Logo
শিরোনাম

কবে ফেসবুক খুলে দেয়া হবে তা বলা যাচ্ছে না : বিটিআরসি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১১২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুককে বাংলাদেশের টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ তিন দিন ধরে বন্ধ রাখার পর সংস্থাটি এখন বলছে, কবে তা খুলে দেয়া হবে তা 'বলা যাচ্ছে না'।

ফেসবুকের তরফ থেকে শনিবারই বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যে বাংলাদেশে তাদের একাধিক সেবা সীমিত করার বিষয়ে অবগত আছে তারা, বিষয়টি তারা বোঝার চেষ্টা করছে এবং আশা করছে যে, 'দ্রুতই তাদের পূর্ণাঙ্গ সেবা আবার সচল হবে।

তবে এর পর দুদিন পরেও পরিস্থিতির কোন উন্নয়ন হয়নি। অনেকেই ফেসবুকে লগইন করতে পারছেন না। যাদের লগইন করা আছে তারা পাচ্ছেন না কোন আপডেট। ভালভাবে কাজ করছে না মেসেঞ্জার সেবাও। এমনকি কোথাও কোথাও উচ্চগতির ইন্টারনেটের গতিও কমিয়ে রাখা হচ্ছে। এরকম অবস্থায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও অনলাইন-ভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

কেন ফেসবুক ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত করা হচ্ছে তার কারণ খোলাসা না করলেও বাংলাদেশ টেলিকম্যুনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন বিটিআরসি'র ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেছেন, 'আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুরোধে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছে'। এর বাইরে এ সংক্রান্ত কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি।

কিন্তু এমন সময়ে ফেসবুক বন্ধ করা হয়েছিল, যেদিন দুদিনের সফরে বাংলাদেশ এসেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তার এই সফরে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস বিক্ষোভ হচ্ছে। সহিংসতায় তিন দিনে অন্তত ১২ জন প্রাণ হারিয়েছে। যদিও সবচেয়ে সহিংসসঙ্কুল দুটি এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চট্টগ্রামের হাটহাজারির পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানাচ্ছেন সেখানকার কর্মকর্তারা।


আরও খবর



খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ল আরও ৬ মাস

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ১৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরো ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তবে, এ সময়ে তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

সোমবার (১৫ মার্চ) একটি গণামধ্যকে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের সাজা আরো ছয় মাসের জন্য স্থগিত রেখে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন। আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতও প্রস্তাবের সঙ্গে পাঠানো হয়েছিল।

এর আগে গত ৮ মার্চ খালেদা জিয়ার শাস্তি স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানোর বিষয়ে মতামত দিয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত ফাইল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানোর ক্ষেত্রে আগের শর্তগুলো বহাল রাখার বিষয়ে তাদের মতামতের কথাও জানায় আইন মন্ত্রণালয়।

আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় দফায় ৬ মাসের মুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ মার্চ।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারার উপধারা ১-এ খালেদা জিয়ার সাজা ছয় মাসের জন্য স্থগিত রেখে তাকে দেশের অভ্যন্তরে বিশেষায়িত চিকিৎসা নেওয়ার শর্তে এ মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

গত ২ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বরাবর খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সঙ্গে দেখা করে এ-সংক্রান্ত আবেদন করেন।

জানা গেছে, শামীম এস্কান্দারের আবেদনে বলা হয়েছে, করোনাকালে খালেদা জিয়ার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই সময়ে তাঁর কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাও সম্ভব হয়নি। তাই চিকিৎসার সুবিধার্থে তাঁকে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার অনুমতিও চাওয়া হয় আবেদনে। পরে ওই আবেদন মতামতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সোমবার (০৮ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, সাজা স্থগিতের সময়সীমা বাড়ানো এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য পরিবারের যে আবেদন, সেটি আমাদের কাছে মতামতের জন্য পাঠানো হয়েছিল। আমরা আগের মতো সাজা স্থগিত আরো ছয় মাস বাড়ানোর জন্য মতামত দিয়েছি। যে শর্তগুলো আগে ছিল তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না এবং বাসায় থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করবেন, সেই শর্ত সাপেক্ষে এটিকে বাড়ানো হয়েছে। আবেদনে তাঁরা একটি কথা লিখেছিলেন বিশেষায়িত চিকিৎসার ব্যাপারে, মতামতে বলা হয়েছে দেশের ভেতরে তিনি যদি বিশেষায়িত চিকিৎসা নেন, সরকারের তাতে কোনো আপত্তি নেই। তিনি বলেন, তবে তাঁর চিকিৎসার জন্য কোনো হাসপাতাল নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। তিনি স্পেশালিস্ট কাকে রাখবেন সেই স্বাধীনতা তাঁর রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অনুমোদন দিয়েছেন কি না জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে নিশ্চয়ই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদনের জন্য যাবে। কারণ আগেও এভাবেই হয়েছিল।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, দু-এক দিনের মধ্যে খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ বাড়িয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এ মামলায় আপিলে তার আরো পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন একই আদালত। রায়ে ৭ বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।


আরও খবর



আদালত অবমাননা : নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন ড. ইউনূস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৩৯২জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
এসময় গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের পুনর্নিয়োগের বিষয়ে জারি করা রুলটি শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর ২২ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দুইজন হাইকোর্টে ভার্চুয়ালি উপস্থিত হয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। নিজ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকমে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে আদালতের আদেশ পালন না করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে তারা নিঃশর্ত ক্ষমা চান। এসময় আদালত তাদেরকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন।

হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) এই আদেশ দেন।

এসময় গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের পুনর্নিয়োগের বিষয়ে জারি করা রুলটি শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটির পর ২২ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। আদালতে গ্রামীণ টেলিকম ও ড. ইউনূসের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী। কর্মচারীর পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী মো. উজ্জ্বল হোসেন।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি নিজ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকমে কর্মী নিয়োগের বিষয়ে আদালতের আদেশ পালন না করায় আদালত অবমাননার অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দুইজনকে তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। অপরজন হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের এক পরিচালক। তলবের পরিপ্রেক্ষিতে আজ তাদের হাইকোর্টে হাজির হওয়ার নির্ধারিত দিন ধার্য ছিল। এদিন তারা ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

আইনজীবী ব্যারিস্টার রুকন উদ্দিন মাহমুদ আদালতকে বলেন, করোনার বৈশ্বিক মহামারির কারণে গ্রামীণের ভার্চুয়াল অফিস চলছিল। তাই তাদেরকে এখনো নিয়োগ দেয়া যায়নি। আমরা এর ব্যাখ্যা দেবো।


আরও খবর



সমগ্র ইউরোপ ও ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৬৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সারা বিশ্বে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাজ্য বাদে সমগ্র ইউরোপ ও ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি। এ নিষেধাজ্ঞা আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরিটি সার্কুলারের এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যে ১২টি দেশ থেকে বাংলাদেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে সেগুলো হলো- আর্জেটিনা, ব্রাজিল, চিলি, তুরস্ক, উরুগুয়ে, পেরু, বাহরাইন, সাউথ আফ্রিকা, জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও লেবানন।

সিভিল এভিয়েশন অথরিটির ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন বিভাগের সদস্য চৌধুরী এম জিয়া উল কবির স্বাক্ষরিত ওই সার্কুলারে বলা হয়েছে, আগামী ৩ এপ্রিল রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, যেসব দেশ থেকে বাংলাদেশে আসার বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই সেসব দেশের যাত্রীদেরও প্রত্যেকের করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট (৭২ ঘণ্টা আগের পরীক্ষা করা) থাকতে হবে।

এছাড়া চার দিন বাধ্যতামূলক প্রতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আর যদি করোনার কোনো লক্ষণ থাকে তাহলে নিজ খরচে সরকার নির্ধারিতস্থানে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কেউ যদি কোভিড-১৯ সার্টিফিকেট না নিয়ে আসে তাহলে ৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন শেষে নিজ খরচে পরীক্ষার পর ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।


আরও খবর



চাঁদপুরে পুলিশের গুলিতে ১ জেলে নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৮ এপ্রিল ২০২১ | ৭০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মেঘনা নদীতে জেলেদের সঙ্গে নৌ পুলিশের টহল দলের সংঘর্ষ হয়েছে। সোমবার (১৫ মার্চ) মধ্যরাতে মোহনপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশের শর্টগানের গুলিতে আহত এক জেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

নিহত জেলে মাসুদ মাল (২২) এর বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার কালিরচর এলাকায়। তার বাবার নাম আবুল মাল।

নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, সোমবার রাতে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আবুল হোসেন সরকারের নেতৃত্বে টহল দিচ্ছিল পুলিশের একটি দল। এ সময় নদীতে জাটকা নিধন করেছে, এমন একদল জেলেকে আটকের চেষ্টা করে নৌ পুলিশ। কিন্তু জেলেরা তাদের নৌকা থেকে পুলিশের ওপর লগি বৈঠা ও ইটের টুকরো নিয়ে হামলা করে। এতে আত্মরক্ষায় পুলিশ শর্টগানের এক রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

এই ঘটনায় মাসুদ মাল নামে একজন জেলের বাম পায়ের হাটুর ওপরে গুলিবিদ্ধ হন। প্রথমে তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) ভোর সাড়ে চারটায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই জেলে মারা যান।

পুলিশ সুপার আরো জানান, এই ঘটনায় দুজন জেলেকে আটক করা হয়েছে। একই ঘটনায় ২৫ কেজি জাটকা, ২ হাজার মিটার জাল এবং ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার একটি নৌকা জব্দ করা হয়।

আটক একজন হচ্ছে নিহত মাসুদের ছোটভাই নজির মাল (১৭)। অন্যজনের আমির হোসেন (৬৫)। এদিকে এই ঘটনার পর মোহনপুরে নৌ পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছুটে যান।

অন্যদিকে স্বজনের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে পরিবারের সদস্যরা মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে ছুটে আসেন। এ সময় তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

জানা গেছে, জেলে মাসুদ মালের এক শিশু সন্তান রয়েছে। নিহত মাসুদের মরদেহের ময়নাতদন্ত হবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। পরে পুলিশের আনুষ্ঠানিকতা শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

 

নিউজ ট্যাগ: চাঁদপুর

আরও খবর



আমাদের মাদ্রাসা বন্ধ করা যাবে না : বাবুনগরী

প্রকাশিত:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৪১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লকডাউনেও সরকার মাদ্রাসা বন্ধ করতে পারবে না বলে হুমকি দিয়েছেন হেফাজত ইসলামের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী। তিনি বলেন, লকডাউন সরকার দিতে পারবে। কিন্তু আমাদের মাদ্রাসা বন্ধ করা যাবে না। নুরানী, হেফজখানায়, কওমি দ্বীনি মাদ্রাসা বন্ধ রাখা যাবে না। যেখানে কোরআন, হাদিস পাঠ করা হয়, যেখানে হেফজখানায় ছাত্ররা কোরআন পাঠ করে সেখানে করোনা আসবে না। তার কারণ হলো আল্লাহর রহমত।

বুধবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে হাটহাজারী মাদরাসায় প্রেস ব্রিফিং করে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টায় পর্যন্ত মাদরাসায় দেশের বিভিন্ন এলাকার হেফাজত নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন হেফাজত আমির। বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিং করেন।

বাবুনগরী বলেন, মসজিদের জামাত বন্ধ করা যাবে না। ইতেকাফ বন্ধ করা যাবে না। তারাবি নামাজ চলবে, জুমা চলবে। জুমায় ১০ জন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ইমামসহ ৫জন এগুলো মানা যাবে না। এগুলো শরীয়ত পরিপন্থী।

সংবাদ সম্মেলনে হেফাজতে ইসলামের উপদেষ্টা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, হেফাজত নেতা সালাউদ্দিন নানুপুরী, আজিজুল হক ইসলামাবাদিসহ সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর