Logo
শিরোনাম

কোনোদিন অভিনেত্রী হতে চাননি পাওলি দাম

প্রকাশিত:সোমবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৪ মার্চ ২০২১ | ৫৪জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

টালিউড ও বলিউডের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী পাওলি দাম। অভিনয়ের জন্যই যেন তার জন্ম। তার সাবলীল অভিনয় অনায়াসেই দর্শকের মনজয় করে নেয়। জানেন কী? সেই পাওলি নাকি কোনোদিন অভিনেত্রী হতে চাননি! বিষয়টি অবাক লাগলেও সত্যি। ছোটবেলায় পাওলির স্বপ্ন ছিল একজন পাইলট হওয়ার। এখানেই শেষ নয় তিনি বিমানবাহিনীর একজন পাইলট হতে চেয়েছিলেন। যেন শত্রুর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে পারেন।

এছাড়া দেশের হয়ে ক্রীড়াঙ্গনে অংশ নেওয়ার স্বপ্নও বুনতেন হেইট স্টোরি খ্যাত অভিনেত্রী। কিন্তু ভাগ্য তাকে একজন অভিনেত্রী করে। বাঙালি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে পাওলি টেলিভিশন মিডিয়ায় কাজ শুরু আগে পড়াশোনায় ভীষণ মনযোগী ছিলেন।

শুধু বড় বাজেটের ছবিই নয়। তিনি অনেক তরুণ নির্মাতার কম বাজেটের ছবিতে অভিনয় করেও প্রশংসিত হয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: পাওলি দাম
Share

আরও খবর



বঙ্গবন্ধু টানেলের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৪৩জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান, চীনের সুদক্ষ প্রকৌশলীদের তত্ত্ববধানে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণ কাজ। গত বছরের নভেম্বর মাসেই টানেলের পতেঙ্গা

আলোচিত মেগা উন্নয়ন প্রকল্প এবং দেশের প্রথম কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের কাজ ৬৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।

চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ হয়ে নদীর ওপারে আনোয়ারা পর্যন্ত একটি টিউব পরিপূর্ণভাবে স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় টিউব স্থাপনের কাজও চলতে দ্রুত গতিতে।

অপরদিকে, স্থাপন সম্পন্ন হওয়া টিউবের ভিতর দিয়ে এখন চলছে পিচঢালা সড়ক নির্মাণের কাজ। এই টানেলের দুটি টিউবে নির্মিত হবে ৪ লেনের সড়ক। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিতর দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল শুরু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেলের প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান, চীনের সুদক্ষ প্রকৌশলীদের তত্ত্ববধানে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণ কাজ। গত বছরের নভেম্বর মাসেই টানেলের পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত প্রথম টিউব স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়। একই বছরের ডিসেম্বর মাস থেকেই আনোয়ারা প্রান্ত থেকে পতেঙ্গামুখী দ্বিতীয় টিউব স্থাপনের জন্য নদীর তলদেশে টিবিএম মেশিনের মাধ্যমে বোরিং কার্যক্রম চলছে।

অপরদিকে, স্থাপিত হওয়া প্রথম টিউবের ভিতর দিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে পিচঢালা সড়ক নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকল্পের প্রায় ৬৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক জানান, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে কাজের গতি কিছুটা শ্লথ থাকলেও বর্তমানে কাজে বাড়তি জনবল এবং অত্যাধুনিক নানা যন্ত্রপাতি, মেশিনারিজ সংযুক্ত করা হয়েছে। ফলে কাজের গতি বেড়েছে। আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কর্ণফুলী টানেলের ভিতর দিয়ে গাড়ি চলাচলের লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, টানেলকে ঘিরে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হবে।

৩ দশমিক ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘের মূল টানেলের সঙ্গে পতেঙ্গা এবং আনোয়ারা প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মিত হচ্ছে। সংযোগ সড়ক এবং টানেলের ভিতরের সড়ক হবে সর্বমোট ৪ লেনের। এর মধ্যে ওয়ানওয়ে একটি টানেলে সড়ক থাকবে দুই লেনের।

একটি টিউবের সড়ক দিয়ে আনোয়ারা থেকে পতেঙ্গা অভিমুখী এবং অপর টিউব দিয়ে পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা অভিমুখী যানবাহন চলাচল করবে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে প্রতিটি টিউব চওড়া ১০ দশমিক ৮ মিটার বা ৩৫ ফুট এবং উচ্চতা ৪ দশমিক ৮ মিটার বা প্রায় ১৬ ফুট। একটি টিউব থেকে অপর টিউবের পাশাপাশি দুরত্ব প্রায় ১২ মিটার। টানেলের প্রস্ত ৭০০ মিটার। এবং দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ৪০০ মিটার।

বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে ৪ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। বাকি ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা দিচ্ছে চীন সরকার। চীনের কমিউনিকেশন এবং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (সিসিসিসি) টানেল নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টানেল নির্মাণের কাজটি বাস্তবায়ন করছে।

Share

আরও খবর



বাংলাদেশে আসবেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ মার্চ ২০২১ | ৬৯জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন প্রত্যাশা করে জানিয়েছেন, শিগগিরই বাংলাদেশে আসবেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিনকেনের সঙ্গে ফোনালাপে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তিন দিনের সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। ওয়াশিংটনে অবস্থানরত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে করোনাভাইরাসের কারণে সরাসরি বৈঠক করতে না পেরে দুঃখ প্রকাশ করেন ব্লিনকেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফোনালাপে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে আরও গভীর করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। দুদেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী এবং বৈশ্বিক বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য তারা সম্মত হন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন আশাবাদ ব্যক্ত করেন, খুব শিগগিরই যুক্তরাষ্ট্রের সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বাংলাদেশ সফর করবেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিনকেনকেও বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন দেখতে এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব উপলক্ষে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: জো বাইডেন
Share

আরও খবর



বিত্তশালীদেরও শিক্ষাসহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৫০জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

শিক্ষার উন্নয়ন ও প্রসারে সরকারের নানা উদ্যোগের চিত্র তুলে ধরে এ ক্ষেত্রে বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্টের মাধ্যমে সারাদেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাসহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। আমরা শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর। এ ক্ষেত্রে বিত্তশালীরাও এগিয়ে আসবেন। আমাদের শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্ট ফান্ডে সহায়তা করবেন বা নিজ নিজ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহায়তা করবেন। নিজে যে প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশোনা করেছেন, সেটার উন্নয়নে ও সেখানকার শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এগিয়ে আসলেই তো হয়।

আজ রবিবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাসহায়তা ট্রাস্ট থেকে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপবৃত্তি, টিউশন ফি, ভর্তি সহায়তা ও চিকিৎসা অনুদান বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন।

শেখ হাসিনা বলেন, এক কোটি ৬৩ লাখ ৮০০ শিক্ষার্থীর মাঝে ৮৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার শিক্ষা সহায়তা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন ঘোষণা করছি। ২০১০ থেকে ২০২১ পর্যন্ত ৩৬৬ কোটি বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। করোনার মধ্যে এ বছরও এটি বন্ধ হয়নি। এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানাই।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট চায়নি এদেশের মানুষ শিক্ষিত হোক। ৯৬-এ আমাদের নেয়া উদ্যোগগুলো তারা বন্ধ করে দেয়।

গণভবন প্রান্ত থেকে এ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। বক্তব্য দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান প্রমুখ।


Share

আরও খবর



‘মুশতাকের মৃত্যুতে কারা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে কি-না তদন্ত করা হবে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৫৫জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

কাশিমপুর কারাগারে লেখক মুশতাকের মৃত্যুতে কারা কর্তৃপক্ষের গাফিলতি আছে কি-না, তা তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, মুশতাক আহমেদ বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানহানিকর লেখা লিখতেন। এ জন্য তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটা মামলা ছিল। সর্বশেষ ২০২০ সালে দায়ের হওয়া ডিজিটাল নিরাপত্তা মামলায় তিনি গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার মৃত্যুবরণ করেন। তবে তার মৃত্যুতে কারা কর্তৃপক্ষের কোনো গাফিলতি আছে কি-না তা তদন্ত করা হবে।


প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেপ্তার লেখক মুসতাক আহমেদ গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে মারা গেছেন।

কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জানান, সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মুসতাক আহমেদ কারাগারে মাথা ঘুরে পড়ে যান। দ্রুত তাকে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৮টা ২০ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ১১/২৫(১)(খ)/৩১/৩৫ মামলা রুজু ছিল। ২০২০ সালের আগস্ট মাস থেকে তিনি এ কারাগারে বন্দি ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ মে কার্টুনিস্ট কিশোরকে কাকরাইল ও লেখক মুসতাক আহমেদকে লালমাটিয়ার বাসা থেকে আটক করে র্যা বের একটি দল। এরপর তাদের রমনা থানায় হস্তান্তর করা হয়। ফেসবুকে সরকারবিরোধী পোস্ট দেয়ার অভিযোগে রমনা থানায় তাদের দুই জনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।

Share

আরও খবর



নামের আগে-পরে ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলোর বিশ্লেষণ

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ মার্চ ২০২১ | ৮৮জন দেখেছেন
Share
নিউজ পোস্ট ডেস্ক

Image

নামের আগে-পরে ব্যবহৃত আরবি শব্দগুলোর বিশ্লেষণশেষ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামের পর লেখা হয়- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

ধর্মীয় নেতা কিংবা ব্যক্তিত্বের নামের আগে বা পরে নানা ধরনের উপাধি লেখা হয়।

ব্যবহৃত উপাধিসমূহের কিছু অর্থ বুঝা যায়, আর কিছু উপাধি বা নামের আগে পরে থাকা শব্দের অর্থ অনেকই বুঝেন না; জানেন না। ক্ষেত্রবিশেষ এসব আবার সংক্ষেপেও লেখা হয়।

না জানা থেকে এগুলো পড়তে অনেকের ভুল হয়। কেননা, লেখার সময় সংক্ষেপণ রীতিসিদ্ধ হলেও পড়ার সময় কিন্তু সংক্ষেপণ রীতি সিদ্ধ নয়। বরং পড়ার সময় সংক্ষিপ্ত শব্দের বিস্তারিত রূপ পাঠ করাই হলো- নিয়মের কথা। নামের আগে-পরে ব্যবহৃত ওইসব শব্দের মাঝে রয়েছে-

সা., স., দ.

এ শব্দগুলো সংক্ষেপের যে কোনো একটি লেখা হয় শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামের পর। সা., স. অথবা দ. যেটাই লেখা থাকুক; পড়তে হবে- সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এর অর্থ, আল্লাহ তার (নবী মুহাম্মদ) ওপর রহমত ও শান্তি বর্ষণ করুক।

পরিভাষায় এ বাক্যের নাম দরুদ। তাই সংক্ষেপ করতে যেয়ে অনেক সময় দ. লেখা হয়। আবার প্রথম বর্ণ  হওয়ায় শব্দ সংক্ষেপ করে সা., কিংবা স. লেখা হয়। তবে বেশ আগে দ. লেখার প্রচলন থাকলেও বর্তমানে তা নেই বললেই চলে। এখন সবাই সা., অথবা স. লেখে থাকেন। 

তবে অভিজ্ঞ ইসলামি স্কলাররা এ বাক্যকে সংক্ষেপ করে লেখাকে পছন্দ করেন না। তারা সবসময় পূর্ণ বাক্য লেখার পক্ষপাতী।

আ.

এ শব্দসংক্ষেপ লেখা হয়ে থাকে শেষ নবী ব্যতীত অন্য সব নবীদের নামের পর। এর পূর্ণ রূপ হলো- আলাইহিস সালাম।  অর্থ, তার ওপর শান্তি বর্ষিত হোক।

রা., রাযি., রাজি. ও রাদি.

এ শব্দগুলোর যে কোনোটি লেখা হয়- সাহাবিদের নামের পরে। ইসলামের পরিভাষায় সাহাবি বলা হয়, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পর শেষ নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সান্নিধ্য লাভে ধন্য হয়েছেন এবং মুসলিম অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। এ শব্দ সংক্ষেপগুলোর পূর্ণরূপ একবচন পুরুষের ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহু, বহুবচন পুরুষের ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহুম, একবচন মহিলার ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহা, বহুবচন নারীর ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহুন্না এবং দ্বি-বচন পুরুষ-মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে রাযিয়াল্লাহু আনহুমা।  পূর্ণ বাক্যের অর্থ হলো- আল্লাহ তার অথবা তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন। 

র., রহ.

র., রহ. শব্দ দুটো সংক্ষেপ লেখা হয় নবী ও সাহাবি ব্যতীত বিশিষ্ট নেককার, পরহেজগার, মুত্তাকি মুসলিমদের মধ্যে যারা মারা গেছেন- তাদের নামের পর। পূর্ণ রূপ হলো-রাহমতুল্লাহি আলাইহি।  বাক্যটির অর্থ- তার ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।

দা. বা., মু. আ., হাফি.

এ শব্দসংক্ষেপগুলো লেখা হয়- বিশিষ্ট নেককার, পরহেজগার মুত্তাক মুসলিমদের মধ্যে যারা জীবিত আছেন- তাদের নামের পর। দা. বা.-এর পূর্ণ উচ্চারণ হলো- দামাত বারাকাতুহুম।  অর্থ- তার কল্যাণসমূহ স্থায়ী হোক। 

মু. আ.-এর পূর্ণ উচ্চারণ হলো- মুদ্দাযিল্লুহুল আলি।  অর্থ- তার মহান ছায়া আমার ওপর দীর্ঘ হোক। হাফি.-এর পূর্ণ উচ্চারণ হলো- হাফিযাহুল্লাহ।  অর্থ- আল্লাহ তার হেফাজত করুক।

মাও.

শব্দটি সংক্ষেপ লেখা হয় কওমি মাদরাসা থেকে তাকমিল বা দাওরায়ে হাদিস উত্তীর্ণ হয়েছেন অথবা আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল পাশ করেছেন তাদের নামের পূর্বে। এর পূর্ণ উচ্চারণ হলো- মাওলানা।  অর্থ- আমাদের কল্যাণকামী বন্ধু।

এভাবে নামের আগে-পরে ছাড়াও মুসলিম সভ্যতায় ব্যবহারিক জীবনে বেশ কিছু আরবি বাক্য খুব গুরুত্ব ও যত্নের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়। যেমন-

আলহামদুলিল্লাহ

কোনো শুভ সংবাদের আগে বা পরে এ বাক্যটি বলা হয়। যেমন, আলহামদুলিল্লাহ- আমি ভালো আছি। বাক্যটির অর্থ- সব প্রশংসা আল্লাহর।

ইন্নালিল্লাহ

ছোট-বড় যে কোনো অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতির শিকার হলে এ বাক্যটি বলা হয়। কোনো কিছু হারিয়ে গেলে বলতে হয়- ইন্নালিল্লাহ। আবার অনেক সময়, বিশেষতঃ কারো মৃত্যুর সংবাদ দেওয়ার সময় আরেকটু বড় করে বলা হয়- ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন। বাক্যটির অর্থ- আমরা সবাই আল্লাহর অধীন এবং আমরা সবাই তারই কাছে ফিরে যাব।

জাযাকাল্লাহ

ধন্যবাদ জানানোর জন্য এ বাক্যটি বলা হয়। এর অর্থ- আল্লাহ আপনাকে প্রতিদান দেবেন।

ইনশাআল্লাহ

ভবিষ্যতে কোনো কিছু করার ইচ্ছা ব্যক্ত করার আগে বা পরে এ বাক্যটি বলা হয়। যেমন- ইনশাআল্লাহ, আমি কাল আপনার সঙ্গে দেখা করব। অর্থ- যদি আল্লাহর ইচ্ছা হয়।

মাশাআল্লাহ

ভালো কোনো কিছু দেখলে এ বাক্য বলা হয়। যেমন- মাশাআল্লাহ, আপনার ছেলে খুব সুন্দর হয়েছে। মাশাআল্লাহ শব্দের অর্থ- আল্লাহ যেমন চেয়েছেন।

Share

আরও খবর

ভালোবাসা সম্পর্কে ইসলাম যা বলে

বুধবার ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২১

সরস্বতী পূজা আজ

মঙ্গলবার ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১