Logo
শিরোনাম

কী করে কানাডার বেগমপাড়া বেগমরা?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১০ ডিসেম্বর ২০২০ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ২৭৪জন দেখেছেন
News desk

Image

বাংলাদেশের অসৎ-দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী-আমলা-রাজনীতিকদের পরিবার কানাডার যেসব স্থানে বাসা-বাড়ি কিনে বসবাস করে সেসব স্থানকে কানাডার বাঙালিরা বেগমপাড়া বলে অভিহিত করে। কানাডায় আসলে সুনির্দিষ্টভাবে বেগমপাড়া বলে কোনো জায়গা নেই। বেগমপাড়া হচ্ছে বাংলাদেশের লুটেরা-দুর্নীতিবাজদের দ্বিতীয় আবাসভূমির প্রতীকী নাম। বিপুল সম্পদের মালিক হয়ে তাদের পরিবার এখানে আয়েশি, নিরাপদ ও বিলাসবহুল জীবন যাপন করে।

কীভাবে এলো বেগমপাড়ার ধারণা?

অন্টারিওর একটি ব্যয়বহুল ও অভিজাত ছোট শহর মিসেসাওগা। কানাডার বিখ্যাত লেক অন্টারিওর তীর ঘেঁষে টরেন্টো শহরের পাশে এটি অবস্থিত। এ শহরের একটি বড় কনডোমিনিয়ামে দক্ষিণ এশিয়া থেকে আসা বহু অভিবাসী পরিবার বাস করে। এসব পরিবারের কর্তারা কাজকর্ম করেন মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। আর স্বামীদের অনুপস্থিতিতে স্ত্রীদের নিঃসঙ্গ ও কঠিন জীবনসংগ্রাম নিয়ে ভারতীয় পরিচালক রশ্মি লাম্বা একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন, যার নাম ছিল বেগমপুরা। সেই বেগমপুরা থেকেই বেগমপাড়া নামটি এসেছে। বেগমপুরা থেকে বেগমপাড়া হলেও কাহিনি বিপরীত!

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে উচ্চবেতনে কাজ করা ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিকরা জীবনের একসময় পরিবার নিয়ে অভিবাসী হয়ে কানাডায় চলে আসে। কিন্তু কানাডায় এসে তারা তাদের পেশাগত যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ না পেয়ে কানাডায় পরিবার রেখে ফের মধ্যপ্রাচ্যেই চলে যায়। সেখান থেকে অধিক আয়ের অংশ তাদের পরিবারের ভরণপোষণের জন্য পাঠায়। আর তাদের স্ত্রীরা স্বামীর অনুপস্থিতিতে একাই কঠিন সংগ্রাম ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সন্তান ও পরিবার সামলায়। তার মানে বেগমপুরার কাহিনি ছিল অনেক সংগ্রামের ও চ্যালেঞ্জের। আর বাংলাদেশের কথিত বেগমপাড়ার কাহিনি তার বিপরীত। বাংলাদেশের বেগমদের সাহেবরা দেশে চাকরি, ব্যবস্যা-বাণিজ্য, রাজনীতি করে দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে অর্জিত অবৈধ আয় কানাডায় পাচার করে তাদের বেগমদের কাছে পাঠায়। আর তাদের বেগমরা-সন্তানরা এখানে অভিজাত এলাকার দামি বাসা-বাড়ি-গাড়িতে বিলাসবহুল আয়েশি জীবন যাপন করে।

সেই প্রতীকী বেগমপাড়াগুলো কোথায়? :

বেগমপাড়া বলে বাস্তবে কানাডায় কোনো পাড়া-মহল্লা, এলাকা না থাকলেও এখানে এমন কিছু জায়গা আছে, যেখানে অসৎ-দুর্নীতিবাজ বাংলাদেশিরা বসতি গেড়েছে। কোথায় সেসব? সাধারণত যেসব এলাকায় বাংলাদেশিদের আনাগোনা নেই, স্থানীয় প্রবাসী পেশাজীবীরা বসবাস করে না, সেসব এলাকাকেই তারা বেছে নিয়েছে বসবাসের জন্য। এবং সেসব এলাকাতেই বাসা-বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট কিনে বসবাস করছে। যে স্থানগুলোকে এখানকার অভিজাত এলাকা হিসেবে অভিহিত করা হয়। জানা যায়, টরেন্টোর বেলভিউতে বিলাসবহুল হাইরাইজ কনডোমিনিয়াম, টরেন্টোর প্রাণকেন্দ্র সি এন টাওয়ারের আশপাশ, টরেন্টোর পাশের শহর রিচমন্ড হিল, মিসেসাওগা ও মার্কহামের অভিজাত এলাকায় এরা বাস করে। অন্টারিওতে এমন ২ শতাধিক বেগমপাড়ার কথা শোনা যায়। এ ছাড়া আরও অনেকে কানাডার অভিবাসী হয়ে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে।

কী করে এই বেগমরা? :

অভিজাত এলাকার এই বেগমসাহেবারা এখানে কোনো কাজকর্ম করে না, কিন্তু তারা দু-চার-পাঁচ মিলিয়ন ডলারের বাড়ির মালিক। তারা এখানে থাকে কিন্তু তাদের জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে দৃশ্যমান জীবনযাপনের কোনো মিল নেই। কানাডায় থাকা সাধারণ প্রবাসীদের পক্ষে সহজে এমন বাড়ি কেনা সম্ভব নয়। তাদের এ রকম একটি বাড়ি কিনতে অনেক মেহনত করতে হয়। স্বামী-স্ত্রী ভালো চাকরি-ব্যবসা করে তবেই চিন্তা করতে পারে এমন বাড়ির কথা। যে কারণে কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশিদের সহজেই ধারণা হয়, তাদের এ সম্পদ তারা এখানকার আয় দিয়ে করেনি। বাংলাদেশ থেকে তারা অসদুপায়ে আয় করে অবৈধভাবে নিয়ে এসেছে।

কেন বেগমপাড়া এত আলোচিত? :

কানাডাই একমাত্র দেশ যেখানে দেশপ্রেমিক প্রবাসীরা লুটেরাদের বিরুদ্ধে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। যে সংবাদ দেশের সব মিডিয়ায় গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়। যে আন্দোলন দেশ-বিদেশের বাঙালিদের দ্বারা ব্যাপক প্রশংসিত হয়। মানুষের মধ্যে অনেক উৎসাহের সৃষ্টি করে। অন্যান্য দেশের প্রবাসীরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের ওখানেও এমন সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য। বিশেষত কানাডা ছাড়া যেসব দেশে লুটেরারা অর্থ পাচার করে। সেটা হলে লুটেরাবিরোধী এ আন্দোলন হয়তো একটি বৈশ্বিক আন্দোলন হতো। কিন্তু দুর্ভাগ্য বিশ্বব্যাপী করোনার ভয়ঙ্কর আক্রমণ সে সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কিন্তু লুটেরাবিরোধী আন্দোলনের আলাপ-সংগ্রাম থেমে নেই। কানাডায় বেগমপাড়া ও লুটেরাবিরোধী আন্দোলন ছিল বেগমপাড়া শব্দের ব্যাপক প্রচার ও আলোচনার বিষয়। এ আন্দোলনের আগে ও পরে কানাডার বেগমপাড়া নিয়ে মিডিয়ায় অনেক সংবাদ, প্রতিবেদন, আলাপ-আলোচনা হয় যা এখন চলমান। যে আলোচনা দেশ-বিদেশে এক বিশাল মিথ ও কিংবদন্তি সৃষ্টি করে।

বেগমপাড়া কি শুধু কানাডাতেই আছে? না বেগমপাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আছে? বেগমপাড়ার মিথ বিবেচনায় দুনিয়ার অনেক দেশেই বেগমপাড়া বিদ্যমান। যেসব দেশে লুটেরারা দেশ থেকে অর্থসম্পদ লুট করে নিয়ে তাদের দ্বিতীয় বিলাসী ও নিরাপদ আবাস গড়ে তুলেছে, সেখানেই এ বেগমপাড়া বর্তমান। সে হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকং, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কেইম্যান আইল্যান্ডস ও ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডসে বেগমপাড়া আছে। এ তথ্য বাংলাদেশ সরকার ও জিএফআইয়ের; আমার মনগড়া নয়।


আরও খবর

করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা: দশে দশ

বৃহস্পতিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২১




‘সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৮ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৮০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দেশে সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের কোনো রক্ষা নেই। যারা সম্প্রীতি বিনষ্ট করবে, তাদের যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার পর ভুক্তভোগী পরিবার মামলা করবে কি না, সে অপেক্ষায় ছিল স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। তারা মামলা না করায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। মামলা নিজস্ব গতিতে চলবে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। মনে রাখবেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। এখানে সাম্প্রদায়িকতা হতে দেওয়া হবে না। উস্কানিদাতাদের আইনের আওতায় আনা হবে। বিশৃঙ্খলা রুখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব‌্যবস্থা নেবে।

তিনি আরও বলেন, এ দেশে ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকার আছে। যা যুগের পর যুগ ধরে চলে আসছে। এই শান্তি যেন কেউ নষ্ট না করতে পারে, সেজন্য সরকার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে নতুন নতুন আইন প্রণয়ন এবং মনিটরিংয়ের জন্য বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারপরও কেউ কেউ ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ধর্ম বা চেতনায় আঘাত করার চেষ্টা করছে। এ কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো মন্তব্য করার আগে অবশ্যই সঠিকভাবে চিন্তা করতে হবে।

উল্লেখ‌্য, গতকাল বুধবার (১৭ মার্চ) সুনামগঞ্জের নোয়াগাঁওয়ে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা ও লুটপাট করা হয়। এ ঘটনায় পুরো গ্রামে আতঙ্ক বিরাজ করছে। ফেসবুকের একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে ওই হামলা হয়। হামলায় কারা জড়িত, কে নির্দেশ দিয়েছে, তা নিশ্চিত হতে পুলিশ ও র‌্যাবের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তদন্ত করছে।

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বক্তব‌্যের সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেয় ওই গ্রামের এক যুবক। পরে মামুনের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গ্রাম ঘেরাও করে।



আরও খবর



সিরাজগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১০ এপ্রিল ২০২১ | ১১০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ওরসে যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ট্রাক ও সিএসজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সিএনজিচালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকা-নগরবাড়ি মহাসড়কের শাহজাদপুর উপজেলার দারিয়াপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতেরা হলেন- শাহজাদপুর উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে সিএনজিচারক আশিক (২৫) এবং দুই যাত্রী দারিয়াপুর গ্রামের আজগর আলীর ছেলে সাকিব (২২) এবং একই গ্রামের আজাদ হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম।

জানা গেছে, সিএনজির যাত্রীরা তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের হযরত শাহ শরীফ জিন্দানী (র.)-এর মাজার শরীফে পবিত্র ওরসে অংশ নিতে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সিরাজগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী এবং শাহজাদপুর ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন অফিসার মঞ্জুরুল আলম জানান, রাতে শাহজাদপুরে একটি যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশা উল্লাপাড়ায় একটি ওরসে যাচ্ছিল। সিএনজিটি ঢাকা-নগরবাড়ি মহাসড়কের শাহজাদপুর উপজেলার দারিয়াপুর এলাকায় পৌঁছালে পাবনা থেকে ঢাকাগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে সিএনজির তিন যাত্রী নিহত হন। খবর পেয়ে  পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের উদ্ধার করেন।


আরও খবর



কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা

খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন পেছাল

প্রকাশিত:সোমবার ২২ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৬৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২০ মে নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (২২ মার্চ) মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এ জন্য তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নজরুল ইসলাম সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে এ দিন ধার্য করেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা উত্তোলন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণে ঠিকাদার নিয়োগে অনিয়ম এবং রাষ্ট্রের ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি ও আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় মামলাটি করা হয়। ওই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

নিউজ ট্যাগ: খালেদা জিয়া

আরও খবর



ফের লকডাউন চালু করা হয়েছে ফ্রান্স ও পোল্যান্ডে

প্রকাশিত:শনিবার ২০ মার্চ ২০21 | হালনাগাদ:রবিবার ১১ এপ্রিল ২০২১ | ৯৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

আবারো বেড়ে চলছে বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে আংশিকভাবে ফের লকডাউন চালু করা হয়েছে ফ্রান্স ও পোল্যান্ডে। এই দেশ দুটিতে করোনার সংক্রমণ ক্রমেই বেড়ে চলছে।

শনিবার (২০ মার্চ) ব্রিটিশ ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে এ বিষয়ে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ ১৬ এলাকায় অন্তত ২ কোটি ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দেশটিতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে পোল্যান্ডে ইতোমধ্যে তিন সপ্তাহের জন্য দোকানপাট, সাংস্কৃতিক এবং খেলাধুলার যাবতীয় ইভেন্ট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটিতে গত নভেম্বরের পর দৈনিক সর্বোচ্চ সংক্রমণ ধরা পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক মহামারির আকার থেকে নিজেদের প্রতিরোধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া। এছাড়াও জার্মানিতে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। দেশটির পরিস্থিতি বিবেচনা করে লকডাউন জরুরি হয়ে পড়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এপর্যন্ত বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ২৮ লাখ ৭১ হাজার ৯১৩ জনে। এর মধ্যে মারা গেছেন ২৭ লাখ ১২ হাজার ৬৫২ জন। আর সুস্থ হয়েছেন ৯ কোটি ৯০ লাখ ২৮ হাজার ৩৭১ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত বছরের ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।


আরও খবর



অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা বিশ্বের ১৫ দেশ স্থগিত করেছে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৯ এপ্রিল ২০২১ | ৫৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহারের ফলে শরীরে রক্তজমাট বেঁধে যাচ্ছে। এ জন্য টিকা গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে অ্যাস্ট্রাজেনেকা/অক্সফোর্ডের টিকা এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৫ দেশ ব্যবহার স্থগিত করেছে। এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের দুটি দেশ ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড আর গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র হলো আফ্রিকা মহাদেশের। বাকি ১২ দেশ ইউরোপ মহাদেশের। খবর আলজাজিরার।

ইউরোপের যেসব দেশ এ পর্যন্ত অ্যস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহার স্থগিত করেছে, তারা হলোনেদারল্যান্ডস, আইসল্যান্ড, ইতালি, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, ডেনমার্ক, নরওয়ে, অস্ট্রিয়া, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও লুক্সেমবার্গ। এসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহারের ফলে শরীরে রক্তজমাট বেঁধে যাচ্ছে। এ জন্য টিকা গ্রহণ স্থগিত রাখা হয়েছে।

তবে ইন্দোনেশিয়াতে এ টিকার ব্যবহার শুরুর আগেই তা স্থগিত করা হয়েছে। আবার কোনো কোনো দেশে মাত্র কয়েকজন কিছু শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহার স্থগিত করেছে। এ পরিস্থিতিতে অ্যাস্ট্রাজেনেকা বলেছে এই টিকা ব্যবহারের কারণে দেহে রক্ত জমাট বাঁধার কোনো প্রমাণ নেই।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউরোপিয়ান মেডিসিন এজেন্সি বা ইএমএ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এই টিকার নিরাপত্তার বিষয়ে নিজেদের আস্থার কথা জানিয়েছে। তবে এই আশ্বাস বাণী খুব একটা কাজে আসেনি বলেই মনে হচ্ছে।


আরও খবর