Logo
শিরোনাম

কোনো ধুমধাম ছাড়াই শুরু হচ্ছে ব্রিকস সম্মেলন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৪জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক প্রভাব এবং ভূরাজনৈতিক বড় পরিবর্তনের মধ্যেই আজ শুরু হচ্ছে পাঁচ জাতির অর্থনৈতিক জোট ব্রিকসের সম্মেলন। বড় কোনো প্রত্যাশা বা ধুমধাম ছাড়াই বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি শুরু হচ্ছে এই সম্মেলন।

বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইন জানিয়েছেন, টানা তৃতীয়বারের মতো ভার্চুয়ালিই বসছে এই সম্মেলন। করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর ভার্চুয়ালি সম্মেলন হয়েছিল। তবে এই বছরও কেন সরাসরি সম্মেলন না করে ভার্চুয়ালি করা হচ্ছে তা পরিষ্কার না।

যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং ভারতের মধ্যকার কৌশলগত নিরাপত্তা জোট কোয়াড এর বিপরীত জোট হিসেবে ব্রিকসকে বিবেচনা করা হয়। ব্রাজিল, রাশিয়া, ইন্ডিয়া, চায়না ও সাউথ আফ্রিকা-এই পাঁচ দেশের নামের আদ্যক্ষর নিয়ে ব্রিকস নামে এই জোট গঠিত হয়।

গত মাসে জাপানে কোয়াডের সম্মেলন হয়েছে এবং বিশ্বের প্রধান প্রধান সংবাদমাধ্যমগুলোর চোখ ছিল সম্মেলনের দিকে। সেই তুলনায় ব্রিকসের সম্মেলন নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা বা হৈ চৈ নেই।

এই ব্যাপারে কয়েকজন বিশ্লেষক বলেছেন, বছরের পরিক্রমায় বিকস যে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি সম্মেলনে ধুমধাম না থাকা তারই প্রমাণ যেন। ২০০৯ সালে যখন এই জোট তৈরি হয় তখন প্রত্যাশা ছিল, এটি বিশ্ব অর্থনীতিকে নতুন আকার দেবে বা ঢেলে সাজাবে এবং উন্নয়নশীল বিশ্বকে সাহায্যে জোটটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করবে। এখন এর সাফল্য মধ্যপন্থি বলা যেতে পারে, তবে এর গুরুত্ব খুব বেশি নেই।

ব্রিকসের অন্তর্ভুক্ত পাঁচ দেশের মোট জনসংখ্যা ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন এবং দেশগুলোর মোট জিডিপি ২৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের চেয়ে বেশি।


আরও খবর



চাল-ডালে হৈ চৈ ডিমে উত্তাপ

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৭৫জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কয়েকমাস ধরে অস্বাভাবিক চড়া নিত্যপণ্যের বাজার। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। তেল-আটা-ময়দার পর এবার অস্থিরতা দেখা দিয়েছে চালের বাজারেও। যেন নৈরাজ্য চলছে চাল-ডাল-ডিমসহ নিত্যপণ্যের বাজারে। উৎপাদন বন্ধ করে যে যেভাবে পারছেন ধান মজুদ করছেন। ঘাটতির অজুহাতে বাড়ানো হচ্ছে চালসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দর। এখনই এর লাগাম টানতে না পারলে সামনে ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, নওগাঁ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন একটি চালকলে এখনো পুরাতন চাল পাওয়া যাচ্ছে। মূলত এটি নামেই চালকল, বছরজুড়ে এখানে চলে মজুদদারি। সূত্র মতে, নতুন করে চলতি মৌসুমের ধান মজুদ হচ্ছে চালকলটিতে। পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, দেশের চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতেন মিল মালিকরা। এখন তাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৭-৮টি করপোরেট প্রতিষ্ঠান যোগ হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান যোগসাজশ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রায় প্রতিদিনই বাড়াচ্ছে চালের দাম।

বাংলাদেশ হাসকিন মিল মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, বোরোর মৌসুমে দেশে সব সময় চালের দাম কমে। কখনো দেখিনি চালের দাম বেড়েছে। এবার তা দেখতে হচ্ছে। তিনি জানান, বড় কিছু কোম্পানি ধান-চালের অবৈধ মজুদ গড়ে তুলছেন। এ কারণে বাজারে চালের দাম বাড়তি। পাইকারি বাজারের চেয়ে খুচরা বাজারে সব ধরনের চাল আরো ৫-৬ টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, পাইকারি বাজারে ঘণ্টায় ঘণ্টায় চালের দাম বাড়ানো হয়। এদিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলেন, এর আগে তো মিলাররা ছিল, তারা মজুদ করে দাম তেমন একটা বাড়াত না। যেভাবেই হোক সরবরাহ নিশ্চিত করত। এখন চালের মৌসুমেও সরবরাহ নিশ্চিত নয়। বর্তমানে ৫০ শতাংশেরও কম চাল সরবরাহ হচ্ছে। তারা বলেন, এখন বড় বড় কোম্পানির হাতে চলে যাওয়ায় মাঝারি আকারের যেসব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ছিল, তা বন্ধ হয়ে গেছে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো এসে এমন অবস্থা করেছে যে এমন পরিস্থিতি বিগত ৩৫ বছরের ইতিহাসে আমরা দেখিনি। বাজার নিয়ন্ত্রণে মিল পর্যায়ে এখনই কঠোর নজরদারি করা না গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের।

এ ব্যাপারে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার প্রশ্ন রেখেছেন, বাজারে এখনো পুরোনো চাল বিক্রি হচ্ছে। তাহলে নতুন ধান কোথায় যাচ্ছে? মন্ত্রীর এ বক্তব্যের মধ্য দিয়েও ইঙ্গিত মেলে দেশের বিভিন্ন বড় বড় চাতাল মালিক, ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার আশায় চাল মজুদ করছে। তবে এ তালিকায় বেশ কিছু বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানও যুক্ত হয়েছে। অপরদিকে মিলগেটে বেশি দামেও মিলছে না জিরাশাইল, কাটারি, নাজিরশাইল চাল। ফায়দা লুটতে দেশের করপোরেট হাউসগুলো ধান-চালের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় চালকল মালিকদের। মোকামগুলোতে সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ কেজির বস্তায় চালের দর বেড়েছে আড়াইশ থেকে তিনশ টাকা পর্যন্ত।

জানা গেছে, গত কয়েক মাসে দফায় দফায় চালের দাম বেড়েছে। এ মূল্যবৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট। বেশ কিছু করপোরেট প্রতিষ্ঠান ও মিল মালিকদের যোগসাজশে হু হু করে চালের দাম বাড়ছে। এক রাতেই রাজধানীতে পাইকারি পর্যায়ে কেজিতে সরু ও মোটা চালের দাম ৩-৭ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি কেজি মিনিকেট ৬৩ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৮ টাকা করেছে। ব্রি ২৮ চালের নতুন দাম ৪৮-৫৫ টাকা। এছাড়া দিনের পর দিন ধরনা দিয়েও চাল না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন পাইকার ও খুচরা বিক্রেতারা।

রাজধানীর কাওরান বাজারের আল্লাহর দান রাইস এজেন্সির মালিক ও পাইকারি চাল বিক্রেতা মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মিল থেকে প্রতি সপ্তাহে বাড়তি দরে চালের রেট দেয়া হচ্ছে। কিন্তু বোরো মৌসুমে এমন দাম বাড়ার চিত্র কখনো দেখিনি। এবারই প্রথম দেখলাম। মিল মালিকরা আগে দাম নিয়ে কারসাজি করলেও তাদের সঙ্গে বড় কিছু কোম্পানি যোগ হয়েছে। তারা ধান কিনে মজুদ করায় বাজারে কিছুটা ধানের সংকট হয়েছে। সেই অজুহাতে মিলাররা চালের দাম বাড়িয়েছে।

নওগাঁ ধান ও চাল আড়তদার সমিতির সভাপতি নিরোদ বরণ সাহা চন্দন বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে খাদ্য সংকট তৈরি হবে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে। যে কারণে অনেকেই ভাবছেন আমাদের দেশে চালের ক্রাইসিস তৈরি হবে। সে কারণে অনেকেই অবৈধ মজুদ করছেন। এ ধরনের অবৈধ মজুদদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ধান উৎপাদন মৌসুমে চালের বাজার অস্থির। কিন্তু এটা হওয়ার কথা ছিল না। কেন এমন পরিস্থিতি হয়েছে তা বের করতে হবে। বিশ্ববাজারের সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা যাতে চালের বাজার অস্থির করতে না পারেন সেদিকে নজর রাখতে হবে। কোনো অনিয়ম পেলে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

জানতে চাইলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মিল থেকে শুরু করে পাইকার ও খুচরা বিক্রেতাদের বেচাকেনার রসিদ দেখা হচ্ছে। অনিয়ম পেলে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেয়া হবে। ভরা মৌসুমে বাড়ছে চালের দাম। এক মাসের ব্যবধানে মান ভেদে প্রতি কেজি চালের দাম ৫-১৫ টাকা বেড়েছে।

এমন অবস্থায় নিজ কার্যালয়ে বৈঠকে চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে অ্যাকশনে যেতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কেউ অবৈধভাবে চাল মজুদ করলে ব্যবস্থা নেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার বিষয় মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, চাল ও তেল নিয়ে মার্কেট সার্ভে করে দ্রুত অ্যাকশনে যেতে বলা হয়েছে। তেলের মতো চাল ইস্যুতেও অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। মজুদ করলে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এর আগে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় চালের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারও। ওই দিন খাদ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ধান কিনে মজুদ করার অসুস্থ প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে। সবাই প্রতিযোগিতা করে ধান কিনছে, ভাবছে ধান কিনলেই লাভ। এ অসুস্থ প্রতিযোগিতা ভালো পরিণতি আনবে না। অধিকাংশ মিল মালিক বাজার থেকে ধান কিনলেও তারা উৎপাদনে যাচ্ছেন না। বাজারে নতুন চাল এখনো আসছে না। এখন বাজারে যে চাল পাওয়া যাচ্ছে তা গত বছরের পুরোনো। তাহলে নতুন ধান যাচ্ছে কোথায়? এ অবস্থা চলতে দেয়া হবে না। কে কত পরিমাণ ধান কিনছেন এবং কে কত পরিমাণ চাল ক্রাশিং করে বাজারে ছাড়ছেন তা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের রিপোর্ট আকারে পাঠানোর কথা বলেন মন্ত্রী।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, হাওরে বন্যায় ৮০ হাজার টন চাল নষ্ট হওয়ার পরও এবার বোরো মৌসুমে ২ কোটি ৭ লাখ টনের ওপরে চাল উৎপাদিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) বৈশ্বিক দানাদার খাদ্যশস্য উৎপাদনবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে গত বছরের তুলনায় এ বছর দেড় লাখ টন চাল বেশি উৎপাদন হবে। এমন চিত্রের পরও বাজারে চালের দাম বাড়ছে। এদিকে চাল-তেল-আটার পর এবার অস্থিরতা দেখা দিয়েছে ডালের বাজারেও। মাসের ব্যবধানে কেজিতে দাম বেড়েছে ২৫ টাকা। নিত্যপণ্যের ধারাবাহিকভাবে দাম বৃদ্ধিতে ক্রয়ক্ষমতা হারাচ্ছেন সীমিত আয়ের মানুষ। দাম বৃদ্ধির জন্য পাইকার ও আমদানিকারকদের দুষছেন খুচরা বিক্রেতারা। পাইকাররা বলছেন, বিশ্ববাজারে যে নৈরাজ্য চলছে তার প্রভাব পড়ছে স্থানীয় মোকামে।

কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, রাশিয়া ইউক্রেইনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি হয় ডাল। ব্যবসায়ীরা বলছেন, যুদ্ধের প্রভাবে বেড়েছে জাহাজ ভাড়া, সঙ্গে ডলারের উচ্চমূল্য, তাই আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় অস্থির ডালের বাজার। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা দুষছেন পাইকারদের। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে, মোটা মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০ টাকা। দেশি ও নেপালি সরু দানার মসুর ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, যা মাসখানেক আগেও পাওয়া যেত ২০ টাকা কমে। শুধু মসুর নয়, দাম বাড়ার তালিকায় আছে মুগ, ডাবলি, বুটসহ অন্যান্য ডালও। বাড়তি এই দাম পকেট কাটছে ক্রেতাদের।

টিসিবির পরিসংখ্যান বলছে, গত এক বছরে মোটা মসুর ডালের দাম বেড়েছে ৫৩ শতাংশ, আর মাঝারি ৪১ শতাংশ এবং ছোট দানা ২১ শতাংশ। অ্যাংকর ও ডাবলির দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০ শতাংশ। এদিকে, বাজার নিয়ন্ত্রণে ৫ হাজার টন মসুর ডাল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সব পণ্যের দাম যখন বাড়ছে তখন থেমে নেই ডিমের বাজারও। কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দফায় দফায় বেড়েছে ডিমের দাম। রাজধানীর খিলক্ষেত, ভাটারা, সোলমাইদ, নতুন বাজার, বাড্ডাসহ বেশ কিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহ ব্যবধানে ডজনপ্রতি দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৩৫ টাকায়। এক সপ্তাহ আগেও ডিমের ডজন ছিল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা। আর ৪৫ টাকা হালি হিসেবে বিক্রি হচ্ছে দোকানগুলোতে। সপ্তাহের ব্যবধানে লাল ডিম ডজনপ্রতি ১১০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৩০ টাকা। হাঁসের ডিম ১৩০ টাকা থেকে ১৬০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। দেশি মুরগির ডিমে যেন আগুন। ১৭০ টাকা ডজন থেকে এখন ১৯০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

ছোলমাইদ এলাকার বাসিন্দা শরীফ শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাছ-মাংসের দাম বেড়ে গেছে। এরপর আবার ডিমের দামও বাড়ল। এক হালি ডিম কিনেছি ৪৫ টাকায়। অল্প টাকা বেতনে ঢাকায় থাকাই এখন দায় হয়ে গেছে। উৎপাদন কিংবা সরবরাহে ব্যাঘাত না ঘটলেও তবুও ডিমের দাম বাড়ায় হতাশ নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা। ডিমের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, কম চাহিদার মৌসুমে এতদিন তারা ডিমে যে পরিমাণ লোকসান গুনেছেন, এখন দাম বাড়িয়ে তার কিছুটা হলেও সমন্বয়ের চেষ্টা করছেন। এদিকে কোরবানির ঈদের অজুহাতে মসলার বাজারেও অস্থিরতা দেখা গেছে।


আরও খবর

ঈদ ঘিরে পণ্যের বাড়তি দর

সোমবার ২৭ জুন ২০২২




জায়েদ অনেক ভালো ছেলে: মৌসুমী

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

চিত্রনায়ক ওমর সানি ও জায়েদ খানের মধ্যকার চড়-পিস্তল ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে ঢালিউডে। স্ত্রী চিত্রনায়িকা মৌসুমীর সঙ্গে খারাপ আচরণ ও তাকে বিরক্ত করায় গত শুক্রবার (১০ জুন) জনপ্রিয় খল অভিনেতা ডিপজলের ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে জায়েদ খানকে চড় মেরেছেন নায়ক ওমর সানী। বিপরীতে জায়েদ পিস্তল বের করে তাকে গুলির হুমকি দেন বলে জানা গেছে।

তবে ঘটনাটি অস্বীকার করেছেন জায়েদ খান। তিনি জানিয়েছেন, এমন কিছুই সেদিন ঘটেনি। শত্রুতা করেই এসব রটানো হচ্ছে। যার ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটনা সেই খল অভিনেতা ডিপজলও বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। এরইমধ্যে শিল্পী সমিতিতে গিয়েও জায়েদ খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন ওমর সানী।

এবার বিষয়টি নিয়ে বোমা ফাটালেন যাকে কেন্দ্র করে ঘটনা তিনি, ওমর সানীর স্ত্রী নায়িকা মৌসুমী।

গণমাধ্যমকে এই চিত্রনায়িকা বলেন, আমি মনে করি আমার প্রসঙ্গটা টানার কোনো প্রয়োজন ছিল না। আমি জায়েদকে অনেক স্নেহ করি। ও আমাকে যথেষ্ট সম্মান করে। আমাদের মধ্যে যতটুকু কাজের সম্পর্ক, সেটা খুবই ভালো একটা সম্পর্ক। সেখানে ও আমাকে অসম্মান করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আর ওর মধ্যে গুণ ছাড়া এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে এমন কিছুই দেখিনি আমি। তারপর বলব ও অনেক ভালো ছেলে। সে কখনই আমাকে অসম্মান করেনি।

মৌসুমী বলেন, কেন এই প্রশ্নটা বারবার আসছে, সে আমাকে বিরক্ত করছে-উত্ত্যক্ত করছে। জানি না এটা কেন হচ্ছে। এটা যদিও একান্ত আমাদের ব্যক্তিগত সমস্যা। সে সমস্যা আমাদের পারিবারিকভাবেই সমাধান করা দরকার ছিল।

এই নায়িকা বলেন, আমি মনে করি, এখানে জায়েদের খুব একটা দোষ আমি পাইনি। আরেকটা কথা বলতে চাই, আমাকে ছোট করার মধ্যে আমাদের... যাকে আমরা অনেক শ্রদ্ধা করে আসছি সেই ওমর সানী কেন এত আনন্দ পাচ্ছেন- সেটা আমি বুঝতে পারছি না। আমার কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই আমার সঙ্গে সমাধান করবে, সেটিই আমি আশা করি।


আরও খবর

২৭ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন মীর!

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২

বড় পর্দায় বাম-কংগ্রেস সন্ত্রাস

শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২




৬০ কি. মি. বেগে ঝড়ের আভাস

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৫০জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

দেশের ১৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই সে সব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ১ নস্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুন) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন- রাজশাহী, পাবনা, রংপুর, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে মৌসুমী বায়ুর অক্ষ বিহার, পশ্চিম বঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তরপূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামোটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে রয়েছে মাঝারি অবস্থায়।

এ অবস্থায় রোববার (২৬জুন) সকাল পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের দু'এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কি.মি.। আগামী তিন দিনের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে।

শনিবার বেলা ১১টা থেকে আগের ২৪ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে তেঁতুলিয়ায়, ৫৪ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর



বিশ্বে দ্রুত বাড়বে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন

Image

ইউক্রেনে রাশিয়ার বিশেষ সেনা অভিযানের পর থেকে নড়েচড়ে বসেছে ইউরোপ। নতুন করে সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ন্যাটোতে যোগ দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। সবমিলিয়ে দেখা দিয়েছে নিরাপত্তার শঙ্কা। এর মাঝে কয়েকবার রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমারা পরমাণু যুদ্ধের কথাও তুলেছে জোরেসোরে।

এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্রের মজুদ দ্রুতই বাড়বে বলে মনে করছে স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট (এসআইপিআরআই)। সংস্থাটির দাবি, বর্তমানে চলমান বৈশ্বিক সঙ্কটের কারণেই দ্রুত বাড়বে পরমাণু অস্ত্রের পরিমাণ।

 গেল বছর বিশ্বে ১২ হাজার ৭০৫টি পারমাণবিক ওয়ার হেড ছিল। সংস্থাটির ধারণা, এ বছর স্নায়ুযুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বে বাড়বে পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা। এসআইপিআরআই বলেছে, রাশিয়া প্রকাশ্যেই ইউক্রেনে পরমাণু হামলার সম্ভাব্যতার কথা হুমকি দিয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: পরমাণু অস্ত্র

আরও খবর



বিশ্ব শান্তি সূচকে ৭ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

বৈশ্বিক শান্তি সূচকে ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌(জিপিআই) ২০২২ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৬তম। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) তৈরি বিশ্ব শান্তির সূচকে বাংলাদেশের এই অবস্থান জানানো হয়।

গত বছর অবশ্য একই সূচকে ৯৭ তম অবস্থান থেকে সাত ধাপ এগিয়ে ৯১তম অবস্থানে উঠে এসেছিল বাংলাদেশ। বুধবার অস্ট্রেলিয়ার এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান বৈশ্বিক শান্তি সূচক-২০২২ প্রকাশ করে। সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ।

সংবাদমাধ্যম বলছে, বুধবার প্রকাশিত সূচকের ১৬তম সংস্করণে শান্তির দিক থেকে বাংলাদেশকে মধ্যম বিভাগে রাখা হয়েছে। সূচকে বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে তার অবস্থানের উন্নতি করলেও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এর অবস্থানের অবনতি হয়েছে।

বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ। শান্তির সূচকে ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের ওপরে রয়েছে বাংলাদেশ। এছাড়া ভুটান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের ওপরে। আরও স্পষ্ট করে বললে গত বছর বাংলাদেশের দখলে থাকা স্থানটিতে চলতি বছর জায়গা পেয়েছে শ্রীলঙ্কা।

অস্ট্রেলিয়ার ওই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে যে, দক্ষিণ এশিয়ায় গত এক বছরে সব অঞ্চলের মধ্যে শান্তিতে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে। তবে এরপরও এটি সামগ্রিকভাবে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন শান্তিপূর্ণ অঞ্চল রয়ে গেছে।

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে নাম রয়েছে ভুটানের। অন্যদিকে বৈশ্বিকভাবে এই দেশটির অবস্থান ১৯তম। এছাড়া এই দেশটি ইউরোপ, এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর আমেরিকার বাইরে জিপিআই-তে সর্বোচ্চ র‌্যাংকযুক্ত দেশ।

অন্যদিকে চলতি বছর বাংলাদেশের জায়গায় এসেছে শ্রীলঙ্কা। জিপিআইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যান বিবেচনায় নেওয়ার কাট-অফ তারিখের পর শ্রীলঙ্কায় অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক সংঘাত ঘটেছে। তবে এর আগেই সামগ্রিক স্কোরে ৩.৬ শতাংশ উন্নতি করে ৯০তম অবস্থানে চলে আসে শ্রীলঙ্কা।

এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর মধ্যে বৈশ্বিক শান্তি সূচকে নেপাল ৭৩তম অবস্থানে, ভারত ১৩৫তম অবস্থানে এবং পাকিস্তান রয়েছে ১৪৭তম অবস্থানে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) তৈরি বিশ্ব শান্তির সূচকে বাংলাদেশ ২০২২ সালে ২.০৬৭ স্কোর করেছে। অন্যদিকে গত বছর এই স্কোর ছিল ২.০৬৮। মূলত কোনো দেশের স্কোর যত কম হয়, সেই দেশ তত শান্তিময়।

বুধবার প্রকাশিত সূচকের ১৬তম সংস্করণে ১৬৩টি স্বাধীন রাষ্ট্র ও অঞ্চলকে তাদের শান্তির স্তর অনুসারে পরিমাপ করে তালিকায় স্থান দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান।


আরও খবর