Logo
শিরোনাম

জমি রেজিস্ট্রেশনে নতুন মৌজা রেট কার্যকর আজ থেকে

প্রকাশিত:রবিবার ০১ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ১৫৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

জমি রেজিস্ট্রেশনে আজ থেকে সারা দেশে নতুন মৌজা রেট কার্যকর হচ্ছে। আগামী দুই বছরের জন্য সংশোধিত মৌজা রেট অনুমোদন করে বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) নিবন্ধন অধিদপ্তর থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

জানা গেছে, সংশোধিত নতুন মৌজা রেটে সরকারি হিসাবে প্রতি অযুতাংশ জমির শ্রেণিভিত্তিক মূল্য সর্বনিম্ন ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আবার কোথাও বাড়ির চেয়ে ভিটি শ্রেণির দাম বেশি ধরা হয়েছে। খুবই কমসংখ্যক মৌজায় পূর্বের মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। এরমধ্যে কিছু মৌজার বেশিরভাগ জমি সরকার আগেই অধিগ্রহণ করেছে।

নিবন্ধক অধিদপ্তরের বিদায়ি মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়, সম্পত্তির সর্বনিম্ন বাজারমূল্য নির্ধারণ বিধিমালা-২০১০ (সংশোধিত ২০১২ ও ২০১৫) অনুযায়ী ২০২৩ ও ২০২৪ সালের জন্য প্রস্তুতকৃত বাজারমূল্য তালিকা ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য কার্যকর হবে।

প্রস্তুতকৃত বাজারমূল্য সম্পর্কে কোনো আপত্তি থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলার বাজারমূল্য নির্ধারণ কমিটির সদস্য সচিব/নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক বরাবর পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যাবে।

এদিকে উদাহরণস্বরূপ কয়েকটি মৌজায় জমির মূল্য সংশোধনের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হলো-

রাজধানী ঢাকার বাড্ডা সাবরেজিস্ট্রারের এলাকাধীন জোয়ার সাহারা মৌজায় পূর্বে বাড়ি শ্রেণির জমির অযুতাংশ প্রতি মূল্য ছিল ২৬,১৪৯ টাকা, সংশোধিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮,৪৮০ টাকা। খিলখেত থানায় ডুমনী মৌজায় আগে ছিল ৫,০৯৯ টাকা, এখন ৬,১২০ টাকা, পাতিরা পূর্বে ৪,৩৮০ টাকা, সংশোধিত মূল্য ৪,৮৩৭ টাকা, বরুয়া পূর্বে ৯,০৬৭ টাকা, সংশোধিত ৯,৭৯৯ টাকা এবং মস্তুলে পূর্বের মূল্য ১০,৩৪৩ টাকা এবং বর্তমানে করা হয়েছে ৩৩,৮৪৮ টাকা।

আবার জোয়ার সাহারা মৌজায় বাড়ি শ্রেণির জমির চেয়ে ভিটি শ্রেণির জমির মূল্য বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। বাড়ির শ্রেণির প্রতি অযুতাংশ ২৮,৪৮০ টাকা হলেও ভিটি শ্রেণির মূল্য ধরা হয়েছে ৫৩,৪৩৮ টাকা। একইভাবে মস্তুল মৌজায় বাড়ি শ্রেণির জমির প্রতি অযুতাংশের মূল্য ৩৩,৮৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও ভিটি শ্রেণির জমির দাম ধরা হয়েছে প্রতি অযুতাংশ ৪৭,৮৫৯ টাকা।

তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া ৬১ জেলায় নতুন এ মৌজা রেট আজ থেকে কার্যকর হবে। গতকাল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে প্রতিটি জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে নতুন রেট শিডিউল বহি সাবরেজিস্ট্রারদের কাছে সরবরাহ করা হয়।

সরকারি হিসাবে মৌজাভিত্তিক জমির সর্বনিম্ন গড় বাজারমূল্য ধরে সংশোধিত মৌজা রেট নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ এই মূল্যের নিচে জমি রেজিস্ট্রি করা যাবে না।


আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




গণআন্দোলনের ঢেউ তুলতে পারেনি বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৪ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ২৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণঅভ্যুত্থান নয়, গণআন্দোলনের ঢেউও তুলতে পারেনি বিএনপি। তাদের আন্দোলনে জনগণের সম্পৃক্ততা নেই। তাদের আন্দোলন নেতাদের মধ্যে সীমিত।

ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বকশীবাজারে নবকুমার ইনস্টিটিউটশন ও ডক্টর শহীদুল্লাহ কলেজ প্রাঙ্গণে গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মতিউর রহমান মল্লিকের বেদিতে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল স্বাধীনতার পথে চূড়ান্ত মাইলফলক। বিএনপি ৭ মার্চ, ৭ জুন, ১৪ এপ্রিল, ১০ জানুয়ারি, ২৪ জানুয়ারি মানে না, পালন করে না।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, একাত্তরে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার একমাত্র বৈধ অধিকার ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, অন্যরা পাঠকমাত্র।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, শাজাহান খান, ডাক্তার মোস্তফা জালাল মহিউদ্দীন, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেনও সুজিত রায় নন্দী, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসিম কুমার উকিল, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমদে মন্নাফী, সংসদ সদস্য হাজী সেলিমসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। পরে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনার সভার আয়োজন করা হয়।


আরও খবর



হাটবাজারে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

হাট-বাজারের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং এক বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে হাট ও বাজার আইন, ২০২৩ সংসদে উঠেছে।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। পরে বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

এর আগে, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়। হাট ও বাজার (স্থাপন ও অধিগ্রহণ) অধ্যাদেশ, ১৯৫৯ সংশোধন ও পরিমার্জন করে এই নতুন আইনের খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।

বিলে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত জমি হতে দখলদারকে উচ্ছেদ করে জমির দখল হাট ও বাজারের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বুঝিয়ে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার বৃদ্ধি করে বিলে বলা হয়েছে, আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধসমূহ মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর তফসিলভুক্ত হওয়া সাপেক্ষে, মোবাইল কোর্ট কর্তৃক বিচার্য হবে। বিলে এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা, বিধি প্রণয়ন করার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, হাট ও বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠাসহ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করতে ১৯৫৯ সালে প্রণীত অধ্যাদেশ রহিত করে বাংলা ভাষায় নতুন বিলটি আনা হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং স্টেক হোল্ডারদের মতামত গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনক্রমে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

১৯৫৯ সালের হাট-বাজার অধ্যাদেশে কোনো শাস্তির বিধান ছিল না। নতুন আইনে বলা হয়েছে, হাট-বাজারের সরকারি খাসজমি কেউ অবৈধভাবে দখলে রাখলে বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া হাট-বাজারের খাসজমির ওপর কোনো অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে বা নির্মাণের উদ্যোগ নিলে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা এক বছর কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।


আরও খবর



চট্টগ্রামে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় আসামি ৬০০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে নগরের কোতোয়ালি থানায় মামলাগুলো করে পুলিশ। চার মামলায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, সদস্যসচিব আবুল হাশেমসহ প্রায় ৬০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল কবির বলেন, পুলিশের ওপর হামলা, সরকারি কাজে বাধা, অগ্নিসংযোগ ও দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে মোট চারটি মামলা হয়েছে। কোতোয়ালি থানার পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করেছে। অপর মামলার বাদী চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। এসব মামলায় ৯০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

গতকাল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে বিএনপির অন্তত ২৫ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন পুলিশের পাঁচ সদস্য। সংঘর্ষকালে ১০টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি পুলিশের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এ ছাড়া কাজীর দেউড়ি এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। এতে বিএনপির নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। হামলার অভিযোগে বিএনপির ১৬ জনকে গতকালই ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশ। তাদের আজ দুপুরে আদালতে মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।


আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




কনকনে ঠাণ্ডায় কাবু উত্তরের মানুষ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

উত্তরে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশা আর প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় বিপর্যস্ত জনজীবন। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া মানুষজন ঘরের বাইরে যাচ্ছেন না। কাজে যেতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। এদিকে শীতজনিত রোগে ভীড় বাড়ছে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডগুলোতে।

ঘনকুয়াশার সঙ্গে বইছে হিমেল বাতাস। কনকনে ঠাণ্ডায় কাবু উত্তরের জেলা লালমনিরহাটের মানুষ। খেটে খাওয়া ছিন্নমুল ও তিস্তা-ধরলা নদীপাড়ের চরের মানুষ পড়েছেন চরম বিপাকে।

ঠাণ্ডার কারণে রাস্তায় কমেছে পথচারী। যাত্রীর অভাবে রিক্সা ও ইজিবাইক চালকদের কমেছে আয়। কৃষি শ্রমিকরাও বেশিক্ষণ মাঠে কাজ করতে পারছেন না।

স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করে ঘনকুয়াশা, কিছুই দেখতে পারছিনা। কোন জায়গায় যেতে পারছিনা। ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। জীর জীরে বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে, তাতে গবাদি পশু ও ফসলের প্রচুর ক্ষতি হচ্ছে।

রংপুরে দুদিন ধরে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সুর্যের মুখ দেখা যাচ্ছেনা। হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতা অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছে। ঘন কুয়াশার কারণে হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন।

রাজশাহীতে ঘন কুয়াশা ও কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত। আর তীব্র শীতের কারণে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ ঠাণ্ডাজনিত নানা রোগের প্রকোপ বেড়েছে।

হাসপাতালে বাড়তি রোগীর চাপে অনেকেরই ঠাঁই হয়েছে মেঝেতে। কর্তব্যরতরা বলছেন, রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। তবে শীতকালীন এসব রোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, এই ধরনের রোগ এই সময়ে বাড়ে আমরা জানি। তাই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি, যদি আরও বাড়ে তাতে কোনো অসুবিধা হবে না।

নাটোরে শীতে দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের। শীত জনিত রোগে আক্রান্ত শিশুদের ভিড় বেড়েছে হাসপাতালগুলোতে।

অভিভাবকরা জানান, প্রথমে ঠাণ্ডা থেকে কাঁশি, পরে নিউমোনিয়া দেখা দিয়েছে।


আরও খবর

কড়াইয়ের গরম তেলে পড়ে শিশুর মৃত্যু

শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩




ডায়াবেটিসের যে লক্ষণ দেখা দেয় শরীরের ৬ অঙ্গে

প্রকাশিত:রবিবার ২২ জানুয়ারী ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ জানুয়ারী ২০২৩ | ৩৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বর্তমানে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ঘরে ঘরেই। ডায়াবেটিস হলে বারবার পানি পিপাসা, ঘন ঘন প্রস্রাব করার প্রয়োজন, ক্লান্তি, ঝাপসা দৃষ্টি ও অনিচ্ছাকৃত ওজন কমে যেতে পারে। রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে এর প্রভাব পড়ে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি বেড়ে গেলে শরীরের ক্ষুদ্র রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত পৌঁছাতে পারে না সহজে।

এ কারণে ডায়াবেটিস হলে শরীরের গুরুতর সব অঙ্গে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ডায়াবেটিসের কারণে শরীরের কোন কোন অঙ্গে কী কী প্রভাব পড়ে ও লক্ষণ দেখা দেয়-

চোখ: রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি হলে রেটিনার রক্তনালিগুলোতে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে, ফলে ঝাপসা দৃষ্টি, ছানি, গ্লুকোমা এমনকি গুরুতর ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথিও হতে পারে। রেটিনোপ্যাথির কারণে রেটিনার পরিবর্তন ঘটে, যদি এর সঠিক চিকিত্সা না করা হয় তাহলে ডায়াবেটিস রোগীদের দৃষ্টিশক্তি কমে যায় এমনকি তারা অন্ধত্ব বরণও করতে পারে।

পা: ডায়াবেটিসের কারণে পায়ে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। এক্ষেত্রে স্নায়ুর ক্ষতি হয়, ফলে পায়ে সংবেদন অনুভব করতে পারে না। ডায়াবেটিসের কারণে পায়ে রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে, ফলে পায়ের বিভিন্ন ক্ষত সারানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর থেকেই ডায়াবেটিক ফুট বা ঘা হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যদি ঘা বা সংক্রমণের চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে অঙ্গচ্ছেদ পর্যন্ত হতে পারে।

কিডনি: কিডনি শরীরের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এটি শরীর থেকে সব ধরনের টক্সিন ও বর্জ্য ফিল্টার করতে সাহায্য করে। কিডনিতে থাকা একাধিক ক্ষুদ্র রক্তনালি বিশেষ এই অঙ্গের কার্যকারিতায় সাহায্য করে। রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়ার কারণে কিডনির রক্তনালিতেও ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। এর থেকেই ডায়াবেটিক রোগীর কিডনির সমস্যা বাড়ে। যা ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি নামে পরিচিত। এর উপসর্গগুলোর মধ্যে আছে- প্রস্রাবে প্রোটিন, বারবার প্রস্রাবের বেগ, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের অবনতি, পা, গোড়ালি, হাত ও চোখ ফুলে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বমি, ক্লান্তিসহ অনেক কিছু।

স্নায়ু: ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি ও নেফ্রোপ্যাথির মতো, উচ্চ রক্তে শর্করাও ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি নামক স্নায়ুর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই অবস্থার কারণে অসাড়তা বা ব্যথা বা তাপমাত্রা অনুভব করার ক্ষমতা কমে যায়। এছাড়া জ্বালাপোড়া, তীক্ষ্ণ ব্যথা, স্পর্শে সংবেদনশীলতা ও গুরুতর পায়ের আলসার, সংক্রমণ ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

হার্ট: রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে হার্টের রক্তনালিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ কারণে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের মধ্যে স্ট্রোক ও হৃদরোগসহ কার্ডিওভাস্কুলার জটিলতার ঝুঁকিতে থাকে। এছাড়া ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) অনুসারে, ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের উচ্চ রক্তচাপসহ হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকে।

মাড়ি: মাড়ির রোগকে পিরিওডন্টাল রোগ বলে। রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে মাড়িতে রক্তপ্রবাহ কমে যায় ও পেশিগুলো দুর্বল হয়ে যায়। এজন্য মাড়ি থেকে রক্তপাত ও প্রচণ্ড ব্যথা হতে পারে।

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাবেন কীভাবে: স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করার মাধ্যমে রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। ডায়াবেটিসসহ দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার ঝুঁকি কমাতে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর, পুষ্টিকর ও কম প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে হবে। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে হবে। এজন্য নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে। এছাড়া ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন এড়াতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিয়মিত চেকআপ করানো ও ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলা।

নিউজ ট্যাগ: ডায়াবেটিস

আরও খবর

৮ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি

বৃহস্পতিবার ২৬ জানুয়ারী ২০২৩