
ইউক্রেন যুদ্ধের
কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক প্রভাব এবং ভূরাজনৈতিক বড় পরিবর্তনের মধ্যেই আজ শুরু হচ্ছে পাঁচ
জাতির অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসের সম্মেলন। বড় কোনো প্রত্যাশা বা ধুমধাম ছাড়াই বৃহস্পতিবার
ভার্চুয়ালি শুরু হচ্ছে এই সম্মেলন।
বৃহস্পতিবার
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইন জানিয়েছেন, টানা তৃতীয়বারের মতো ভার্চুয়ালিই বসছে
এই সম্মেলন। করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর ভার্চুয়ালি সম্মেলন হয়েছিল। তবে এই বছরও
কেন সরাসরি সম্মেলন না করে ভার্চুয়ালি করা হচ্ছে তা পরিষ্কার না।
যুক্তরাষ্ট্র,
জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের মধ্যকার কৌশলগত নিরাপত্তা জোট কোয়াড এর বিপরীত জোট
হিসেবে ব্রিকসকে বিবেচনা করা হয়। ব্রাজিল, রাশিয়া, ইন্ডিয়া, চায়না ও সাউথ আফ্রিকা-এই
পাঁচ দেশের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে ব্রিকস নামে এই জোট গঠিত হয়।
গত মাসে জাপানে
কোয়াডের সম্মেলন হয়েছে এবং বিশ্বের প্রধান প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলোর চোখ ছিল সম্মেলনের
দিকে। সেই তুলনায় ব্রিকসের সম্মেলন নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা বা হৈ চৈ নেই।
এই ব্যাপারে
কয়েকজন বিশ্লেষক বলেছেন, বছরের পরিক্রমায় বিকস যে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি সম্মেলনে
ধুমধাম না থাকা তারই প্রমাণ যেন। ২০০৯ সালে যখন এই জোট তৈরি হয় তখন প্রত্যাশা ছিল,
এটি বিশ্ব অর্থনীতিকে নতুন আকার দেবে বা ঢেলে সাজাবে এবং উন্নয়নশীল বিশ্বকে সাহায্যে
জোটটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করবে। এখন এর সাফল্য মধ্যপন্থি বলা যেতে পারে,
তবে এর গুরুত্ব খুব বেশি নেই।
ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত
পাঁচ দেশের মোট জনসংখ্যা ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন এবং দেশগুলোর মোট জিডিপি ২৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন
ডলারের চেয়ে বেশি।

