাইট সঙ্গে রাখুন। বিদেশে গিয়ে যদি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত আইনি জটিলতায় পড়ে যান, নিরাপত্তা সংস্থায় নিজের পরিচয় দেওয়ার সময় পেশাগত পরিচয়পত্রটি এগিয়ে দিন। আপনার গুরুত্ব বাড়বে।

বেড়াতে যাওয়ার আগে সেখানকার পরিবেশ সমন্ধে একটা ধারনা রাখুন: ইউরোপ-আমেরিকার বৃষ্টিকে বিশ্বাস নেই। এসব দেশে গেলে ছাতা সঙ্গে রাখুন। হোটেল বুকিং দিন শহরের প্রাণকেন্দ্রে। সেখানে লোকসমাগম বেশি থাকে। বুকিং দেওয়ার আগে হোটেলের রিভিউ পড়ুন, সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে। পৌঁছেই একটা লোকাল ম্যাপ সংগ্রহ করুন। এ ম্যাপ হেঁটে শহর ঘোরায় আপনার কাজে লাগবে। যে ভৌগোলিক অঞ্চলে যাচ্ছেন, ওখানকার একজন হোস্ট নির্বাচন করুন। চেনাজানা কেউ নেই? হোটেলের কর্মকর্তাকেই আপনার হোস্ট নির্বাচন করতে পারেন। যেকোনো পরিস্থিতিতে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার ঠিকানা, নম্বর সব সময় সঙ্গে রাখুন। আর হোস্ট নির্বাচনে নিজের বুদ্ধিবৃত্তিক কৌশলগুলো কাজে লাগান।

আর্থিক বিষয়াদি: ভ্রমণে একটি আর্থিক উৎসের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হওয়া উচিত হবে না। ক্রেডিট কার্ডে ডলার এন্ডোর্স করার পরও কোনো দেশে সেটি ব্যবহারে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। নগদ অর্থও সঙ্গে রাখুন। বেশি লাভের আশায় অবৈধ মার্কেট থেকে ডলার এক্সচেঞ্জ করবেন না। আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন।

পোশাক ও প্রসাধন: ভ্রমণের সময় পোশাক ও প্রসাধনের বাহুল্য পরিহার করা উচিত। শীতকালে ভ্রমণে গরম কাপড় সঙ্গে নিন। তরল দ্রব্য ১০০ মিলিগ্রামের বেশি হলেই বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন তা ফেলে দেবে। তাই লোশন, সানস্ক্রিন, পারফিউম চেক-ইন লাগেজে রাখুন। সানগ্লাস-টুপি ভ্রমণ সহায়ক। সঙ্গে রাখুন কয়েকটি প্লাস্টিকের ব্যাগ। ভেজা কাপড় সংরক্ষণ করতে সহায়ক হবে। সুই-সুতা রাখুন। হাসছেন বুঝি? ভাবুন তো, ফস করে ছিঁড়ে গেল জামা বা ওভারকোটের একটি বোতাম। কী করবেন? সমতল শহরে হেঁটে বেড়ানোর জন্য এক জোড়া স্পঞ্জ আপনাকে দারুণ আরাম দেবে। তবে পাহাড়ি এবং পাথুরে অঞ্চলের জন্য কেডস বেশি আরামদায়ক।

দরকারি দাওয়াই: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রিক, হাঁপানি, বমির সমস্যা আছে? সে অনুযায়ী ওষুধ সঙ্গে নিন। প্রয়োজনের চেয়ে কিছু ওষুধ বেশি নিন। ফিরতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বও তো হতে পারে। আমেরিকা বা ইউরোপে গেলে আমাদের দেশের ওষুধের নাম শনাক্ত করা কঠিন। ইউরোপ-ল্যাটিন অঞ্চলে ভাষাও একটা বড় বাধা। তাই দেশ থেকেই ওষুধ কিনে নিন। আফ্রিকা ও লাতিনের কিছু অঞ্চলে কীটপতঙ্গের ঝুঁকি আছে। অ্যান্টিমস্কিইটো স্প্রে বা ক্রিম সঙ্গে নিন। মাইনাস আবহাওয়ার দেশে হঠাৎ আপনার শরীর ঠান্ডা মানিয়ে নিতে নাও পারে। করোনাপরবর্তী এই সময়ে সেসব দেশ ভ্রমণে সামান্য গরমমসলা সঙ্গে রাখুন। বাজেট ট্রাভেলাররা ডর্মে বা হোস্টেলের রান্নাঘরে ঝটপট পানির সঙ্গে মসলা মিশিয়ে ফুটিয়ে পান করুন। শরীরে আরাম পাবেন। নারীদের সঙ্গে আরও একটি দরকারি জিনিস নিতে হবেস্যানিটারি ন্যাপকিন। ডলার-পাউন্ড যেমন প্রতিদিন নিজের সঙ্গে রাখবেন, তেমনি ন্যাপকিনও সঙ্গে রাখুন। স্যালাইন, অ্যান্টিসেপটিকও থাকুক।

ডিভাইস: ভ্রমণে মোবাইল, ল্যাপটপ, ক্যামেরা সঙ্গে থাকে। সেগুলো রিচার্জ করার জন্য সঠিক অ্যাডাপটর সঙ্গে নিয়েছেন তো? দেশভেদে ইলেকট্রিক প্লাগ, সকেট, ভোল্টেজ ভিন্ন ভিন্ন হয়। ভ্রমণ একটি দীর্ঘ চলমান প্রক্রিয়া। ভ্রামণিকেরা বারবার দেশান্তরি হবেন। তাই বিভিন্ন দেশ-মহাদেশের অ্যাডাপটর সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন আর আজীবন তা সংগ্রহে রাখুন।

খাবারদাবার: ভাবুন কোনো দূর দ্বীপে কিংবা মেক্সিকোর কানকুন শহরে বেশ রাতে গেছেন। ততক্ষণে দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে গেছে। কিছু শুকনো খাবার সঙ্গে রাখুন। অল্প পরিমাণে রান্নার কিছু মৌলিক উপাদান যেমন চাল, ডাল, মসলা নিয়ে নিতে পারেন। হোস্টেল বা ডর্মে রান্নার ব্যবস্থা থাকে। ব্যাপারটা এমন নয় যে আপনি বিরিয়ানি-তেহারি রেঁধে খাবেন। সামান্য খিচুড়ি রেঁধে নিজের পেটকে ওই মুহূর্তে সামাল দেওয়া যাবে। ফ্লাইটে পচনশীল খাবার বহন দণ্ডনীয়, এমন কিছু তাই নেওয়া যাবে না। প্রতিটি ভ্রমণই আনন্দের। তাই ছোটখাটো বিষয় নিয়ে যাতে বড় সমস্যা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। পর্যটক নিজের মতো করে প্রস্তুতি নেবে, সেটাই স্বাভাবিক।

নিউজ ট্যাগ: মেয়েদের ভ্রমণ

আরও খবর

সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট থেকে সাবধান!

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




রাজধানীবাসীর স্বপ্ন পূরণের দিন আজ : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আজ বাংলাদেশের জনগণের জন্য আনন্দের দিন। রাজধানীবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বপ্ন পূরণের দিন। শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে দেশের মানুষ অর্জন করেছে একের পর এক স্বাধীনতার সুবর্ণ অর্জন। দেশের অর্জনে যুক্ত হয়েছে হিরন্ময় পালক।

আজ বুধবার মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে রাজধানীর উত্তরা ১৫ নম্বর সেক্টরের মাঠে আয়োজিত সুধী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি তিনি এ সব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার অর্জন গণপরিবহনে মেট্রোরেল সংযোজন। শেখ হাসিনার অবদান মেট্রোরেল দৃশ্যমান। মানুষ বলে শেখের বেটি দেখিয়ে দিয়েছে- নিজের টাকায় পদ্মা সেতু তৈরি করে। মেট্রোরেল করে তিনি আবার প্রমাণ করলেন ইয়েস উই ক্যান। বাঙালি বীরের জাতি, চোরের জাতি নই। কোনো অপবাদ মাথা পেতে নিব না।

বিএনপি আগুন সন্ত্রাস করলে সেটা কঠোর হস্তে দমন করতে আওয়ামী লীগ প্রস্তুত বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বিএনপি মেট্রোরেলে দুর্নীতি না পেয়ে ভাড়া নিয়ে অনিয়মের কথা বলছে। সরকারের সমালোচনা করা বিএনপির রুটিন ওয়ার্কে পরিণত হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, যতদিন এ বাংলায় চন্দ্র-সূর্য উদয় হবে, পাখি গান গাইবে, ততদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নাম এ বাংলায় মুছবে না। সংকটে শেখ হাসিনার পাশে সাহসী সহযোদ্ধার নাম শেখ রেহানা। তিনি সাদাসিধে জীবনযাপন করেন। লন্ডনে চাকরি করেন, বাসে যাতায়াত করেন।


আরও খবর



স্মার্টওয়াচে একই চার্জার ব্যবহারে ঝুঁকছে ভারত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সেলফোনের প্রচলন শুরুর পর এখন পর্যন্ত অনেক পরিবর্তন এসেছে। ডিজাইন থেকে শুরু করে চার্জারেও অনেক উন্নতি হয়েছে। ২০০০ সালের দিকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিভাইসের জন্য আলাদা চার্জার ছিল। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্মার্টফোনে একই ধরনের চার্জার ব্যবহারে আইন কার্যকর করছে। এর অংশ হিসেবে এবার স্মার্টওয়াচেও একই চার্জার ব্যবহারের নিয়ম কার্যকরের কথা ভাবছে ভারত।

সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন লাইটনিং পোর্টের পরিবর্তে ইউএসবি টাইপ সি ব্যবহারের জন্য অ্যাপলকে বাধ্য করেছে। বর্তমানে অধিকাংশ অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ইউএসবি টাইপ সি চার্জিং পোর্ট ব্যবহার করা হয়। শুধু অ্যাপল তাদের নিজস্ব চার্জিং প্রযুক্তি ব্যবহারেই অনড় ছিল। তবে স্মার্টওয়াচের জন্য এ রকম কিছু বলা যাচ্ছে না। কেননা একেক প্রতিষ্ঠান তাদের স্মার্টওয়াচে আলাদা চার্জার সরবরাহ করে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পর বর্তমানে ভারত সরকারও স্মার্টফোন ও ওয়্যারেবল ডিভাইসে ইউএসবি টাইপ সি চার্জিং প্রযুক্তি নিশ্চিত করতে চাইছে। এ লক্ষ্যে আইনও কার্যকর করা হবে। বার্তা সংস্থা পিটিআইকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সচিব রোহিত কুমার সিং বলেন, ভবিষ্যতে যেসব ওয়্যারেবল বাজারজাত করা হবে, সেগুলোয় একই চার্জিং সুবিধা যুক্ত করার জন্য আইন কার্যকর করবে ভারতের বু্যুরো অব স্ট্যান্ডার্ডস। যেসব ডিভাইস সার্বজনীনভাবে একই চার্জার ব্যবহারের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে স্মার্টওয়াচ, ফিটনেস ট্র্যাকার, ওয়্যারেবল ইয়ারবাড ও হেডফোন রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: স্মার্টওয়াচ

আরও খবর



আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস আজ, মঙ্গলবার। ২০১৯ সাল থেকে জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী দিবসটি সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য ‌জনকল্যাণের বিনিয়োগ এবং শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিন। বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবে সারাবিশ্বের শিক্ষা ব্যবস্থার হুমকি বিবেচনায় দিবসটির গুরুত্ব বেড়েছে অনেক দেশে। দিবস সামনে রেখে সোমবার জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বাণী দিয়েছেন।

এতে তিনি বলেন, শিক্ষা একটি মৌলিক মানবাধিকার। এটি সমাজ, অর্থনীতি এবং প্রতিটি ব্যক্তির সম্ভাবনার ভিত্তি। কিন্তু পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ব্যতীত এই সম্ভাবনা বিকশিত হওয়ার পূর্বেই ঝরে পড়ে। আমার নিকট একটি বিষয় বরাবর পীড়াদায়ক যে, অনেক সরকারি নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিধিবিধান সমূহে শিক্ষাকে কম অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ৪ অর্জনের লক্ষ্যে বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বানের পাশাপাশি শিক্ষা অনুকূল আন্তর্জাতিক অর্থায়ন সুবিধা চালু করার ফলশ্রুতিতে এক্ষেত্রে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন নতুন করে বেগবান হয়েছে।

তিনি শিক্ষা গ্রহণের পথে অন্তরায় সৃষ্টিকারী সব বৈষম্যমূলক আইন এবং চর্চাও এখনই রহিত করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য এসডিজি সম্মেলন এবং ২০২৪ সালের সম্মেলনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমের মূল বিষয় হিসেবে শিক্ষাকে তুলে ধরার জন্য বিশ্বের দেশগুলোর প্রতি অনুরোধ জানান।

২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে প্রতি বছরের ২৪ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়।


আরও খবর



দেশে আরও ৯ জনের করোনা শনাক্ত

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর ফলে শনাক্ত রোগী বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭৮ জন। এ ছাড়া নতুন করে কারও মৃত্যু না হওয়ায় মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৪৪১ জনে অপরিবর্তিত থাকল। বুধবার (২৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯২২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৯২৪টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৪৭ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন ২১১ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৯১ হাজার ৫৭৯ জন।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩