Logo
শিরোনাম

জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৫৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিক্ষাসংক্রান্ত সমসাময়িক বিষয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এতে বর্তমানে করোনার প্রাদুর্ভাব কিছুটা কমে যাওয়ায় সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হল খুল দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছে। এ প্রেক্ষিতে আজ শিক্ষামন্ত্রীর এ জরুরি সংবাদ সম্মেলন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমের কাছে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, করোনাকালে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী অনলাইন সংবাদ সম্মেলন করবেন। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে ৩০ জানুয়ারি উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ফেব্রুয়ারি মাস নজরে রাখব। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মার্চ-এপ্রিলে আংশিকভাবে স্কুল খুলে দেয়া হবে।

তিনি আরো বলেন, এজন্য দরকার সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলা ও করোনাভাইরাস মোকাবেলায় যা যা ব্যবস্থা আছে তা গ্রহণ করা। আর ভ্যাকসিন তো সবাই পেয়ে যাবেন।

গত ২২ জানুয়ারি করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে গাইডলাইন প্রকাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। এ গাইডলাইন অনুসরণ করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নিতে বলা হয়। স্কুল-কলেজগুলোতে ৩৯ পাতার গাইডলাইন পাঠিয়ে বলা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কুলগুলো প্রস্তুত করে রাখতে, যাতে যে কোনো মুহূর্তে সেগুলো খুলে দেয়া যেতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে না। তবে পহেলা মার্চ থেকে দেশের সকল পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে। সে কারণে আজ দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন।


Share

আরও খবর



ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভাসানচরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ সহায়তা চান।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক করেন ড. মোমেন। বৈঠকে ভাসানচরে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন তিনি। একইসঙ্গে সেখানের রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা চান।

বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া ভূমিকায় জাতিসংঘ মহাসচিব প্রশংসা করেন। এ সময় রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরেন ড. মোমেন। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘ সদা প্রস্তুত বলে জানান মহাসচিব।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন তিন দিনের সফরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

Share

আরও খবর



স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস আজ

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ২৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দানবের সাথে লড়াইয়ে যেকোনো পরিণতিকে মাথা পেতে বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত। তেইশ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি। প্রয়োজন বোধে বুকের রক্তে গঙ্গা বইয়ে দেব। তবু সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বাংলার বীর শহীদদের

আজ ঐতিহাসিক ৩ মার্চ; স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি জনসভাতেও স্বাধীনতার কথা বলেছিলেন। ওই সভায় তিনি না থাকলেও যেন বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলন না থেমে থাকে সে জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর টালবাহানা এবং জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠেছিল পুরো দেশ। ছাত্রলীগ এবং শ্রমিকলীগের উদ্যোগে ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানের জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে পাঠ করা হয় স্বাধীনতার ইশতেহার। বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীকার আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করে ছাত্রসমাজ।

বঙ্গবন্ধু ওই সভায় বলেছিলেন, আমি মরে গেলেও সাত কোটি মানুষ দেখবে দেশ সত্যিকার স্বাধীন হয়েছে। তিনি বলেন, হয়তো এটাই আমার শেষ ভাষণ। আমি যদি না-ও থাকি, আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যাতে না থামে।

একাত্তরের ৩ মার্চ পল্টনে ছাত্রলীগ এবং শ্রমিকলীগের উদ্যোগে এক বিশাল জনসভায় বঙ্গবন্ধু এ আহ্বান জানান। পরদিন ৪ মার্চ দৈনিক ইত্তেফাক এবং আজাদে সভার বিস্তারিত ছাপা হয়।

জনসভায় বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার কথা বলায় উদ্বেলিত মানুষ বীর বাঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর, গ্রামে গ্রামে দূর্গ গড়, মুক্তিবাহিনী গঠন কর স্লোগানে রাজপথ প্রকম্পিত করে। নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বঙ্গবন্ধুকে বাংলার স্বাধীকার আন্দোলনের সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করা হয় । জনসভায় বক্তব্য রাখেন তোফায়েল আহমেদ, শ্রমিক নেতা আবদুল মান্নান এবং ডাকসু নেতা আবদুল কুদ্দুস মাখন।

ড. মোহাম্মদ হান্নান তাঁর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস গ্রন্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত লিখেছেন। তিনি লেখেন, বঙ্গবন্ধু এদিন ভাষণে অফিস আদালতে যাওয়া এবং কর খাজনা দেওয়া বন্ধ রাখতে বলেন। রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদপত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করলে তিনি তা মান্য না করার নির্দেশ দেন।

বঙ্গবন্ধু বলেন, দানবের সাথে লড়াইয়ে যেকোনো পরিণতিকে মাথা পেতে বরণের জন্য আমরা প্রস্তুত। তেইশ বছর রক্ত দিয়ে এসেছি। প্রয়োজন বোধে বুকের রক্তে গঙ্গা বইয়ে দেব। তবু সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বাংলার বীর শহীদদের রক্তের সাথে বেঈমানি করব না।

এর আগে ৩ মার্চ রাজনৈতক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় পাকিস্তানের নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের নেতাদের একটি বৈঠক ডাকেন। আমন্ত্রিতদের তালিকায় উল্লেখযোগ্যরা ছিলেন- পাকিস্তান আওয়ামী লীগের শেখ মুজিবুর রহমান, পাকিস্তান পিপলস পার্টি থেকে জুলফিকার আলী ভুট্টো, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি থেকে খান আবদুল ওয়ালী খান, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাইউম) থেকে খান আবদুল কাইউম খান, মুসলিম লীগ কাউন্সিল থেকে মিয়া মোমতাজ দৌলানা প্রমুখ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার এই রাজনৈতিক সভাকে বন্দুকের নলের মুখে নিষ্ঠুর তামাশা বলে অভিহিত করে তা প্রত্যাখ্যান করেন।

বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখক, কবি এবং সাংবাদিক আবুল মোমেন ৩ মার্চের জনসভায় বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, আগে থেকে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তিনি এদিনের জনসভাতেও স্বাধীনতার প্রসঙ্গটি এনেছিলেন। যদিও জোরালোভাবে তা উচ্চারিত হয়েছিল ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে।

সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, অনেক আগে থেকে বিচ্ছিন্নভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিষয়টি আলোচিত হলেও সত্তর দশকে এবং আগে সংগঠিত নানা আন্দোলন সংগ্রামে স্বাধীনতার প্রত্যাশাটি আরো বেশি জোরালো হয়ে উঠে। স্বাধীনতার প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনুধাবন এবং পাকিস্তানীদের প্রতিক্রিয়া এবং প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণের জন্য ৩ মার্চের জনসভায় বঙ্গবন্ধু স্বাধানতার প্রসঙ্গটি তুলেছিলেন বলে মনে করেন আবুল মোমেন।

পল্টনের সভা থেকে এ দিন ৪ থেকে ৬ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ৬টা থেকে ২টা পর্যন্ত হরতাল পালনের আহ্বান জানানো হয়। ৫ মার্চ বায়তুল মোকারম থেকে একটি লাঠি মিছিল বের করারও কর্মসূচি ঘোষিত হয়। এদিকে ৩ মার্চ সারা দেশে পূর্ণ হরতাল শেষে ঢাকা, চট্রগ্রাম, রংপুর ও সিলেটে গোলযোগ হয়। পরদিন দৈনিক আজাদের খবরে বলা হয়, এদিন রাজশাহীতে টেলিফোন অফিসের সামনে সামরিক বাহিনীর গুলিতে আহতদের স্থানীয় মুসলীম কমার্শিয়াল ব্যাংকের বারান্দায় ফেলে রাখা হয়। এ সময় আহতদের কয়েকজন ব্যাংকের দেয়ালে তাঁদের দেহ থেকে নিঃসরিত রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন কর কথা লেখেন।

Share

আরও খবর

জাতীয় পতাকা দিবস আজ

মঙ্গলবার ০২ মার্চ 2০২1




এক মানিকের নামে অন্য মানিক জেলে

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৪৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মাদক মামলায় এক মানিকের স্থলে অন্য মানিক জেল খাটছেন এমন অভিযোগ এনে নির্দোষ মানিকের পক্ষে তার স্ত্রী হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন। চেয়েছেন স্বামীর মুক্তি। আজ বুধবার (৩ মার্চ) বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামি রোববার (৭ মার্চ) দিন ধার্য করেছেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী পার্থ সারথী রায়। ডেপুর্টি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

আইনজীবীরা জানান, ২০০৯ সালে একটি গাড়িতে ৬৬৮ বোতল ফেনসিডিল পাওয়ার অভিযোগে ওই বছরের ২ জুন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা হয়। পরে ওই মামলার আসামি মো. মানিক মিয়াকে ২০০৯ সালের ৩ জুন গ্রেফতার করেন পুলিশ। কিছু দিন কারাভোগের পর একই বছর হাইকোর্ট থেকে জামিন পান মানিক।

মামলার বিচার শেষে ২০১৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জ আদালতে রায় ঘোষণা করেন। রায়ে চার আসামিকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দেন।

আসামিরা হলেন- ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার মন্টু শেখ ওরফে জামাল উদ্দিন ও সোহরাব হোসেন, পটুয়াখালী বাউফল থানার মো. জামাল হোসেন ও শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার মো. মানিক মিয়া।

মানিক হাওলাদারের ছোট ভাই রতন হাওলাদার বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আলম চাঁন ব্যাপারী কান্দী গ্রামে। আমার বাবার নাম নজরুল ইসলাম আর মায়ের নাম রেজিয়া বেগম।

অন্যদিকে মামলার যে প্রকৃত আসামি মো. মানিক মিয়া। তার বাবার নাম ইব্রাহিম মৃধা, মায়ের নাম লুতফা বেগম। গ্রাম হচ্ছে মালতকান্দি। সখিপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ড। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি সাজাপ্রাপ্ত মো. মানিক মিয়ার স্থলে শুধু নামের মিল থাকার কারণে মানিক হাওলাদারকে শরীয়তপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিউজ ট্যাগ: মাদক মামলা
Share

আরও খবর



সংশোধিত এসএসসি-এইচএসসির সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৭৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০২১ সালের এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন‌্য সংশোধিত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের তৈরি এ পাঠ্যসূচি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে পাঠানো হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে হওয়া বৈঠকে এ সিলেবাসের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। আজ শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সেটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

এ বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেছেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য নতুন করে তৈরি করা সিলেবাসের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমরা এটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাঠিয়েছি।

এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি এসএসসির সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছিল ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। তা নিয়ে আপত্তি জানায় অনেক শিক্ষার্থী। ওই সিলেবাস তিন-চার মাসের মধ্যে শেষ করা সম্ভব নয় বলে দাবি করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এরপর সিলেবাসটি আরও সংক্ষিপ্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গত ২৭ জানুয়ারি সিলেবাসটি আরও সংক্ষিপ্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এনসিটিবিকে।

Share

আরও খবর



আল-জাজিরার সেই প্রতিবেদন সরিয়ে নিতে ফেসবুক-ইউটিউবকে চিঠি

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৯৬জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আল-জাজিরার বিতর্কিত প্রতিবেদনটি সামাজিক যোগাযোগমধ্যম থেকে সরিয়ে নিতে ইউটিউব এবং ফেসবুকের কাছে চিঠি দিয়েছে বিটিআরসি।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের নির্দেশের পর এ পদক্ষেপ নেয় সংস্থাটি। বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ফেসবুক ও ইউটিউবের কাছে মেইল পাঠিয়েছি যেন বাংলাদেশকে নিয়ে আল জাজিরার কনটেন্টটি সরিয়ে নেয়। আশা করছি, তারা আদালতের নির্দেশনাকে সম্মান জানাবে। এখন পর্যন্ত কোনো উত্তর পাইনি।

এর আগে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ সকল মাধ্যমে থেকে বিটিআরসিকে প্রতিবেদনটি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।

আর জাজিরার ওই প্রতিবেদনের প্রতিবাদে গত গত ৮ ফেব্রুয়ারি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটির সম্প্রচার বন্ধ এবং অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেন' প্রতিবেদনটি ফেসবুক ও ইউটিউব থেকে সরানোর নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ও সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ণ করে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা টেলিভিশনে তথ্য চিত্র প্রচার করার দায়ে শায়ের জুলকারনাইন সামি ও ডেভিড বার্গম্যানসহ চার জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আবেদন করেছে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন।

ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালতে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে আল জাজিরায় তথ্যচিত্রের প্রধান চরিত্র জুলকারনাইন ওরফে সামিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলার আবেদন করেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট মশিউর মালেক।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয় আল জাজিরায় প্রচারিত তথ্য চিত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ইসরাইল থেকে যে গোয়েন্দা সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে তার পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি গণমাধ্যমটি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ডেভিড বার্গম্যান, আল-জাজিরা টেলিভিশনের ডিরেক্টর জেনারেল মোস্তেফা স্যোউয়াগ ও নেত্র নিউজের প্রধান সম্পাদক তাসনিম খলিল।

Share

আরও খবর

ডিভোর্স নিয়ে তামিমার দেওয়া তথ্য ভুল : সুবাহ

বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১