Logo
শিরোনাম

কাতারে বাংলাদেশিসহ বিদেশি শ্রমিক বহিষ্কার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৯৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করার কারণে বাংলাদেশিসহ একদল বিদেশি শ্রমিককে বিতাড়িত করেছে কাতার। ১৪ আগস্ট আল বান্দারি ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের দোহা অফিসের বাইরে অন্তত ৬০ জন অভিবাসী শ্রমিক সমাবেশ করেছিল। এদের অনেকে সাত মাস ধরে বেতন পাচ্ছিলেন না। ওই সময় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক এবং বহিষ্কার করা হয়। তবে তাদের সংখ্যা কত তা জানা যায়নি। বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির বাংলা সংস্করণের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। খবরে বলা হয়েছে, জানা গেছে, যেসব শ্রমিক প্রতিবাদ করেছিলেন তারা বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মিসর ও ফিলিপাইনের নাগরিক।কাতারি সরকার বলছে, যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তারা দেশটির নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘন করেছেন।

২০১০ সালে কাতার এবছরের বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব পাওয়ার পর দেশটিতে স্টেডিয়াম এবং অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের ব্যাপক কর্মযজ্ঞ শুরু হয়। কিন্তু তখন থেকেই এসব নির্মাণের সাথে জড়িত অভিবাসী শ্রমিকদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের আচরণ নিয়ে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আল বান্দারি ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ মূলত একটি নির্মাণ এবং প্রকৌশল কোম্পানি। তবে বিক্ষোভরত এসব শ্রমিক বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে জড়িত ছিলেন কিনা তা জানা যায়নি এবং বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটিও এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বিবিসিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে কাতার সরকার নিশ্চিত করেছে দোহায় বিরল বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বেশ কয়েকজন কর্মীকে জননিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের জন্য আটক করা হয়েছে। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো জানিয়েছে, এদের মধ্যে কাউকে কাউকে ইতোমধ্যে কাতার থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তবে কাতারি সরকার দাবি করেছে ক্ষতিগ্রস্ত সব শ্রমিকের বকেয়া বেতন ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ করা হবে।

সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা না দেয়ার জন্য আল বান্দারি গ্রুপের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে তদন্ত চলছিল। দেনা-পাওনা নিষ্পত্তি করার সময়সীমা মানতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য এই কোম্পানির বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকদের প্রতি এই আচরণের বিষয়টি তুলে ধরেছে শ্রম অধিকার বিষয়ক মানবাধিকার সংস্থা ইকুইডেম। এর প্রধান মোস্তফা কাদরি প্রশ্ন তুলেছেন, আমরা সবাই কি কাতার এবং ফিফা দ্বারা প্রতারিত হয়েছি?

তিনি বেশ ক'জন শ্রমিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন জানিয়ে বলেন, কিছু পুলিশ কর্মকর্তা বিক্ষোভকারীদের বলেছেন তারা যদি গরমের মধ্যে ধর্মঘট করতে পারে, তাহলে তারা এয়ারকন্ডিশন ছাড়াই ঘুমাতে পারে। কাদরি বলেন, আপনি কি কল্পনা করতে পারেন যে কতটা মরিয়া হলে এসব শ্রমিক ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রতিবাদ করতে পারেন? তারা রাজনীতি করছেন না, তারা কেবল তাদের শ্রমের ন্যায্য মজুরি চাইছেন।

 


আরও খবর



যেতে পারেন গোপালপুরের ২০১ গম্বুজ মসজিদে

প্রকাশিত:শনিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৬৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ঐতিহাসিক ঝিনাই নদীর তীর। তার পাশেই প্রাকৃতিক ও মনোরম পরিবেশে তৈরি করা হয়েছে ২০১ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। প্রায় ২৭১ শতাংশ জমির ওপর পুরো মসজিদটি। মসজিদের ভেতরের দেওয়ালে পুরো ৩০ পারা কুরআন পিতল দিয়ে খোদাই করে লেখা।

প্রধান ফটকের কাছাকাছি মসজিদের দেওয়ালে পিতলের সোনালি রঙে চকচক করছে আল্লাহর ৯৯টি নাম। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথালিয়া গ্রামে তৈরি হয়েছে মসজিদটি। মসজিদের সৌন্দর্য সৃষ্টিতে ব্যবহার হয়েছে ৫০ মণ পিতল। চীন ও ইতালিসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আনা হয়েছে অত্যাধুনিক সব টাইলস ও পাথর।

সৌন্দর্যমণ্ডিত মসজিদটি দেখতে আসতে শুরু করেছেন দেশ বিদেশের পর্যটকরা। এর মেঝের বিশেষায়িত টাইলসগুলো বাইরের তাপমাত্রা শোষণ করে মেঝে শীতল রাখে। রয়েছে অত্যাধুনিক লাইটিং ব্যবস্থা। পুরো মসজিদ প্রাঙ্গণ সিসিটিভি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে। নিরাপত্তার মধ্যে ঘুরে ফিরে পর্যটকরা উপভোগ করতে পারেন মসজিদের সৌন্দর্য। মসজিদকে কেন্দ্র করে ১৮ বিঘা জায়গা জুড়ে একটি হেলিপ্যাড নির্মিত হয়েছে। তা ছাড়া এখানে গাড়ি পার্কিংয়েরও পর্যাপ্ত পরিমাণে জায়গার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুতরাং, গ্রামের পথ বলে যানবাহন রাখা নিয়েও নেই কোনো দুশ্চিন্তা। সব মিলিয়ে সর্বস্তরের মানুষের আসা-যাওয়ায় এটি অন্যতম পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

এখানে মসজিদের পাশেই নির্মিত হচ্ছে পাঁচতলা ভবন। জানা গেছেসেখানে দেওয়া হবে বিনামূল্যে চিকিৎসা। থাকবে এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম, দুস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবার-পরিজনদের জন্য বৃহৎ পরিসরে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্র, লাইব্রেরি, কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক ধর্ম গবেষণা কেন্দ্র, বেকার যুবকদের জন্য প্রযুক্তিগত এবং আইটি প্রশিক্ষণ। মসজিদের নির্মাণ কর্তৃপক্ষসূত্রে জানা গেছে, ১০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হলেও বহু পেশার মানুষের প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে মসজিদটির নির্মাণ কাজ সমাপ্তির পথে এগিয়েছে।

যেভাবে যাওয়া যাবে: টাঙ্গাইল সদর থেকে মসজিদটির দূরত্ব প্রায় ৫০ কিলোমিটার, আর গোপালপুর উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৭। সুতরাং প্রথমে যেতে হবে টাঙ্গাইল। তারপর সেখান থেকে গোপালপুর উপজেলা। এরপর অটোরিকশা নিয়ে ২০১ গম্বুজ মসজিদে যাওয়া যাবে খুব সহজেই।

থাকবেন যেখানে: সাধারণত ঢাকা বা আশেপাশের জেলাগুলোতে থেকে টাঙ্গাইলে দিনে গিয়ে রাতের মধ্যেই ফিরে আসা যায়। তবে, রাত্রিযাপন করতে চাইলে টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গায় বেশকিছু ভালো মানের হোটেল এবং রিসোর্ট আছে। ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্ট, যমুনা রিসোর্ট, এলেঙ্গা রিসোর্ট, এলেঙ্গা রিসোর্ট লিমিটেড, ভিআইপি হোটেল ও হোটেল প্রিন্স ইত্যাদিতে রাতযাপন করতে পারেন। এ ছাড়া পাশের উপজেলা ধনবাড়ী নবাব প্যালেসেও থাকা যেতে পারে। মধুপুর ও ঘাটাইলেও থাকার জন্য আছে ব্যবস্থা। এসব রাত্রিযাপনে ২০০ থেকে তিন হাজার টাকা খরচ হবে। পছন্দসই বেছে নিতে পারবেন আপনার থাকার স্থান।


আরও খবর

সংকটে সীমাবদ্ধ বাগেরহাটের পর্যটন শিল্প

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২

চলুন পদ্মা সেতু দেখে আসি

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




আমার সময়ে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলা হয়নি: র‌্যাব ডিজি

প্রকাশিত:বুধবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের (র‌্যাব) বিদায়ী মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, জঙ্গি বিস্তার রোধে আমাদের জোরালো অভিযানের কারণে উল্লেখযোগ্য জঙ্গি সদস্য গ্রেপ্তার হয়েছে। আমার সময়ে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলা হয়নি।

বুধবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মহাপরিচালকের বিদায়ী মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

গত বৃহস্পতিবার চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি পুলিশপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

এর আগে ২০২০ সালের ৮ এপ্রিল র‌্যাবের ডিজি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পান।

মতবিনিময় সভায় চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন সেই দায়িত্ব যেন আমি যথাযথভাবে পালন করতে পারি। আমি র‌্যাব ডিজি হিসেবে বৈশ্বিক মহামারির সময় দায়িত্ব গ্রহণ করি। আমাদের করোনা আক্রান্ত র‌্যাব সদস্যদের জন্য ডাটাবেজ, অত্যাধুনিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। বিপুল সংখ্যক র‌্যাব সদস্য করোনা আক্রান্ত হলেও আমরা মনোবল হারাইনি। করোনায় মানবিকতার চরম বিপর্যয় ঘটেছিল। এসময় র‌্যাব করোনা আক্রান্ত মানুষদের সেবায় এগিয়ে গিয়েছে। র‌্যাবের হেলিকপ্টারে দুর্গম এলাকা থেকে মানুষকে উদ্ধার করে ঢাকায় এনে চিকিৎসা করিয়েছি।

স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে যারা মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছিল তাদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে উল্লেখ করে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, করোনার কিট জালিয়াত ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রতারক সাহেদ করিমকে আমরা গ্রেপ্তার করি।


আরও খবর



ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৪৩৭

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ সেপ্টেম্বর 20২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৩৭ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে আরও দুই ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৩৭ জন নতুন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩০৬ জন ও ঢাকার বাইরে ১৩১ জন।

বর্তমানে সারাদেশে ১ হাজার ৫২৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ১৮৩ জন ও ঢাকার বাইরে ৩৪৬ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৮৭৫ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ১৭ জন ও ঢাকার বাইরে ২ হাজার ৮৫৮ জন।

একই সময় সারাদেশে ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ছাড়প্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৮১৩ জন ও ঢাকার বাইরে ২ হাজার ৪৮৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ২৮ হাজার ৪২৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৮ হাজার ২৬৫ জন ও ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা যান ১০৫ জন।


আরও খবর

করোনায় একজনের মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২




হিজাব ইস্যু: ইরানে বিক্ষোভে নিহত অন্তত ৩১

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মাথায় হিজাব না থাকায় ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে (মর‌্যালিটি পুলিশ) গ্রেপ্তার, হেফাজতে থাকা অবস্থায় গুরুতর অসুস্থ হওয়া এবং পরে হাসপাতালে মারা যাওয়া তরুণী মাশা আমিনির মৃত্যুতে ক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। বৃহস্পতিবার সেই বিক্ষোভের ষষ্ঠ দিন চলছে।

শুরুর ‍দিকে এই বিক্ষোভ ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ কুর্দিস্তানে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে তা দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে এই বিক্ষোভ। সেই সঙ্গে বিক্ষোভ দমনে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীও।

ইরানের মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটসের (আইএইচআর) পরিচালক মাহমুদ আমিরি মোঘাদ্দাম এক লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দেশজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হচ্ছে এবং চলমান বিক্ষোভে গত ছয়দিনে ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে নিহত হয়েছেন অন্তত ৩১ জন। বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনী রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে গণগ্রেপ্তার অভিযান চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে আইএইচআর।

বিবৃতিতে মাহমুদ আমিরি মোঘাদ্দাম বলেন, নিজের মৌলিক অধিকার ও সম্মান ফিরে পাওয়ার দাবিতে রাস্তায় নেমেছে ইরানের সাধারণ জনগণ; কিন্তু জনগণের এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে দমন করতে বুলেট ব্যবহার করছে সরকার।’

রাজধানী তেহরানসহ ইরানের অন্তত ৩০টি শহরে বিক্ষোভ হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে আইএইচআরের বিবৃতিতে।

মাথায় হিজাব না থাকায় গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার রাজধানী তেহরানে ইরানের নৈতিকতা (মর‌্যালিটি) পুলিশের হাতে গেপ্তার হন মাশা আমিনি নামের ২২ বছরের এক তরুণী। গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

তারপর তাৎক্ষণিকভাবে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার মৃত্যু হয় মাশার।

মাথায় হিজাব না থাকায় ইরানের নৈতিকতা পুলিশের হাতে (মর‌্যালিটি পুলিশ) গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়ে গুরুতর আহত হওয়া এক তরুণী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

বৃহস্পতিবার তাকে হাসপাতালে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়, তার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে মারা যান তিনি।

ইরানের স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী পড়াশোনা সূত্রে ইরানের কুর্দিস্তান প্রদেশে থাকতেন মাশা, গত সপ্তাহে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে তেহরান এসেছিলেন।

তার মৃত্যুর খবর প্রচারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল কুর্দিস্তানে। পরে দ্রুততার সঙ্গে অন্যান্য শহরেও ছড়িয়ে পড়ে সেই বিক্ষোভ।

ইরানে জনপরিসরে নারীদের বাধ্যতামূলক হিজাব পরাসহ কঠোর পর্দাবিধি রয়েছে। এই বিধিগুলো কার্যকর হচ্ছে কি না, তা তদারক করে দেশটির মর‌্যালিটি পুলিশ।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মাশা আমিনির মৃত্যুর প্রতিবাদে ইরানের অন্তত ৫০টি শহরে বিক্ষোভ চলছে। এর আগে ২০১৯ সালে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল ইরানে। রয়টার্সের তথ্যমতে তারপর এত বড় বিক্ষোভ দেশটিতে আর হয়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। আর হয়নি দেশটিতে।


আরও খবর

‘হাসি’ মানুষের সবচেয়ে ভালো ওষুধ

শুক্রবার ০৭ অক্টোবর ২০২২




জাতীয় পথশিশু দিবস আজ

প্রকাশিত:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৬ অক্টোবর ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আজ ২ অক্টোবর (রোববার) সারা দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় পথশিশু দিবস। দেশের পথশিশুদের সুরক্ষা ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার পথশিশু রয়েছে। রাস্তাঘাট, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল, অফিস চত্বর, পার্ক আর খোলা আকাশের নিচে তাদের বাস। তারা বড় অসহায়। ঠিকমতো খেতে পারে না, ঘুমাতে পারে না, পরতে পারে না ভালো কোনো পোশাক। পায় না ভালো আচরণ।

স্বাধীন দেশে এ পথশিশুদেরও সমান সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বড় হওয়ার অধিকার আছে। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা এ মৌলিক চাহিদাগুলো যথোপযুক্তভাবে পাওয়ার অধিকার তাদেরও আছে। পথিশিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা বাস্তবায়নের অঙ্গীকারে আজ পালিত হবে জাতীয় পথশিশু দিবস।

বেসরকারি সংগঠন পথবাসী সেবাকেন্দ্র (সাজেদা ফাউন্ডেশন) জানায়, যৌন নিপীড়নের শিকার প্রায় ১৩ হাজার পথশিশুকে সেবা দিয়েছে সংগঠনটি

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস) ও ইউনিসেফের ২০১৯ সালে প্রকাশিত গবেষণার তথ্য মতে, দেশে বর্তমানে ৯ লাখ ৭৯ হাজার ৭২৮ পথশিশু রয়েছে। ঢাকায় আছে সাত লাখ। গবেষণা তথ্যে বলা হয়, ২০২৪ সাল নাগাদ দেশে মোট পথশিশুর সংখ্যা হবে ১৬ লাখ ১৫ হাজার ৩৩০।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের মতে, ঢাকা বিভাগে মাদকাসক্ত শিশুর প্রায় ৩০ শতাংশ ছেলে এবং ১৭ শতাংশ মেয়ে। মাদকাসক্ত ১০ থেকে ১৭ বছর বয়সী ছেলে এবং মেয়ে শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রচণ্ড ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এদের সঠিক তদারকি না করা হলে তারা ভবিষ্যতের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। দেশের সমৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে বড় অন্তরায় হতে পারে তারা।


আরও খবর