Logo
শিরোনাম

জীবন বাঁচানোর জন্য আসবাবপত্র বিক্রি করছেন আফগানরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের ক্ষমতার নিয়ন্ত্রণে এখন তালেবান। সরকার গঠন করেছে। শপথ না নিলেও সরকারের কার্যক্রম চলছে ঢিমেতালে। ব্যাংক খোলা, কিন্তু টাকা নেই। এটিএম বুথের সামনে দিন-রাত মানুষের অপেক্ষা, কখন টাকা ঢুকবে মেশিনে। অর্থের অভাবে মানুষ জীবন বাঁচানোর জন্য ঘরের আসবাবপত্র পর্যন্ত বিক্রি করছেন।

কাবুলের রাস্তায় অনেক স্থানেই দেখা যাচ্ছে, ঘরের আসবাবপত্র নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন নাগরিকরা। এদের মধ্যে একজন শুকরুল্লাহ। তিনি চারটি কার্পেট নিয়ে এসেছেন। চামোন-হজোরির পুরোটা এলাকাতেই বালিশ, কুশন, ফ্যান, কম্বল, সিলভারওয়্যার, কারটেইনস, বিছানা, ম্যাট্রেস, কুকওয়্যার, শেলভস এবং আরও অনেক জিনিসপত্র পড়ে আছে। শুকরুল্লাহ বলেন, আমি চারটি কার্পেট কিনেছিলাম ৫৫৬ ডলারে। কিন্তু এখন বিক্রি করে ৫৮ ডলারও পাব না।

বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, ২০২২ সালের মধ্যে দেশটির ৯৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাবে। এরই মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ৬০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে। এর বেশির ভাগই যাবে আফগানদের খাদ্য সরবরাহ করতে।

গত মাসে আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আজমল আহমাদি জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করে তাহলে জিডিপি ২০ শতাংশেরও নিচে নেমে যাবে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, কোনো দেশের জিডিপির ১০ শতাংশ যদি বিদেশি তহবিলের ওপর নির্ভরশীল হয়, তাহলে বিদেশিদের ওপরই তারা নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আর আফগানিস্তানের জিডিপির ৪০ শতাংশই গত ২০ বছর ধরে বিদেশি তহবিলের ওপর নির্ভরশীল। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশটির অর্থনীতি একেবারেই ধসে পড়বে।


আরও খবর

আফগানিস্তানে আবারও বিস্ফোরণ, নিহত ৭

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য লাভ করেছে বাংলাদেশ। বিশ্বের অনেক দেশ যা পারেনি। এমনকি ভারত, আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যও করোনা নিয়ন্ত্রণ করতে করতে পারেনি।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নব নিয়োগকৃত জুনিয়র কনসালটেন্টদের (অ্যানেস্থেসিওলজী) অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে এখন করোনা নিয়ন্ত্রণে আছে। কোনো জাদুতে এটা হয়নি। চিকিৎসক ও সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা সম্ভব হয়েছে। তবে যেকোনো সময় করোনা বাড়তে পারে। এজন্য আমাদের সচেতন থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।'

তিনি বলেন, 'দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণ আছে বলেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হয়েছে। করোনা নিয়ন্ত্রণ আছে বলেই আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো আছে।

মন্ত্রী বলেন, দেশে টিকার সংকট হবে না। এ মাসে দেড় কোটি টিকা আসবে। এছাড়া অ্যানেস্থেসিওলজি নতুন নিয়োগ দ্রুত দেওয়া হয়েছে। আগামীতেও তা অব্যাহত থাকবে। এ সংকট থাকবে না।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা আরমানের ‘হ্যারিয়ার’ গাড়ি জব্দ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার যুবলীগের বহিস্কৃত নেতা এনামুল হক আরমানের বিলাসবহুল হ্যারিয়ার ব্রান্ডের গাড়িটি জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

বুধবার বিকালে রাজধানীর শান্তিনগর এলাকা থেকে গাড়িটি জব্দ করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপপরিচালক মো. সালাহউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি দল। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিস্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ওরফে ক্যাসিনো সম্রাটের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত আরমান।

দুদক সূত্র জানায়, খোরশেদ আলম নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গাড়িটি (ঢাকা মেট্রো ঘ-১৫৭৮৭২) উদ্ধার করা হয়েছে।  আরমান গ্রেফতারের পর থেকে তিনিই গাড়িটি ব্যবহার করে আসছিলেন। কালো রংয়ের বিলাসবহুল গাড়িটির কাগজপত্র জব্দ করা হেফাজতে নিয়েছে দুদক।

দুদক গোয়েন্দা সুত্র জানায়, কালো রংয়ের হ্যারিয়ার গাড়ির বিপরীতে পূবালী ব্যাংকের কমলাপুর শাখা থেকে ৩৭ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন যুবলীগ নেতা আরমান।  রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে ঋণ নেন তিনি। ঋণের সামন্য কিছু টাকা পরিশোধ করলেও বড় অংশ এখনও বকেয়া। সেই ঋণের সূত্র ধরেই গাড়িটির সন্ধান পায় দুদক। তদন্ত কর্মকর্তা সালাহউদ্দিন গাড়ি জব্দের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিস্তারিত তথ্য জানাতে চাননি।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর আরমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে ২ কোটি ৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ক্যাসিনো, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির টাকার বড় অংশ আরমানের কাছে রাখতেন সম্রাট। লাগেজ পার্টি থেকে যুবলীগ, ক্যাসিনো ও সিনেমা প্রযোজক হয়ে আরমান দাপিয়ে বেড়িয়েছেন সব জায়গা।

৯০ এর দশকে বিদেশ থেকে লাগেজ পার্টির আনা ইলেকট্রনিক পণ্য বায়তুল মোকাররম এলাকার দোকানে দোকানে বিক্রি করতেন এই যুবলীগ নেতা।  পরে নিজেই লাগেজ পার্টির কারবারে যুক্ত হন। ২০১৩ সালে যুবলীগের পদ পেয়ে অল্প সময়ে গড়ে তোলেন বিত্তবৈভব। জুয়া-ক্যাসিনোর টাকায় নামেন সিনেমা প্রযোজনায়ও।

সম্রাটের সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগের সুবাদেই ২০১৩ সালে যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহসভাপতির পদ পান আরমান।  সম্রাটের ছত্রচ্ছায়ায় কিছুদিনের মধ্যেই ক্লাবপাড়ার ক্যাসিনো ও জুয়া-বাণিজ্যের অন্যতম নিয়ন্ত্রকে পরিণত হন আরমান।  তিনিই সম্রাটকে ক্যাসিনো ব্যবসায় আগ্রহী করেন বলে প্রচার আছে।  সম্রাটের হয়ে পুরো ক্যাসিনো ব্যবসা দেখভালের দায়িত্ব পালন করতেন আরমান।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুমিল্লা থেকে সম্রাটের সঙ্গে তাকে গ্রেফতার করা হয়।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




উড়ে এসে জুড়ে বসাদের দায়িত্ববোধ থাকে না: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উড়ে এসে ক্ষমতায় জুড়ে বসা ব্যক্তিদের দেশের মানুষের প্রতি কোনো দায়িত্ববোধ থাকে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বুধবার সকালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমি ভবন, উপজেলা ও ইউনিয়নের ভূমি অফিস ভবন, অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ কার্যক্রম এবং ভূমি ডাটা ব্যাংকের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যতদিন ক্ষমতায় থাকে দেশের মানুষ সেবা পায়, দেশের উন্নতি হয়। আন্তরিকতার সাথে আমরা কাজ করি। আমরা একটা আদর্শ নিয়ে কাজ করি, একটি নীতি নিয়ে কাজ করি। সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করি। কেন করি?

কারণ এ দেশের মানুষের মুক্তির জন্য, স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, পাশে থেকেছে জনগণ। উড়ে এসে জুড়ে যারা ক্ষমতায় বসে, তাদের সে দায়বদ্ধতা থাকে না। ক্ষমতাকে তারা ভোগ দখলের একটা জায়গা বানায়। অর্থসম্পদ বানানোর একটি মেশিন হিসেবে পায়। আর দেশের মানুষ মরুক, বাঁচুক তাদের কোনো খেয়ালই থাকে না। এটাই হলো বাস্তবতা। তাই আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখনই দেশের মানুষের সার্বিক উন্নতি হয়।

তিনি বলেন, আরও দুর্ভাগ্যের বিষয়, একটি কথা না বলে পারছি না এখানে। বিএনপি-জামায়াত জোট ২০১৩ সালে যেভাবে অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছিল, তাতে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তারা অনেকগুলো ভূমি অফিস জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

তারা শুধু ভূমি অফিসই জ্বালায়নি, চলন্ত বাসে যাত্রীরা যাচ্ছে, সেখানে নারী-পুরুষ-শিশু, সেই বাসে আগুন দিয়ে জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে মারে। সিএনজি ড্রাইভার সিএনজি চালিয়ে যাচ্ছে, তাকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারে। গাড়ি থেকে ড্রাইভারকে বের করে তার গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করে। এভাবে তারা একটি ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে থাকে। সেখানে প্রায় ছয়টি ভূমি অফিসসহ অনেকগুলো ভূমি অফিস নষ্ট করে দেয়। সেগুলি পুড়িয়ে দেয়।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, তখন একটা ঘোষণা দিয়েছিলাম যে, যারা এই ভূমি অফিস পোড়াচ্ছে তাদের যেন আর কোনো দিন জমির মালিকানা না থাকে। কারণ তারা তো আগুন দিয়ে পুড়িয়েই দিয়েছে। তারা আর পাবে কেন? এই হুমকির পরে কিন্তু তাদের এই ভূমি অফিস পোড়ানোটা বন্ধ হয়।

তাদের এই ধ্বংসযযজ্ঞ আমরা দেখেছি। আসলে বিএনপি-জামায়াত এরা তো আর মানুষের জন্য কাজ করে না। ক্ষমতাটা অবৈধভাবে দখলকারীর হাতে দিয়ে একটা মিলিটারি ডিক্টেটরের হাতে তৈরি করা এ সংগঠন। কাজেই মানুষের প্রতি এদের কোনো দায়িত্ববোধও নেই, দেশের জন্যও নেই। ক্ষমতা আর ক্ষমতায় থেকে টাকা বাড়ানো, জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস-দুর্নীতি এটাই তাদের কাজ এবং সেটাই তারা করেছে।

এসময় হাতের মুঠোয় ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আমরা ভূমি ব্যবস্থাপনাকে আরও উন্নত করতে চাই। সারাদেশের ভূমি অফিসগুলোর যে জীর্ণ দশা, আমাদের আগে তো অনেকই ক্ষমতায় ছিল; কেন এগুলো সংস্কার করেনি এটা বড় প্রশ্ন। দেশে ডিজিটাল টেলিফোন ছিল না। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমরাই সেটা করি। মোবাইল ফোন উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এখন আমরা ফোর জি চালু করেছি। ফাইভ জিও চালুর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এখন কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা ট্যাব ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, মোবাইলের মাধ্যমেও অনেক কাজ সহজে করতে পারেন। ট্যাক্স, খাজনা দিতে পারেন সেই ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। ভূমি মালিক এখন অফিসে না গিয়ে ডিজিটাল পদ্ধতিতে কর দিতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ৩ কোটি হোল্ডিংয়ের মধ্যে ১ কোটির ডাটা এন্ট্রি ইতোমধ্যে শেষ করা হয়েছে। অবশিষ্ট কাজ শেষ করার প্রক্রিয়া চলছে। তা শেষ হলে সব কাজ সহজ হয়ে যাবে। যাতে সময় ও খরচ বাঁচবে। এ ছাড়া হয়রানি থেকেও মানুষ রক্ষা পাবেন।


আরও খবর



করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত আরও কমল

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১০২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।  


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ দেশপ্রেম থেকে আসা উচিত: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩১৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
রাষ্ট্রের সম্পদের প্রতি প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হতে হবে। যেকোন প্রকল্প শেষে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার পরিচয় দিতে হবে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে ক্ষুদ্র ত্রুটি সব অর্জন ম্লান করে দেয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সচিবালয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ উপখাতের প্রকল্পসমূহের আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, "রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ববোধ দেশপ্রেম থেকে আসা উচিত। শুধু দাপ্তরিক সময়ের মধ্যে দায়িত্ব পালন করলেই কাজ শেষ নয়। অর্পিত দায়িত্ব পালন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করতে হবে।"

তিনি আরো যোগ করেন, "রাষ্ট্রের সম্পদের প্রতি প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হতে হবে। যেকোন প্রকল্প শেষে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠার পরিচয় দিতে হবে। দায়িত্বে গাফিলতি করা চলবে না। শৈথিল্য, অনিয়ম, দুর্নীতি যেখানে হবে, সেখানে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় করলে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।"

"মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ডে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর উপকৃত হচ্ছে। এ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের অনেক মানুষ সম্পৃক্ত। এর মাধ্যমে অনেক অসহায়-ছিন্নমূল মানুষ ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছে। অনেকেই স্বাবলম্বী হচ্ছে। এ বিষয়টি প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের মাথায় রাখতে হবে।"- যোগ করেন মন্ত্রী।

করোনা সংকটের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ সময় ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব মোঃ তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিলসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১৮টি, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ৬টি এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিল কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ১টিসহ মোট ২৫টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১