Logo
শিরোনাম

জেলা প্রশাসক সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

উদ্বোধনের পর প্রথম দিন বেলা সোয়া ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনা হবে ডিসিদের। এরপর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল পৌনে পাঁচটা পর্যন্ত ১৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ডিসিদের তিনটি কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সন্ধ্যা ৬টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজ করবেন জেলা প্রশাসকরা।

সরকারের নীতি-নির্ধারক ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে সামনা-সামনি মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রতি বছর ডিসি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এবারের সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ সম্পর্কে আলোচনার জন্য ২৪৫টি প্রস্তাব দিয়েছেন ডিসিরা। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও শিক্ষার মতো কিছু বিষয় বেশি গুরুত্ব পাবে।

সম্মেলনে ৫৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অংশগ্রহণে ২৬টি অধিবেশন হবে। এর মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে কার্য অধিবেশন ২০টি।


আরও খবর



প্রথমদিনের অনুশীলনে দলে নেই সাকিব

প্রকাশিত:সোমবার ০২ জানুয়ারী 2০২3 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসর মাঠে গড়াবে আর মাত্র তিনদিন পর। এরই মধ্যে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে বিপিএলের দলগুলো। সোমবার (২ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে অনুশীলন শুরু করে বিপিএলের অন্যতম ফ্র্যাঞ্চাইজি ফরচুন বরিশাল। তবে দলটির প্রথমদিনের অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন আইকন সাকিব আল হাসান। 

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে অনুশীলন শুরু করে বরিশাল। স্কোয়াডের প্রায় সবাই অনুশীলনে উপস্থিত থাকলেও দলের আইকন আর বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে দেখা যায়নি মাঠে।

সাকিব আপাতত রয়েছেন ছুটিতে। আগামী ৫ জানুয়ারি ছুটি কাটিয়ে ফিরে দলের সং যোগ দিবেন তিনি। বরিশালের প্রথম ম্যাচ আগামী ৭ জানুয়ারি সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে।

সাকিব না থাকলেও বরিশালের প্রথমদিনের অনুশীলনে উপস্থিত ছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ আর মেহেদি হাসান মিরাজের মতো তারকারা।  


আরও খবর



রমেক পরিচালকের অপসারণের দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালকের অপসারণ চেয়ে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা।

সোমবার (২৩ জানুয়ারি) হাসপাতালের পরিচালকের দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে দ্বিতীয় দিনের মতো চলমান বিক্ষোভ থেকে এ আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ শেষে হাসপাতালের স্বাস্থ্য কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগে স্মারকলিপি প্রদান করেন বিক্ষোভকারীরা।

দুপুরে পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. রাকিবুল হাসান তারেক, সাধারণ সম্পাদক ডা. কিশোর হাসান ও রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি শাহীন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান নয়নসহ অন্যান্য নেতারা।

ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. কিশোর হাসান জানান, ২৬৬ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক পর্যায়ক্রমে ২৪ ঘণ্টা রংপুর বিভাগের মানুষকে সেবা দিয়ে আসছেন। অথচ ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। পরিচয়পত্র নেই, ইন্টার্ন চিকিৎসকদের জন্য বরাদ্দকৃত হোস্টেলে থাকার জন্য বেড, বিছানা ও পানির ব্যবস্থা নেই। বিষয়টি অনেকবার পরিচালকের কাছে তুলে ধরলেও কোনো সুরাহা না করে উল্টো খারাপ আচরণ করে কক্ষ থেকে বের করে দেন। আমরা এর দ্রুত সমাধান চাই।

এ সময় রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি শাহীন ইসলাম বলেন, পরিচালক দায়িত্বে আসার পর থেকেই নানা অজুহাতে কর্মচারীদের ওপর অত্যাচার চালিয়ে আসছেন। সেই সঙ্গে লাগামহীন দুর্নীতি করছেন তিনি। এ সব বিষয়ে প্রতিবাদ করায় চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেন তিনি। আমরা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছি, এর মধ্যে অপসারণ না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে যাব।

এ বিষয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আ ম আখতারুজ্জামান জানান, তারা স্মারকলিপি দিয়েছেন। আমরা অভিযোগের বিষয়গুলো দেখছি। পরিচালক স্যারের সঙ্গে এ বিষয়ে বসে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়, তা দেখা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: রমেক হাসপাতাল

আরও খবর

প্রেমিকার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩




৪ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় শহরে সমাবেশের ঘোষণা বিএনপির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী সাধারণ নির্বাচনসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে ৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশ থেকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে দল ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে এ সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি।

আয়োজকেরা জানান, ১৯৭৫ সালের এই দিনে আওয়ামী লীগ কর্তৃক একদলীয় বাকশাল শাসন প্রবর্তন, বিদ্যুত-গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ সরকারের ওপর তাদের ১০ দফা দাবি আদায়ের জন্য চাপ বৃদ্ধিই এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য।

বিএনপি ছাড়াও অন্য সমমনা বিরোধী দল, জোট ও সংগঠনগুলোও বর্তমান সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বুধবার ঢাকাসহ অন্য বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরে একই ধরনের কর্মসূচি পালন করেছে।

এর মধ্যে গণতন্ত্র মঞ্চ, গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পৃথক সমাবেশ করেছে, বিজয় নগর পানির ট্যাঙ্কের কাছে ১২ দলীয় জোট, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট এবং এফডিসি ক্রসিংয়ে এলডিপি সমাবেশ করেছে।

তারাও ৪ ফেব্রুয়ারি বিভাগীয় শহরে সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।

৩০ ডিসেম্বর গণমিছিল, ১১ জানুয়ারি অবস্থান কর্মসূচি এবং ১৬ জানুয়ারি সমাবেশ ও মিছিলের পর এটি ছিল যুগপৎ আন্দোলনের চতুর্থ কর্মসূচি।


আরও খবর



চীনের পতনমুখী জনসংখ্যা প্রভাব ফেলবে অর্থনীতিতে

প্রকাশিত:সোমবার ২৩ জানুয়ারী 20২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে জনসংখ্যা কমতে শুরু করার বিষয়টি সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে। এই পতনমুখী জনসংখ্যা দেশটির অর্থনীতির পাশাপাশি গোটা বিশ্বের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। চীনের জনসংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়টি পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতেই প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, দেশটির কর্মক্ষম জনসংখ্যাও কমতির দিকে রয়েছে। আর চীনে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ার অর্থ হচ্ছে সেখানে মজুরি বেড়ে যাবে। ফলে পণ্য উৎপাদনের খরচও বেড়ে যাবে।

দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের কারখানা হিসেবে পরিচিত চীন থেকে অনেক অনেক ফরমায়েশ এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকার উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে চলে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ই ফুজিয়ান বলেন, চীনের কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা এবং উৎপাদন কমে গেলে ইউরোপ ও আমেরিকায় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাবে।

ছয় দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো চীনের জনসংখ্যা কমেছে বলে গত সপ্তাহে দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানে তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনসংখ্যার এই নিম্নমুখী ধারা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনের জন্য সাময়িক কোনো ঘটনা নয়। ২০৩০ সালের পর জনসংখ্যা হ্রাসের প্রভাব পড়বে দেশটির অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর চীনের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৪০ কোটি। সেখান থেকে এ বছর ৮ লাখ ৫০ হাজার মানুষ কমে গেছে।

চীনে জন্মহার অনেক বছর ধরেই কমছে। কারণ জন্মহার রোধে সরকার অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে আলোচিত এক সন্তান নীতিও ৭ বছর আগে তুলে নেয়া হয়। পতনমুখী জনসংখ্যা যে সংকটের আভাস দিচ্ছে, তা সমাধানের কোনো সহজ পথ নেই। চীনা জনসংখ্যার ক্রমবর্ধমান বয়স নিয়ে ভাবনায় পড়েছেন অর্থনীতিবিদ ও জনসংখ্যাবিদরা। বিশ্বজুড়েই বয়স্ক জনসংখ্যা অর্থনীতির জন্য একটা বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কিন্তু যে গতিতে এই বয়স্ক জনসংখ্যা বাড়ছে, তা নিয়ে চীনের কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন হচ্ছে। বিশেষত, মধ্যম থেকে উচ্চ আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার মাঝামাঝি পর্যায়ে এই বয়স্ক জনসংখ্যার বাধা এসে হাজির হচ্ছে। সহজ কথায় চীন বড়লোক হওয়ার আগেই বুড়ো হয়ে যাচ্ছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরো জানায়, ৬০ বছরে প্রথমবার চীনে জনসংখ্যা কমার পাশাপাশি জন্মহারও পৌঁছেছে সর্বনিম্ন পর্যায়ে। চীনের কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ২০১২ সাল থেকেই হুমকির মুখে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সের জনসংখ্যা এই শতকের মধ্যে চীনের অন্তত আরও ৬০ শতাংশ কমে যাবে। লন্ডনভিত্তিক আর্থিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ফ্যাথম ফিন্যান্সিয়াল কনসাল্টিংয়ের সহকারী প্রধান অর্থনীতিবিদ অ্যান্ড্রু হ্যারিস বলেন, চীনের গ্রামাঞ্চলে এখনো সস্তা শ্রমিক আছে যারা শহরাঞ্চলে কারখানায় শ্রমিকের ঘাটতি পুষিয়ে দিতে পারবে। দেশটির নির্মাণ এবং উৎপাদন খাতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। নির্মাণ খাতের এক-তৃতীয়াংশ শ্রমিক তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেটুকু উৎপাদন করার কথা, তা করছে না।

সিঙ্গাপুরের সাবেক প্রধান পরিসংখ্যানবিদ পল চ্যাং অবশ্য মনে করেন, জনসংখ্যার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য চীনের কাছে অনেক জনশক্তি এবং সময় আছে। এখনই খারাপ পরিস্থিতিতে পড়ার মতো অবস্থা হয়নি। এ ক্ষেত্রে জাপান ও সিঙ্গাপুরের উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। এই দুই দেশ তাদের বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ভারসাম্যও বজায় রেখেছে। তবে সবাই বিষয়টি নিয়ে আশাবাদী হতে পারছেন না। কারণ, চীনের সঙ্গে কোরিয়া বা জাপানের মতো দেশগুলোর বড় পার্থক্য রয়েছে। ২০১৯ সালে চীনের একাডেমি অব সোশ্যাল সায়েন্স এক প্রতিবেদনে জানায়, কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে চীনের প্রধান পেনশন তহবিল ২০৩৫ সালে শেষ হয়ে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চের গবেষণায় দেখা যায়, চীনে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৭ জনই মনে করে তাদের সরকারি স্বাস্থ্য সেবাব্যবস্থা ২০১৬ সাল থেকে সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস সেই সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। চীনে জন্মহার বাড়ানোর নানা উদ্যোগ তেমন সফল হয়নি। তাই অর্থনৈতিক উন্নয়ন ধরে রাখতে দেশটিকে এবার হয়তো বিকল্প পথ বেছে নিতে হবে। এ জন্য জোরালো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চায়না সেন্টারের অ্যাসোসিয়েট জর্জ ম্যাগনাস।

তার মতে, দেশটির অবসরের বয়স নিয়ে আবার নতুন করে ভাবা উচিত। চীনে পুরুষদের জন্য বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অবসরের বয়স ৬০ বছর। সরকারি চাকরিজীবী নারীদের ক্ষেত্রে এই বয়সটা ৫৫ বছর এবং শ্রমজীবী নারীদের জন্য অবসরের বয়স ৫০ বছর। যদিও এর আগে এই অবসরের বয়স বাড়ানোর চেষ্টা ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে পড়েছিল। কারণ বয়স্ক শ্রমিকরা তাদের পেনশনের জন্য আর অপেক্ষা করতে চাইছিলেন না। চীন এরই মধ্যে রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছে কিন্তু এর প্রভাব এখনো স্পষ্ট নয়। আরেকটা উপায় হতে পারে অভিবাসীদের মাধ্যমে জনসংখ্যা বাড়ানো। কিন্তু চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টি ঐতিহাসিকভাবেই এ বিষয়ে অনাগ্রহী।

নিউজ ট্যাগ: চীনের জনসংখ্যা

আরও খবর



দেশে কমেছে কোটিপতির সংখ্যা

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মহামারি করোনা এবং ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ বিশ্ববাজারের অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের ব্যাংকের আমানতে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাবধারীর সংখ্যা কমেছে। যদিও এসময়ে মোট আমানতের পরিমাণ বেড়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর ভিত্তিক হালনাগাদ প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ২০২২ সালের জুন প্রান্তিক শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল এক লাখ আট হাজার ৪৫৭ জন। আর সেপ্টেম্বর প্রান্তিক শেষে কোটিপতির সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ছয় হাজার ৫২০ জনে।

হিসাব বলছে, তিন মাসের ব্যবধানে দেশে কোটিপতি কমেছে এক হাজার ৯৩৭ জন।

২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে মোট আমানতকারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১৩ কোটি ৩৪ লাখ ৩৬ হাজার ৮৮টি। এসব আমানতকারীর হিসাবে জমা ছিল ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৯৫ লাখ ১৪ হাজার ৫১৩টি। তাদের হিসাবে জমার পরিমাণ ছিল ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা। এদের মধ্যে এক লাখ ৬ হাজার ৫২০টি হিসাবে কোটি টাকার ওপরে রয়েছে।

১০টি ক্যাটাগরিতে কোটিপতি আমানতকারীদের হিসাব করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ৩০ জুন শেষে ৫০ কোটি টাকার বেশি হিসাবধারী ছিল এক হাজার ৮০৫ জন। ৩০ সেপ্টেম্বর তা কমে হয়েছে এক হাজার ৬৬০ জন। ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকার আমানতকারীদের হিসাব গত ৩০ জুন ছিল ৬২১টি। ৩০ সেপ্টেম্বর তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫২৩টি। ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকার হিসাব ৩০ জুন ছিল ৩০৭টি, ৩০ সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১৯টিতে।

৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকার হিসাবধারী ৩০ জুন ছিল ৫০২টি, সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫৮টিতে। ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার হিসাব কমেছে ২৩টি। জুনে এটি ছিল ৮৮৩টি আর সেপ্টেম্বরে সেটি কমে দাঁড়িয়েছে ৮৬০টিতে। ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকার হিসাব আলোচিত সময়ে এক হাজার ১৫১টি থেকে কমে এক হাজার ১৪৭টি হয়েছে। আবার ব্যাংকগুলোর এক কোটি থেকে ২০ কোটি টাকার আমানতকারীর সংখ্যাও কমেছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল পাঁচ জন। ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে দুই হাজার ৫৯৪টি, ২০০১ সালে পাঁচ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে আট হাজার ৮৮৭টি এবং ২০০৮ সালে ছিল ১৯ হাজার ১৬৩টি। ২০২০ সালে ডিসেম্বর শেষে দাঁড়ায় ৯৩ হাজার ৮৯০টিতে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা বেড়ে এক লাখ এক হাজার ৯৭৬টিতে পৌঁছায়।


আরও খবর