Logo
শিরোনাম

খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে ‘অসুস্থ রাজনীতি’ করবেন না: ড. হাছান

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪৮জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
অতীতেও আমরা দেখেছি খালেদা জিয়া যখন অসুস্থ হয়েছেন তখনও সবসময় তারা দাবি তুলেছেন তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। হাঁটুতে ও গায়ের তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করার জন্য বিএনপিকে অনুরোধ জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়াকে অসুস্থ রেখে তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায় বিএনপি। এতে করে তাকে অসম্মান করা হচ্ছে।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে চট্টগ্রাম জার্নালিস্ট ফোরামের নতুন পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন এটি কে বলেছেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, রিজভীসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। কোনো চিকিৎসক এখনও বলেননি খালেদা জিয়ার জীবন সংকটাপন্ন। এখন বিএনপির নেতারা চিকিৎসক হয়ে গেছেন এটি আমার প্রশ্ন? এখন বিএনপি নেতাদের প্রেসক্রিপশনে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে কিনা সেটিও এখন প্রশ্ন?

তিনি বলেন, অতীতেও আমরা দেখেছি খালেদা জিয়া যখন অসুস্থ হয়েছেন তখনও সবসময় তারা দাবি তুলেছেন তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। হাঁটুতে ও গায়ের তাপমাত্রা বেড়ে গেলেও তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। কিছু হলেই বিদেশ পাঠাতে হবে এই জিকির তোলার কারণ কী? কারণ হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তারা খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠিয়ে দিতে চান। তারা খালেদা জিয়াকে পাঠাতে চান লন্ডনে যেখানে তারেক জিয়া আছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়েও খালেদা জিয়া যাতে সেখান থেকে আবারও রাজনীতি করতে পারেন। তারেক রহমানও দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হয়ে সেখান থেকে রাজনীতি করছেন। খালেদা জিয়াকে পাঠিয়ে দিয়ে তারা সে কাজটি করতে চায়। আসলে খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর দাবি তার স্বাস্থ্যগত কারণে নয়, রাজনৈতিক কারণে এই দাবি উত্থাপন হচ্ছে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে এ দাবি দিচ্ছে না, এ দাবি দিচ্ছেন বিএনপির নেতারা। তকরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যই এই দাবি দিচ্ছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়ার যাতে সঠিক চিকিৎসা হয় সেজন্য সরকার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা দিতে বদ্ধপরিকর। যেকোনো ব্যবস্থা দেশের অভ্যন্তরে নিতে সরকার চায়। দেশের অনেক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন তারা কি বলেছেন। তারা কি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ চিকিৎসক দিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে খালেদা জিয়ার আসলে কি হয়েছে সেটা পরীক্ষা করার কথা সেটাতো তারা বলছেন না। তারা বলছেন বিদেশ পাঠিয়ে দিতে হবে। 

তিনি বলেন, বিএনপি শুধু নানা কথাবার্তা বলছেন, সভা সেমিনার করছেন। আর এ সভা সেমিনার করার একটি প্রতিযোগিতাও দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে। কারণ তাদের আবার পদ রক্ষা করতে হয়। দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের। এ কারণে কে কতো বেশি দৌড়াচ্ছেন এক্ষেত্রে। সেজন্য তারা আবার অনশন করছেন। এটি হচ্ছে বাস্তবতা। আমি বিএনপিকে অনুরোধ জানাবো খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে অসুস্থ রাজনীতি না করার জন্য। খালেদা জিয়াকে অসুস্থ রেখে তারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়। এতে করে খালেদা জিয়াকে অসম্মান জানানো হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়া নিয়ে সরকার রহস্যজনক আচরণ করছে বিএনপির এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির ভূমিকাই রহস্যজনক। আর সরকারের ভূমিকা অত্যন্ত স্পষ্ট। বাংলাদেশে যাতে খালেদা জিয়া সর্বোচ্চ চিকিৎসা পান সেটা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। দেশের সব বড় বড় চিকিৎসকদের নিয়ে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা করাতে সেটাও করতে চায় সরকার। কিন্তু তাদের ভূমিকা রহস্যজনক এজন্য যে, খালেদা জিয়া অসুস্থ হলে বিদেশ নিতে চায় এটিই আসলে রহস্যজনক।


আরও খবর

হেফাজত মহাসচিব লাইফ সাপোর্টে

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




হারিয়ে যাওয়া ফাইলগুলো তেমন গোপনীয় নয় : সচিব

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ৯০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের হারিয়ে যাওয়া ফাইলগুলো তেমন গোপনীয় নয় জানিয়ে এ বিভাগের সচিব মো. আলী নূর বলেছেন, ফাইল হারিয়ে যাওয়াটাই বড় বিষয়।

১৭টি ফাইল হারানোর পর রোববার (৩১ অক্টোবর) পুলিশের তদন্ত শুরুর দিন নিজ দপ্তরে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

ফাইলগুলো কী সংক্রান্ত ছিল—জানতে চাইলে সচিব বলেন, এগুলো ক্রয় সংক্রান্ত। এগুলো তেমন গোপনের কিছু নেই। প্রত্যেকটা ফাইলের তথ্য আমাদের অন্যান্য বিভাগেও আছে, আমাদের কম্পিউটারেও আছে, আমাদের ডিজি অফিসগুলোতেও আছে।

এটা নিয়ে তেমন সমস্যা না, কিন্তু মূল বিষয়টা হচ্ছে ফাইল মিসিং হওয়াটা। এটি হচ্ছে সবচেয়ে বড় বিষয়। এটিই উদ্ধারের চেষ্টা করছি।

১৭টি নথি গায়েব হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় শাহবাগ থানায় জিডি দায়ের করে, জানানো হয় সিআইডিকেও।

রোববার সকালে শাহবাগ থানা পুলিশ এবং সিআইডির সদস্যরা সচিবালয়ে এসে তিন নম্বর ভবনের নিচতলার ২৯ নম্বর কক্ষ থেকে আলামত সংগ্রহ করেন এবং সেখানে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৬ জন কর্মচারীকে নিয়ে যান তারা। 

নথি গায়েবের ঘটনায় মন্ত্রণালয়ের কাউকে সন্দেহ করেন কিনা—এমন প্রশ্নে সচিব বলেন, সন্দেহের বিষয়টা তো এখন বলাটা কঠিন। কারণ, আমরা তো সত্যিকারভাবেই আসলে জানি না, কে এই কাজটি করেছে। আমি তো মনে করি যে, আমরা সবাই সন্দেহের মধ্যেই আছি।

আমরা পুলিশকে সেভাবেই বলেছি, আপনারা সবাইকেই ইনক্লুড করবেন, যাতে আমরা তথ্যটা জানতে পারি, উদ্ধার করতে পারি।

সচিব আরও বলেন, বৃহস্পতিবার একটা লকারের একটা ড্রয়ার থেকে কিছু ফাইল মিসিং হয়েছে, এটা জানার পরে আমরা সাথে-সাথে আমাদের অফিসারদের সেখানে পাঠাই। পরে আমরা নিশ্চিত হলাম যে, মিসিং হয়েছে। এটা শোনার পর আমি স্পটে গিয়েছি। আমাদের অতিরিক্ত সচিবরা আমার সঙ্গে ছিলেন।

‘সঙ্গে সঙ্গে আমি পুলিশকে খবর দিলাম। এডিসিসহ আরও দুজন কর্মকর্তা আমাদের এখানে আসছেন। তারা বিষয়গুলো দেখেছেন। দেখার পর আমি তাৎক্ষণিকভাবে মন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করি, ক্যাবিনেট সচিব মহোদয়কে অবহিত করি এবং পুলিশকে প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।

সচিব বলেন, এর বাইরে সিআইডিকে অনুরোধ করি, বিষয়টা টেক আপ করার জন্য, যাতে আমাদের যে বিষয়টা ঘটে গেছে, এটাতো আমাদের উদ্ধার করতে হবে, যেভাবেই হোক। যারা এর সাথে জড়িত, এটা খুঁজে বের করতে হবে, কীভাবে হল, কখন হলো। এটাই ছিল আমাদের মূল বিষয়।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা চাই, প্রকৃত ঘটনাটা যেন আমরা জানতে পারি।

এ ঘটনায় চার সদস্যদের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে জানিয়ে সচিব বলেন, সেই কমিটিও কাজ শুরু করেছে। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই একটি তথ্য জানতে পারবো, কারা কীভাবে কাজটি করেছে এবং কেন করেছে।

এ ঘটনায় তদন্তে আসা সিআইডির পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান জানান, পুলিশের পাশাপাশি তারা ছায়া তদন্তের কাজটি করছেন।


আরও খবর



ভারতে করোনা হাসপাতালের আইসিইউতে আগুন, নিহত ১০

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৭৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের একটি করোনা হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত আরও একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এনডিটিভি জানায়, আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে আহমেদনগরের সিভিল হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডের যেটিতে আগুন লাগে সেখানে ১৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন।

আহমেদ নগরের জেলা কালেক্টর ডা. রাজেন্দ্র ভোসলে সাংবাদিকদের জানান, হাসপাতালের বাকি রোগীদের অন্য একটি হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভোসলে বলেন, ফায়ার সার্ভিস বিভাগের প্রাথমিক তদন্তে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, অগ্নিকাণ্ডের পর হাসপাতালের নিচতলা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আগুন নিভিয়ে ফেলার পর কিছু মানুষ ধীরে ধীরে হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডে ঢুকছেন। অগ্নিকাণ্ডে করোনা ওয়ার্ডের দেয়ালে কালো দাগ এবং সিলিং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অপর একটি ভিডিওতে রোগীদের উদ্ধারে মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালাতে দেখা গেছে চিকিৎসকদের। কয়েকজনকে বের করে আনতে সক্ষম হলেও অন্যদের আগুন থেকে রক্ষা করতে পারেননি তারা।

দেশটির সরকারি জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এ ঘটনায় অফিসিয়াল তদন্ত হবে। অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবার এবং স্বজনদের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। প্রত্যেক পরিবারকে সহায়তারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।



আরও খবর



অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নৌকাডুবে ৭৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ২২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৪৯জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

লিবিয়া উপকূল থেকে ইতালির উদ্দেশে যাত্রাকরা নৌকা-ডুবে ৭৫ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে আরও ১৫ জনকে। শনিবার (২০ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এমন তথ্য দিয়েছে। তবে মৃতদের মধ্যে বাংলাদেশি কেউ আছে কি না; সে তথ্য জানাতে পারেনি আইওএম।

এতে বলা হয়, গত সপ্তাহের শেষদিকে লিবীয় উপকূলে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে অনুপ্রবেশের সময় সাগরে নৌকা-ডুবে এই প্রাণহানি ঘটেছে। যাদের উদ্ধার করা হয়েছে, তাদেরকে লিবিয়ার জুওয়ারা বন্দরে নেওয়া হয়েছে। সাগরের মৎস্যজীবীরা তাদের উদ্ধার করেছেন।

শনিবার ভূমধ্যসাগর থেকে কয়েক ডজন শিশুসহ ৪২০ অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করেছে ইতালির কোস্টগার্ড। এক বিবৃতিতে দেশটির উপকূলরক্ষীরা বলছেন, সিসিলির দক্ষিণাঞ্চলের ছোট্ট দ্বীপ লাম্পাডুসায় মোটরবোটে ৭০ জনকে নিরাপদে আনা হয়েছে।

 


আরও খবর



রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে হারল বাংলাদেশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৮৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েন রস্টন চেইজ ও কাইরন পোলার্ড। দুজনে মিলে গড়েন ৩০ রানের জুটি। রানের গতি বাড়াতে পারলেন না কেউই

লক্ষ্যটা বেশি বড় নয়। জয়ের জন্য বাংলাদেশের চাই ১৪৩ রান। এই রান তাড়া করতে নেমে বেশ সাবধানী শুরু করে বাংলাদেশ। ধারাবাহিক ব্যর্থতার কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওপেনিংয়ে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। ওপেনিংয়ে মোহাম্মদ নাঈমের সঙ্গে আজ মাঠে নামেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু তাতেও সাফল্য আসেনি। শেষ পর্যন্ত ৩ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। তাই সেমির আশা শেষ হয়ে গেছে লাল-সবুজের দলের।

টস হেরে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪২ রান গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৩৯ রানে।

শারজাহতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় ১৮ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে দুই ওপেনারকে। তৃতীয় ওভারে ক্যারিবীয় ওপেনার এভিন লুইসকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের লেংথ ডেলিভারিটিকে উড়িয়ে মারেন লুইস। টাইমিং ঠিক হয়নি। ব্যাটের কানায় লেগে বল উপরে উঠে যায়। ক্যাচ নিয়ে লুইসকে (৬) ফেরার পথ দেখান মুশফিকুর রহিম।

লুইসের পর ক্রিস গেইলকে সাজঘরের পথ দেখান মেহেদী হাসান। নিজের কোটার দ্বিতীয় ওভার করতে এসে গেইলকে বোল্ড করেন তিনি। মেহেদীর করা রাউন্ড দা উইকেটে বল পা বাড়িয়ে উড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন গেইল। বল তাঁর ব্যাট-বলের ফাঁক দিয়ে চলে যায় স্টাম্পে। দুই ওপেনারকে হারিয়ে পাওয়ার প্লেতে ভালো করতে পারেনি ওয়েস্টি ইন্ডিজ।

নিজের তৃতীয় ওভার বল করতে গিয়ে আরেকটি উইকেট তুলে নেন মেহেদী। ফিরিয়ে দেন শিমরন হেটমায়ারকে। অবশ্য মেহেদীর সাধারণ বলই মোকাবিলা করতে গিয়ে গায়ের জোরে উড়িয়ে মারতে যান। লং অনে ক্যাচ হয়ে যায়। সেখানে থাকা সৌম্য ক্যাচ ধরে হেটমায়ারকে বিদায় করেন।

দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েন রস্টন চেইজ ও কাইরন পোলার্ড। দুজনে মিলে গড়েন ৩০ রানের জুটি। রানের গতি বাড়াতে পারলেন না কেউই। পরে আহত হয়ে সেচ্ছ্বায় মাঠ ছাড়েন তিনি। ১৬ বলে তিনি করেন কেবল ৮ রান।

টিকতে পারেননি মারকুটে ব্যাটসম্যান আন্দ্রে রাসেলও। তাসকিনকে স্ট্রেইট ড্রাইভ খেলতে চেয়েছিলেন রস্টন চেইজ। কিন্তু পারেননি। বল তাসকিনের পায়ে লাগে। পা দিয়েই ধাক্কা দিয়ে রানআউটে রাসেলকে বিদায় করেন তাসকিন। রানের খাতাও খুলতে পারেননি তিনি।

অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের হারিয়ে বেশ ধুঁকছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওই মুহূর্তে দলকে উদ্ধার করেন নিকোলাস পুরান। চেইজের সঙ্গে ভালো একটি জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাড়ায় রানের গতি। ওই জুটিতেই মূলত লড়াইয়ের রানের পুঁজি পায় কাইরন পোলার্ডের দল। অবশ্য এত রানও করতে পারতো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাঝে কয়েকবার ক্যাচ মিস করে চেইজ ও পুরানকে জীবন দেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। শেষ পর্যন্ত ৩৯ রান করেন চেইজ। আর ২২ বলে ৪০ রান করেন পুরান। শেষ দিকে ৫ বলে ১৫ রান করেন জেসন হোল্ডার।  

বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে ২৭ রানের বিনিময়ে দুই উইকেট নেন মেহেদী। দুই উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ইসলামও। সবচেয়ে বেশি ৪৩ রান দিয়ে মুস্তাফিজ পেয়েছেন দুটি উইকেট। উইকেট শূন্য ছিলেন সাকিব আল হাসান ও তাসকিন আহমেদ।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। এরপর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হারে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটি বাঁচা-মরার। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ—দুদলেরই আজ জয় ছাড়া বিকল্প নেই।


আরও খবর



বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন রাজকুমার রাও ও পত্রলেখা

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ | ১২১জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের পিঁড়ি তে বসছেন বলিউড তারকা জুটি রাজকুমার রাও ও পত্রলেখা।

সব কিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তাদের চার হাত এক হতে পারে। 

 পত্রলেখার সঙ্গে রাজকুমার রাওয়ের প্রেমের সম্পর্ক ১০ বছরের। পেশাগত জীবন নিয়েই ব্যস্ত দুজন। আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বরের মধ্যে তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, গুঞ্জন এবার সত্য হতে পারে। এখন বিয়ের কিছু আনুষ্ঠানিকতা নিয়েই নাকি ব্যস্ত তারা।

রাজকুমারকে প্রথম পর্দায় দেখেন পত্রলেখা দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত লাভ সেক্স অউর ধোঁকা ছবির মাধ্যমে।

সিনেমা দেখে পত্রলেখা ভেবেছিলেন, নেতিবাচক চরিত্রে এই অভিনেতা বাস্তবেও একই রকম। পরে ২০১৩ সালে সিটি লাইটস ছবির জন্য রাজকুমার রাওয়ের বিপরীতে পত্রলেখাকে ভাবা হলে রাজকুমারের সঙ্গে দেখা করতে সঙ্গে বড় বোনকে নিয়ে গিয়েছিলেন।

পত্রলেখা পরে অবাক হয়ে দেখলেন, মোটেও খারাপ নন রাজকুমার। সে একেবারেই অন্য এক মানুষ। বুঝলেন, ভালো অভিনয়শিল্পী রাজকুমার। তার পর কয়দিন হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা আদান-প্রদান করতে গিয়ে কখন, কীভাবে যে প্রেমটা হয়ে গেল, বলতে পারেন না কেউ।

রাজকুমার অবশ্য পত্রলেখাকে দেখেছিলেন একটি বিজ্ঞাপনে। মুগ্ধ হয়ে ঠিক করেছিলেন, পত্রলেখাকে বিয়ে করবেন। প্রথম পরিচয় প্রসঙ্গে কথাগুলো জানিয়েছিলেন পত্রলেখা।  


আরও খবর