Logo
শিরোনাম

কাদের মির্জার বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪৫১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে সিএনজিচালক আলাউদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনায় বসুরহাট পৌর মেয়র কাদের মির্জাকে আসামি করে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছে করা হয়েছে।

রবিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী হারুনুর রশিদ হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আইনজীবী হারুনুর রশিদ হাওলাদার জানান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৪ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক এসএম মোসলেহ উদ্দিন মিজান মামলা আমলে নিয়ে রোববার বিকেলে শুনানির সময় নির্ধারণ করেন।

আইনজীবী আরও জানান, মামলায় কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে তার ভাই সাহাদাত হোসেন ও ছেলে মাশরুর কাদের তাসিক মির্জাসহ ১৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে। বিকেলে শুনানির সময় নির্ধারণ করেন আদালত।

উল্লেখ‌্য, নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু গত মঙ্গলবার (৯ মার্চ) গুলিতে নিহত আলাউদ্দিনের ছোট ভাই এমদাদ হোসেন ওরফে রাজু বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) রাতে কাদের মির্জাকে প্রধান আসামি করে একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে থানায় নিয়ে যান। এজাহারে ত্রুটি থাকার অযুহাতে পুলিশ এজাহার গ্রহণ করেনি বলে এমদাদ সাংবাদিকদের জানান। পরে শুক্রবার (১২ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত কোম্পানীগঞ্জ থানায় পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আজ রোববার আদালতে মামলা করা হয়।

পুলিশ মামলা না নেওয়ায় নিহত আলাউদ্দিনের পরিবারের পক্ষ থেকে শুক্রবার (১২ মার্চ) সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জের চর ফকিরা ইউনিয়নের চর কালি গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় তারা  অভিযোগ করেন, মামলার প্রধান আসামি বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার নাম বাদ দেওয়া হলে মামলা নেওয়া হবে। ওই নাম বাদ না দেয়ায় মামলা নেয়নি পুলিশ।


আরও খবর



অবসর নিতে বাধ্য করা হয়েছিল মাশরাফীকে (ভিডিও)

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

২০১৭ সালের এপ্রিলে আচমকাই টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নিয়েছিলেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। সেই অবসর প্রসঙ্গে দীর্ঘদিন পর মুখ খুললেন নড়াইল এক্সপ্রেস। অনেকটা বাধ্য হয়েই নাকি সেই সময়ে অবসর নিয়েছিলেন তিনি।

একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া দ্বিতীয় পর্বের সাক্ষাৎকারে মাশরাফী বলেন, ওইখানে কিন্তু আমাকে করতেই হতো (অবসর নিতে হতো), এমন পরিস্থিতিই তৈরি হয়েছিল। একটুই বললাম নিতে হয়েছে, বিস্তারিত বলব না। আমি কার কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছি দেখান তো আমার সময়ে। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ইনজুরিতে পড়ে ডাক্তার ছাড় দেওয়ার পরও আমাকে দলে নেওয়া হয়নি। ২০১৭ সালে যখন অবসরে গেলাম, আমি দেশে এসে কাউকে কিছু বলিনি। শুধু দেশের মানুষ আমার পক্ষে ছিল।

বাংলাদেশ দলের সাবেক সফল অধিনায়ক আরও বলেন, আমি যখন শ্রীলঙ্কায় পা রেখে হোটেলে যাই, আমি তখনও ট্রাভেল স্যুটও খুলিনি, তখনই আমার সঙ্গে  নিচে একটা মিটিং হয়। মিটিংয়ের পরই আমার মনে হয়, কিছু একটা গোলমাল আছে। আমি সবসময় বলে আসতাম আমরা সিদ্ধান্তগুলো কিন্তু হুট করেই হবে। আমি যখন বুঝতে পেরেছি সবার বিপরীতে থাকার প্রয়োজন নাই।

এর আগে প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারে মাশরাফী বলেছিলেন, ডাটাগুলো একটু বের করে দেখেন, আমার একটা ফিটনেস টেস্ট ফেল আছে কি না। আমি তো এগুলো কখনোই ক্যামেরার সামনে বলিনি। যে মানুষগুলো কথা বলছেন, তাঁদের অবদান কী? তাঁদের অবদানগুলো যদি আমি তুলে ধরি, সেটা তো খারাপ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক আরও বলেন, একটা বিশ্বকাপে ৫০ জন যাচ্ছে মাশরাফীর চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করতে। কেউ কি নিজের টাকায় গিয়েছেন? খুবই অবাক লাগে ওনারা কি আসলেই কোনো তথ্য রাখেন বা আদৌ অফিস করেন?

সর্বশেষ যেবার বাদ দেওয়া হয়েছিল, তা নাকি মাশরাফীর সঙ্গে আলোচনা করেই দেওয়া হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, না, আলোচনা করা হয়নি। কিছুটা সত্য কথা আশা করেছিলাম।

কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর সঙ্গে কথা হয়েছে কি না এমন এক প্রশ্নের জবাবে নড়াইল এক্সপ্রেস বলেন, আমাকে এক কাপ কফির  প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিলেন তিনি। আমি এখনো সেটার অপেক্ষায় আছি।

গত জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ খেলেছিল বাংলাদেশ। ওয়ানডে থেকে এখনো অবসর না নিলেও সেই সিরিজের দলে জায়গা পাননি মাশরাফী।


আরও খবর



৫৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গণবিজ্ঞপ্তি, আবেদন শুরু ৪ এপ্রিল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩০ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৪৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদারাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এন্ট্রি লেভেলের ৫৪ হাজারের বেশি পদে শিক্ষক পদে নিয়োগ সুপারিশ পেতে আগামী ৪ এপ্রিল থেকে আবেদন শুরু হবে

দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহে মোট ৫৪ হাজার ৩০৪ জন শিক্ষক নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ৩১ হাজার ১০১ জন, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা ২০ হাজার ৯৯৬জন, সংরক্ষিত ২ হাজার ২০৭ জন।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) বিকেলে এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদারাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এন্ট্রি লেভেলের ৫৪ হাজারের বেশি পদে শিক্ষক পদে নিয়োগ সুপারিশ পেতে আগামী ৪ এপ্রিল থেকে আবেদন শুরু হবে। প্রার্থীরা ৪ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ৩০ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পাবেন।

http://ngi.teletalk.com.bd অথবা www.ntrca.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনলাইনে সঠিকভাবে ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে। ফরম সাবমিটের পর প্রার্থীদের মোবাইলে এসএমএস পাঠিয়ে টাকা জমা দেওয়াসহ পরবর্তী নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হবে। আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ১২ জুন এমপিও নীতিমালা জারির আগে যারা সনদ অর্জন করা প্রার্থীরা যাদের বয়স ৩৫ এর বেশি হয়ে গেছে তারাও আবেদনের সুযোগ পাবেন। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইনডেক্সধারী যে সকল শিক্ষক নিবন্ধন সনদধারী কর্মরত আছেন তারাও অনলাইনে নিয়োগের জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে তাদের নিয়োগের আবেদনসমূহ অন্যান্য প্রার্থীদের ন্যায় জাতীয় মেধাতালিকার ভিত্তিতে বাছাইপূর্বক নিষ্পত্তি করা হবে।


আরও খবর

সারা দেশে নিয়োগ দেবে কাজী ফার্মস

মঙ্গলবার ০৬ এপ্রিল ২০২১




সিনিয়র নার্স পদের পরীক্ষা স্থগিত

প্রকাশিত:বুধবার ৩১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ৫২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
সিনিয়র স্টাফ নার্স (১০ম গ্রেড) পদের লিখিত পরীক্ষা আগামী ১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ওই দিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর ১৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল

করোনা মহামারির কারণে এবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন নার্সিং ও মিডওয়াইফরি অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স পদের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করলো বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। বুধবার (৩১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়টি জানায় পিএসসি।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতির জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের সিনিয়র স্টাফ নার্স (১০ম গ্রেড) পদের লিখিত পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ পরীক্ষার পরিবর্তিত তারিখ ও সময় অবহিত করা হবে।

সিনিয়র স্টাফ নার্স (১০ম গ্রেড) পদের লিখিত পরীক্ষা আগামী ১০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ওই দিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর ১৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। বুধবার (৩১ মার্চ) পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।

এর আগে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন বস্ত্র অধিদপ্তরের দ্বিতীয় শ্রেণির (১০ম গ্রেড) ফটো টেকনিশিয়ান পদে প্রার্থীদের ৬ এপ্রিলে অনুষ্ঠিতব্য লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এছাড়া গত সোমবার ৪০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষাও স্থগিত করে পিএসসি। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ৪০তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।


আরও খবর



সংগঠনের প্রধান নিরীক্ষকের তথ্য

হেফাজতের কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন বাবুনগরী

প্রকাশিত:রবিবার ০৪ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১০১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
২০১৬ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তবে জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছ থেকে অর্থের হিসাব চাওয়া এবং এ বিষয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করায় তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধান নিরীক্ষকের পদ

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের অবস্থান কর্মসূচি 'সফল' করতে নানা উৎস থেকে টাকা নিয়েছিল সংগঠনটি। বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকার সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকাও সে সময় অন্তত ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই অর্থের অন্তত এক কোটি টাকার হিসাব দিতে পারেননি হেফাজতের বর্তমান আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। পুরো টাকাই তিনি আত্মসাৎ করেছেন বলে জনপ্রিয় একটি জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন সংগঠনটির প্রধান নিরীক্ষক (অডিটর) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

সংগঠনের আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে দফায় দফায় চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার সঙ্গে থাকা খাদেম (একান্ত সচিব) মাওলানা ইন'আমুল হাসান ফারুকীর মাধ্যমে চেষ্টা করা হলে তিনি জুনায়েদ বাবুনগরীর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেবেন বলে জানান। পরে তাকেও পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার রাত ও শনিবার বিকেলে মাওলানা সলিমউল্লাহর সঙ্গে দুই দফায় কথা হয় ওই সংসাদপত্রটির। এ সময় তিনি বলেন, ঢাকা ঘেরাও এবং এর অংশ হিসেবে শাপলা চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি যখন তুমুল সাড়া জাগায়, তখন আন্দোলন সফল করতে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সহায়তা আসছিল। সে সময় ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাও নগদ ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন সংগঠনের তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে। কিন্তু সেই টাকা নিজের কাছে রেখে দেন তিনি।

মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে হুজুরকেও (হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী) অনেকে টাকা-পয়সা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো টাকা তিনি নিজের কাছে তেমন একটা রাখতেন না। একদিন হুজুর নিজ হাতে তখনকার মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীকে ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। সেই টাকাও তিনি হজম করে ফেলেছেন।

শাপলা চত্বরে আন্দোলন চলাকালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছিল। কারাভোগের পর তিনি জামিনে বেরিয়ে ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন। মাওলানা সলিমউল্লাহ এ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জুনায়েদ বাবুনগরী হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালে একদিন তার মেয়ের এক ভাসুরকে পাঠান এবং তার মাধ্যমে চিকিৎসার কথা বলে সংগঠন থেকে ২০ লাখ টাকা নেন। সেই টাকা ফেরত দেওয়া দূরে থাক, কোনো হিসাবই দেননি তিনি। চিকিৎসার জন্য কত টাকা খরচ হয়েছে; সেটাও কারও জানা নেই। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় সংগঠন থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। সংগঠনের তৎকালীন মহাসচিব হিসেবেও অনেকে তার কাছে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু এসব টাকার কোনো হিসাব নেই।

২০১৬ থেকে ১৮ সাল পর্যন্ত হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তবে জুনায়েদ বাবুনগরীর কাছ থেকে অর্থের হিসাব চাওয়া এবং এ বিষয়ে নিরীক্ষা প্রতিবেদন প্রস্তুত করায় তাকে শেষ পর্যন্ত প্রধান নিরীক্ষকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে হেফাজতের যে অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি রয়েছে, সে কমিটির অন্যতম সদস্য তিনি। অবশ্য কাগজ-কলমে নাম থাকলেও কয়েক মাস ধরে হেফাজতের সঙ্গে তেমন একটা সম্পৃক্ত নন ফটিকছড়ির নাজিরহাট আল জামিয়াতুল ফারুকীয়া মাদ্রাসার মুহতামিম (মহাপরিচালক) মাওলানা সলিমউল্লাহ।

আর্থিক অনিয়মের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে মাওলানা সলিমউল্লাহ বলেন, ২০১৬ সালে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ্‌ আহমদ শফী আমাকে হেফাজতের প্রধান নিরীক্ষক করে একটি অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা কমিটি গঠন করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর সংগঠনের আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে গিয়ে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়তে হয়। মূলত শাপলা চত্বরে আন্দোলনের সময় বিভিন্নভাবে নেওয়া টাকার হিসাব চাইতে গিয়ে এ সমস্যা তৈরি হয়। আমি বিষয়টি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করি- সেটা মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী চাইতেন না। তাই যখনই আর্থিক অনিয়মের বিষয়টি তুলে ধরে নিরীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করি, তখন পদাধিকারবলে আমার নেতৃত্বাধীন কমিটি ভেঙে দেন তিনি। যখন যাকে পছন্দ তাকে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব দেন। অবশ্য কমিটির সদস্যদের মধ্য থেকে প্রধান নিরীক্ষকের পদ দেওয়া হতো। এভাবে তিনবার কমিটি পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রধান নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন চট্টগ্রামের চাক্তাই মোজাহেরুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা লোকমান হাকিম।

আমি যখন প্রধান নিরীক্ষক ছিলাম, তখন সে কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। তবে বর্তমানে তথাকথিত হেফাজতের কমিটির সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

শাহ্‌ আহমদ শফীর ঘনিষ্ঠভাজন ছিলেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। কয়েক মাস আগেও ফটিকছড়ির আল জামেয়াতুল আরাবিয়া নছিরুল ইসলাম নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মুহতামিম ছিলেন তিনি। তবে আহমদ শফী ইন্তেকাল করার পর তাকে সে পদ থেকে সরিয়ে দেন জুনায়েদ বাবুনগরী ও তার সমর্থকরা। তবে এর নেপথ্যে আরও গভীর রহস্য রয়েছে বলে মনে করেন মাওলানা সলিমউল্লাহ। তিনি বলেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ মারা যাওয়ার পর ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার শরীফের পীর মুজিবুল হক মাইজভাণ্ডারী ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে চেষ্টা করেছিলেন। এ জন্য কওমিদের সমর্থন প্রয়োজন বলে মনে করেছিলেন তিনি। একাধিকবার আমার মাধ্যমে শফী হুজুরকে দিয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে ফোন করাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি সেটা করিনি। এমন প্রেক্ষাপটে তার সঙ্গে বাবুনগরীর সুসম্পর্ক হয়। শফী হুজুর ইন্তেকাল করার পর তারা ষড়যন্ত্র করে আমাকে মাদ্রাসা থেকে সরিয়ে দেন।

ফটিকছড়িতে ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটি নামে একটি সংগঠন রয়েছে। প্রায় ২২ বছর ধরে জুনায়েদ বাবুনগরী সভাপতি ও সলিমউল্লাহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও মাদ্রাসার পাশাপাশি সেই কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সলিমউল্লাহকে।

রাজধানীর শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন চলাকালে কথিত নাস্তিক-ব্লগারদের শাস্তিসহ ১৩ দফা দাবি আদায়ে ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি শেষে মতিঝিল শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয় হেফাজতের বিপুলসংখ্যক কর্মী-সমর্থক। দিনভর বিভিন্ন স্থাপনা, যানবাহনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে তারা। পরদিন ৬ মে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, নারায়ণগঞ্জ, বাগেরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজত কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। এসব ঘটনায় রাজধানীসহ রদশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের ২২ কর্মীসহ ৩৯ জন নিহত হয়। সূত্র : সমকাল


আরও খবর



হেফাজতের সাংগঠনিক সম্পাদক ৩ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৯৯৭জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় ৩ দিনের রিমান্ডে হেফাজতে ইসলামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক মোল্লা (৩২)।

বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাহিনুর রহমান শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, রমনা থানার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে আজিজুল হককে আদালতে হাজির করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


আরও খবর