Logo
শিরোনাম

কাঠগড়ায় বসে ওসি প্রদীপের মোবাইল ফোনে কথোপকথন

প্রকাশিত:বুধবার ২৫ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৩১৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার শুনানি চলছে আদালতে। এ সময় কাঠগড়ায় মোবাইলে কথা বলছেন কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

সোমবার (২৩ আগস্ট) কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার প্রথম দিনের সাক্ষ্যগ্রহণের সময় মোবাইলে কথা বলতে দেখা যায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। তার কথা বলার একটি ছবি গণমাধ্যমে পৌঁছানোর পর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেল।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, আদালতের কাঠগড়ার ভেতরে হাঁটু গেড়ে বসে মোবাইলে কথা বলছেন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ। তার কথা বলার সময় আশপাশে কয়েকজন ব্যক্তিকে দাঁড়ানো দেখা গেছে।

বিষয়টি নিয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, সিনহা হত্যা মামলার এই আসামি মোবাইলে একের পর এক কথা বলেছেন। তার পরনে কালো পোলো শার্ট ছিল। জানা গেছে, বরখাস্ত ওসি প্রদীপকে কথা বলার জন্য মোবাইলটি সরবরাহ করেছিলেন সেখানেই দায়িত্বরত এক পুলিশ কনস্টেবল।

বিচার বিভাগীয় বাতায়নে আদালতের আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, আদালত চলাকালীন মোবাইল বন্ধ রাখতে হবে। অর্থাৎ, আদালতে মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না। এদিকে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের তার ছবি তুলতে দেখে বিরক্তি নিয়ে বলেন, আমাকে নতুন করে চেনানোর প্রয়োজন নেই।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) মামলার সাক্ষগ্রহণের দ্বিতীয় দিন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা রাশেদ খান। এ ঘটনায় ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন।

মামলায় বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ (পরিদর্শক) লিয়াকত আলীকে প্রধান করে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করা হয়। আদালত মামলাটির তদন্ত করার আদেশ দেন র‌্যাবকে। এরপর গত ৬ আগস্ট প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও প্রদীপ কুমার দাশসহ ৭ পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরবর্তীতে সিনহা হত্যায় জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে মামলার ৩ সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টের দায়িত্বরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

চার মাসেরও বেশি সময় তদন্ত শেষে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় তদন্তকারী সংস্থা র‍্যাব। এর মধ্যে ১২ আসামি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। গত ২৭ জুন মামলার ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত।

মামলায় কারাগারে থাকা ১৫ আসামি হলেন বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, দেহরক্ষী রুবেল শর্মা, টেকনাফ থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাগর দেব, এপিবিএনের এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব ও মো. আবদুল্লাহ। এ ছাড়া পুলিশের মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।



আরও খবর



বলিউডের সিরিজে জয়া, সঙ্গী এক বিখ্যাত অভিনেতা নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বলিউডে অভিষেক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানের। নকশাল আন্দোলনের গল্প নিয়ে নাম ঠিক না হওয়া একটি ওয়েব সিরিজ নির্মাণ করছেন পরিচালক সায়ন্তন মুখোপাধ্যায়। সব ঠিক থাকলে এই সিরিজে বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকির রিপরীতে অভিনয় করবেন বাংলাদেশের জয়া আহসান।

কলকাতার প্রভাবশালী দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার খবর, তৎকালীন বিতর্কিত পুলিশ অফিসার রুণু গুহ নিয়োগীর সাদা আমি কালো আমি উপন্যাস অবলম্বনে তিনটি পর্বে বাংলা, হিন্দি, ইংরেজি তিনটি ভাষায় নির্মিত হবে রাজনৈতিক এই সিরিজ। যেখানে চারু মজুমদার চরিত্রে অভিনয় করবেন নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকির আর তাঁর স্ত্রী লীলা মজুমদারের চরিত্রে অভিনয় করবেন জয়া আহসান।

এর আগে সায়ন্তনের পরিচালনায় কবি জীবনানন্দ দাশের জীবন নিয়ে নির্মিত ঝরা পালক সিনেমায় কবির স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। সিনেমাটি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

পরিচালক বলেন, আমার জয়া-যোগ তখন থেকেই। জয়া অনুরোধ জানিয়েছিলেন, জাতীয় স্তরের কাজে তাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। সেই জায়গা থেকেই লীলা মজুমদারের চরিত্রের জন্য বলতেই এক কথায় রাজি তিনি।

এ ওয়েব সিরিজে রুণু গুহ নিয়োগীর চরিত্রে রণিত রায়, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়ের চরিত্রে সব্যসাচী চক্রবর্তী, চারু মজুদারের অন্যতম সঙ্গী কানু সান্যালের চরিত্রে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতি বসুর চরিত্রের পরেশ রাওয়াল ও বোমান ইরানিকে ভাবা হচ্ছে বলে জানান পরিচালক।

দেড় বছর ধরে ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্যের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছেন পরিচালক। চিত্রনাট্যে তাকে সহযোগিতা করেছেন বলিউডের অন্ধাধুন ছবির লেখক অরিজিৎ বিশ্বাস।

পরিচালক বলেন, মুম্বইয়ের পটভূমিকায় যদি সেক্রেড গেমস বা উত্তরপ্রদেশকে নিয়ে মির্জাপুর সিরিজ তৈরি হতে পারে তা হলে বাংলাই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? পশ্চিমবঙ্গের আন্দোলনের ইতিহাসও তুলে ধরার সময় এসেছে। সেই জায়গা থেকেই আমার এই উপন্যাস নির্বাচন।

আসছে পূজার পর কলকাতা, মুম্বাই, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশের পাশাপাশি চীন, রাশিয়াতেও ছবির দৃশ্যধারণের পরিকল্পনার কথা জানান পরিচালক।


আরও খবর



সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মুরগি-পেঁয়াজ-ডালের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে মুরগি, পেঁয়াজ ও ডালের। অপরদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম।

শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজি আগের দামে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে প্রতিকেজি (গোল) বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০ থেকে ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ইন্ডিয়ান টমেটো ১০০ টাকা, সিম ১২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা। চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, লতি ৮০ টাকা ও কাকরোল ৮০ থেকে ৬০ টাকা।

এ সব বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি। পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়। বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়।

এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডালের দাম ৫ টাকা বেড়ে কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৯০ টাকায়।

এসব বাজারে কেজিপ্রতি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। বাজারে গতসপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে আটা। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৩৩ থেকে ৩৫ টাকায়। 

বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৮ থেকে ১১০ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। দেশি মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। সোনালী (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। 

সোনালি (কক) মুরগির দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। প্রতি কেজি সোনালি (কক) মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায়। গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা কেজি।

বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা।  

নিউজ ট্যাগ: বাজার দর

আরও খবর



জিয়া কত মানুষ হত্যা করেছে তা খুঁজে বের করুন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
আমি মনে করি আমাদের সংসদ সদস্যদের একটা উদ্যোগ নেওয়া উচিত, জিয়ার আমলে প্রত্যেকটা কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, বগুড়া, রাজশাহী, খুলনা এবং কুমিল্লায়। একটার পর একটা ক্যু আর শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। সেগুলো একটু খুঁজে বের করে দেখেন

প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে দেশে সামরিক ক্যু’র ওজর তুলে বিভিন্ন কারাগারে কি পরিমান মানুষ হত্যা করা হয়েছে তা খুঁজে বের করার জন্য সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী একাদশ জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে এই আহ্বান জানান। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি আমাদের সংসদ সদস্যদের একটা উদ্যোগ নেয়া উচিত, জিয়ার আমলে প্রত্যেকটা কারাগারে কত মানুষকে ফাঁসি দিয়ে মারা হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা, বগুড়া, রাজশাহী, খুলনা এবং কুমিল্লায়। একটার পর একটা ক্যু আর শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। সেগুলো একটু খুঁজে বের করে দেখেন।’

তিনি বলেন, সেনাবাহিনী এবং বিমান বাহিনীর কত শত সৈনিক-কর্মকর্তা এবং মানুষকে সে সময় হত্যা করা হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এগুলোতো (রেকর্ড) থেকে যায় সেগুলো একটু খুঁজে বের করে দেখেন। একেক রাতে ফাঁসি দিতে দিতে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিল, এখনও এরকম লোক আছে।’

তিনি বিএনপি’র প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, এদের কাছ থেকে মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়। এদের কাছে জ্ঞানের কথা, আইনের শাসনের কথা শুনতে হয়। অথচ আমি আমার বাবা-মা হত্যার জন্য মামলা করতে পারিনি। আমার কোন অধিকার ছিল না।’

তাঁর নেতৃত্বে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা তুলে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব এবং বাংলাদেশকে নিয়ে জাতির পিতা যে স্বপ্ন দেখেছিলেন নেই স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করবো। কারণ, আওয়ামী লীগ সরকারে আসলে জনগণের কল্যাণ হয়। সেই কল্যাণই হবে।

তিনি এ সময় কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সকলের টিকার ব্যবস্থা করতে যত টিকা লাগে তাঁর ব্যবস্থা সরকার করবে উল্লেখ করে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা পুণরায় স্মরণ করিয়ে দেন।

জিয়া যে ৭৫ এর জাতির পিতার হত্যার সঙ্গে জড়িত সেই অভিযোগ পুনরায় উত্থাপন করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, সে ৭৫ এর হতাকান্ডের সঙ্গে যে জড়িত এতে কোন সন্দেহ নেই। আমি তাকে আসামী করতে চেয়েছিলাম। তখন আমাদের হোম সেক্রেটারি ছিল রেজাউল হায়াত, সে বলল মৃত মানুষকেতো আসামী করা যায়না। কিন্তু আমার মনে হয় নামটা থাকা উচিত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর জিয়া যে ষড়যন্ত্রে জড়িত তাতো ফারুক- রশিদ নিজেরাই বলেছে বিবিসি’র ইন্টারভিউতে। এ্যন্থনী ম্যাসকারহানস-এর বইতে আছে, লরেন্স লিফশুলজ এর বইতে আছে। কিভাবে অস্বীকার করবে। আর তাই যদি না করে তাহলে স্বাধীনতার পর যে যুদ্ধাপরাদীদের বিচার হয়েছিল তাদের সে ছেড়ে দিল কেন। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের ৭ খুনের আসামীকেও মুক্ত করে দিল। এমন বহু ঘটনা সে ঘটিয়েছে। জিয়া সেই সব খুনীদের নিয়েই পরে দল করলো।

তিনি বলেন, যারা পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সাথে এক হয়ে এদেশে অগ্নিসংযোগ হত্যা, খুন ধর্ষণ করেছে তাদেরকে মন্ত্রী, উপদেষ্টা করে সংসদে বসাল। জাতির পিতার খুনীদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরী দিয়ে পুরস্কৃত করলো আর তার থেকে একধাপ উপরে গিয়ে তার স্ত্রী খালেদা জিয়া কর্নেল রশিদ এবং হুদাকে এমপি বানিয়ে সংসদে বসাল। এইতো তাদের চরিত্র। যে খুনী, সন্ত্রাসি, জঙ্গিবাদ, যুদ্ধাপরাধী, ধর্ষণকারি এদেরকে নিয়েই তাদের চলাফেরা। গোলাম আজম পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে চলে গিয়েছিল। জিয়াউর রহমাান তাকে ফেরত নিয়ে আসলো। আর বহুদলীয় গণতন্ত্র, জিয়ার নির্বাচন, ৭৭ এর হ্যাঁ, না ভোট, ৭৯ এর নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচিত্রা তখন সরকারি পত্রিকা সেখানে উঠলো আওয়ামী লীগ ৪০টি সীট পাবে। অথচ তখন দল বলতে বাংলাদেশে একটাই ছিল আওয়ামী লীগ।

মানুষের ভোট ধ্বংস করে ভোটের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস নষ্টটা জিয়াউর রহমানই বাংলাদেশে করেছে। ব্যাংকের থেকে টাকা নিয়ে লোন শোধ না করার কালচার তার শুরু করা। মানুষকে দুর্ণীতিবাজ করা। মেধাবী ছাত্রদের এতহাতে পুরস্কার দিয়েছে অন্যহাতে তাদের অস্ত্র, অর্থ তুলে দিয়ে বিপথে পাঠিয়েছে। জিয়া আসলে বহুদলীয় নয়, দেশে কারফিউ গণতন্ত্র দিয়েছে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে জিয়ার কবর (সংসদের সীমানায় থাকা) নিয়ে কথা উঠেছে। জিয়ার মৃত্যু সংবাদের পর তার লাশ পাওয়া যায়নি। গায়েবানা জানাযা হয়েছিল। আর কয়েকদিন পরে একটা বাক্স আনা হলো।

তিনি জেনারেল এরশাদের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, কারো পরামর্শে এটি করা হয়। সাজিয়ে গুছিয়ে একটা বাক্স নিয়ে এসে দেখানো হলো। তখন এই সংসদে বার বার প্রশ্ন এসেছে। যদি লাশ পাওয়া যায় তবে লাশের ছবি থাকবেনা কেন? প্রধানমন্ত্রী বলেন, মীর শওকত (মীর শওকত আলী বীরউত্তম) সেই লাশ সনাক্ত করেন।

মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তাকে চেনার কারণে প্রধানমন্ত্রী একদিন তাকে যে প্রশ্ন করেন তার উদ্ধৃতি তুলে ধরেন তিনি।

‘সত্যি কথা বলেন তো, সে বলেছিল লাশ কোথায় পাব।’ এমনকি জেনারেল এরশাদকে বারবার এবং মৃত্যুর কিছুদিন আগেও তিনি জিগ্যেস করেছিলেন, আপনি যে একটা বাক্স নিয়ে আসলেন লাশটা কোথায় পেলেন।’

এরশাদ বলেন, বোন লাশ পাব কোথায়? আর কি বলবো। কাজেই আজকে যে কথাটা উঠেছে তখন সেটা আমরা বার বার জানতে চেয়েছি এবং তখন যে বিএনপি’র নেতারা ছিল তারা কি করে গেছে সেটা আপনারাই দেখেন।

বিএনপি’র সাংসদ রুমিন ফারহানার বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একমত পোষণ করে বলেন, ইতিহাস ফিরে আসে। জাতির পিতার একদিন নাম মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিলম ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা হয়েছিল এমনকি ৭ মার্চের ভাষণটি পর্যন্ত এদেশে বাজাতে দেয়া  হোত না। তিনি বলেন, ২৫ মার্চ যখন সারাদেশে রাস্তায় বেরিকেড দেয়া হচ্ছিল চট্টগ্রামেও বেরিকেড দেয়া হচ্ছিল। জিয়াউর রহমান তখন পাকিস্তানী সেনাদের হয়ে বেরিকেড দানকারিদের ওপর গুলি চালিয়েছিল। এরপর সে গেল সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র নামাতে। সেখানে পাবলিক ঘেরাও দিয়ে তাকে তাকে আটকাল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার যে স্বাধীনতার ঘোষণা সেটা তৎকালিন ইপিআর ওয়্যারলেস এবং পুলিশ স্টেশনের মাধ্যমে সারাদেশে ছড়িয়ে গেল। যে সংগ্রাম পরিষদ গঠন হয়েছিল সেই নেতারা সেটা সংগ্রহ করে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দিল। জিয়াউর রহমান যে চট্টগ্রাম কান্টনমেন্টে ছিল সেখানে কোন সিদ্ধান্ত দেয়নি। যে কারণে সবথেকে বেশি মানুষ মারা গেছে সেখানে। এখনও ভাটিয়ারিতে সেই গণকবর রয়ে গেছে। সে যদি সঠিক সিদ্ধান্ত দিত আমাদের সোলজাররা সেটার ব্যবস্থা নিতে পারতো। কিন্তু সেটা সে করে নাই। যেটা অন্যেরা করেছিল। কিন্তু জিয়াউর রহমান করে নাই।

সরকার প্রধান বলেন, ২৭ তারিখ সন্ধ্যায় জিয়াউর রহমান কেবল স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি পাঠ করেছিল। আর এই সংসদে যখন প্রশ্ন উঠলো স্বাধীনতা দিবস ২৬ তারিখ আর জিয়া ঘোষণা দিয়েছে ২৭ তারিখ তখন ইতিহাস বিকৃতিকারিরা সেই ২৭ তারিখকে ২৬ তারিখ বানিয়ে ফেলল। অথচ ২৬ তারিখ তখন জিয়াউর রহমান পকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিল।

যেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সেই ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে এই দেশের সব মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার সব ব্যবস্থা করে দেশ স্বাধীন করেছেন সেখানে একজন মেজরের কথায় সবাই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়লো আর দেশ স্বাধীন করে ফেলল তাও কখনো হয়। আর বঙ্গবন্ধুই জিয়াকে প্রমোশন দিয়ে যে মেজর জেনারেল করেছিলেন, দেশ স্বাধীন না হলে জিয়া কখনো তা হতে পারতেন না, বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়ার মা-বাবা পাকিস্তানে মাইগ্রেট করে এবং জিয়া সেখানেই আর্মিতে ঢোকে। কিন্তু তার পোষ্টিং হয় আমাদের বাংলাদেশে।


আরও খবর

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় আরও ১২০ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ২১ আগস্ট 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পঞ্চাশ দিন পর দেশে করোনায় দৈনিক মৃত্যু একশো ত্রিশের নিচে নেমে এসেছে। গত একদিনে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১২০ জন। এর আগে গত ২ জুলাই সারাদেশে ১৩২ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। এছাড়া একই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৯৯১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১২০ জনকে নিয়ে দেশে ভাইরাসটিতে মোট ২৪ হাজার ১৪৩ জন মৃত্যুবরণ করলেন। একই সময়ে নতুন শনাক্ত হওয়া তিন হাজার ৯৯১ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত শনাক্ত হলেন ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ১৯৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন সাত হাজার ৬৬৬ জন। তাদের নিয়ে দেশে মোট সুস্থ হলেন ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৪২১ জন।

শনিবার (২১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ২৩ হাজার ৪৯৩টি আর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৩ হাজার ৮৮২টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৬ লাখ ১৭ হাজার ৮২৮টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ৬৩ লাখ ৮২ হাজার ৪৫৯টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হয়েছে ২২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৬৯টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭১ শতাংশ, আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৩ দশমিক শূন্য দুই শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৩ শতাংশ।


আরও খবর

ডেঙ্গুতে হাসপাতালে আরও ২৩২ রোগী

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১

করোনায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু

শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১




নায়করাজ রাজ্জাককে হারানোর ৪ বছর আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২১ আগস্ট 20২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৭ সালের ২১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৫ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন তিনি।

নায়করাজ একাধারে ছিলেন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। দুই বাংলাতেই তিনি পেয়েছিলেন জনপ্রিয়তা। বাংলা চলচ্চিত্র জগতে দীর্ঘ সাড়ে ছয় দশক এই জনপ্রিয় অভিনেতা দাপটের সাথে কাজ করেছেন।

তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র অঙ্গনসহ সারাদেশে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল। সেই শোকের দাগ এখনো রয়ে গেছে অন্তরে অন্তরে।

নায়ক রাজ্জাক ১৯৪২ সালের ২৩ জানুয়ারি ভারতের দক্ষিণ কলকাতায় মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কবলে পড়ে রাজ্জাক তার পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় চলে আসতে বাধ্য হন।

ঢাকায় এসেও লেগে থাকেন তার স্বপ্ন নিয়ে। চলচ্চিত্রকার আবদুল জব্বার খানের সাথে সহকারি পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ষাটের দশকে নির্মাতা সালাউদ্দিনের তেরো নম্বর ফেকু ওস্তাগার লেন সিনেমায় একটি পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রবেশ করেন তিনি। যদিও এর আগেই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল এই অভিনেতার। যুক্ত ছিলেন কলকাতার থিয়েটারের সঙ্গে। এরপর কার বউডাক বাবু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

বেহুলা সিনেমায় সুচন্দার বিপরীতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেন রাজ্জাক। তারপর একের পর এক সিনেমায় তার অভিনয়ে মুগ্ধ হন এ দেশের সিনেমা দর্শক। রাজ্জাক অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে নীল আকাশের নীচে, ময়নামতি, মধু মিলন, পিচ ঢালা পথ, যে আগুনে পুড়ি, জীবন থেকে নেয়া, কী যে করি, অবুঝ মন, রংবাজ, বেঈমান, আলোর মিছিল, অশিক্ষিত, অনন্ত প্রেম, বাদী থেকে বেগম ইত্যাদি। প্রায় ৩০০ সিনেমায় নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক।

এর বাইরে প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন ১৬টি চলচ্চিত্র। তিনি সাতবার চলচ্চিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার, চলচ্চিত্রের জন্য আজীবন সম্মাননাসহ অসংখ্য পুরস্কার লাভ করেন।

নায়করাজের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি, প্রযোজক পরিবেশক সমিতি ও শিল্পী সমিতির উদ্যোগে এফডিসিতে কোরআন খতম ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে বনানীতে নায়করাজের কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণের কর্মসূচিও রয়েছে।



আরও খবর