Logo
শিরোনাম

জিয়া পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে গুলি চালিয়েছেন, এমন নজির নেই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৯১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কখনো গুলি চালিয়েছে এ রকম নজির নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ছাত্রলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, এখনো যুদ্ধাপরাধী, পরাজিত শক্তি এবং ১৫ আগস্টের খুনি যাদের ফাঁসি হয়েছে তারা তো বটেই; তাদের যেমন ছেলেপেলে যারা এবং যুদ্ধাপরাধী যাদের ফাঁসি হয়েছে তাদেরও ছেলেপেলে বা দোসর যারা তারা কিন্তু এখনো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে, ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। যেসব আন্তর্জাতিক শক্তি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধিতা করেছিল তাদের কিছু কিছু এদেরকে মদত দিয়ে থাকে। কাজেই এই ব্যাপারে জাতিকে সতর্ক থাকতে হবে।

৭৫ পরবর্তী পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেই সময় যারা স্থানীয় দালালচক্র, যারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর তারা কোনোদিন চায়নি বাংলাদেশ স্বাধীন হোক। তারপরও যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হলো, বিজয় অর্জন করল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরাজিত হলো। তখন সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই ১৫ আগস্ট এই হত্যাকাণ্ড তারা চালিয়েছিল। এরপরে বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নামটা সম্পূর্ণ মুছে ফেলা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পচাত্তরের পরে যারা সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেখানে যেমন আমাদের দলেরও কিছু বেঈমান, মোনাফেক, মীরজাফর ছিল। যেমন খন্দকার মোশতাক গং। আর তার শক্তিটা ছিল জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে একটা সেক্টর কমান্ডার অর্থাৎ সেখানে খালেদ মোশাররফ আহত হয়ে গেল, জিয়াকে সেক্টর কমান্ডার করা হয়েছিল। কিন্তু সে কখনো বিশেষ করে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালিয়েছে এ রকম কিন্তু নজির নেই। এ রকম কোনো নজির কেউ দেখাতে পারবে না।

তিনি বলেন, যখন মোশতাক বা রশীদ-ফারুক তারা বিবিসিতে যে ইন্টারভিউ দিয়েছে ১৫ আগস্টের পর, সেই ইন্টারভিউতে তারা স্বীকার করেছে। শুধু তাই না, অনেক পত্রিকায়ও তাদের বক্তব্য এসেছে যে, জিয়াউর রহমান এই খুনিদের সঙ্গে সবসময় ছিল এবং জিয়াউর রহমানই ছিল মূল শক্তির উৎস। সেই বেঈমানিটা করেছিল। অথচ জিয়াউর রহমান ছিল একটা মেজর। স্বাধীনতার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে মেজর থেকে একটা প্রমোশন দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছিল। সেটা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।

শেখ হাসিনা বলেন, মেধাবী ছাত্র, তাদের হাতে একদিকে যেমন মেধার জন্য তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছে, অপরদিকে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে, অর্থ তুলে দিয়েছে, মাদক তুলে দিয়েছে এবং তাদেরকে ব্যবহার করেছে। তাদেরকে বিপথে নিয়ে গেছে। এ রকম বহু মেধাবী ছাত্রকে এই জিয়াউর রহমান বিপথে ঠেলে দিয়েছে। প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্ত্রের ঝনঝনানি। শিক্ষার কোনো পরিবেশ ছিল না। তার স্ত্রী খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় আসে তখনও সে হুমকি দিয়েছিল যে আওয়ামী লীগকে মোকাবিলা করতে তার ছাত্রদলই নাকি যথেষ্ট। তার কারণ ছাত্রদলের হাতে তারা অস্ত্র তুলে দিয়েছে। তাদের লেখাপড়া করতে উৎসাহিত করেনি।

তিনি বলেন, আমি ছাত্রলীগের হাতে খাতা-কলম তুলে দিয়েছিলাম যে লেখাপড়া শিখতে হবে। ছাত্রলীগের মূলমন্ত্র শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি। সেই শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি এই আদর্শ নিয়ে ছাত্রলীগকে তৈরি হতে হবে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে। মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। কিন্তু জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে, এরপরে এরশাদ, তারপরে খালেদা জিয়া তারা কি করেছে? তারা তো ছাত্র সমাজকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। সুশিক্ষায় শিক্ষিত হোক এই জাতি এটা তারা কখনো চায়নি। অবশ্য চাইবেই বা কী করে, নিজেদের কী অবস্থা সেটাও তো দেখতে হবে।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




বরিশালের মেয়র ‘দুর্বৃত্ত’ গ্রেপ্তারের দাবি বিএএসএ’র

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ আগস্ট ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন (বিএএসএ)। বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানায় অ্যাসোসিয়েশন।

বলা হয়, মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও তার দুর্বৃত্ত বাহিনী সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের দিয়ে নানা প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে এবং সমস্ত জেলায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ফলে তাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতেও দাবি জানানো হয়।

বরিশালে সংঘটিত ঘটনাবলির বিষয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী পরিষদের এক জরুরি সভা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বরিশাল সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনে সংঘটিত ঘটনাবলি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, আইনের মাধ্যমেই দুর্বৃত্তদের মোকাবিলা করা হবে এবং আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।

বরিশালের ঘটনাবলী বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি কর্তব্য পালন করতে গিয়ে একজন নির্বাহী অফিসার কীভাবে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের দ্বারা হেনস্থা হয়েছেন সেটি বরিশালে দেখা গেছে। তার বাসায় হামলা করা হয়, যেখানে তার করোনা আক্রান্ত অসুস্থ পিতামাতা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতেই উক্ত কর্মকর্তাকে গালিগালাজ করা হয়েছে, তার বাড়ির গেট ভেঙে প্রবেশ করা হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি ব্যবহার করা হয়েছে, তার চামড়া তুলে নেওয়ার জন্য প্রকাশ্যে শ্লোগান দিয়ে মিছিলও করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও তার দুর্বৃত্ত বাহিনী সিটি করপোরেশনের কর্মচারীদের দিয়ে নানা প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে এবং সমস্ত জেলায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।

বাংলাদেশ অ্যাডোমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এমন কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানায় এবং বরিশালের মেয়র যার অত্যাচারে সমগ্র বরিশালবাসী অত্যন্ত অতিষ্ঠ সেই সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর হুকুমেই এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করে। অতএব, বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন অবিলম্বে তার গ্রেফতার দাবি করছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী অত্যন্ত আস্থাবান এবং তার লালিত দেশপ্রেমের চেতনা ধারণ করে কাজ করছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, আমরা দায়িত্ব-কর্তব্য পালনে সচেষ্ট থাকব, সেই সঙ্গে এইসব রাজনৈতিক দুর্বৃত্তকে আমরা আইনের মাধ্যমেই মোকাবিলা করব। আইনের শাসনের মাধ্যমে স্বচ্ছ জবাবদিহিতামূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রীর যে অভিপ্রায়, সে ব্যাপারে সকলেই অঙ্গীকারবদ্ধ এবং কোনো পরিস্থিতিতেই সেই পথ থেকে বিএএসএ বিচ্যুত হবে না।

এর আগে, বরিশালে ইউএনও বাসভবনে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে আলাদা দুটি মামলা হয়। নগরীর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, ইউএনওর বাসায় হামলার ঘটনায় নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকশোজনকে আসামি করে আলাদা দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলার বাদী হয়েছেন ইউএনও মুনিবুর রহমান নিজে। অপরটির বাদী পুলিশ। এই মামলায় ইতোমধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।




আরও খবর



১৭ মাস পরে স্কুলে দিল্লির শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:বুধবার ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

প্রায় দেড় বছর পর স্কুল খুললো ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। কোভিড মহামারির কারণে এতোদিন বন্ধ থাকার পর বুধবার থেকে স্কুলগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

দিল্লিতে সম্প্রতি কোভিডের প্রাদুর্ভাব কমে যাওয়ায় ১৭ মাস পর স্কুলগুলো খুলে দেওয়ার এ উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু নিয়ম মেনেই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ক্লাসে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের থার্মাল স্ক্যানিং করা হবে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বিশেষ করে মধ্যাহ্নবিরতিতে খাবারের সময় সোশ্যাল ডিসট্যান্স মেনে চলার তাগিদ দিয়েছে দিল্লির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (ডিডিএমএ)। এর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট দলে ভাগ করে দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া দিনে যেন সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শিক্ষার্থী ক্লাসে আসতে পারে সেভাবে রুটিন তৈরি করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি ব্যবহারের জন্য কোয়ারেন্টিন রুম চালুরও পরামর্শ দিয়েছে ডিডিএমএ। সংস্থাটির নীতিমালায় বলা হয়েছে, স্কুল খুললেও লকডাউন জোনে থাকা ছাত্র-শিক্ষকরা ক্লাসে যেতে পারবেন না।

কৌটিল্য সরকারি বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ডক্টর সিএস ভার্মা বলেন, শিক্ষার্থীরা ফিরে আসায় আমরা খুবই খুশি। আমরা কঠোর সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করবো। শিক্ষার্থীদের খাবার বা নোটবুক শেয়ার করতে দেওয়া হবে না। কোনও শিশু যদি অসুস্থ বোধ করে সেটি বিবেচনায় আমরা একটি আইসোলেশন রুমও তৈরি করেছি।


আরও খবর

আফগানিস্তানে আবারও বিস্ফোরণ, নিহত ৭

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




নোয়াখালীতে নারী পাচারকারী পিতা-পুত্র গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশ নারী পাচারকারী দলের সক্রিয় সদস্য পিতা-পুত্রকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুবের বাপের বাড়ির বাসিন্দা মো.ইদ্রিস মিয়া (৫৭) ও  তার ছেলে আবদুল্লাহ শাফী (২৩)।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়ে হয়েছে। এর আগে সোমবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার উপজেলার ডমুরুয়া ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ডের আইয়ুবের বাপের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,২০০৮ সালে ১৫ জুলাই পরীকোট গ্রামের আবদুল মালেক জমিদারের মেয়ে নাছিমা আক্তার জোসনাকে ১১ বছর বয়সে তার জেঠি আফরোজা বেগম ওরফে মুন্নি (৫৩) ও জেঠা মো. ইদ্রিস মিয়া (৫৮) ও তার ছেলে আদুল্লাহ শাফী (২৩) বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে বাড়ি থেকে নিয়ে ফেনী পৌরসভার রামপুর ১৮নম্বর ওয়ার্ডের তাকিয়া রোডর জয়নাল আবদীনের নিকট ২লাখ টাকায় বিক্রি করে দেয়। দীর্ঘদিন খোঁজাখুজির পরও তাকে পাওয়া যায়নি। ওই সময় পাচারের শিকার ১১ বছরের ওই শিশুটি বর্তমান বয়স ২৬ বছর। পাচারের  ১৫ বছর পর শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের শিকার ওই যুবতী গত ৭ নভেম্বর সেনবাগে গ্রামের বাড়িতে ফিরে এলে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা জানান, মানব পাচার আইনের মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত দুই আসামি দীর্ঘদিন থেকে পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আব্দুল বাতেন মৃধা আরো জানান, এ ঘটনায় আদালতে মানব পাচার আইনের একটি মামলা হয়। গ্রেফতারকৃত দুই আসামি ওই মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামি ছিল।


আরও খবর

মায়ের ওপর অভিমান করে আত্মহত্যা

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

৪ দিন পর হাতিয়ার সঙ্গে সারাদেশে নৌ চলাচল শুরু

বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১




খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ল আরও ৬ মাস

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়ানো হয়েছে। তবে এই সময়ে তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না। 

রবিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য মুক্তি চেয়ে চলতি মাসের শুরুর দিকে তার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেন। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মতামতের জন্য আবেদনটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

আবেদনে মতামত দিয়ে সেটি গত ৭ সেপ্টেম্বর আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় কারাজীবন শুরু করেন খালেদা জিয়া। এখন পর্যন্ত দুই মামলায় খালেদা জিয়ার মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

২৫ মাস কারাভোগের পর করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে গত বছরের ২৫ মার্চ ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়ার দণ্ড শর্তসাপেক্ষে ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। এরপর দ্বিতীয় দফায় দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ ছয়মাস বাড়ানো হয়।

এরপর আবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত মার্চে তৃতীয় দফায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ছয় মাসের জন্য দণ্ড স্থগিত করা হয়। চলতি সেপ্টেম্বরেই সেই মেয়াদ শেষে চতুর্থ দফায় তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো হলো।


আরও খবর



চট্টগ্রামে করোনায় আরও ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৬ জন মারা গেছেন। আর একই সময়ে নতুন করে ২৬৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

শুক্রবার (২৭ আগস্ট) চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে, বৃহস্পতিবার  করোনায় মারা গিয়েছিলেন ৭ জন, শনাক্ত হয়েছিলেন ৩০৬ জন।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, চট্টগ্রামের ১০টি ও কক্সবাজারের একটি ল্যাবে ১ হাজার ৬৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৬৯ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরেরই ১২১ জন। বাকিরা বিভিন্ন উপজেলার। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ০৭ শতাংশ।

লোহাগড়া ১০, সাতকানিয়ায় ১৭, বাঁশখালী ১৪, আনোয়ারায় ১১, চন্দনাইশে ৭, পটিয়ায় ৪, বোয়ালখালীতে ৯, রাউজানে ২৭, ফটিকছড়িতে ১৪, হাটহাজারীতে ৩০, সীতাকুণ্ডে ৪ ও সন্দ্বীপ ১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৯৮ হাজার ৫৩৭ জন। মোট শনাক্তের মধ্যে চট্টগ্রাম নগরেরই ৭১ হাজার ৭৫৫ জন। বাকি ২৬ হাজার ৭৮২ জন বিভিন্ন উপজেলার।

গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়াদের ২ জন নগরের বাসিন্দা, বাকি ৪ জন বিভিন্ন উপজেলার। করোনা আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ২০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৬৮২ জন চট্টগ্রাম নগরের। আর বিভিন্ন উপজেলায় মারা গেছেন ৫২৭ জন।


আরও খবর

মায়ের ওপর অভিমান করে আত্মহত্যা

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১