Logo
শিরোনাম

জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কৃত সব নেতাকর্মীকে দলে অন্তর্ভুক্তির আদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মসিউর রহমান রাঙ্গা, জিয়াউল হক মৃধাসহ জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি পাওয়া, বহিষ্কৃত ও কমিটি থেকে বাদ যাওয়া নেতাকর্মীদের দলে অন্তর্ভুক্তির জন্য চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে চিঠি দিয়েছেন রওশন এরশাদ।

জাতীয় পার্টির সর্বময় ক্ষমতার সংরক্ষক হিসেবে পার্টির গঠনতন্ত্রের ধারা-২০ এর উপধারা-১: প্রধান পৃষ্ঠপোষকের ক্ষমতাবলে চেয়ারম্যানের বিশেষ ক্ষমতা এবং মৌলিক অধিকার পরপন্থী ধারা-২০ এর উপধারা ১ (১)-এর ক, খ, গ, ঘ, ৩ এবং উপধারা ২ এর ক, খ, গ এবং উপধারা-৩ এ বর্ণিত অগণতান্ত্রিক ও স্বেচ্ছাচারীমূলক বিধান স্থগিত করে জাতীয় পার্টির অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও কমিটি থেকে বাদ দেয়া সকল নেতাকর্মীকে পার্টিতে অন্তভূক্তির আদেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে বিরোধী দলীয় নেতা রওশদ এরশাদের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে অনুমোদিত পার্টির গঠনতন্ত্রের ধারা-২০ এর উপধারা ১ (১) ধারা-২০ এর উপধারা ১ (১)-এর ক, খ, গ, ঘ, চ, উপধারা-২ এর ক, খ ও গ এবং উপধারা-৩ এর সব বিধানের অপব্যবহার হচ্ছে। যা মৌলিকভাবে গণতন্ত্র ও সংবিধান পরিপন্থ এবং স্বেচ্ছাচারীমূলক। একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন প্রণীত বিধানাবলী অনুযায়ী তার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সেখানে দলের নেতা-কর্মীদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের কোন সুযোগ নেই। পাশাপাশি সারা দেশের নেতাকর্মীরাও গঠনতন্ত্রে বর্ণিত এধরণের অগণতান্ত্রিক ধারার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এ ধরণের অগণতান্ত্রিক ধরা-উপধারা বাতিল এখন লাখ লাখ পল্লীবন্ধুর কর্মী সমর্থকদের সময়ের দাবি।

আরও বলা হয়, রাষ্ট্রের সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসন ও সরকার পরিচালনায় যেমন এক ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে: থাকে একইভাবে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক উল্লেখিত ধারার আবহে দলের গঠনতন্ত্রের মধ্যেও ধারা-২০ এর উপধারা ১ (১)-এর ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ ও ছ এবং উপধারা-২ এর ক, খ ও গ এবং উপধারা-৩ গৃহীত হয়েছে। যে ধারা অনুযায়ী আপনি যখন তখন তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত যে কাউকে দায়িত্ব থেকে বিনা নোটিশে শোকজে অব্যাহতি ও বহিষ্কার করে একজন রাজনৈতিক কর্মীর গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুন্ন করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। প্রকৃতপক্ষে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ গৃহীত হওয়ার একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও যৌক্তিকতা রয়েছে। কিন্তু জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার ১ (১) উপধারা-২ ও উপধারা-৩ বর্ণিত বিধানাবলীর সাথে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের ন্যূনতম কোন সামঞ্জস্যতা নেই। আমি পার্টির গঠনতন্ত্রের ধারা-২০ এর উপধারা-১: প্রধান পৃষ্ঠপোষকের ক্ষমতাবলে সারা দেশের লাখ লাখ নেতা কর্মীর দাবি মেনে দলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দশম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত গঠনতন্ত্রের ধারা-২০ এর উপধারা ১ (১)-এর ক, খ, গ, ঘ, ঙ চ ছ এবং উপধারা-২ এর ক, খ ও গ এবং উপধারা-৩ সহ সকল প্রকার অগণতান্ত্রিক ধারা উপধারাসমূহ স্থগিত ঘোষণা করছি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রওশন এরশাদ বলেন, সাম্প্রতিক দলীয় কার্যক্রম পর্যালোচনা করে আমার কাছে প্রতিয়মান হয় যে, বিগত দিনে দলের বহু সিনিয়র, অভিজ্ঞ দায়িত্বশীল পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে, পদোন্নতি বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে যা পার্টিকে দিন দিন দুর্বল করার নামান্তর। পার্টির মধ্যে অগণতান্ত্রিক ভাব-আবহ সৃষ্টির কারণে নেতা-কর্মীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং ভীতি ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে পার্টি খন্ডিত হওয়ার সমূহ আশংকা দেখা দিচ্ছে।

এরকম একটি পরিস্থিতির অবসানের লক্ষ্যে এবং পার্টি শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে আমার নিদর্শেনা অনুযায়ী প্রেসিডিয়াম সদস্য মশিউর রহমান রাঙা এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল গাফফার বিশ্বাস, এছাড়া নবম সম্মেলনের পর পদ-পদবিতে না রাখা সাবেক মন্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এম এ সাত্তার, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য অধাপক দেলোয়ার হোসেন খান, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, কাজী মামুনুর রশিদ, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, সাবেক উপদেষ্টা অ্যাড মাহবুবুল আলম বাচ্চু, সাবেক সংসদ সদস্য ও দলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরুসহ দেশজুড়ে অব্যাহতিপ্রাপ্ত, বহিষ্কার ও নিষ্ক্রিয় করে রাখা সকল নেতাকর্মীদের এই আদেশ জারির পর হতে যার যার আগের পদ পদবিতে অর্ন্তভূক্ত করা হোক।


আরও খবর



আসছে আশিকি-৩, কার্তিকের বিপরীতে জেনিফার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কেটে গিয়েছে ৩৩ বছর। ২০২২-এও পুরনো হয়নি গান, ছবির গল্প, প্রেম কোনও কিছুই। ১৯৮৯ সালে মুক্তি পেয়েছিল আশিকি। সেই ছবির মোহ থেকে আজও বেরিয়ে আসতে পারেননি দর্শকরা। সেই প্রেমের রেশ ধরেই ২০১৩-য় আসে আশিকি ২। আর এ বার আসতে চলেছে আশিকি-র তৃতীয় পর্ব। এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে থাকছেন কার্তিক আরিয়ান।

আশিকি ২-এ দর্শক পেয়েছিল নতুন জুটি। আদিত্য রায় কপূর, শ্রদ্ধা কপূর। আর এই নতুন ছবির ঝলক আসার পর থেকেই বলি-পাড়ায় গুঞ্জন, এই ছবিতে জুটি বাঁধতে চলেছেন কার্তিক আরিয়ান এবং জেনিফার উইঙ্গেট। কিন্তু এই খবর সম্পূর্ণ রটনা, বলে দাবি পরিচালক অনুরাগ বসুর। পরিচালক জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত নায়িকা কে হবেন তা চূড়ান্ত হয়নি।

টি সিরিজের তরফ থেকে ভূষণকুমার খোসলার মুখপাত্র বলেছেন, এটা সম্পূর্ণ রটনা। আমরা এখনও ঠিক করে উঠতে পারিনি, কার্তিকের বিপরীতে কোন নায়িকাকে মানাবে। প্রাথমিক স্তরে আলোচনা চলছে। আমরাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। কিছু ঠিক হলেই সঙ্গে সঙ্গে জানাব।

নতুন ছবি নিয়ে উত্তেজিত কার্তিক। অভিনেতা জানিয়েছেন, ভূষণকুমার এবং সহ-প্রযোজক মুকেশ ভট্টের সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়ে তিনি খুবই খুশি।


আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




দুই কর্মচারীকে এসিল্যান্ডের জুতাপেটার অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নামজারি আবেদনে ত্রুটি থাকায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীকে অফিস কক্ষের ভেতরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত দত্ত জুতাপেটা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ অফিস কক্ষে এ কাণ্ড ঘটান তিনি।

ভুক্তভোগী দুই কর্মচারী হলেন সার্টিফিকেট সহকারী মমিনুল ইসলাম ও আউটসোর্সিংয়ের কম্পিউটার অপারেটর খায়রুল ইসলাম।

জানা যায়, দুপুর ১২টার দিকে আউটসোর্সিংয়ের কম্পিউটার অপারেটর খায়রুল ইসলামকে নিজ কক্ষে ডেকে নেন এসিল্যান্ড অমিত দত্ত। পরে নামজারির কাজে ত্রুটি দেখিয়ে দফায় দফায় খায়রুল ইসলামকে জুতাপেটা করেন তিনি। এরপর খায়রুল ইসলাম বের হয়ে আসলে ওই সময় সার্টিফিকেট সহকারী মমিনুল ইসলাম তার কক্ষে প্রবেশ করে। তখন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত দত্ত তার দিকে জুতা ছোঁড়েন। এ ছাড়া চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে রাগে মমিনুলকে মারপিট শুরু করেন।

এ বিষয়ে সার্টিফিকেট সহকারী মমিনুল ইসলাম বলেন, এসিল্যান্ডের অফিস কক্ষে প্রবেশ করামাত্রই আমাকে জুতা দিয়ে মারেন। পরে আমি রুম থেকে বের হয়ে আসি।

অভিযোগের বিষয় জানতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত দত্তের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোছা. ইশরাত জাহান বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি ওই দুইজন স্টাফের কাজে ভুল হওয়ায় তাদের ডেকে নিয়ে বকাঝকা করেছেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযোগকারী দুই কর্মচারী অবৈধভাবে ৪৫টি নামজারি করায় এসিল্যান্ড তাদের সর্তক করেন। কিন্তু তারা চাকরির শাস্তি থেকে বাঁচতে এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনেছেন।

ওই দুই কর্মচারীকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।


আরও খবর

বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষ, নিহত ৬

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




দেশীয় সিনেমা দেখতে হলমুখী হচ্ছেন দর্শকরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

করোনা মহামারীর কারণে দুই বছর বদ্ধ অবস্থায় ছিল পুরো বিশ্ব। সিনেমার বাজারও ছিল মন্দা। ঘরবন্দী জীবন আর লকডাউনে মানুষ বিনোদনের জন্য দ্বারস্থ হয়েছে ওটিটি প্লাটফর্ম কিংবা ডিজিটাল মাধ্যমগুলোর। আর সেই দুই বছর হলগুলো অপেক্ষায় থেকেছে দর্শকের। তবে পরিবর্তন আসতে শুরু করে চলতি বছর থেকে। গত ১৭ ডিসেম্বর সারা বিশ্বে মুক্তি পায় মার্ভেলের স্পাইডারম্যান: নো ওয়ে হোম। বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০০ কোটি ডলার আয় করে সিনেমাটি। বাংলাদেশেও স্পাইডারম্যানের কদর ছিল। গত ৬ মে সারা বিশ্বে মুক্তি পায় ডক্টর স্ট্রেঞ্জ ইন দ্য মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস

সিনেমাটি দেখতেও রীতিমতো হলে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে দর্শকদের। এর পরই ঘুরে যায় দৃশ্য। দেশীয় সিনেমার কদর বাড়তে থাকে আমাদের দর্শকদের কাছে। ভিনদেশী সিনেমার চেয়ে এখন দেশীয় সিনেমার পাল্লাই ভারী। করোনা-পরবর্তী সময়ে দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি চাঙা করে রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমা গলুইশান। ৩ মে মুক্তি পাওয়া সিনেমা দুটি দিয়ে মূলত বহু বছর পর হাউজফুলের স্বাদ পায় দেশের প্রেক্ষাগৃহ। এরপর কোরবানির ঈদে মুক্তি পায় রায়হান রাফি পরিচালিত পরাণ। এ সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহের বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটেছে দর্শকরা। মুক্তির প্রায় তিন মাস পার হয়ে গেলেও এখনো দর্শক হলে গিয়ে পরাণ উপভোগ করছে। দেশের বাইরেও সমারোহে চলছে সিনেমাটি।

পরাণের পর গত ২৯ জুলাই মুক্তি পায় মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত সিনেমা হাওয়া। এটি এখনো চলছে দেশের বিভিন্ন হলে। এখানেই শেষ নয়, দেশের দর্শকদের মুগ্ধ করে দেশের বাইরেও রাজত্ব করছে হাওয়া। এমনকি এই সিনেমা একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস অস্কারের ৯৫তম আসরের বিদেশী ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে অংশ নেবে। দর্শকদের হলে ফেরার এই জোয়ারে কিছুটা ভাটা পড়েছে বিদেশী সিনেমাগুলোর ক্ষেত্রে।

সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের মতে, বাংলা সিনেমার সুদিনে দেশে কিছুটা কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে বিদেশী সিনেমাগুলো। ২৩ সেপ্টেম্বর একই সঙ্গে মুক্তি পেয়েছে দীপংকর দীপন পরিচালিত অপারেশন সুন্দরবন এবং মাহমুদ দিদারের বিউটি সার্কাস। অপারেশন সুন্দরবন সিনেমায় অভিনয় করেছেন রিয়াজ, সিয়াম, জিয়াউল রোশান, নুসরাত ফারিয়া, রাইসুল ইসলাম আসাদ, তাসকিন রহমান, রওনক হাসান, শতাব্দী ওয়াদুদ, মনোজ প্রামাণিক, আরমান পারভেজ মুরাদ, দর্শণা বণিক প্রমুখ। অন্যদিকে বিউটি সার্কাস সিনেমায় জয়া আহসান আর ফেরদৌস আহমেদ ছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌকীর আহমেদ, এবিএম সুমন, শতাব্দী ওয়াদুদ, গাজী রাকায়েত, হুমায়ূন সাধু, মানিসা অর্চি প্রমুখ। প্রথম দিন থেকেই হাউজফুল যাচ্ছে সিনেমা দুটির শোগুলো।

গত শুক্রবার সকালে স্টার সিনেপ্লেক্সে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে ৫টি বাংলা সিনেমা চলছে এর পর্দায়। পরাণ, হাওয়া ও বীরত্ব সিনেমা তিনটির সঙ্গে যোগ হয়েছে অপারেশন সুন্দরবন ও বিউটি সার্কাস। দর্শকরা ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে দেখতে যাচ্ছেন সিনেমাগুলো। এদিকে জেমস ক্যামেরন অ্যাভাটারের দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আসছেন। আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পাচ্ছে অ্যাভাটার: ওয়ে অব ওয়াটার। যদিও এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর ফোরকে ভার্সনে নতুন করে মুক্তি দেয়া হয়েছে অ্যাভাটার। বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি এসেছে একই দিনে। তবে ৫টি বাংলা সিনেমার দাপটে খুব বেশি দর্শক সমাগম ছিল না অ্যাভাটারের। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেকেই বাংলা সিনেমা দেখতে এসেছেন।

বাংলা সিনেমার বর্তমান বাজারের অবস্থা নিয়ে কথা হয় স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি জানান, আমাদের দেশে বাংলা সিনেমার দর্শক আবার হলে ফিরে এসেছে। কুরবানি ঈদ থেকেই দেশের সিনেমা বাজারের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। অবশ্য এর আগে রোজার ঈদে গলুইশান সিনেমা দুটি থেকে দর্শক ফিরে এসেছিল। দর্শকের যে উপচে পড়া ভিড় আমরা দেখেছি পরাণ, হাওয়া ও দিন-দ্য ডে সিনেমা থেকেই। বলা যায় সিনেমাগুলো দর্শককে হলমুখী করেছে।

এ সময়ে দেশী সিনেমাগুলোর পাশাপাশি হলিউডের সিনেমা ডক্টর স্ট্রেঞ্জ ইন দ্য মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেস এনেছিলাম। তবে দেখা গেল সে সময়ে বাংলা সিনেমার দর্শক আর শোয়ের সংখ্যা বেশি ছিল হলিউড সিনেমার থেকে। বলা চলে এ সময় থেকেই হলবিমুখ দর্শক পরিবার নিয়ে এসে সিনেমা দেখেছে।  আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ঘুড়ে দাঁড়িয়েছে। অপারেশন সুন্দরবন আর বিউটি সার্কাস এল, এ সিনেমাগুলো দেখতেও প্রচুর দর্শক আসছেন। আমাদের দর্শক এখন হলমুখী, এ ধারা বজায় রাখতে তাদের ভালো কনটেন্ট দিতে হবে। ভালো গল্প নিয়ে কাজ করলে দর্শককে ধরে রাখা সম্ভব। নয়তো একটা সময় পর তারা আবার হলবিমুখ হয়ে যাবে। আমাদের দেশের তরুণ নির্মাতারা অনেক ভালো কাজ করছে। আমরা আশাবাদী এ ধারা বজায় থাকলে বাংলা সিনেমায় আগের সোনালি দিন ফিরে আসবে।

দেশের বাইরে নতুন সিনেমা মুক্তির আগে তারকাদের প্রচারণার কাজে ব্যস্ত থাকা যাচ্ছে। পরাণ ও হাওয়ার ক্ষেত্রে দেখা গেল, এবারে আমাদের দেশের নির্মাতা আর তারকারা সিনেমা মুক্তির আগে প্রচারণায় জোর দিয়েছেন। এমনকি সিনেমা মুক্তির পরেও হল ঘুরে দেখছেন। কখনো দর্শকের সঙ্গে উপভোগ করছেন সিনেমা। প্রচারণার এ ধারাবাহিকতা লক্ষ করা যায় মুক্তি পাওয়া অন্যান্য সিনেমার ক্ষেত্রেও। এতে করে সিনেমার প্রচারণার পাশাপাশি দর্শকের সঙ্গে শিল্পী আর নির্মাতাদের সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছে।


আরও খবর

দুরন্তপনার ৫ বছর

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




বাংলাদেশকে বিনামূল্যে ট্রানজিট দেবে ভারত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশকে বিনামূল্যে ট্রানজিট দিতে চেয়েছে ভারত। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব করা হয়েছে বলে দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার এ বৈঠকের বিষয়ে যৌথ বিবৃতি সংবাদমাধ্যমে পাঠায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, ভারত এ ট্রানজিট বিনামূল্যে বাংলাদেশকে দিতে চায়। যাতে বাংলাদেশ তার রপ্তানি পণ্য তৃতীয় কোনো দেশে পাঠাতে পারে। এ জন্য সুনির্দিষ্ট স্থলবন্দর, বিমানবন্দর এবং সমুদ্র বন্দর নির্দিষ্ট দেওয়া হবে। এ সময়ে ভারত বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য ভারতের বন্দর ব্যবহারের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এ ছাড়া ভুটান ও নেপালে ভারতের ওপর দিয়ে পণ্য পরিবহনের জন্য বাংলাদেশকে বিনামূল্যে ট্রানজিট দিচ্ছে ভারত।

দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশ পক্ষ ভুটানের সঙ্গে রেল সংযোগের জন্য অনুরোধ করেছে। ভারত এ অনুরোধ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে বিবেচনায় নিতে রাজি হয়েছে। আর সীমান্ত রেল সংযোগ কার্যকর করতে চিলাহাটি-হলদিবাড়ি ক্রসিংয়ের ভারতের রেল চলাচলের জন্য বাংলাদেশকে বন্দর বাধা দূর করতে অনুরোধ করেছে ভারত।

চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর চুক্তির আওতায় বন্দর ব্যবহার করে পরীক্ষামূলক পণ্যের চালান যাওয়া নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তির আওতায় তৃতীয় দেশের পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্র বাড়াতে ভারতের পক্ষ থেকে আবারও বৈঠকে অনুরোধ জানানো হয়। সেই সঙ্গে দুই দেশের সরাসরি জাহাজ চলাচল নিয়ে দ্রুত কাজ করতে দুই পক্ষই একমত হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার অভ্যন্তরীণ নদীপথ ব্যবহার করে ট্রানজিট চুক্তি পিআইডব্লিউটিটি’র আওতায় রুট ৫ ও ৬ এবং ৯ ও ১০ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্তের বিষয়ে একমত হয়েছে দুই দেশ। ফেনী নদীর ওপর মৈত্রি সেতু দিয়ে ত্রিপুরায় পণ্য পরিবহনের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস সুবিধা চালু করার জন্য বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছে ভারত।

এ ছাড়া বিবিআইএন মোটরযান চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৈঠকে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় ও উপাঞ্চলিক সংযোগ চালু করার বিষয়ে একমত হয়েছেন। এ জন্য মহাসড়ক তৈরিসহ এ সংক্রান্ত প্রকল্পগুলো নিতে বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছে ভারত। বাংলাদেশও একইভাবে ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড তৃপক্ষীয় মহাসড়কে অংশীদার হতে ভারতকে ফের অনুরোধ করেছে।


আরও খবর



‘পূজায় জঙ্গি হামলার হুমকি নেই’

প্রকাশিত:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) নবনিযুক্ত মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন বলেছেন, শারদীয় দুর্গাপূজায় জঙ্গি হামলার কোনো হুমকি নেই। জঙ্গিদের যে কোনো নাশকতা নস্যাৎ করে দিতে র‍্যাবের কমান্ডো টিম ও হেলিকপ্টার প্রস্তুত রয়েছে। সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর বনানী পূজামণ্ডপ ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন র‍্যাব ডিজি।

এম খুরশীদ হোসেন বলেন, যে কোনো উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য ডগ স্কোয়াডকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পূজামণ্ডপসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্যুইপিং পরিচালনার পাশাপাশি র‍্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, র‍্যাব স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডো টিম ও র‍্যাবের এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার প্রস্তুত রয়েছে।

গোয়েন্দা ও সাইবার তথ্য বিশ্লেষণ করে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলার তথ্য পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারপরও আমরা আত্মতৃপ্তিতে ভুগছি না। জঙ্গিদের যে কোনো নাশকতা নস্যাৎ করে দিতে র‍্যাব প্রস্তুত।

তিনি বলেন, ভার্চুয়াল জগতে যে কোনো গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম পর্যবেক্ষণ করছে। দুর্গাপূজায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত সংখ্যক র‍্যাব সদস্য মোতায়েন ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এসময় র‍্যাব মহাপরিচালক পূজামণ্ডপে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মতবিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুর্গাপূজা উদযাপনের পরামর্শ দেন।


আরও খবর

জেনে নিন রাজধানীতে কখন কোথায় লোডশেডিং

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২